স্ট্রিম প্রতিবেদক

জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর চানখারপুলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামী ২০ জানুয়ারি দেওয়া হবে।
আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন—বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
আসামিদের বিরুদ্ধে উভয় পক্ষের যুক্তি ও পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষে আগামী ২০ জানুয়ারি মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এই মামলায় আসামি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ আট জন। এর মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার এবং চারজন পলাতক রয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম। আজ কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
পলাতক আসামিরা হলেন—ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম ও রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার (এসি) মোহাম্মদ ইমরুল।
আজ আদালতে আসামি ইমাজ হোসেন ইমনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন আইনজীবী মো. জিয়াউর রশিদ। এরপর পলাতক চার আসামির পক্ষে আইনি যুক্তি তুলে ধরেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী কুতুবউদ্দিন আহমেদ। সবশেষে প্রসিকিউশনের পক্ষে পাল্টা যুক্তি খণ্ডন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। এ সময় প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম ও আবদুল্লাহ আল নোমান উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, গত ২২ ডিসেম্বর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আংশিক যুক্তিতর্ক শেষ করেছিলেন। ওই দিন শাহবাগ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেনের পক্ষে আইনজীবী সাদ্দাম হোসেন অভি এবং কনস্টেবল সুজন ও নাসিরুলের পক্ষে আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ ও আবুল হাসান যুক্তি উপস্থাপন করেন।
যুক্তিতর্কে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেন, প্রসিকিউশন তাদের মক্কেলদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের স্বপক্ষে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ হাজির করতে পারেনি।
গত ১৫ ডিসেম্বর প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপনকালে দাবি করেন, ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানের সরাসরি নির্দেশে চানখারপুলে ছয়জনকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি গত বছরের ৫ আগস্টের ঘটনার আদ্যোপান্ত এবং আসামিদের প্রত্যেকের অপরাধ ও সংশ্লিষ্টতা ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন। প্রসিকিউশন আট আসামির সবার সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করেছে।
ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, এ মামলায় মোট ২৩ কার্যদিবসে ২৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। গত ১২ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে ১৯ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলামের সাক্ষ্যের মাধ্যমে তা শেষ হয়। পরবর্তীতে ২৭ নভেম্বর আসামি আরশাদ হোসেনের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য নেওয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল তিনজনের সাক্ষ্য নেওয়ার অনুমতি দেন।
এর ধারাবাহিকতায় ৮ ডিসেম্বর আরশাদ হোসেন নিজের পক্ষে এবং মো. সোলাইমান সাফাই সাক্ষ্য দেন। পরে ১০ ডিসেম্বর আরেক সাফাই সাক্ষী জুয়েল মাহমুদ সাক্ষ্য প্রদান করেন। চলতি বছরের ১৪ জুলাই আদালত এই আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখারপুল এলাকায় শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ গুলি চালায়। এতে শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শাহরিক নিহত হন এবং বহু শিক্ষার্থী আহত হন।

জুলাই-আগস্টে গণঅভ্যুত্থান চলাকালে রাজধানীর চানখারপুলে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার রায় আগামী ২০ জানুয়ারি দেওয়া হবে।
আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) দুপুরে ট্রাইব্যুনাল-১-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এ আদেশ দেন। বেঞ্চের অপর দুই সদস্য হলেন—বিচারপতি মো. শফিউল আলম মাহমুদ এবং অবসরপ্রাপ্ত জেলা ও দায়রা জজ মো. মোহিতুল হক এনাম চৌধুরী।
আসামিদের বিরুদ্ধে উভয় পক্ষের যুক্তি ও পাল্টা যুক্তি খণ্ডন শেষে আগামী ২০ জানুয়ারি মামলার রায় ঘোষণার দিন ধার্য করেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল।
এই মামলায় আসামি ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানসহ আট জন। এর মধ্যে চারজন গ্রেপ্তার এবং চারজন পলাতক রয়েছেন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন—শাহবাগ থানার সাবেক পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেন, কনস্টেবল মো. সুজন মিয়া, মো. ইমাজ হোসেন ইমন ও মো. নাসিরুল ইসলাম। আজ কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।
পলাতক আসামিরা হলেন—ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক যুগ্ম কমিশনার সুদীপ কুমার চক্রবর্তী, রমনা অঞ্চলের সাবেক অতিরিক্ত উপকমিশনার (এডিসি) শাহ আলম মো. আখতারুল ইসলাম ও রমনা অঞ্চলের সাবেক সহকারী কমিশনার (এসি) মোহাম্মদ ইমরুল।
আজ আদালতে আসামি ইমাজ হোসেন ইমনের পক্ষে যুক্তি উপস্থাপন করেন আইনজীবী মো. জিয়াউর রশিদ। এরপর পলাতক চার আসামির পক্ষে আইনি যুক্তি তুলে ধরেন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী কুতুবউদ্দিন আহমেদ। সবশেষে প্রসিকিউশনের পক্ষে পাল্টা যুক্তি খণ্ডন করেন প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম। এ সময় প্রসিকিউটর সহিদুল ইসলাম ও আবদুল্লাহ আল নোমান উপস্থিত ছিলেন।
এর আগে, গত ২২ ডিসেম্বর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা আংশিক যুক্তিতর্ক শেষ করেছিলেন। ওই দিন শাহবাগ থানার তৎকালীন পরিদর্শক (অপারেশন) মো. আরশাদ হোসেনের পক্ষে আইনজীবী সাদ্দাম হোসেন অভি এবং কনস্টেবল সুজন ও নাসিরুলের পক্ষে আইনজীবী সিফাত মাহমুদ শুভ ও আবুল হাসান যুক্তি উপস্থাপন করেন।
যুক্তিতর্কে আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দাবি করেন, প্রসিকিউশন তাদের মক্কেলদের বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের স্বপক্ষে যথেষ্ট সাক্ষ্য-প্রমাণ হাজির করতে পারেনি।
গত ১৫ ডিসেম্বর প্রসিকিউটর মিজানুল ইসলাম রাষ্ট্রপক্ষের যুক্তি উপস্থাপনকালে দাবি করেন, ডিএমপির সাবেক কমিশনার হাবিবুর রহমানের সরাসরি নির্দেশে চানখারপুলে ছয়জনকে হত্যা করা হয়েছে। তিনি গত বছরের ৫ আগস্টের ঘটনার আদ্যোপান্ত এবং আসামিদের প্রত্যেকের অপরাধ ও সংশ্লিষ্টতা ট্রাইব্যুনালে তুলে ধরেন। প্রসিকিউশন আট আসামির সবার সর্বোচ্চ সাজা প্রার্থনা করেছে।
ট্রাইব্যুনাল সূত্রে জানা যায়, এ মামলায় মোট ২৩ কার্যদিবসে ২৬ জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ ও জেরা সম্পন্ন হয়েছে। গত ১২ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়ে ১৯ নভেম্বর তদন্ত কর্মকর্তা মো. মনিরুল ইসলামের সাক্ষ্যের মাধ্যমে তা শেষ হয়। পরবর্তীতে ২৭ নভেম্বর আসামি আরশাদ হোসেনের পক্ষে সাফাই সাক্ষ্য নেওয়ার আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ট্রাইব্যুনাল তিনজনের সাক্ষ্য নেওয়ার অনুমতি দেন।
এর ধারাবাহিকতায় ৮ ডিসেম্বর আরশাদ হোসেন নিজের পক্ষে এবং মো. সোলাইমান সাফাই সাক্ষ্য দেন। পরে ১০ ডিসেম্বর আরেক সাফাই সাক্ষী জুয়েল মাহমুদ সাক্ষ্য প্রদান করেন। চলতি বছরের ১৪ জুলাই আদালত এই আটজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছিলেন।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট চানখারপুল এলাকায় শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনে পুলিশ গুলি চালায়। এতে শাহরিয়ার খান আনাস, শেখ জুনায়েদ, মো. ইয়াকুব, মো. রাকিব হাওলাদার, মো. ইসমামুল হক ও মানিক মিয়া শাহরিক নিহত হন এবং বহু শিক্ষার্থী আহত হন।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৮ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৯ ঘণ্টা আগে