


২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন যত এগিয়ে আসছে, ততই চড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ। রাস্তায় সভা-সমাবেশ, ধর্মীয় মিছিল থেকে শুরু করে টিভি স্টুডিও—সব জায়গাতেই এখন একটাই প্রশ্ন: পশ্চিমবঙ্গে কি আবার ক্ষমতায় আসবে তৃণমূল, নাকি ঘুরে দাঁড়াবে বিজেপি?


ভারত রাষ্টের পশ্চিমবঙ্গে এসআইআর (স্পেশাল ইনটেনসিভ রিভিশন) বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনীর কাজ শুরু হয় মূলত ২০২৫ সালের অক্টোবর মাস থেকে। এই কাজের জন্য বিশেষ ট্রেনিং দিয়ে প্রতিটি ভোটদান কেন্দ্রকে ঘিরে একটি করে বিএলও (বুথ লেভেল অফিসার) নিয়োগ করা হয়। যার অধিকাংশই প্রাথমিক স্কুলের শিক্ষক। তাদের প্রতিটি ব্লকে সমষ


তথ্য বলছে, গত এক দশকে গো-মাংস বা গরু পরিবহণের অভিযোগে অন্তত ৫০ জনের বেশি মানুষ গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন। আহতের সংখ্যা আরও অনেক বেশি। উত্তর, মধ্য ও পশ্চিম ভারতের বিভিন্ন অঞ্চলে তথাকথিত ‘গো-রক্ষা বাহিনী’ রাতভর টহল দেয়, ট্রাক থামিয়ে তল্লাশি চালায়।


ভারতের পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনকে ঘিরে চলছে জোর প্রস্তুতি। একদিকে নির্বাচন কমিশন যেমন প্রস্তুতি নিচ্ছে, কর্মীদের প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, তেমনই রাজনৈতিক দলগুলোও প্রার্থী চূড়ান্ত করে নেমে পড়েছে প্রচারে। এই নির্বাচন কারও কাছে ক্ষমতায় টিকে থাকার লড়াই, কারও কাছে ‘কুরসি’ দখলের, আবার কারো কাছে ‘অস্তিত্ব


প্রশ্ন উঠতে পারে, এখন আমাদের করণীয় কী? প্রাদুর্ভাব যেহেতু ইতিমধ্যেই মারাত্মক আকার ধারণ করে ছড়িয়ে পড়েছে, তাই এখন টিকাদান কর্মসূচি এগিয়ে আনলে শতভাগ সমাধান হয়তো মিলবে না। টিকা দেওয়ার একটি নির্দিষ্ট সময় থাকে।

সম্প্রতি জাতীয় সংসদে দেশের শীর্ষ ঋণখেলাপিদের তালিকা প্রকাশ করেছেন অর্থমন্ত্রী। এই ঘটনার নিঃসন্দেহে একটি প্রতীকী ও নীতিগত গুরুত্ব রয়েছে। তবে এই তালিকা প্রকাশের প্রকৃত তাৎপর্য তখনই অনুধাবন করা যাবে, যখন তালিকাভুক্ত এসব খেলাপির বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। একটি বিষয় পরিষ্কার হওয়া প্রয়োজন,



হিমালয়ের বরফে মোড়ানো পথ পেরিয়ে বিশ্বের সর্বোচ্চ পর্বত শিখরে দেশের পতাকা ওড়ানোর এক নতুন স্বপ্ন নিয়ে যাত্রা করছেন পর্বতারোহী নুরুন্নাহার নিম্নি। ৫০ দিনব্যাপী এভারেস্ট অভিযানে শনিবার (১১ এপ্রিল) নেপালের উদ্দেশ্য ঢাকা ছাড়বেন তিনি।