ইরান বিপ্লবের পর কেমন ছিল সুন্নি-কমিউনিস্ট-সেক্যুলাররা১৯৭৯ সালের ইরানি বিপ্লব কেবল ইসলামপন্থীদের একক কোনো লড়াই ছিল না। শাহের পতন ঘটাতে বামপন্থী ও সেক্যুলার বা ধর্মনিরপেক্ষতাবাদীরাও কাঁধে কাঁধ মিলিয়েছিলেন। রাজতন্ত্রের পতন নিশ্চিত হওয়ার পর সবাই একটি নতুন ও স্বাধীন ইরানের স্বপ্ন দেখেছিলেন। কিন্তু আয়াতুল্লাহ রুহুল্লাহ খোমেনির নেতৃত্বে যখন ইসলামি প্রজাতন্ত্০১ এপ্রিল ২০২৬
ফ্রান্সের গ্রাম থেকে যেভাবে ইরানে ইসলামি প্রজাতন্ত্র প্রতিষ্ঠা করেন খোমেনি১৯৭৮ সালের শেষভাগ। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিস থেকে কিছুটা দূরেই এক শান্ত, প্রায় অচেনা গ্রাম নফল-লে শাতো। এখানে প্রতিদিন ভিড় জমছে সাংবাদিক, রাজনৈতিক কর্মী আর দূরদেশ থেকে আসা ইরানি প্রবাসীদের। কিন্তু এই ভিড় কোনো সাধারণ রাজনৈতিক নেতাকে ঘিরে নয়। এই গ্রামে বসেই নির্বাসিত এক ধর্মীয় নেতা দূরবর্তী একটি রাষ্ট০১ এপ্রিল ২০২৬
নেপথ্যের কারিগর থেকে সর্বোচ্চ নেতা: মুজতবাকেই কেন বেছে নিল ইরানতেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের নজিরবিহীন যৌথ বিমান হামলায় সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি নিহত হওয়ার পর এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে ইরান। এই সংকটকালীন পরিস্থিতিতে দেশের হাল ধরতে এবং ইসলামি বিপ্লবের ধারাবাহিকতা বজায় রাখতে ইরানের নতুন সর্বোচ্চ নেতা (সুপ্রিম লিডার) হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন০৪ মার্চ ২০২৬
খামেনির পতনের আন্দোলনের শুরু ৯৯-এ, শেষ কি ২৬-এগত ২৮ ডিসেম্বর জ্বালানি ভর্তুকি প্রত্যাহার ও অর্থনৈতিক সংকটের জেরে ইরানজুড়ে বিক্ষোভ শুরু হয়। বছরের শেষ সময়ে এসে সরকারের এই সিদ্ধান্ত যেন মানুষের ধৈর্যের বাঁধে শেষ আঘাত হানে। নিত্যপণ্যের আকাশছোঁয়া দাম আর রিয়ালের দরপতনে সাধারণ মানুষ আগে থেকেই দিশেহারা ছিল।১০ জানুয়ারি ২০২৬
প্রথম ক্রসফায়ার, সিরাজ সিকদার এবং বিচারহীনতার রাষ্ট্রীয় ব্লু-প্রিন্টআজ ২ জানুয়ারি। ক্যালেন্ডারের পাতায় দিনটি সাধারণ মনে হতে পারে, কিন্তু বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাস ও মানবাধিকারের দলিলে এটি একটি রক্তিম ও অস্বস্তিকর অধ্যায়।০২ জানুয়ারি ২০২৬
অগ্নিযুগের বিপ্লবী: বিনয় বাদল দীনেশদিনটি ছিল ৮ ডিসেম্বর, ১৯৩০। বিনয়, বাদল এবং দীনেশ সাহেবি পোশাকে সজ্জিত হয়ে রাইটার্স বিল্ডিংসে প্রবেশ করেন। তাঁদের মূল টার্গেট ছিলেন কারা বিভাগের ইন্সপেক্টর জেনারেল কর্নেল এন.এস. সিম্পসন, যিনি জেলের ভেতর রাজবন্দীদের ওপর অমানবিক নির্যাতনের জন্য কুখ্যাত ছিলেন।০৯ ডিসেম্বর ২০২৫
৬৩৪ বার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন ফিদেল কাস্ত্রোকিউবার সাবেক সিক্রেট সার্ভিস প্রধানের ভাষ্যমতে, ফিদেল কাস্ত্রো অন্তত ৬৩৪ বার মৃত্যুর মুখ থেকে ফিরে এসেছিলেন। পরিসংখ্যানটি পুরোপুরি নির্ভুল নাও হতে পারে। কিউবার এই আইকনিক নেতা সিআইএ-র কাছে প্রায় পৌরাণিক প্রতিপক্ষ হয়ে উঠেছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা উঠে-পড়ে লেগেছিল।২৫ নভেম্বর ২০২৫
রুশ বিপ্লব, মার্ক্স ও আল্লামা ইকবালরাশিয়াতে যখন ১৯১৭ সালে বিপ্লব ঘটল, তখন বহির্বিশ্ব তাৎক্ষণিকভাবে এর গভীরতা অনুধাবন করতে পারেনি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপক ডামাডোলের মধ্যে এটিকে অনেকেই আরেকটি সাধারণ ঘটনা হিসেবে গণ্য করেছিল। তবে ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে মুক্তির সংগ্রামে লিপ্ত দরিদ্র দেশগুলোর কাছে এই বিপ্লব এক নতুন দৃষ্টিকোণ এনে দেয়।০৭ নভেম্বর ২০২৫
১৯১৭-র রুশ বিপ্লব১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লবের মতো কিছু মানবজাতির ইতিহাসে আগে কখনো ঘটেনি। বিশ্বজুড়ে পুঁজিবাদের আপাত বিজয় ঘটছে। সেই ডামাডোলে একটি ঘটনা যেন ভুলেই গেছে সবাই। আমি এমন একটি বিষয়ের উপর জোর দিতে চাই। আর তা হোল ১৯১৭ সালের রুশ বিপ্লব। এই বিপ্লব ছিল মানবজাতির ইতিহাসে এক অভূতপূর্ব ঘটনা।০৭ নভেম্বর ২০২৫