স্ট্রিম প্রতিবেদক

দক্ষিণ এশিয়ায় শকুন বিলুপ্তির জন্য দায়ী গবাদি পশুর চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিষাক্ত ওষুধ এখনো বিভিন্ন অঞ্চলের ফার্মেসিতে বিক্রি হচ্ছে। ফলে দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শকুনের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলছে। ভারত, নেপাল, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে পরিচালিত ফার্মেসি সমীক্ষায় এই উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক পাখি সংরক্ষণ সংস্থা আরএসপিবির সহায়তায় পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব এলাকায় শকুন-বান্ধব ওষুধের ব্যবহার বাড়াতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে নেপাল ও বাংলাদেশে, সেখানে নিষিদ্ধ ডাইক্লোফেনাক প্রায় নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে সেসব অঞ্চলে ‘শকুন নিরাপদ এলাকা’ (ভালচার সেইফ জোন) প্রতিষ্ঠা করা গেছে এবং শকুনের সংখ্যাও বাড়তে শুরু করেছে।
গবেষণায় বলা হয়, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তিনটি প্রজাতির শকুন—সাদা-পিঠ, সরু-ঠোঁট এবং ভারতীয় শকুন—ডাইক্লোফেনাক নামের নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ দ্বারা অনিচ্ছাকৃত বিষক্রিয়ার কারণে প্রায় বিলুপ্তির পথে চলে গিয়েছিল। ডাইক্লোফেনাক দিয়ে চিকিৎসা করা গবাদি পশুর মৃতদেহ খাওয়ার ফলে লক্ষ লক্ষ শকুনের কিডনি বিকল হয়ে মৃত্যু ঘটে। এর ফলস্বরূপ, ২০০৬ সালে ভারত, পাকিস্তান ও নেপালে এবং ২০১০ সালে বাংলাদেশে গবাদি পশুর চিকিৎসায় ডাইক্লোফেনাকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।
তবে সমীক্ষায় দেখা গেছে, এখনও অনেক অঞ্চলে ডাইক্লোফেনাক অবৈধভাবে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া, আরও ১৪ ধরনের এনএসএআইডি ওষুধ বিক্রি হচ্ছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি শকুনের জন্য বিষাক্ত বলে সন্দেহ করা হয়।
আইইউসিএন বাংলাদেশের কর্মকর্তা আলাম সারোয়ার বলেন, ‘শকুন-ঝুঁকিপূর্ণ ওষুধ নিষিদ্ধ করতে সরকারি সহায়তা অপরিহার্য। বাংলাদেশই প্রথম দেশ হিসেবে বিষাক্ত কিটোপ্রোফেন নিষিদ্ধ করেছিল এবং ২০২১ সালে তা সারাদেশে কার্যকর হয়। তবে বাংলাদেশের ফার্মেসি সমীক্ষা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো, সরকার একটি বিষাক্ত ওষুধ (কিটোপ্রোফেন) অপসারণে অসাধারণ কাজ করলেও তার স্থান নিয়েছে ফ্লুনিক্সিনের মতো আরেকটি পরীক্ষাবিহীন ওষুধ—যার ফলে শকুন এখনও ঝুঁকিতে রয়েছে।’
গবেষকরা বলছেন, নতুন কোনো পশু-চিকিৎসার ওষুধ বাজারে ছাড়ার আগে তা শকুনের জন্য নিরাপদ কি না, তা পরীক্ষা করা অপরিহার্য। শকুন প্রকৃতির জন্য একটি অপরিহার্য বর্জ্য পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে, যা রোগ ছড়ানো প্রতিরোধ করে। তাদের অনুপস্থিতিতে কিছু এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জলাতঙ্কের মতো রোগের ঝুঁকিও বেড়েছে।

দক্ষিণ এশিয়ায় শকুন বিলুপ্তির জন্য দায়ী গবাদি পশুর চিকিৎসায় ব্যবহৃত বিষাক্ত ওষুধ এখনো বিভিন্ন অঞ্চলের ফার্মেসিতে বিক্রি হচ্ছে। ফলে দেশব্যাপী নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও শকুনের অস্তিত্বকে হুমকির মুখে ফেলছে। ভারত, নেপাল, বাংলাদেশ ও পাকিস্তানে পরিচালিত ফার্মেসি সমীক্ষায় এই উদ্বেগজনক চিত্র উঠে এসেছে।
যুক্তরাজ্যভিত্তিক পাখি সংরক্ষণ সংস্থা আরএসপিবির সহায়তায় পরিচালিত এই গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব এলাকায় শকুন-বান্ধব ওষুধের ব্যবহার বাড়াতে সমন্বিত উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে, বিশেষ করে নেপাল ও বাংলাদেশে, সেখানে নিষিদ্ধ ডাইক্লোফেনাক প্রায় নির্মূল করা সম্ভব হয়েছে। এর ফলে সেসব অঞ্চলে ‘শকুন নিরাপদ এলাকা’ (ভালচার সেইফ জোন) প্রতিষ্ঠা করা গেছে এবং শকুনের সংখ্যাও বাড়তে শুরু করেছে।
গবেষণায় বলা হয়, দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় তিনটি প্রজাতির শকুন—সাদা-পিঠ, সরু-ঠোঁট এবং ভারতীয় শকুন—ডাইক্লোফেনাক নামের নন-স্টেরয়েডাল অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি ড্রাগ দ্বারা অনিচ্ছাকৃত বিষক্রিয়ার কারণে প্রায় বিলুপ্তির পথে চলে গিয়েছিল। ডাইক্লোফেনাক দিয়ে চিকিৎসা করা গবাদি পশুর মৃতদেহ খাওয়ার ফলে লক্ষ লক্ষ শকুনের কিডনি বিকল হয়ে মৃত্যু ঘটে। এর ফলস্বরূপ, ২০০৬ সালে ভারত, পাকিস্তান ও নেপালে এবং ২০১০ সালে বাংলাদেশে গবাদি পশুর চিকিৎসায় ডাইক্লোফেনাকের ব্যবহার নিষিদ্ধ করা হয়।
তবে সমীক্ষায় দেখা গেছে, এখনও অনেক অঞ্চলে ডাইক্লোফেনাক অবৈধভাবে পাওয়া যাচ্ছে। এছাড়া, আরও ১৪ ধরনের এনএসএআইডি ওষুধ বিক্রি হচ্ছে, যার মধ্যে বেশ কয়েকটি শকুনের জন্য বিষাক্ত বলে সন্দেহ করা হয়।
আইইউসিএন বাংলাদেশের কর্মকর্তা আলাম সারোয়ার বলেন, ‘শকুন-ঝুঁকিপূর্ণ ওষুধ নিষিদ্ধ করতে সরকারি সহায়তা অপরিহার্য। বাংলাদেশই প্রথম দেশ হিসেবে বিষাক্ত কিটোপ্রোফেন নিষিদ্ধ করেছিল এবং ২০২১ সালে তা সারাদেশে কার্যকর হয়। তবে বাংলাদেশের ফার্মেসি সমীক্ষা থেকে একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হলো, সরকার একটি বিষাক্ত ওষুধ (কিটোপ্রোফেন) অপসারণে অসাধারণ কাজ করলেও তার স্থান নিয়েছে ফ্লুনিক্সিনের মতো আরেকটি পরীক্ষাবিহীন ওষুধ—যার ফলে শকুন এখনও ঝুঁকিতে রয়েছে।’
গবেষকরা বলছেন, নতুন কোনো পশু-চিকিৎসার ওষুধ বাজারে ছাড়ার আগে তা শকুনের জন্য নিরাপদ কি না, তা পরীক্ষা করা অপরিহার্য। শকুন প্রকৃতির জন্য একটি অপরিহার্য বর্জ্য পরিষ্কারক হিসেবে কাজ করে, যা রোগ ছড়ানো প্রতিরোধ করে। তাদের অনুপস্থিতিতে কিছু এলাকায় বেওয়ারিশ কুকুরের সংখ্যা বেড়ে যাওয়ায় জলাতঙ্কের মতো রোগের ঝুঁকিও বেড়েছে।

শপথ গ্রহণের মাধ্যমে বিএনপি সরকার গঠন করায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা পরিষদ ভেঙে গেছে।
১ ঘণ্টা আগে
সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
১০ ঘণ্টা আগে