


আজ মঙ্গলবার (২৮ এপ্রিল) বিকেল ৩টা ৩৫ মিনিটে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে জ্বালানি লোডিং হওয়ার কথা রয়েছে। ঈশ্বরদীর এই বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রথম ইউনিটে ইউরেনিয়াম লোডিং হবে বলে জানিয়েছেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। এর মাধ্যমে বাংলাদেশ প্রবেশ করতে যাচ্ছে পারমাণবিক বিদ্যুতের যুগে।


দেশের প্রথম পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্র রূপপুরে মঙ্গলবার থেকে শুরু হচ্ছে ‘ফুয়েল লোডিং’। এর মধ্য দিয়ে পারমাণবিক শক্তি ব্যবহারকারী দেশ হিসেবে বিশ্বের ৩৩তম দেশ হতে যাচ্ছে বাংলাদেশ। বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরুর আগের গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হলো ফুয়েল লোডিং বা চুল্লিপাত্রে ইউরেনিয়াম জ্বালানি সরবরাহ।


২০১৮ সালে ব্রিটিশ সরকার ঘোষণা করেছিল, তারা ২০৪০ সালের পর আর পেট্রল ও ডিজেলচালিত গাড়ি বিক্রি করবে না। সব পরিবহন হবে বিদ্যুচ্চালিত। এই উদ্দেশ্যে প্রস্তুতিও চলছে। সারা দেশে এমন একটি নেটওয়ার্ক গড়ে তোলা হচ্ছে, যার মাধ্যমে বিদ্যুচ্চালিত গাড়ি চলবে।




জ্বালানি সংকট ও তীব্র লোডশেডিংয়ের এই সময় চুয়াডাঙ্গা জেলার কৃষকদের জন্য আশীর্বাদ হয়ে উঠেছে সৌরবিদ্যুৎ-চালিত সেচ পাম্প। বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) ও বেসরকারি সংস্থা ওয়েভ ফাউন্ডেশনের স্থাপিত এই পাম্প দ্বারা ডিজেল বা বিদ্যুতের ঝামেলা ছাড়াই সহজে জমিতে সেচ দেওয়া যাচ্ছে।


বিশ্বজুড়ে জ্বালানি সংকটের প্রভাব যখন বাংলাদেশের বিদ্যুৎ খাতে পড়ছে, তখন কক্সবাজারের উপকূলে নীরবে ঘুরছে এক ভিন্ন সম্ভাবনার চাকা। বাতাসকে শক্তিতে রূপান্তর করে জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহ করছে খুরুশকুল-চৌফলদণ্ডীর বায়ু বিদ্যুৎকেন্দ্র। ইতোমধ্যে এটি এলাকায় প্রযুক্তি ও পর্যটনের এক নতুন প্রতীক হয়ে উঠেছে।


স্ট্রিমের আয়োজনে কথা বলেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষক মোশাহিদা সুলতানা ঋতু


একবিংশ শতাব্দীর বিশ্বব্যবস্থায় জ্বালানি নিরাপত্তা কেবল অর্থনৈতিক ইস্যু নয়, বরং এটি জাতীয় সার্বভৌমত্ব ও ভূ-রাজনীতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরবর্তী বিশ্ব পরিস্থিতি এবং সাম্প্রতিক সময়ে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ বিশেষ করে লোহিত সাগর ও হরমুজ প্রণালিতে জাহাজে হামলা ও চলাচলে প্রতিবন্ধকতা,


বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে মধ্যপ্রাচ্যের মানচিত্র কেবল সীমানা পরিবর্তনের সাক্ষী নয়, বরং বিশ্ব বাণিজ্যের ধমনি হিসেবে পরিচিত সমুদ্রপথগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েও এক ভয়াবহ লড়াই শুরু হয়েছে। এই সংঘাতের কেন্দ্রে রয়েছে ইরান ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের ক্রমবর্ধমান উত্তেজনা, যা এখন কেবল ক্ষেপণাস্ত্রের লড়াইয়ে সীমাবদ

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ছবি দেখে মন বিষাদে ভরে গেল। দেখলাম, কুমিল্লার একটি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষার্থীরা হাঁটুপানিতে বসে পরীক্ষা দিচ্ছে। হাঁটু সমান নোংরা পানিতে ভিজে বেঞ্চে পা তুলে তারা উত্তরপত্র লিখছে। এই দৃশ্য দেখার পর নিজেকে প্রশ্ন করলাম—সন্তানরা কি এটারই যোগ্য?

