

বাস থেকে নেমে, বিপত্তি বাধলো হোটেলের রিসিপশনে এসে। বিপত্তি না বলে ‘বিপদ’ বলা ভালো—‘মহা বিপদ’। রিসিপশনিস্ট ছেলেটা জানাল, তাদের হোটেলে আজকের তারিখে আমার নামে কোনো রিজার্ভেশন নেই।

প্রথমে ছুরি মারার দু-একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছিল। এখন দুই পক্ষের মধ্যে রীতিমতো যুদ্ধ শুরু হওয়ার খবর আসতে লাগল। সেই লড়াইয়ে দেদার ব্যবহার হচ্ছিল চাকু-ছুরির পাশাপাশি কৃপাণ, তলোয়ার আর বন্দুক। মাঝে মাঝে দেশে তৈরি বোমা ফাটার খবরও আসছিল।


কলম আমার বয়সী মানুষের কাছে খুব পছন্দ আর শখের বস্তু। সম্ভবত আমাদের প্রজন্মই চক বা পেন্সিল থেকে শুরু করে বলপেন হয়ে স্মার্টপেনের বিবর্তন দেখতে পেয়েছে। এর আগে ঘড়ি নিয়ে আমার একটা লেখা সম্পর্কে অনেকেই ইতিবাচক মন্তব্য করেছেন। কলম নিয়ে লেখার জন্য উৎসাহ দিয়েছেন। সে সূত্রে আজ বলা যাক কলমের গল্প।


বারিধারার এই ডুপলেক্স ভবনের দক্ষিণের মাস্টার বেডরুমটা বুড়ো আমজাদ সাহেবের এখন স্থায়ী ঠিকানা। পাশের ঝকঝকে টয়লেট আর লেক ভিউ বারান্দাটাও তার। শরীর আর মনের যে অবস্থা, তাতে জুম্মার নামাজে মসজিদে যাওয়ার সামর্থ্যটুকুও হারিয়েছেন তিনি। জায়নামাজে বসে তসবিহ গোনা আর শেলফের উপরে রাখা পবিত্র কোরআনের ক্যালিগ্রাফি


র্যাডক্লিফ লাইনের দুই পারে এখন একই সুতোয় বাঁধা দুটি সংকট। একদিকে পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে জারি হওয়া পশু জবাই নিয়ন্ত্রণ বিধি, অন্যদিকে বাংলাদেশের ধুঁকতে থাকা চামড়াশিল্প। সাদা চোখে এ দুটি সমস্যা দেখতে আলাদা মনে হলেও আদতে এরা পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত।

এম হুমায়ুন কবীর সাবেক রাষ্ট্রদূত ও বাংলাদেশ এন্টারপ্রাইজেস ইনস্টিটিউটের (বিইআই) সভাপতি। কাজ করেছেন কলকাতায় বাংলাদেশের ডেপুটি হাইকমিশনার হিসেবে। সেপ্টেম্বর-২০১০ সালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে সচিব পদে অবসর গ্রহণ করেন।



গোলের সুযোগ তৈরিতে যারা সিদ্ধহস্ত, তাদের নিয়েও দর্শক ও সমালোচকদের আগ্রহের কমতি নেই। কেউ কেউ তো গোল করার চেয়ে গোলের সুযোগ তৈরিকেই বেশি গুরুত্ব দিতে চান। গত এক যুগ ধরে এমন ফুটবলারদের আলাপ উঠলে কেভিন ডি ব্রুইনার নাম থাকে সবচেয়ে ওপরের দিকে।