স্ট্রিম প্রতিবেদক

সদ্য নিয়োগ পাওয়া প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে আগামী ৪ জানুয়ারি সংবর্ধনা দেওয়া হবে। প্রথা অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় এ আয়োজন করবে।
সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) জানানো হয়, নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সম্মতি দিয়েছেন। আগামী ৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় আপিল বিভাগের ১ নম্বর এজলাস কক্ষে এ অনুষ্ঠান হবে।
এতে আরও বলা হয়, প্রথা অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি শপথ নেওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি যৌথভাবে তাঁকে সংবর্ধনা দিয়ে থাকে। এতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট উভয় বিভাগের বিচারপতি ও আইনজীবীরা উপস্থিত থাকেন।
এর আগে ২৩ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। গত ২৮ ডিসেম্বর বঙ্গভবনে তাঁকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। এরপর ৩০ ডিসেম্বর দেশের জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে অভিভাষণ দেন প্রধান বিচারপতি।
সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটের তথ্যানুযায়ী, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর জন্ম ১৯৬১ সালের ১৮ মে। তাঁর বাবা প্রয়াত এএফএম আবদুর রহমান চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন। জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে ও ১৯৮৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান।
২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে তাঁকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। আপিল বিভাগের বিচারপতিদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতার দিক থেকে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী দ্বিতীয়। তিনি ২০২৮ সালে অবসরে যাবেন।

সদ্য নিয়োগ পাওয়া প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে আগামী ৪ জানুয়ারি সংবর্ধনা দেওয়া হবে। প্রথা অনুযায়ী, সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি ও অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয় এ আয়োজন করবে।
সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) জানানো হয়, নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সম্মতি দিয়েছেন। আগামী ৪ জানুয়ারি সকাল সাড়ে ১০টায় আপিল বিভাগের ১ নম্বর এজলাস কক্ষে এ অনুষ্ঠান হবে।
এতে আরও বলা হয়, প্রথা অনুযায়ী, প্রধান বিচারপতি শপথ নেওয়ার পর অ্যাটর্নি জেনারেলের কার্যালয় ও সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতি যৌথভাবে তাঁকে সংবর্ধনা দিয়ে থাকে। এতে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট উভয় বিভাগের বিচারপতি ও আইনজীবীরা উপস্থিত থাকেন।
এর আগে ২৩ ডিসেম্বর আপিল বিভাগের বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি। গত ২৮ ডিসেম্বর বঙ্গভবনে তাঁকে শপথ পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মোঃ সাহাবুদ্দিন। এরপর ৩০ ডিসেম্বর দেশের জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ও চিফ ম্যাট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের উদ্দেশে অভিভাষণ দেন প্রধান বিচারপতি।
সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটের তথ্যানুযায়ী, বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীর জন্ম ১৯৬১ সালের ১৮ মে। তাঁর বাবা প্রয়াত এএফএম আবদুর রহমান চৌধুরীও সুপ্রিম কোর্টের বিচারক ছিলেন। জুবায়ের রহমান চৌধুরী ১৯৮৫ সালে জজ কোর্টে ও ১৯৮৭ সালের সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন। ২০০৩ সালে হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারক হিসেবে নিয়োগ পান।
২০২৪ সালের ১৩ আগস্ট আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে তাঁকে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন। আপিল বিভাগের বিচারপতিদের মধ্যে জ্যেষ্ঠতার দিক থেকে বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী দ্বিতীয়। তিনি ২০২৮ সালে অবসরে যাবেন।

মোবাইল ফোন আমদানিতে কাস্টমস ডিউটি ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে ব্যবসায়ীদের হাতে থাকা আমদানিকৃত ফোনের স্টক লটকেও বৈধতা দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) উপদেষ্টা পরিষদের বৈঠকে এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।
১৯ মিনিট আগে
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ও জাতীয় নাগরিক পার্টিসহ (এনসিপি) ১১ দলীয় জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা আগামী শনিবার (৩ জানুয়ারি) প্রকাশ করা হতে পারে। জোটের শরিক দলের নেতাদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি জানা গেছে।
৩৮ মিনিট আগে
মোবাইল ফোন হ্যান্ডসেট নিবন্ধনের বাধ্যবাধকতার প্রতিবাদ অংশ নিয়ে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনে ব্যাপক ভাঙচুর চালিয়েছে মোবাইল ফোন ব্যবসায়ীরা। বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে তিনটা থেকে বিকেল পাঁচটা পর্যন্ত প্রায় হাজারখানে হামলাকারী ভবনের চতুর্দিক থেকে ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে।
৪৩ মিনিট আগে
রাজধানীতে মেট্রোরেলের পিলার থেকে খুলে পড়া দুটি বিয়ারিং প্যাডই ত্রুটিপূর্ণ ছিল। তবে এ ঘটনায় নাশকতার কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) বিকেলে সচিবালয়ে সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে এক ব্রিফিংয়ে তদন্ত কমিটি এ তথ্য জানায়।
১ ঘণ্টা আগে