


মানুষ যত অটিজম নিয়ে সচেতন হচ্ছে, ততোই ব্যাঙের ছাতার মতো গজিয়ে উঠছে বিভিন্ন থেরাপি ও রিহ্যাবিলিটেশন সেন্টার। থেরাপি সেন্টারের সংখ্যা বাড়লেও চিকিৎসা সেবার মান কি বাড়ছে, নাকি এগুলো শুধুই লোকদেখানো প্রতিষ্ঠান, তা নিয়ে রয়েছে প্রশ্ন।


অটিজম স্পেকট্রাম ডিসঅর্ডার (এএসডি) হলো একটি নিউরোডেভেলপমেন্টাল অবস্থা। এটি মূলত যোগাযোগ, সামাজিক আচরণ এবং পুনরাবৃত্তিমূলক কাজের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। ‘স্পেকট্রাম’ বলা হয় কারণ এর লক্ষণ ও তীব্রতা ব্যক্তি ভেদে ভিন্ন হয়।

বিশ্বজুড়ে এখন অটিজম নিয়ে সচেতনতা বাড়ছে। শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতার মাধ্যমে অটিস্টিক মানুষদের এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ তৈরি করা গেলে সমাজও লাভবান হবে।

অটিজমে আক্রান্ত শিশুদের খুব প্রচলিত কিছু লক্ষণ দেখা যায়। যেমন তারা খুব একটা কথা বলে না, কারও চোখে চোখ রাখে না, আর একই কাজ বারবার করে। অটিজমে ভুগছে এমন শিশু দেখলেই আশেপাশের কিছু মানুষ না বুঝেই বলে ফেলেন, ‘ও তো বোবা’ বা ‘মা-বাবা ঠিকমতো লালন-পালন করেননি,’ কিংবা ‘এটা কোনো মানসিক রোগ।’


