


প্রতি বছর বাবা দিবস এলেই ফেসবুকের হোমপেজ ভরে যায় বাবাকে নিয়ে লেখা সুন্দর সুন্দর কথা আর স্মৃতিতে। বাবা সুপারম্যান, বাবা সব আবদার পূরণ করেছেন; এমন অনেককিছু। আমি কখনও তেমন লিখেছি কি-না মনে পড়ে না, লেখার কথা না।


আমাদের সমাজে বাবারা সাধারণত কম কথা বলেন। তারা মায়ের মতো বারবার জিজ্ঞেস করেন না খেয়েছ কি না, রাতে ফিরতে দেরি হলে বারবার ফোনও করেন না। তবে সংসারের সবচেয়ে বড় দায়িত্বটি প্রায়শই তাদের কাঁধেই থাকে। ফলে অনেক সন্তানের কাছে বাবা হয়ে ওঠেন নীরব উপস্থিতি—যার গুরুত্ব বোঝা যায় বয়স বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে।


বাবা দিবস এলে আমরা স্বাভাবিকভাবেই আবেগীয় আবহে ডুবে যাই। ফেসবুকের ওয়ালজুড়ে বাবার সঙ্গে তোলা ছবি কিংবা পুরোনো স্মৃতির রোমন্থন চোখে পড়ে। কিন্তু যাদের বাবা নেই? তাঁদের জন্য দিনটি তীব্র হাহাকারের। বাবা মানে বটগাছ, যার ছায়া মাথার ওপর থাকলে যেকোনো ঝড়ের বিরুদ্ধে বুক টান করে দাঁড়িয়ে থাকা যায়। এই নির্ভরতার জা


আমরা বাবাদের দেখি উপার্জনকারী হিসেবে। রক্ষাকারী হিসেবে। দায়িত্ব পালনকারী হিসেবে। কিন্তু মানুষ হিসেবে দেখি কতটা? সম্ভবত খুব কম। তাই বাবা দিবস এলেই আমার ফুল, কেক বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্টগুলোর কথা মনে হয় না। আমার মনে পড়ে সেই স্টেশন।


নামকরণের ইতিহাস নিয়ে খুব বেশি ঘাঁটাঘাঁটি করতে গেলে অনেক উজির-নাজির মারতে হবে। সেদিকে যেতে চাই না। কারণটা এই না যে, ভাসুরের নাম নেওয়া পাপ। কারণ এই যে, বর্তমানটা তাতে লঘু হয়ে যাওয়ার জোগাড় হয়। কিন্তু ইতিহাস যেহেতু বলছি, সেহেতু বলাবাহুল্য বটে, ঘটনার একটা পারম্পর্য তো আছেই।

বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফরের গন্তব্য মালয়েশিয়া, একটি বহুমাত্রিক তাৎপর্য বহন করে। এটি নিছক কূটনৈতিক সৌজন্য নয়; বরং নতুন সরকারের অগ্রাধিকার, আঞ্চলিক বাস্তবতা এবং বাংলাদেশের অর্থনৈতিক-রাজনৈতিক প্রয়োজনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত।

