


শেখ হাসিনা ও তার ঘনিষ্ঠ সহযোগীরা যে খারাপ এবং তাদের চেয়ে নিকৃষ্ট শাসক যে কমই হয়, সেটা নতুন করে বর্ণনার কিছু নেই। নিকৃষ্ট ছিলেন বলেই তাদেরকে ক্ষমতা থেকে নামাতে অকাতরে জীবন দিতে হয়েছে ছাত্র-জনতাকে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানে এ দেশের মানুষ যেন আত্মাহুতির উৎসবে মেতেছিল।


৫ আগস্ট ২০২৪। সকাল ১১টা। ঢাকা-আরিচা মহাসড়কে মানুষের ভিড়, মিছিল আর স্লোগান। দেশজুড়ে তখন খুনের বন্যা। যা দেখিনি, তা-ই দেখছি—চোখের সামনে। দলে দলে কোত্থেকে আসছে এত মানুষ? ভেতরে ভেতরে একটা অভ্যুত্থান ঘটে গেছে।


নব্বইয়ের গণঅভ্যুত্থানের যে গণতান্ত্রিক আকাঙ্ক্ষা ছিল, তা আজও পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়নি। সেই দৃষ্টিকোণ থেকে দেখলে, চব্বিশের জুলাই অভ্যুত্থান যেন নব্বইয়ের সেই আকাঙ্ক্ষারই এক নতুন পুনরাবৃত্তি, যেখানে জনগণ আবারও একটি প্রকৃত গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের দাবি তুলেছে।


চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান প্রাথমিকভাবে সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কারের নিরীহ দাবি নিয়ে শুরু হলেও, তা সময়ের পরিক্রমায় এবং রাষ্ট্রযন্ত্রের কাঠামোগত সহিংসতার কারণে পূর্ণাঙ্গ ফ্যাসিবাদ-বিরোধী বিপ্লবে রূপ নিয়েছিল।
