


গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার-বিরোধী মিথস্ক্রিয়া অপরিহার্য, যা আইন প্রণয়ন ও নীতি নির্ধারণে বিতর্ক ও সমালোচনার মাধ্যমে সিদ্ধান্তের গুণগত মান বাড়ায়।


জুলাই গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের সকাল ছিল ঐকতানের। সরকারি-বিরোধী উভয় দলের মুখে হাসি, উষ্ণ শুভেচ্ছা, সব মিলিয়ে নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতির এক আশাব্যঞ্জক সূচনা। কিন্তু দিন গড়াতেই বদলে যায় দৃশ্যপট। রাষ্ট্রপতির ভাষণকে কেন্দ্র করে ফিরে আসে চেনা উত্তাপ, স্লোগান আর ওয়াকআউট।

আজকের পর্বে আলোচলায় আছেন ঢাকা স্ট্রিমের পরামর্শক সম্পাদক হাসান মামুন ও প্রধান প্রতিবেদক মো. মাসুম বিল্লাহ

বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের অন্যতম প্রাণ ছিল সংসদে প্রাণবন্ত বিতর্কের সংস্কৃতি। আইন প্রণয়ন, নীতিনির্ধারণ কিংবা রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সংসদ সদস্যদের যুক্তি-তর্কে ভরপুর আলোচনা ছিল সংসদের স্বাভাবিক চিত্র। একসময় সংসদে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তথ্য, পরিসংখ্যান ও রাজনৈতিক দর্শন তুলে ধরে বক্তব্য রাখতেন


ইরানি নেতৃত্ব পশ্চিমাদের দ্বিমুখী আচরণ সম্পর্কে পুরোপুরি সচেতন। ট্রাম্প যতই ইরানের শাসনব্যবস্থার দ্রুত পতনের বাগাড়ম্বর করুন না কেন, বাস্তবে তা করা অত্যন্ত কঠিন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যুদ্ধের লক্ষ্যগুলো অস্পষ্ট এবং বারবার পরিবর্তনশীল।

দীর্ঘমেয়াদি লক্ষ্য হিসেবে যদি ফ্যামিলি কার্ডকে দেশের প্রত্যেক দরিদ্র নাগরিকের জন্য সর্বজনীন সামাজিক পরিচয়পত্রে রূপান্তর করা যায় এবং বাজেট ও সম্পদের ব্যবহার সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালিত হয়, তাহলে এটি বাংলাদেশের সামাজিক সুরক্ষা ব্যবস্থার এক যুগান্তকারী সংস্কার হিসেবে ইতিহাসে স্থান করে নিতে পারবে।



পবিত্র ঈদুল ফিতর সামনে রেখে রাজধানীতে জমে উঠেছে কেনাকাটা। নামি ব্র্যান্ডের শোরুমে ক্রেতার ভিড় সামলাতে হিমশিম কর্মীরা। অন্যদিকে, সাধারণ জামা-জুতা ও ফুটপাতের দোকানিরা ক্রেতার অপেক্ষায় পার করছেন।


এবারের ঈদে মানুষ কোন দিকে বেশি ঝুঁকছে—অনলাইন নাকি অফলাইন? ক্রেতা ও বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে উঠে এসেছে ভিন্ন ভিন্ন চিত্র।


রমজান মাসের মাঝমাঝি সময়ে চারদিকে যেন বেজে ওঠে ঈদের আগমনী বার্তা। দোকানে দোকানে মানুষের উপচে পড়া ভিড় জানান দেয় ঈদ আসলো বলে। কিন্তু এই চাকচিক্য আর আনন্দ-উচ্ছ্বাসের ভিড়ে সমাজের একটি শ্রেণি যেন কিছুটা নীরব হয়েই ঘুরে বেড়ায়।


ইরান যুদ্ধ নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি জটিল সন্ধিক্ষণে এগিয়ে যাচ্ছেন। তিনি এখনো নিজেকে পুরোপুরি বিজয়ী ঘোষণা করতে পারছেন না। একদিকে যুদ্ধ ক্রমেই নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে অন্যদিকে হাল ছেড়ে দিলে এর কৌশলগত ও অর্থনৈতিক পরিণতি বেশ ক্ষতিকর হতে পারে।