খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন
স্ট্রিম সংবাদদাতা

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় দুপুর সোয়া ১টার দিকে তিনি সেখানে পৌঁছান বলে নিশ্চিত করেছেন হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার ফয়সাল মাহমুদ।
তিনি জানান, রাজনাথ সিং বাংলাদেশ মিশনে পৌঁছলে হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ তাঁকে স্বাগত জানান। পরে রাজনাথ সিং খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং শোকবইতে সই করেন।
এ সময় রাজনাথ সিং বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর এই অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
শোক বইতে তিনি লেখেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে তাঁর অবদান সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে।’
রাজনাথ সিং তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে (সাবেক টুইটার) শ্রদ্ধা নিবেদন ও শোক বইতে সইয়ের ছবিও পোস্ট করেছেন।
এদিকে, বাংলাদেশ-ভারত চলমান কূটনৈতিক টানাটানির মধ্যে রাজনাথ সিংয়ের হাইকমিশনে যাওয়ার বিষয়টিকে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
এর আগে ২৩ ডিসেম্বর হিন্দুত্ববাদী কয়েকটি সংগঠনের ডাকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বাংলাদেশ হাইকমিশন অভিমুখে যায়। এর দুইদিন আগে ২০ ডিসেম্বর একদল বিক্ষোভকারী বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বাসভবনের সামনে গিয়ে স্লোগান দেয়। ওই সময় হাইকমিশনারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এসব ঘটনায় দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে অস্বস্তি তৈরি হয়।
এমন পরিস্থিতির মধ্যে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সরাসরি বাংলাদেশ হাইকমিশনে যাওয়া শুধু শোকজ্ঞাপন নয়, বরং হাইকমিশনের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার বার্তাও বহন করছে বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা।
এর আগে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়ার জানাজার দিন তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি খালেদা জিয়ার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লেখা একটি চিঠি তুলে দেন।
কূটনৈতিক মহলে এই ধারাবাহিক তৎপরতা বাংলাদেশে আসন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভারতের অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শ্যাম কুমার বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শোকবার্তা এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের উপস্থিতি কেবল শোকপ্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে ভারতের কৌশলগত আগ্রহও।
তিনি আরও বলেন, নয়াদিল্লি চায় বাংলাদেশে একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ সরকার ক্ষমতায় আসুক, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে সঙ্গে রাখাই ভারতের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

দিল্লিতে বাংলাদেশ হাইকমিশনে গিয়ে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়েছেন ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বাংলাদেশ সময় দুপুর সোয়া ১টার দিকে তিনি সেখানে পৌঁছান বলে নিশ্চিত করেছেন হাইকমিশনের প্রেস মিনিস্টার ফয়সাল মাহমুদ।
তিনি জানান, রাজনাথ সিং বাংলাদেশ মিশনে পৌঁছলে হাইকমিশনার এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ তাঁকে স্বাগত জানান। পরে রাজনাথ সিং খালেদা জিয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন এবং শোকবইতে সই করেন।
এ সময় রাজনাথ সিং বলেন, ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক সুদৃঢ় করতে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন। তাঁর এই অবদান চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে।
শোক বইতে তিনি লেখেন, ‘সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক জোরদারে তাঁর অবদান সবসময় শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করা হবে।’
রাজনাথ সিং তাঁর এক্স অ্যাকাউন্টে (সাবেক টুইটার) শ্রদ্ধা নিবেদন ও শোক বইতে সইয়ের ছবিও পোস্ট করেছেন।
এদিকে, বাংলাদেশ-ভারত চলমান কূটনৈতিক টানাটানির মধ্যে রাজনাথ সিংয়ের হাইকমিশনে যাওয়ার বিষয়টিকে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করছেন কূটনৈতিক পর্যবেক্ষকরা।
এর আগে ২৩ ডিসেম্বর হিন্দুত্ববাদী কয়েকটি সংগঠনের ডাকে একটি বিক্ষোভ মিছিল বাংলাদেশ হাইকমিশন অভিমুখে যায়। এর দুইদিন আগে ২০ ডিসেম্বর একদল বিক্ষোভকারী বাংলাদেশ হাইকমিশনারের বাসভবনের সামনে গিয়ে স্লোগান দেয়। ওই সময় হাইকমিশনারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগও ওঠে। এসব ঘটনায় দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কে অস্বস্তি তৈরি হয়।
এমন পরিস্থিতির মধ্যে ভারতের প্রতিরক্ষামন্ত্রীর সরাসরি বাংলাদেশ হাইকমিশনে যাওয়া শুধু শোকজ্ঞাপন নয়, বরং হাইকমিশনের নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করার বার্তাও বহন করছে বলে মনে করছে বিশ্লেষকরা।
এর আগে বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) খালেদা জিয়ার জানাজার দিন তাঁর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে ঢাকায় আসেন ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর। তিনি খালেদা জিয়ার ছেলে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের হাতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির লেখা একটি চিঠি তুলে দেন।
কূটনৈতিক মহলে এই ধারাবাহিক তৎপরতা বাংলাদেশে আসন্ন রাজনৈতিক বাস্তবতায় ভারতের অবস্থানের একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত হিসেবে দেখা হচ্ছে।
দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শ্যাম কুমার বলেন, বাংলাদেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির শোকবার্তা এবং অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের উপস্থিতি কেবল শোকপ্রকাশের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে আসন্ন ফেব্রুয়ারির জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে ভারতের কৌশলগত আগ্রহও।
তিনি আরও বলেন, নয়াদিল্লি চায় বাংলাদেশে একটি স্থিতিশীল, গণতান্ত্রিক ও ধর্মনিরপেক্ষ সরকার ক্ষমতায় আসুক, যা আঞ্চলিক নিরাপত্তা ও সহযোগিতার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বর্তমান ভূরাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশকে সঙ্গে রাখাই ভারতের দীর্ঘমেয়াদি স্বার্থের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ।

সাবেক সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারকে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপসচিব মোহাম্মদ রফিকুল হকের সই করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
৪ মিনিট আগে
ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৯ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৯ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৯ ঘণ্টা আগে