চট্টগ্রামে এখনো প্লাবিত ১১ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা, ঢলে বাড়ছে পানিচট্টগ্রামে বৃষ্টির তীব্রতা কমলেও বন্যা পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। এক সপ্তাহ ধরে জেলার ১১ উপজেলার বিভিন্ন এলাকা প্লাবিত রয়েছে। এরই মধ্যে সীমান্তের ওপারে উজান থেকে আসা ঢলে পানি বাড়ছে এ সব এলাকায়। এতে শুকনো খাবার, সুপেয় পানির অভাবে আছে পানিবন্দি মানুষ। এখনো ঠিক হয়নি কেরানীহাট-বান্দরবান মহাসড়ক।১২ জুলাই ২০২৬
অতিথিদের জন্য রান্নার সময় পাহাড়ধস, প্রাণ গেল গৃহবধূরকক্সবাজার সদরের কলাতলী ঝিরঝিরি পাড়ার মুজিবুর রহমানের বাসায় এসেছিল অতিথি। তাঁদের জন্য রান্না করছিলেন গৃহবধূ রোজিনা আক্তার। এ সময় পাহাড় ধসে রান্নাঘরটি মাটিচাপা পড়ে। এতে প্রাণ হারান রোজিনা।১২ জুলাই ২০২৬
পাহাড়ধসে লাশের সারি, দায় কি কেবলই বৃষ্টিরদুর্যোগ মোকাবিলায় এফএও-এর সহায়তায় কক্সবাজারে ‘ল্যান্ডস্লাইড আর্লি ওয়ার্নিং সিস্টেম (এলইডব্লিউএস)’ বা আগাম সতর্কবার্তা ব্যবস্থা চালুর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, যার মাধ্যমে পাঁচ দিন আগেই ভূমিধসের পূর্বাভাস পাওয়া সম্ভব।১০ জুলাই ২০২৬
বৃষ্টি কমবে, তবে মাটি নরম থাকায় আজও পাহাড়ধসের শঙ্কাগত চার দিন ধরে টানা অতিবৃষ্টির কারণে পাহাড়ি এলাকায় পাহাড়ধসের ঘটনা ঘটছে। আজও সেই শঙ্কা অব্যাহত আছে। আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, পাহাড়ি এলাকায় গত কয়েক দিনের তুলনায় আজ বৃষ্টি কিছুটা কম থাকতে পারে। কিন্তু টানা বৃষ্টিতে পাহাড়ের মাটি বেশ নরম হয়ে থাকায় অল্প বৃষ্টিতেই আজো পাহাড়ধস হতে পারে।১০ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজারে বন্যা-পাহাড়ধসে ঝরল ২২ প্রাণ, পানিবন্দি ৩ লাখটানা পাঁচ দিনের ভারী বর্ষণ ও উজানের ঢলে কক্সবাজারের চকরিয়া, মাতামুহুরী, পেকুয়া ও রামু উপজেলার বিস্তীর্ণ এলাকা প্লাবিত হয়েছে। মাতামুহুরী ও বাঁকখালী নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় অন্তত তিন লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।১০ জুলাই ২০২৬
দেশের ১০ পয়েন্টে বন্যা, সাজেকে আটকা ৬০০ পর্যটকপাহাড়ি ঢল ও টানা ভারী বর্ষণে দেশের দক্ষিণ-পূর্ব ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতির দ্রুত অবনতি হচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের সর্বশেষ তথ্যমতে, দেশের ১০টি পয়েন্টে নদ-নদীর পানি বিপৎসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।০৯ জুলাই ২০২৬
পাহাড়ধসে সড়ক যোগাযোগ ব্যাহত, প্লাবিত নিম্নাঞ্চলখাগড়াছড়িতে বৃহস্পতিবার চেঙ্গী ও মাইনী নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে জেলার বিভিন্ন নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এদিকে রাঙামাটির বিভিন্ন সড়কে পাহাড় ধসের রাঙামাটি-চট্টগ্রাম-বাঙালহালিয়া সড়কে সাময়িক যান চলাচল বন্ধ ছিল। তবে বন্ধ আছে খাগড়াছড়ি ও বান্দরবানের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা।০৯ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামে পঞ্চম দিনেও ভারী বৃষ্টিতে বিপর্যস্ত জনজীবনচট্টগ্রামে টানা পঞ্চম দিনের মতো ভারী থেকে অতি ভারী বৃষ্টিপাত অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) দুপুর পর্যন্ত নগরজুড়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। নগরীর পাশাপাশি পানিতে তলিয়ে গেছে বিভিন্ন উপজেলার বিস্তীর্ণ জনপদ। একই সঙ্গে বেড়েছে পাহাড়ধসের ঝুঁকি।০৯ জুলাই ২০২৬
কক্সবাজার-বান্দরবানে তিন স্থানে পাহাড়ধসে ৭ জনের মৃত্যুকক্সবাজার ও বান্দরবানে পাহাড়ধসে অন্তত সাতজনের মৃত্যু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৯ জুলাই) ভোররাতে পৃথক পাহাড়ধসে তাদের মৃত্যু হয়।০৯ জুলাই ২০২৬
রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফের পাহাড়ধসে মৃত ৫, মাটিচাপা অনেকেকক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা ক্যাম্পে পাহাড়ধসে পাঁচ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় একটি মাদ্রাসার ভেতরে অন্তত ৩০ শিশু আটকা পড়েছে। বুধবার (৮ জুলাই) দুপুরের দিকে ৫ নম্বর ক্যাম্পে এই ঘটনা ঘটে।০৮ জুলাই ২০২৬
চট্টগ্রামে পাহাড় ধসে দুই শিশুর মৃত্যুটানা ভারী বর্ষণে চট্টগ্রামে পৃথকস্থানে পাহাড় ধসের দুই শিশুর মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ১০টার দিকে সীতাকুণ্ড উপজেলার জঙ্গল সলিমপুরে একটি ঘরের ওপর মাটি ধসে ১০ মাস বয়সি মো. আশরাফুল ইসলাম তানভীরের মৃত্যু হয়। দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর পাঁচলাইশ থানার মেয়রগলির চশমা হিল এলাকায় পাহাড় ধসে এক শিশুর মৃত্যু হয়।০৮ জুলাই ২০২৬