


২০০৬ সালের কোনো এক অলস দুপুর। নানুর কোলে মাথা দিয়ে শুয়ে আমি ‘পান্তা বুড়ি’র গল্প শুনছিলাম। সেই বুদ্ধিতে ঝলমল এক বুড়ির গল্প, যে মানুষের ঠাট্টা-তামাশাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে নিজের মতো থাকতে জানত।


ইসলাম আবির্ভাবের আগের যুগে আরব সমাজে নারীর অবস্থা অত্যন্ত সীমিত ও বৈষম্যমূলক ছিল। পরিবারে মেয়ের জন্মকে অপমানজনক মনে করা হতো। কন্যা সন্তানকে জীবিত পুতে ফেলা হতো। পারিবারিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে নারীর কোনো ভূমিকা ছিল না। সম্পত্তিতে তাদের কোনো অধিকার ছিল না। নারীকে প্রায়শই কেবল যৌন সম্ভোগের সঙ্গী হিসেবে দে


তবু এটুকুও কম আশাব্যঞ্জক নয়—বর্তমানে সাহিত্য কিছুটা হলেও ‘নারী’ বা ‘পুরুষ’ তকমায় যাচাই না হয়ে, বরং কেবল ‘সাহিত্য’ হিসেবে মূল্যায়িত হয়ে অন্দর থেকে পৌঁছে যাচ্ছে পুরো বিশ্বে।


আজ ৮ই মার্চ, আন্তর্জাতিক নারী দিবস। দিনটির ঐতিহাসিক ও বৈশ্বিক তাৎপর্যের আলোকে যদি আমরা বাংলাদেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে নারীর অবস্থান মূল্যায়ন করি, তবে একটি দ্বিমুখী চিত্র আমাদের সামনে ভেসে ওঠে। একদিকে যেমন নারীর অভূতপূর্ব অগ্রগতি হয়েছে, অন্যদিকে তেমনি রয়ে গেছে চরম অবনতি ও হতাশার জায়গা।


পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোর দ্বিমুখী নীতি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক কৌশলের অংশ, যা তারা ইরাক, আফগানিস্তান এবং লিবিয়ার মতো সংঘাতেও প্রয়োগ করেছে। এর মাধ্যমে তারা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অবৈধ যুদ্ধকে বৈধতা দেয় এবং এর ভয়াবহতাকে সাধারণ মানুষের চোখের আড়াল করে।

একবিংশ শতাব্দীতে বিশ্ব রাজনীতি ও অর্থনীতি একে অপরের পরিপূরক। মধ্যপ্রাচ্যের যেকোনো অস্থিরতা মুহূর্তেই বিশ্বজুড়ে ভূ-রাজনৈতিক সমীকরণ বদলে দেয়। বর্তমানে ইরান, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যকার সংঘাত একটি পূর্ণাঙ্গ যুদ্ধের রূপ নিয়েছে। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানের বিরুদ্ধে ‘অপারে



মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা দেখা দেওয়ার পর বাংলাদেশে আতঙ্কজনিত কেনাকাটা ও মজুদের প্রবণতা বাড়ে। এ পরিস্থিতিতে সরবরাহ নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হওয়ায় শুক্রবার (৬ মার্চ) জ্বালানি তেল বিক্রিতে দৈনিক সীমা নির্ধারণ করেছে সরকার।


সম্প্রতি দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে একধরনের অস্থিরতা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি, অনেক দূর থেকে এসে তেল না পেয়ে ফিরে যাওয়ার অভিযোগ এবং কোথাও কোথাও স্টেশন বন্ধ রাখার খবর—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি বেশ অস্বস্তিকর।


ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, তেহরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হবে না—ইরানকে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ করতে হবে।


