


বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে কিছু নাম শুধু ব্যক্তি নয়, একটি যুগের প্রতিনিধিত্ব করে। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সেই ধরনেরই একজন নেতা। তাঁর জীবন ছিল ঘটনাবহুল। তাঁর রাজনৈতিক উত্থান ছিল এক অর্থে অস্বাভাবিক। তাঁর মৃত্যু মর্মান্তিক।


বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রপতি এবং বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম শাহাদাতবার্ষিকীতে তাঁকে স্মরণ করেছে ঢাকার ভারতীয় দূতাবাস। জিয়াউর রহমানের স্মরণে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি পোস্ট দেয় দূতাবাস।


১৯৭৫ সালের পটপরিবর্তনের পর এক চরম ভূ-রাজনৈতিক ও অভ্যন্তরীণ সংকটের সন্ধিক্ষণে বাংলাদেশের শাসনভার গ্রহণ করেন মেজর জেনারেল জিয়াউর রহমান। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের পররাষ্ট্রনীতি মূলত ভারত এবং সোভিয়েত ব্লকের ওপর বহুলাংশে নির্ভরশীল থাকলেও, জিয়াউর রহমানের শাসনামল (১৯৭৭-১৯৮১) দেশের জাতীয় নিরাপত


মানুষের স্মৃতিতে জিয়াউর রহমান এমন এক শাসক, যিনি উন্নয়নের ভাষাকে শহরের মসনদ থেকে নামিয়ে খাল, মাঠ ও ইউনিয়ন পরিষদের উঠোনে নিয়ে যেতে চেয়েছিলেন। খাল কাটা কর্মসূচি, স্বনির্ভর বাংলাদেশ ও গ্রাম সরকার; এসব ধারণা আজও বাংলাদেশের রাজনৈতিক অভিধানে বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। প্রশ্ন হচ্ছে, তাঁর সেই উন্নয়ন-দর্শন আজকের


একটি বিকল্প বা অনুমিত ইতিহাসের দিকে তাকানো যাক। যখন মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রাম বন্দরে থাকার নির্দেশ মেনে নিয়েছিলেন অথবা পদক্ষেপ নেওয়ার আগেই তাঁকে নিষ্ক্রিয় করে দেওয়া হয়েছিল। ভাবা যাক মেজর জিয়ার এই দৃশ্যপটে আগমনের কারণ।

সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত বিভিন্ন জেলার খবরে দেখা গেছে, রাস্তার পাশে স্তূপ করা চামড়া, ক্লান্ত মুখের ব্যবসায়ী, আর লোকসানের হিসাব মেলাতে গিয়ে মাথায় হাত দেওয়া মৌসুমি বিক্রেতা। এই দৃশ্য বাংলাদেশে নতুন নয়, প্রতি বছরের। কিন্তু একটি সম্ভাবনাময় খাতের কেন এই বেহাল অবস্থা, এর জন্য দায়ী কারা?



মাত্রই বিদায় নিয়েছে কোরবানি ঈদ। তবে উৎসবের আমেজ রয়ে গেছে এখনো। ফেসবুকে ঢুকলেই দেখা যাচ্ছে ঈদকে ঘিরে নানা রঙে-ঢঙে পোস্ট করা ছবি, রিলস, ভিডিও। কেউ কোরবানি দেওয়ার আগে গরুর সঙ্গে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছেন। কেউ কোরবানি দেওয়ার পরে মাংস কাটাকাটির ভিডিও পোস্ট করেছেন।


খরগোশটা নদীর পাড়ে দাঁড়াতেই জলপাই রঙের একটি মাথা টুক করে ডুবে গেল। পানিতে তরঙ্গও হলো না। বনের পাশে বহতা নদী। সে এপাশে-ওপাশে তাকিয়ে কাউকে দেখতে পেল না। জ্যৈষ্ঠের শেষের দিনগুলো চলছে। বৃষ্টির পরে প্রকৃতির মতোই শান্ত ছিল তার মন।


কোরবানির ঈদ মুসলমানদের অন্যতম বড় ধর্মীয় উৎসব। বরাবরই এ উৎসবকে বলা হয় ত্যাগের মহিমা নিয়ে আসা উৎসব। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে কোরবানির ঈদকে ঘিরে সমাজে এক ধরনের প্রদর্শনের সংস্কৃতিও তৈরি হয়েছে । বড় গরু কেনা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি, ভিডিও প্রকাশ, কে কত দামী পশু কিনলেন, কে কয়টা পশু কোরবানি দিচ্ছেন এসব


কোরবানির ঈদকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন সবাই আরও বেশি করে কনটেন্ট আপলোড করে। কনটেন্টের এই হঠাৎ বিস্ফোরণের পেছনে শুধু উৎসবের উচ্ছ্বাসই নয়, আছে অর্থনীতিও। এখন ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক—প্রায় সব বড় প্ল্যাটফর্মই কনটেন্ট নির্মাতাদের বিভিন্ন শর্তের ভিত্তিতে অর্থ দেয়।




প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের অবরোধ প্রত্যাহারের ঘোষণার পরও ইরানি বন্দরে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ-অবরোধ বহাল রয়েছে বলে দাবি করেছে ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনীর (আইআরজিসি)। শনিবার (৩০ মে) ইরানের আধা-সরকারি সংবাদসংস্থা মেহর নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আইআরজিসির জ্যেষ্ঠ কমান্ডার মহসেন রেজাই এই তথ্য জানান।

কোরবানির ঈদকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেন সবাই আরও বেশি করে কনটেন্ট আপলোড করে। কনটেন্টের এই হঠাৎ বিস্ফোরণের পেছনে শুধু উৎসবের উচ্ছ্বাসই নয়, আছে অর্থনীতিও। এখন ফেসবুক, ইউটিউব, টিকটক—প্রায় সব বড় প্ল্যাটফর্মই কনটেন্ট নির্মাতাদের বিভিন্ন শর্তের ভিত্তিতে অর্থ দেয়।