


রানা প্লাজা ‘দুর্ঘটনা’র ১৩ বছর পূর্ণ হলো। এটি বাংলাদেশে শুধু নয় বিশ্বের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় শিল্প দুর্ঘটনা। একে নিছক ‘দুর্ঘটনা বললে ভুল হবে, এটি একটি কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড।


রানা প্লাজার এই ঘটনাটিকে আমরা আসলে ‘দুর্ঘটনা’ না বলে ‘কাঠামোগত হত্যাকাণ্ড’ বলব। যে স্থানে রানা প্লাজা ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল, সেটি মূলত একটি জলাশয় ছিল। একটি জলাভূমির ওপর ভবনটি তৈরি করা হলেও সেখানে প্রকৌশলগত নিরাপত্তার যথাযথ মানদণ্ড মানা হয়নি।


পেটে তিন বেলা ভাত না জুটলেও নিয়ম করে অ্যান্টিবায়োটিক গিলতে হয় জেসমিন আক্তারকে। ১৩ বছর আগের রানা প্লাজা ট্র্যাজেডি তাঁর শরীর থেকে শুধু কর্মক্ষমতাই কেড়ে নেয়নি, কেড়ে নিয়েছে সংসারও।


সাভারের রানা প্লাজা ট্র্যাজেডির এক যুগেরও বেশি সময় পার হলেও ঢাকার শ্রম আদালতে করা মামলাগুলোর কোনো সুরাহা হয়নি। মামলার বাদী কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের (ডাইফ) পরিদর্শকদের কোনো খোঁজ নেই, অন্যদিকে আসামিরাও পলাতক।




ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসন বণ্টনে নির্বাচিত স্বতন্ত্র প্রার্থীরা পেয়েছেন একটি আসন। এই আসনে তাঁরা মনোনয়ন দিয়েছেন সাবেক ছাত্রদল নেত্রী সুলতানা জেসমিন জুঁইকে।


বিএনপির সঙ্গে বছরের পর বছর আমাদের জোট ছিল। তো ১১-দলীয় ঐক্যের জোটও দীর্ঘমেয়াদি হবে– এটি আমরা প্রত্যাশা করি। জোটকে শুধু মজবুত নয়, টিকিয়ে রাখার স্বার্থেও সংরক্ষিত আসনে ছাড় দিয়েছে জামায়াত।


২০০৯ থেকে ২০১৫ সাল পর্যন্ত আওয়ামী লীগ সরকারের নিযুক্ত বান্দরবান জেলার সহকারী সরকারি কৌঁসুলি (এপিপি) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাধবী। পরবর্তী সময়ে ২০১৫ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের মনোনয়নে নোটারি পাবলিক হিসেবে নিয়োগ পান।


এই মহাবিপদ থেকে বাঁচতে পাকিস্তানের সামনে এখন ‘বিচক্ষণ কূটনীতি’ এবং একমুখী আমেরিকা-নির্ভরতা কাটিয়ে চীন-রাশিয়া-তুরস্ক বলয়ে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করা ছাড়া কোনো বিকল্প নেই। বিশেষ করে তুরস্কের সঙ্গে প্রস্তাবিত ‘মুসলিম ন্যাটো’ গঠন এবং নিজস্ব ভৌগোলিক অখণ্ডতা রক্ষা করাই হবে তাদের টিকে থাকার মূল চাবিকাঠি।

বোরো মৌসুম মানে বাংলাদেশের কৃষির সবচেয়ে বড় মুহূর্ত। দেশের মোট চাল উৎপাদনের প্রায় ৬০ শতাংশ আসে এই একটি মৌসুম থেকে। ডিসেম্বর থেকে মে পর্যন্ত কৃষকের পুরো জীবন আবর্তিত হয় এই ফসলকে ঘিরে। হাল চাষ থেকে শুরু করে ধান কাটা পর্যন্ত প্রতিটি ধাপে কৃষকের শরীরে ঘাম, চোখে স্বপ্ন। কিন্তু এবার সেই স্বপ্নের গায়ে



বিশ্ব বই দিবসে এই শিরোনামটি দেখে আপনি হয়তো চমকে উঠছেন। কেউ কেউ হয়তো ভাবছেন, সস্তা একটা ক্লিকবেইট, ফোকাস কমে যাওয়া আর অনন্ত কন্টেন্টের যুগে স্রেফ পাঠক ধরার ধান্দা। কেউ হয়তো ভ্রু কুঁচকে বা হেসে ভাবছেন, বই কীভাবে পড়তে হয় মানে? অক্ষরের পর অক্ষর গড়গড় করে পড়ে যাব। ব্যাস! বই পড়া আবার শিখতে হয় নাকি?


মানব সভ্যতার ইতিহাসে এক অদ্ভূত বৈপরীত্য দেখা যায়—একটা সময় ছিল যখন পড়ার অভ্যাস চালু হওয়াটাকেই দেখা হতো সংকট হিসেবে। গ্রিক দার্শনিক সক্রেটিস যেমন বই পড়ার অভ্যাসের কারণে স্মৃতিশক্তি লোপ পাওয়ার আশঙ্কা করতেন।


আজ আমি বই পড়ার গুরুত্ব নিয়ে কথা বলব। বলব যে আনন্দ পাওয়ার জন্য বা নিছক শখের বশে কথাসাহিত্য পড়া মানুষের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ কাজ।


জেমস বন্ড চরিত্রের স্রষ্টা, প্রখ্যাত ব্রিটিশ ঔপন্যাসিক ইয়ান ফ্লেমিং ১৯৫৬ সালে ‘কীভাবে বেস্টসেলার বই লিখতে হয়’ শিরোনামে একটি প্রবন্ধ লেখেন, বেস্টসেলার বই লেখার খুব সহজ একটা রেসিপি আছে। সেটি হচ্ছে পৃষ্ঠা ওলটানোর কৌশল। অর্থাৎ গল্পটি এমনভাবে বলতে হবে, যাতে পাঠক পরের পৃষ্ঠা ওলটাতে বাধ্য হয়।


