


দেশে প্রতিবছর বাড়ছে বজ্রপাতে মৃত্যু। বিশেষ করে হাওর অঞ্চলে এপ্রিল-মে মাসে ধান কাটার মৌসুমে বজ্রপাতে মৃত্যু সবচেয়ে বেশি। চলতি বছরের ২৬ এপ্রিল থেকে ২ মে পর্যন্ত ৭ দিনেই বজ্রপাতে ৭১ জন মারা গেছেন। সব মিলিয়ে এ বছর মৃত্যু শতাধিক।


দেশের বিভিন্ন স্থানে বজ্রপাতে গত এক সপ্তাহে ৭১ জনের মৃত্যু হয়েছে। সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) মমিনুল ইসলাম এক কর্মশালায় এ তথ্য জানিয়েছেন।


বজ্রপাতে প্রাণহানি কমাতে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকার একাধিক প্রকল্পে ব্যয় করেছিল শত কোটি টাকা। কিন্তু লুটপাটের পাশাপাশি অবৈজ্ঞানিক ও অদূরদর্শী হওয়ায় সেই উদ্যোগের কোনোটিই প্রান্তিক মানুষের কাজে আসেনি। তালগাছ রোপণ, আগাম সতর্কবার্তার যন্ত্র বসানো বা বজ্র নিরোধক দণ্ড স্থাপন—সব প্রকল্পই ব্যর্থ হয়েছে।


চুক্তিতে একটি সুস্পষ্ট ‘এক্সিট ক্লজ’ বা বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ রাখা হয়েছে। বাংলাদেশ চাইলে মাত্র ৬০ দিনের নোটিশে চুক্তি বাতিল করতে পারবে। অর্থাৎ, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ভবিষ্যৎ কোনো সংসদকে এই চুক্তির বেড়াজালে বেঁধে রাখেনি।

সমালোচনামূলক দৃষ্টিতে দেখার জন্য একটি সরকারকে কতটা সময় দেওয়া যেতে পারে, সে বিষয়ে বিভিন্ন মত রয়েছে। গণঅভ্যুত্থানের পর যখন অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নিয়েছিল, তখনও প্রশ্নটা সামনে আসে। এর নিষ্পত্তি একেকজন একেকভাবে করেছিলেন। তবে দেশের সাধারণ মানুষ যেকোনো সরকারের মনোভাব বুঝতে চায় তার দায়িত্ব গ্রহণের দিন থ



বিদ্যুৎ ও শিল্প খাতে জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে বাংলাদেশকে ৩৫ কোটি মার্কিন ডলার সহায়তা দিচ্ছে বিশ্বব্যাংক। সোমবার (১৮ মে) এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সংস্থাটি জানিয়েছে, ‘এনার্জি সেক্টর সিকিউরিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্টের’ আওতায় এই অতিরিক্ত অর্থায়ন দেওয়া হচ্ছে।