


মে মাসের দ্বিতীয় রবিবার এলেই পৃথিবীর বহু দেশের মতো বাংলাদেশেও ‘মা দিবস’ ঘিরে শুরু হয় বিশেষ আয়োজন। রেস্তোরাঁর অফার, অনলাইন ক্যাম্পেইন, ফুলের দোকানে ভিড়, ফেসবুকে দীর্ঘ আবেগঘন পোস্ট— সব মিলিয়ে দিনটি যেন ধীরে ধীরে ব্যক্তিগত অনুভূতির চেয়ে বেশি একটি সামাজিক ও বাণিজ্যিক ঘটনায় পরিণত হয়েছে।


আজ মা দিবস। ক্যালেন্ডারের পাতায় দিনটি একটি বিশেষ তারিখ মাত্র। কিন্তু বাংলা গানের ভুবনে ‘মা’ শব্দটি নিয়ে যখনই কোনো হাহাকার বা আবেগের বিস্ফোরণ ঘটে, তখনই একটি গানের সুর অজান্তেই কানে বেজে ওঠে। গিটারের সেই চিরচেনা আর্তনাদ আর জেমসের ভরাট কণ্ঠের গান—‘মা’।


গতকাল এক সহকর্মীর সঙ্গে আড্ডা দিচ্ছিলাম। কথা হচ্ছিল আজকের মা দিবসে পত্রিকায় কী কাজ হবে, নিজেরা কী করব— এসব নিয়েই। হঠাৎ তিনি বলে বসলেন, ‘মায়েরা আসলে মাকড়সা’।


মায়ের মৃত্যুর সময় জানকী দ্বিতীয় শ্রেণির ছাত্রী। বাবার বাড়িতে জন্ম হলেও মায়ের মৃত্যুর পর তার ভবিষ্যৎ নিয়ে বসে দুই মাহারি। বাবা ছিলেন চাম্বুগং মাহারির, আর জানকী মায়ের দিক থেকে চিসিম মাহারির কন্যা। তাই প্রশ্ন ওঠে, চিসিম মাহারির এই মেয়ের দায়িত্ব নেবে কে?


জুলাই বর্ষা বিপ্লবের সবচেয়ে বড় শক্তি ছিল জনতার প্রত্যাশা। মানুষ ভেবেছিল, শুধু সরকার বদলাবে না; বদলাবে রাষ্ট্রের চরিত্রও। বদলাবে প্রশাসনের সংস্কৃতি। বদলাবে ক্ষমতার ব্যবহার। বিশেষ করে পুলিশ ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে মানুষের যে ক্ষোভ ছিল, সেটির একটি জবাব আসবে।

আপাতদৃষ্টিতে মনে হতে পারে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্য চুক্তিটি বাংলাদেশের তৈরি পোশাক বা গার্মেন্টস খাতের বাজার রক্ষায় একটি বড় বিজয়। কিন্তু একটু তলিয়ে দেখলে এই ‘বিজয়’-এর ফাঁকিটি স্পষ্ট হয়ে ওঠে। চুক্তির ফলে তারা যে ট্যারিফ বা শুল্ক কমিয়ে আমাদের তৈরি পোশাকের বাজার রক্ষা করেছে, বিষয়টি মোটেও তেমন নয়।

