কলামপাঠ্যপুস্তক কেমন হলে ফিরবে শেখার আনন্দবাংলাদেশের সকালগুলোতে একটি দৃশ্য খুবই সাধারণ: স্কুলের পথে শিশুরা ব্যাগ কাঁধে, চোখে আধো ঘুম, মাথায় হাজার রকম চাপ। এদের কেউ বইকে ভালোবাসে, কেউ বইকে ভয় পায়, কেউ বইয়ের পাতায় নিজের জীবনকে খানিকটা খুঁজে পায়।
প্রতিক্রিয়াশৈশব ভাঙার নাম কি শিক্ষাশিশুকে বিদ্যালয়ে ভর্তি করা নিয়ে আমাদের দেশে মা-বাবার উদ্বেগ নতুন কিছু নয়। বিশেষ করে কর্মজীবী মা-বাবারা প্রতিদিন এক ধরনের মানসিক চাপে থাকেন। স্কুলে ঠিক মতো পৌঁছাল কি না, শিশুটি নিরাপদ আছে কি না—এমন নানা দুশ্চিন্তা তাঁদের তাড়া করে ফেরে। ছোট শিশুদের ক্ষেত্রে এই দুশ্চিন্তা আরও গভীর।
কলামবিক্ষোভের পাঠ: ইরানের শিক্ষা, পাকিস্তানের সতর্কতাপশ্চিমা বিশ্ব ইরানের ছোটখাটো বিক্ষোভ নিয়ে তোলপাড় করলেও পাকিস্তানের বিশাল গণআন্দোলন নিয়ে নীরব। কেন এই দ্বিচারিতা? জুনায়েদ এস. আহমদের লেখায় উঠে এসেছে পশ্চিমাদের ‘দৃশ্যমানতার রাজনীতি’ ও ভূ-রাজনৈতিক স্বার্থের নির্মম সত্য, যেখানে গণতন্ত্র রক্ষার বুলি কেবলই সুবিধাবাদের আড়ালে ঢাকা পড়ে যায়।
কলামসরকারের ‘হ্যাঁ’ ভোটের প্রচারণা কতটা আইনসঙ্গত?গণভোট মানে সংবিধানের সঙ্গে গণমানুষের সংলাপ। রাষ্ট্র একটি স্পষ্ট প্রশ্ন রাখে। নাগরিকরা স্বাধীনভাবে উত্তর দেন। এটিই তত্ত্ব। কিন্তু সাম্প্রতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের গণভোট যেন সেই নীরব সংলাপ নয়; বরং রাষ্ট্রীয় কণ্ঠে একটিমাত্র শব্দের পুনরাবৃত্তি—‘হ্যাঁ’। অথচ গণভোট গণতন্ত্রের নির্মলতম এক প্রকাশ।
কলামএকাত্তরের প্রতিশ্রুতি, চব্বিশের গণঅভ্যুত্থান আর ছাব্বিশের অগ্নিপরীক্ষায় বাংলাদেশদক্ষিণ এশিয়ার ইতিহাসে ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের জন্মকে অনেকেই ১৯৪৭ সালের দ্বিজাতিতত্ত্বের ‘জানাজা’ বা একটি ব্যর্থ তত্ত্বের ‘অ্যান্টিথিসিস’ হিসেবে দেখা হয়। প্রচলিত ও জনপ্রিয় বয়ান হলো ধর্মের ভিত্তিতে রাষ্ট্র টেকে না, তাই পাকিস্তান ভেঙেছে।
কলামগমের উত্থান: বাংলাদেশের খাদ্যাভ্যাসের পরিবর্তন এবং অর্থনৈতিক বাস্তবতাচালের উচ্চ দাম গ্রামীণ মানুষকে গমের দিকে ধাবিত করছে। পরিস্থিতি বিবেচনায় নিলে, গম এখন চালের পর দ্বিতীয় গুরুত্বপূর্ণ খাদ্যশস্য হয়ে উঠেছে। এটি অর্থনীতির বিভিন্ন খাতকে নতুন গতি দিচ্ছে।
কলামভোটের ঈদ: দেড় দশক পর গণতন্ত্রের উৎসবে ফেরার অপেক্ষাব্র্যাক ইনস্টিটিউট অব গভর্ন্যান্স অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট থেকে ভোটার আচরণ নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে একটা কথা বারবার শুনছি, ‘দশ বছর ধরি তো ভোট দিতিই যাই না।’ কেউ বলছেন গিয়েছিলেন, কিন্তু দেখেন সব শেষ। আগেই ভোট পড়ে গেছে। কেউ বলছেন, যাওয়ার দরকারই মনে করেননি। জানতেন, ফল আগে থেকে ঠিক করা।
কলামগণভোটের ফলাফলের ওপরেই কি অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ আর জুলাই সনদের ভবিষ্যৎ নির্ভর করছেযারা জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়ী হবেন, তারা প্রথম ৬ মাস অর্থাৎ ১৮০ দিন সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবে কাজ করবেন। এই সময়ের মধ্যে জুলাই সনদে উল্লিখিত সংস্কার প্রস্তাবগুলোর ওপর আলাপ-আলোচনার মধ্য দিয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন যে, সনদের কোন কোন বিধানের কতটুকু তারা রাখবেন বা রাখবেন না।
কলামতেলের দখল থেকে গ্রিনল্যান্ড: ট্রাম্পের আগ্রাসন ও অর্থনীতির নতুন সংকটপ্রথাগত বহুপাক্ষিক প্রতিষ্ঠানগুলো অকার্যকর মনে হচ্ছে। বৈশ্বিক শাসনের নতুন কাঠামো গড়তে আমাদের ইচ্ছুক দেশগুলোর জোট দরকার। যেসব দেশ টেকসই উন্নয়নের ব্যাপারে সিরিয়াস তাদের এক হতে হবে। ঐকমত্য তৈরির ব্যবস্থা চালু করতে হবে।
কলামসন্তানকে জীবনযুদ্ধে জিততে শেখান, জীবনের প্রতিটি লড়াইয়ে নয়মানুষের জীবন কোনো নিরবচ্ছিন্ন সাফল্যের গল্প নয়। জীবন মূলত একটি দীর্ঘ যুদ্ধ—যেখানে প্রতিটি মুহূর্তেই লড়াই আছে, সিদ্ধান্ত আছে, হার–জিত আছে। কিন্তু এই যুদ্ধের প্রকৃত লক্ষ্য কী? প্রতিটি ছোট লড়াইয়ে জয়ী হওয়া, নাকি সামগ্রিকভাবে জীবনযুদ্ধে টিকে থাকা ও মানুষ হিসেবে বিকশিত হওয়া?
কলামট্রাম্প যে কারণে দাভোসের ‘আসল নায়ক’অনেকে বলছেন দাভোস বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের দিন শেষ। এই বার্ষিক বৈঠককে ধরা হয় বিশ্বজুড়ে প্রভাবশালীদের আড্ডাখানা বা ‘গ্লোবাল এস্টাবলিশমেন্ট’-এর প্রতীক হিসেবে। কিন্তু এর মৃত্যু বা অকেজো হওয়ার খবর বড্ড বাড়িয়ে বলা হচ্ছে। অন্তত বলা যায় এখনই এমন রায় দেওয়ার সময় আসেনি।
কলামমুসলিম সাহিত্য সমাজমুসলিম সাহিত্য সমাজ ও বাংলাদেশ : আলো নাকি অন্ধকারের কুহকঢাকায় এখন জ্বলজ্বলে আলো, মাথার ওপর দিয়ে শাঁই শাঁই করে উড়ে যাচ্ছে মেট্রোরেল, উঁচু উঁচু দালানের শীর্ষমুখী অভিসার ঢেকে ফেলছে সমস্ত আকাশ, মেট্রোপলিটন থেকে আমাদের ঢাকাই মন আজ কসমোপলিটনের দিকে; অন্তহীন সভা ও সমাবেশের এই নগরীতে আজ পালিত হচ্ছে মুসলিম সাহিত্য সমাজের শতবর্ষপূর্তি।