


ভারতে ‘গরু’ নিয়ে তুলকালাম কাণ্ড চলছে। এই গৃহপালিত পশুটি ভারতের রাজনীতি, সমাজ ও অর্থনীতির অন্যতম অনুঘটক। বিশেষ করে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) কেন্দ্রে এবং বিভিন্ন রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকে গো-রক্ষা এবং গো-মাংস বর্জনের বিষয়টি রাজনৈতিক মেরুকরণের বড় একটি হাতিয়ার হয়ে উঠেছে।


পশ্চিমবঙ্গের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এখন গরু নিয়ে ভিডিওতে সয়লাব। একটি ভাইরাল ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, মুসলিম যুবকেরা হিন্দু গরু বিক্রেতাদের আটকে দিয়ে তাদের গরু নিয়ে বাড়ি ফিরে যেতে বলছেন। তারা বলছেন—‘কেন আপনি আপনার মাকে বিক্রি করতে এসেছেন?


পশ্চিমবঙ্গের দক্ষিণ ২৪ পরগনার ভাঙড়ের ঘোষপাড়ার গরু খামারি সাধন ঘোষ। নিজের গোয়াল ঘরের সামনে দাঁড়িয়ে তিনি বললেন, তাঁর আর কোনো পথ খোলা নেই। স্থানীয় এক মহাজনের কাছ থেকে তিনি ৪ শতাংশ সুদে ৫ লাখ রুপি ঋণ নিয়েছিলেন। তাঁর আশা ছিল, নিজের ১০টি গরুর মধ্যে ৯টি বিক্রি করে সেই ঋণ শোধ করবেন।


সম্প্রতি জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ‘পদ্মা ব্যারেজ মেগা প্রকল্প’ অনুমোদন পেয়েছে। এটি বাংলাদেশের জন্য এক ঐতিহাসিক ও দূরদর্শী সিদ্ধান্ত। দক্ষিণ-পশ্চিম বাংলাদেশের মানুষ আর কৃষকেরা এমন একটা প্রকল্পের আশায় বুক বেঁধে বসেছিলেন।

একটি আধুনিক রাষ্ট্রকে টিকিয়ে রাখতে এখন শুধু নির্বাচিত সরকার বা আমলাতন্ত্রই যথেষ্ট নয়। এর জন্য দরকার দীর্ঘমেয়াদি চিন্তা, গভীর নীতি-বিশ্লেষণ এবং ঝুঁকি-ব্যবস্থাপনায় দক্ষ একটি সংগঠিত ‘রাষ্ট্রীয় মস্তিষ্ক’। এই মস্তিষ্কের একটি দৃশ্যমান অংশ হলো উন্মুক্ত ও গবেষণাধর্মী রাষ্ট্রীয় থিংক ট্যাঙ্ক।

