স্ট্রিম প্রতিবেদক
সিলেটের সাদাপাথর লুটকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিলেটের ‘সাদাপাথর লুটপাটের ঘটনা গণমাধ্যমে প্রাশিত হওয়ার পর বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ মোতাবেক অনুসন্ধান শুরু করেছে।’
বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী লুটপাটের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রায় ৫০ জনের তথ্য পাওয়া গেছে। পরিবেশগত অপরাধ সংঘটন করে এরা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য সাদাপাথর লুটপাটের ঘটনা ঘটিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, সম্প্রতি সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাদাপাথর থেকে নৌকা বোঝাই করে পাথর তুলে নেওয়া হয়েছে। পর্যটনকেন্দ্রটির প্রধান আকর্ষণ পাথর হাওয়া করে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার তৈরি হয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে সরব হন।
২০২০ সাল থেকে সিলেটে পাথর তোলায় নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। নিষিদ্ধ হওয়ার আগে থেকেই সিলেটের এই পাথর সারা দেশে সরবরাহ হয়ে আসছে। ভবন, সড়ক ও সেতু—সব ধরনের নির্মাণেই রয়েছে পাথরের চাহিদা।
তবে গত বছরের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর থেকে শুরু হয়েছে পাথর লুটপাট। এ নিয়ে সংবাদপত্রে বিভিন্ন সময় প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও পাথর তোলা ঠেকানো যায়নি। এমনকি গত ২৬ জুলাই অসহায়ত্ব প্রকাশ করে পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘আগের চার বছর জাফলং-এ পাথর উত্তোলন বন্ধ রাখতে পেরেছিলাম, এখন আমি উপদেষ্টা হয়েও পারলাম না।’
সিলেটের সাদাপাথর লুটকাণ্ডে জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তে নেমেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। গতকাল মঙ্গলবার (২৬ আগস্ট) সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (মিডিয়া) জসীম উদ্দিন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সিলেটের ‘সাদাপাথর লুটপাটের ঘটনা গণমাধ্যমে প্রাশিত হওয়ার পর বিভিন্ন গোয়েন্দা তথ্যের পরিপ্রেক্ষিতে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিট মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন-২০১২ মোতাবেক অনুসন্ধান শুরু করেছে।’
বিজ্ঞপ্তিতে তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী লুটপাটের ঘটনায় জড়িত সন্দেহে প্রায় ৫০ জনের তথ্য পাওয়া গেছে। পরিবেশগত অপরাধ সংঘটন করে এরা আর্থিকভাবে লাভবান হওয়ার জন্য সাদাপাথর লুটপাটের ঘটনা ঘটিয়েছেন। তাদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’
উল্লেখ্য, সম্প্রতি সিলেটের কোম্পানীগঞ্জের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র সাদাপাথর থেকে নৌকা বোঝাই করে পাথর তুলে নেওয়া হয়েছে। পর্যটনকেন্দ্রটির প্রধান আকর্ষণ পাথর হাওয়া করে দেওয়ার বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার তৈরি হয়। এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও অনেকে সরব হন।
২০২০ সাল থেকে সিলেটে পাথর তোলায় নিষেধাজ্ঞা দেয় সরকার। নিষিদ্ধ হওয়ার আগে থেকেই সিলেটের এই পাথর সারা দেশে সরবরাহ হয়ে আসছে। ভবন, সড়ক ও সেতু—সব ধরনের নির্মাণেই রয়েছে পাথরের চাহিদা।
তবে গত বছরের ৫ আগস্টের পটপরিবর্তনের পর থেকে শুরু হয়েছে পাথর লুটপাট। এ নিয়ে সংবাদপত্রে বিভিন্ন সময় প্রতিবেদন প্রকাশ হলেও পাথর তোলা ঠেকানো যায়নি। এমনকি গত ২৬ জুলাই অসহায়ত্ব প্রকাশ করে পরিবেশ উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, ‘আগের চার বছর জাফলং-এ পাথর উত্তোলন বন্ধ রাখতে পেরেছিলাম, এখন আমি উপদেষ্টা হয়েও পারলাম না।’
দাবি আদায় না হলে বিসিএস প্রকৌশলীরা আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। বিএসসি ও ডিপ্লোমাধারীদের দাবিগুলো পর্যালোচনার জন্য ১৪ সদস্যের একটি ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করেছে সরকার। এ ছাড়া আট সদস্যের একটি কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএসসি প্রকৌশলী শিক্ষার্থীরা এটি প্রত্যাখ্যান করেছে।
৮ ঘণ্টা আগেদেশের সব সরকারি-বেসরকারি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান ‘কমপ্লিট শাটডাউন অব ইঞ্জিনিয়ার্স’ কার্যকর রাখার ঘোষণা দিয়েছে প্রকৌশলী অধিকার আন্দোলন। পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত এই অবস্থান চলবে।
১০ ঘণ্টা আগেসাত মাস ব্যথার চিকিৎসা করতে গিয়ে ৫ লাখ টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছে ভুক্তভোগীর পরিবার। এই ঘটনায় ফেনীর সিভিল সার্জন ও ফেনী মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন তারা।
১১ ঘণ্টা আগেবাংলাদেশের প্রকৌশল খাতে দীর্ঘদিনের পুরোনো দ্বন্দ্ব—ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার বনাম বিএসসি গ্র্যাজুয়েট ইঞ্জিনিয়ার—আবার নতুন করে উত্তপ্ত রূপ নিয়েছে। প্রমোশন, পদমর্যাদা ও ‘প্রকৌশলী’ উপাধি ব্যবহারের প্রশ্নে দুই পক্ষের বিরোধ এখন দেশজুড়ে আন্দোলনে রূপ নিয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে