


বাংলাদেশের পাট শিল্প কি আবার বিশ্ববাজারে বড় শক্তি হয়ে উঠতে পারে? আন্তর্জাতিক বাজারে পাট ও পাটজাত পণ্যের চাহিদা, রপ্তানির সম্ভাবনা এবং উদ্যোক্তাদের দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা বিস্তারিত আলোচনা করেছেন- বাংলাদেশ বহুমুখী পাটপণ্য উৎপাদক ও রপ্তানিকারক সমিতির সভাপতি মো. রাশেদুল করীম মুন্না


বঙ্গীয় বদ্বীপের সমাজ, রাজনীতি ও মতাদর্শ নিয়ে মানুষের মধ্যে নতুন করে আগ্রহ দেখা যাচ্ছে। এই প্রেক্ষিতে আমরা ফিরে তাকিয়েছি বাংলাদেশের গত দুই হাজার বছরের পথপরিক্রমায়। জানার চেষ্টা করেছি, কীভাবে গড়ে উঠেছে এ জনপদের সমাজ, রাজনীতি ও মতাদর্শ। এই লেখায় গবেষক ও লেখক তারিক ওমর আলির বই ‘আ লোকাল হিস্ট্রি অব গ্লোব


বাংলাদেশের ইতিহাসে পাট শুধু একটি কৃষিপণ্য নয়; এটি দেশের অর্থনীতি ও বাণিজ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। বিশ্ববাজারে দীর্ঘদিন গুরুত্ব থাকার কারণে পাটকে বলা হতো ‘সোনালি আঁশ’। ঔপনিবেশিক আমল ও বিংশ শতাব্দীর বড় একটি সময়ে বিশ্বের পাট উৎপাদন ও বাণিজ্যের বড় কেন্দ্র ছিল বঙ্গ অঞ্চল, এবং তখনকার পূর্ব পাকিস্তানে


দেশের অন্যতম প্রধান রপ্তানিপণ্য পাট। প্রতি বছর বড় অঙ্কের বৈদেশিক মুদ্রা আসে পাট রপ্তানির মাধ্যমে। কিন্তু চাষের জন্য বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) পাট বীজের চাহিদার সামান্যই পূরণ করতে পারছে। ফলে প্রয়োজনীয় বীজের বড় অংশই বিদেশ থেকে আমদানি করতে হয়।


তুরস্ক ও ইরান আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতি নিয়ে শতাব্দীপ্রাচীন বোঝাপড়ার মধ্যে আছে। মধ্যপ্রাচ্যে এই দুই দেশের সীমান্তই হলো সবচেয়ে পুরোনো ও স্বীকৃত সীমান্ত। ১৬৩৯ সাল থেকে দুই দেশ একে অপরের পাশাপাশি শান্তিতে বসবাস করছে।

সম্প্রতি দেশে জ্বালানি তেল নিয়ে একধরনের অস্থিরতা ও উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে গাড়ির দীর্ঘ সারি, অনেক দূর থেকে এসে তেল না পেয়ে ফিরে যাওয়ার অভিযোগ এবং কোথাও কোথাও স্টেশন বন্ধ রাখার খবর—সব মিলিয়ে পরিস্থিতি বেশ অস্বস্তিকর।



ইরানের বিরুদ্ধে চলমান সামরিক অভিযানে আরও কঠোর অবস্থান নিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি বলেছেন, তেহরানের সঙ্গে কোনো সমঝোতা হবে না—ইরানকে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ করতে হবে।


হরমুজে অচলাবস্থা দীর্ঘায়িত হলে বাংলাদেশের জ্বালানি নিরাপত্তা, বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত ও শিল্পখাত বড় ধরনের চাপে পড়বে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


উত্তপ্ত মধ্যপ্রাচ্যে আবার শুরু হয়েছে সংঘাত। শনিবার ইরানে হামলা চালিয়ে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনিসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতাকে হত্যা করেছে বিশ্ব পরাশক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও তাদের মিত্র ইসরাইল। এরপর ইরান পাল্টা হামলা চালিয়েছে ইসরাইলসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে।


