


ইউনেসকোর সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় এবার যুক্ত হলো বাংলাদেশের শতাব্দীপ্রাচীন টাঙ্গাইল শাড়ি বয়নশিল্প। ইনট্যানজিবল কালচারাল হেরিটেজ বা অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য কী? ইউনেসকো কবে থেকে এই স্বীকৃতি দিচ্ছে? এই স্বীকৃতি কেন গুরুত্বপূর্ণ? কীভাবে হয় ইউনেসকোর ঐতিহ্য তালিকাভুক্তি?


টাঙ্গাইল শাড়ির বুনন শিল্পকে ‘অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের’ স্বীকৃতি দিয়েছে জাতিসংঘের শিক্ষা, বিজ্ঞান ও সংস্কৃতি সংস্থা (ইউনেসকো)। মঙ্গলবার ভারতের দিল্লিতে ইউনেসকো কনভেনশনের চলমান ২০তম আন্তরাষ্ট্রীয় পর্ষদের সভায় সর্বসম্মতিক্রমে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


ইউনেসকোর অপরিমেয় সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় স্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশের ‘ঐতিহ্যবাহী টাঙ্গাইল শাড়ি বুনন শিল্প’। সোমবার (৯ ডিসেম্বর) ইউনেসকোর ভেরিফাইড ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


টাঙ্গাইল শাড়ির নাম এলেই এক ধরনের মমতাভরা গর্ব জেগে ওঠে। আজ যে শাড়িকে আমরা টাঙ্গাইল শাড়ি নামে চিনি, একসময় তার নাম ছিল ‘বেগম বাহার’। টাঙ্গাইল অঞ্চলের তাঁতিরা বহু প্রজন্ম ধরে যে বয়ন-কৌশল বাঁচিয়ে রেখেছেন, তার শিকড় প্রাচীন বাংলারই ইতিহাসে।




যখন কোনো জাতিগত বা ধর্মীয় সংঘাত দেখা দেয়, তখন সম্পদের অভাব, ক্ষমতা ভাগাভাগির মতো মূল কারণগুলো নিয়ে আলোচনা না করে, বলা হয় যে এগুলো হলো মানুষের 'স্বাভাবিক' বা 'ঐতিহ্যগত' সমস্যা। এগুলো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।


গাজার এই ধ্বংসলীলা জগতের সামনে রূঢ় প্রশ্ন ছুড়ে দিয়েছে। পৃথিবীতে মানবাধিকার বলে কি আদতে কিছু আছে? নাকি এটি কেবল শক্তিশালী দেশগুলোর সুবিধামতো ব্যবহারের জন্য তৈরি একটি রাজনৈতিক হাতিয়ার?


সেদিন ফেসবুক ঘাঁটতে গিয়ে একটি গ্রুপ চোখে পড়ল, নাম ‘আনরেডি আপুদের ছবি’। গ্রুপে গিয়ে দেখলাম, বিনা অনুমতিতে বিভিন্ন বয়সী নারীর ছবি তুলে পোস্ট করা হচ্ছে। একটি ছবিতে দেখা গেল, বাসে বসে থাকা এক তরুণী ক্লান্তিতে চোখ বন্ধ করে আছেন, গায়ের ওপর থেকে ওড়না খানিকটা সরে গেছে; আরেক ছবিতে ওষুধের দোকানে বোরকা ও হিজাব

আজ ১০ ডিসেম্বর সারা বিশ্বের সঙ্গে বাংলাদেশেও পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক মানবাধিকার দিবস। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মানবাধিকার সুরক্ষায় বাংলাদেশ ২০০৯ সালে একটি কমিশন গঠন করলেও রাজনৈতিক সদিচ্ছার অভাবে সেটি কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারেনি। কমিশন পরিণত হয়েছে এক ‘ঠুঁটো জগন্নাথ’ প্রতিষ্ঠানে।

যখন কোনো জাতিগত বা ধর্মীয় সংঘাত দেখা দেয়, তখন সম্পদের অভাব, ক্ষমতা ভাগাভাগির মতো মূল কারণগুলো নিয়ে আলোচনা না করে, বলা হয় যে এগুলো হলো মানুষের 'স্বাভাবিক' বা 'ঐতিহ্যগত' সমস্যা। এগুলো কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করা দরকার।

কিছুদিন আগে ফেসবুকে ভাইরাল হয় একটি খবর। পাবনার ঈশ্বরদীতে সদ্যজাত আটটি কুকুরছানা বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে মেরে ফেলার অভিযোগে নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। আরও কিছুদিন আগে গ্রামীণ ফোনের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাঁর আশ্রিত বিড়ালকে নিচে ফেলে দিয়ে আহত করার প্রতিবাদ করেন এক তরুণী।



কিছুদিন আগে ফেসবুকে ভাইরাল হয় একটি খবর। পাবনার ঈশ্বরদীতে সদ্যজাত আটটি কুকুরছানা বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে মেরে ফেলার অভিযোগে নেটিজেনদের মধ্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দেখা যায়। আরও কিছুদিন আগে গ্রামীণ ফোনের এক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে তাঁর আশ্রিত বিড়ালকে নিচে ফেলে দিয়ে আহত করার প্রতিবাদ করেন এক তরুণী।


চট্টগ্রাম নগরীতে জেলা প্রশাসকের (ডিসি) বাসভবনের গেটে গাড়িচাপায় একটি অন্তঃসত্ত্বা কুকুরের মৃত্যুর ঘটনায় মামলা হয়েছে। এতে ঘটনার সময় ডিসি হিলের ফটক দিয়ে বের হওয়া গাড়ির চালক ও নিরাপত্তাকর্মীকে (গার্ড) আসামি করা হয়েছে।

আজ ১০ ডিসেম্বর, আন্তর্জাতিক প্রাণী অধিকার দিবস। বাংলাদেশের জাতীয় চিড়িয়াখানা দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে সময় ছবি তুলেছেন ঢাকা স্ট্রিমের ফটো এডিটর, ফটো সাংবাদিক আশরাফুল আলম।

বগুড়ার দত্তবাড়িয়ায় বিড়ালকে জবাই করে হত্যা কিংবা পাবনার ঈশ্বরদীতে সদ্যজাত আটটি কুকুর ছানাকে বস্তায় ভরে পুকুরে ফেলে মেরে ফেলার ঘটনা—সম্প্রতি এমন নিষ্ঠুরতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। সন্তান হারিয়ে মা কুকুরের আর্তনাদের ভিডিও নাড়া দিয়েছে মানুষের বিবেককে।




মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস পর্যালোচনায় সাধারণত রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট, গেরিলা কৌশল কিংবা আধুনিক সমরাস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে বিশদ আলোচনা হলেও প্রকৃতির নীরব অথচ বিধ্বংসী ভূমিকা অনেক সময় আড়ালেই থেকে যায়।


শুনতে অবাক লাগলেও এমন ঘটনাই ঘটেছে মুক্তিযুদ্ধের সময়। যদিও ইতিহাসের পাতায় কচুরিপানা নিয়ে খুব কমই লেখা হয়েছে, কিন্তু কচুরিপানার অবদান অস্বীকার কোনো উপায় নেই। মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস কেবল বারুদ আর রক্তের ইতিহাস নয়। এটি ছিল বাংলার মাটি, জল ও প্রকৃতির এক সম্মিলিত সংগ্রাম।


বর্তমানে বিশ্বের মোট ব্যক্তিগত সম্পদের তিন-চতুর্থাংশের মালিক শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনী মানুষ। আয়ের ক্ষেত্রেও চিত্র প্রায় একই। বৈশ্বিক আয়ের শীর্ষ ৫০ শতাংশ মানুষ মোট আয়ের ৯০ শতাংশের বেশি পায়। বিপরীতে, বিশ্বের দরিদ্র অর্ধেক মানুষ মিলে মোট আয়ের ১০ শতাংশেরও কম পায়।