গোপালগঞ্জে সংঘর্ষের ঘটনায় গত পাঁচ দিন কয়েক দফায় জারি করা কারফিউ ও ১৪৪ ধারা রবিবার রাত ৮টার পর থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে। স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে জনজীবন।
স্ট্রিম সংবাদদাতা

গোপালগঞ্জে সহিংসতার ঘটনায় পাঁচ দিন কারফিউ ও ১৪৪ ধারা কাটিয়ে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে জনজীবন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি শহরে খুলতে শুরু করেছে অন্য দোকানপাটও।
কয়েক দফা জারি করা ১৪৪ ধারা ও কারফিউ রবিবার (২০ জুলাই) রাত ৮টার পর থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে পরিস্থিতির। তবে শহর ও গ্রামের মানুষের মধ্যে রয়ে গেছে গ্রেপ্তারের আতঙ্ক।
এদিকে গোপালগঞ্জের ঘটনায় সোমবার (২১ জুলাই) সকালে এক সংবাদ সম্মেলন করেছে জেলা বিএনপি। বুধবার (১৬ জুলাই) হতাহতের ঘটনা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার কারণে ঘটেছে বলে দাবি করেছে তারা।

সোমবার শহর ঘুরে বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্যের উপস্থিতি দেখা গেছে। ছোট হোটেল, ফার্মেসিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান খুলেছে। তবে অনেকে ব্যবসায়প্রতিষ্ঠান বন্ধও রেখেছেন। রাস্তায় পেশাজীবীদের পাশাপাশি বাড়ছে সাধারণ মানুষের চলাচল। সরকারি দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খোলা হয়েছে, তবে সবখানে উপস্থিতি কম ছিল। মহাসড়ক ও শহরের সড়কে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক দেখা গেছে।
এর আগে বুধবার এনসিপির পদযাত্রা ঘিরে গোপালগঞ্জে দিন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই দিন গুলিতে চারজন ও পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা আরও একজনের মৃত্যু হয়। আহত হন পুলিশ, সাংবাদিকসহ শতাধিক মানুষ। ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা হয়েছে ৮টি। এতে আসামির সংখ্যা ৮ হাজার ৪০৮ জন। তবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩২১ জনকে।
সহিংসতার ঘটনায় এনসিপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের শত শত নেতা-কর্মী তাদের কর্মসূচিতে হামলা চালায়। পরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে।
এদিকে সোমবার সকালে গোপালগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ রফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্ব ঘোষিত সমাবেশ পণ্ড করার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠন শহরে প্রবেশের সব সড়ক অবরোধ করে। দায়িত্বরত সরকারি কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের মারপিট, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে ভীতির সৃষ্টি করে। হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও বিএনপি নেতাদের বেশ কয়েকটি তোরণ। সমাবেশ শেষে এনসিপি ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় অনেক লোক হতাহত হয়।
রফিকুজ্জামান বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কয়েকটা মামলা করেছে। এসব মামলায় কোনো নিরীহ, শান্তিপ্রিয় নাগরিককে হয়রানি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে অনুরোধ জানান।

গোপালগঞ্জে সহিংসতার ঘটনায় পাঁচ দিন কারফিউ ও ১৪৪ ধারা কাটিয়ে স্বাভাবিক হতে শুরু করেছে জনজীবন। নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের পাশাপাশি শহরে খুলতে শুরু করেছে অন্য দোকানপাটও।
কয়েক দফা জারি করা ১৪৪ ধারা ও কারফিউ রবিবার (২০ জুলাই) রাত ৮টার পর থেকে তুলে নেওয়া হয়েছে। ধীরে ধীরে উন্নতি হচ্ছে পরিস্থিতির। তবে শহর ও গ্রামের মানুষের মধ্যে রয়ে গেছে গ্রেপ্তারের আতঙ্ক।
এদিকে গোপালগঞ্জের ঘটনায় সোমবার (২১ জুলাই) সকালে এক সংবাদ সম্মেলন করেছে জেলা বিএনপি। বুধবার (১৬ জুলাই) হতাহতের ঘটনা জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার কারণে ঘটেছে বলে দাবি করেছে তারা।

সোমবার শহর ঘুরে বিভিন্ন পয়েন্টে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারীবাহিনীর উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সদস্যের উপস্থিতি দেখা গেছে। ছোট হোটেল, ফার্মেসিসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দোকান খুলেছে। তবে অনেকে ব্যবসায়প্রতিষ্ঠান বন্ধও রেখেছেন। রাস্তায় পেশাজীবীদের পাশাপাশি বাড়ছে সাধারণ মানুষের চলাচল। সরকারি দপ্তর ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে খোলা হয়েছে, তবে সবখানে উপস্থিতি কম ছিল। মহাসড়ক ও শহরের সড়কে বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল স্বাভাবিক দেখা গেছে।
এর আগে বুধবার এনসিপির পদযাত্রা ঘিরে গোপালগঞ্জে দিন সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এই দিন গুলিতে চারজন ও পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থা আরও একজনের মৃত্যু হয়। আহত হন পুলিশ, সাংবাদিকসহ শতাধিক মানুষ। ওই ঘটনায় এখন পর্যন্ত মামলা হয়েছে ৮টি। এতে আসামির সংখ্যা ৮ হাজার ৪০৮ জন। তবে গ্রেপ্তার করা হয়েছে ৩২১ জনকে।
সহিংসতার ঘটনায় এনসিপির পক্ষ থেকে অভিযোগ করা হয়েছে, আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের শত শত নেতা-কর্মী তাদের কর্মসূচিতে হামলা চালায়। পরে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের সঙ্গে।
এদিকে সোমবার সকালে গোপালগঞ্জে দলীয় কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জেলা বিএনপির আহ্বায়ক শরীফ রফিকুজ্জামান। তিনি বলেন, গোপালগঞ্জে এনসিপির পূর্ব ঘোষিত সমাবেশ পণ্ড করার উদ্দেশ্যে নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও তার সহযোগী সংগঠন শহরে প্রবেশের সব সড়ক অবরোধ করে। দায়িত্বরত সরকারি কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যদের মারপিট, গাড়ি ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করে ভীতির সৃষ্টি করে। হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করে সরকারি গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা ও বিএনপি নেতাদের বেশ কয়েকটি তোরণ। সমাবেশ শেষে এনসিপি ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ায় অনেক লোক হতাহত হয়।
রফিকুজ্জামান বলেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কয়েকটা মামলা করেছে। এসব মামলায় কোনো নিরীহ, শান্তিপ্রিয় নাগরিককে হয়রানি না করার জন্য সংশ্লিষ্ট বাহিনীকে অনুরোধ জানান।

নোয়াখালীর সেনবাগে প্রকাশ্য স্থানে গাঁজা সেবনে বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। এতে আরাফাত হোসেন ফাহিম (২২) নামে এক যুবক নিহত হয়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর মৌচাকে স্বেচ্ছাসেবক দলের নেতা বিল্লাল হোসেনকে ছুরিকাঘাতে হত্যার ঘটনায় আরও দুই আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। বুধবার (১০ জুন) রাতে লক্ষ্মীপুরে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।
৩ ঘণ্টা আগেঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ফেনীর খাইয়ারা রাস্তার মাথা এলাকায় থেমে থাকা ট্রাকের পেছনে কাভার্ডভ্যানের ধাক্কায় দুজন নিহত হয়েছে। স্থানীয়সহ আহত হয়েছেন আরও আটজন। তাদের মধ্যে পাঁচজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
৪ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে যুবদল নেতা মনির খানের (৩৮) মৃত্যুকে কেন্দ্র করে চিকিৎসক ও হাসপাতাল কর্মীদের সঙ্গে স্বজনের সংঘর্ষ হয়েছে। এতে উভয়পক্ষে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
১২ ঘণ্টা আগে