


বাংলাদেশে হামের প্রাদুর্ভাব ভয়াবহ রূপ নিয়েছে। এ বছর অন্তত ৩৮ জন শিশু হাম ও এর জটিলতায় মারা গেছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় এই সংক্রামক ব্যাধি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। শুধু মার্চ মাসেই ঢাকার মহাখালীর সংক্রামক ব্যাধি হাসপাতালে (আইডিএইচ) ২১ জন শিশুর মৃত্যু হয়েছে ।


দক্ষিণ–পূর্ব এশিয়ায় একসময় হাম ছিল শিশুমৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ। এক সময় এই সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগটি বহু শিশুর জীবন কেড়ে নিয়েছে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি টিকাদান কর্মসূচি, শক্তিশালী স্বাস্থ্যব্যবস্থা ও কার্যকর নজরদারির মাধ্যমে আজ সেই চিত্র বদলে গেছে।


সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিশুদের মধ্যে হামের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে, যা দিন দিন বেড়েই চলেছে। হাসপাতালগুলোতে হামে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা প্রতিনিয়তই বাড়ছে। হাম বায়ুবাহিত ছোঁয়াচে একটি রোগ। একজন আক্রান্ত ব্যক্তি খুব সহজেই হাঁচি বা কাশির মাধ্যমে তার চারপাশের অসংখ্য মানুষকে সংক্রমিত করতে পারে।


হাম আক্রান্ত শিশু জান্নাতুল মাওয়া রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আইসিইউ শয্যা পেয়েছিল চারদিন অপেক্ষার পর। কিছুটা সুস্থ হলে এক দিন পরই তাকে দেওয়া হয় সাধারণ ওয়ার্ডে। এখন তার ভীষণ শ্বাসকষ্ট হচ্ছে। আবার তাকে আইসিইউতে নিতে বলেছেন চিকিৎসক। এবার আইসিইউর জন্য অপেক্ষাধীনদের মধ্যে তার সিরিয়াল পড়েছে ৩৬ নম্বর।


বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনার হার অস্বাভাবিক মাত্রায় বেশি। বিশেষ করে ঈদ বা অন্যান্য উৎসবের ছুটিতে আমাদের সড়ক, রেল ও নৌপথে মৃত্যুর মিছিল দেখা যায়। এই দুর্ঘটনাগুলোর দিকে গভীর দৃষ্টি দিলে বোঝা যায়, এগুলো নিছক কোনো ‘দুর্ঘটনা’ বা দৈব দুর্বিপাক নয়।

ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধকে কিছু কৌশলগত ভাষায় বোঝানো হয়। যেমন প্রতিরোধ, উত্তেজনা বৃদ্ধি, সামরিক চাপ, ক্ষেপণাস্ত্র শক্তি, আর পারমাণবিক ঝুঁকি। এই শব্দগুলো অবশ্যই গুরুত্বপূর্ণ; কিন্তু যুদ্ধের পুরো চিত্রটা তুলে ধরার জন্য যথেষ্ট নয়।



নেপালের সাবেক প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলির নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে সোমবার (৩০ মার্চ) কাঠমান্ডুর রাস্তায় নেমে বিক্ষোভ করেছেন শত শত মানুষ। গত বছর তাঁর সরকারের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানে নিরাপত্তা বাহিনীর দমন-পীড়নে সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল।