


দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের স্থাপত্য ইতিহাসের এক অনন্য নিদর্শন সাতক্ষীরার তালা উপজেলার তেঁতুলিয়া শাহী জামে মসজিদ। মুঘল স্থাপত্যরীতিতে নির্মিত এই মসজিদটি যেমন তার নান্দনিক সৌন্দর্যের জন্য পরিচিত, তেমনি একে ঘিরে প্রচলিত এক ‘ট্র্যাজিক’ লোককাহিনী পর্যটকদের দারুণভাবে আকর্ষণ করে।


পাবনা জেলা শহর থেকে ৩০ কিলোমিটার দূরে চাটমোহর উপজেলা সদরে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে ৪৪৪ বছরের পুরনো ঐতিহাসিক চাটমোহর শাহী মসজিদ। ১৫৮১ খ্রিষ্টাব্দে সম্রাট আকবরের শাসনামলে নির্মিত এই মসজিদটি কেবল একটি উপাসনালয় নয়, বরং বাংলার স্থাপত্য বিবর্তনের এক অমূল্য দলিল হিসেবে স্বীকৃত।


চট্টগ্রামের ঐতিহাসিক আন্দরকিল্লা শাহী জামে মসজিদে প্রতিদিনের ইফতার আয়োজন যেন এক বিশাল মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে। মোগল আমলের স্থাপত্যশৈলী আর পাহাড়ের চূড়ায় অবস্থিত এই মসজিদে প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে পাঁচ হাজার রোজাদার একসঙ্গে ইফতার করেন। গত ২৫ বছর ধরে চলে আসা এই গণ-ইফতার এখন চট্টগ্রামের অন্যতম প্রধান ধর্মীয়


ময়মনসিংহের ফুলবাড়িয়া উপজেলার জোরবাড়িয়া পূর্বভাটিপাড়া গ্রামে ছিমছাম গ্রামীণ পরিবেশে কালের সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে প্রাচীন একগম্বুজ বিশিষ্ট ‘খানবাড়ি জামে মসজিদ’। প্রায় আড়াইশ বছরের ইতিহাস বুকে ধারণ করা এই স্থাপনাটি আজও তার স্থাপত্যশৈলী আর নান্দনিক কারুকাজ দিয়ে দর্শনার্থীদের মুগ্ধ করছে।


বাংলাদেশ নদী, খাল ও জলাভূমির দেশ। একসময় দেশের গ্রামীণ জীবন, কৃষি উৎপাদন এবং স্থানীয় বাণিজ্যের বড় অংশই পরিচালিত হতো এই প্রাকৃতিক জলপথকে কেন্দ্র করে। কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অব্যবস্থাপনা, দখল এবং অপরিকল্পিত উন্নয়নের কারণে অসংখ্য খাল হারিয়ে গেছে ও নাব্যতা হারিয়েছে।



ঈদে জমে উঠেছে টুপি-আতরের কেনাকাটা। রাজধানীর বায়তুল মোকাররম মসজিদ মার্কেট, গুলিস্তান, কাঁটাবন মসজিদ মার্কেট, কাকরাইল মসজিদ মার্কেটসহ ফুটপাতের টুপি-আতরের দোকানে বেড়েছে ভিড়। দেশি টুপির পাশাপাশি হাতে বোনা রঙ-বেরঙের বিদেশি টুপি পছন্দের শীর্ষে রয়েছে। সেইসঙ্গে আছে মৃদু সৌরভের আতর।


গত এক দশকেরও বেশি সময় ধরে প্রায় প্রতি বছরই ঈদের বাজারে কোনো না কোনো পোশাক হঠাৎ জনপ্রিয় হয়ে ওঠেছিল। এগুলোকে বলা হতো ‘ভাইরাল ঈদ ড্রেস’। চলুন এক নজরে দেখা যাক সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ঈদের বাজারে আলোচিত কয়েকটি পোশাকের ট্রেন্ড।


ঘণ্টার পর ঘণ্টা দোকান ঘুরেও যখন সিদ্ধান্ত নেওয়া যায় না, তখন কেনাকাটার আনন্দটা মাঝেমধ্যে বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। মনোবিজ্ঞানীরা এই অবস্থাকে বলেন ‘চয়েস ওভারলোড’ বা ‘প্যারাডক্স অফ চয়েস’। কিন্তু কীভাবে এই সমস্যার সমাধান করা যায়?
