স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রের সংখ্যা আবারও সংশোধন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দ্বিতীয় দফা সংশোধনের পর ২ হাজার ৫৬৯টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ইসির ভাষ্য, অনেক প্রার্থী রিটার্নিং কর্মকর্তার পাশাপাশি সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিসেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। এ কারণে মোট সংখ্যায় গরমিল হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় শেষ হওয়ার পর রাতে জানানো হয়, ২ হাজার ৫৮২ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। পরে এটি সংশোধন করে ২ হাজার ৫৭০ করা হয়।
তবে বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক জানান, ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ২ হাজার ৫৬৯ জন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘এর আগে মোট মনোনয়নপত্র দাখিলকারীর সংখ্যা ২ হাজার ৫৭০ বলা হয়েছিল। এখনকার প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, মোট মনোনয়নপত্র দাখিলকারীর সংখ্যা ২৫ হাজার ৬৯। একই প্রার্থী রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার উভয় জায়গায় মনোনয়নপত্র দাখিল করায় তথ্যে গরমিল সৃষ্টি হয়।’
এদিকে ইসি জানিয়েছে, দেশে নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫১টি। বাকি দলগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত হয়েছে। আর যেই দলগুলো থেকে কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেয়নি সেগুলো হলো– বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম.এল), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, তৃণমূল বিএনপি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএম।
ইসির দেওয়া তথ্যমতে, সারাদেশে সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর, যার সংখ্যা ৪৭৮। আর রাজনৈতিক দলের মধ্যে সর্বাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে। দলটি থেকে ৩৩১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামী থেকে ২৭৬ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে ২৬৮, জাতীয় পার্টি থেকে ২২৪ এবং গণঅধিকার পরিষদ থেকে ১০৪ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। এর বাইরে এনসিপি থেকে ৪৪, আমার বাংলাদেশ পার্টি থেকে ৫৩, খেলাফত মজলিশ থেকে ৬৮, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি থেকে ৬৩, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি থেকে ৩১, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ থেকে ৪১, গণসংহতি আন্দোলন থেকে ১৮ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল থেকে ৩০ জন প্রার্থী হতে আবেদন করেছেন।
এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৮টি রাজনৈতিক দল থেকে ২ হাজার ৭৪১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। আর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ৩৮টি রাজনৈতিক দল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল অনুযায়ী, জমা পড়া এসব মনোনয়নপত্র বাছাই হবে আজ ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করতে পারবেন অবৈধ ঘোষিত প্রার্থী। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে জমা দেওয়া মনোনয়নপত্রের সংখ্যা আবারও সংশোধন করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। দ্বিতীয় দফা সংশোধনের পর ২ হাজার ৫৬৯টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
ইসির ভাষ্য, অনেক প্রার্থী রিটার্নিং কর্মকর্তার পাশাপাশি সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তার অফিসেও মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। এ কারণে মোট সংখ্যায় গরমিল হয়েছে।
এর আগে মঙ্গলবার (২৯ ডিসেম্বর) মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময় শেষ হওয়ার পর রাতে জানানো হয়, ২ হাজার ৫৮২ জন মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন। পরে এটি সংশোধন করে ২ হাজার ৫৭০ করা হয়।
তবে বুধবার (৩০ ডিসেম্বর) ইসির জনসংযোগ শাখার পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক জানান, ৫১টি নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলের ২ হাজার ৫৬৯ জন ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে প্রার্থী হতে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
তিনি বলেন, ‘এর আগে মোট মনোনয়নপত্র দাখিলকারীর সংখ্যা ২ হাজার ৫৭০ বলা হয়েছিল। এখনকার প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যাচ্ছে, মোট মনোনয়নপত্র দাখিলকারীর সংখ্যা ২৫ হাজার ৬৯। একই প্রার্থী রিটার্নিং অফিসার, সহকারী রিটার্নিং অফিসার উভয় জায়গায় মনোনয়নপত্র দাখিল করায় তথ্যে গরমিল সৃষ্টি হয়।’
এদিকে ইসি জানিয়েছে, দেশে নিবন্ধিত ৫৯টি রাজনৈতিক দলের মধ্যে এবার নির্বাচনে অংশ নিচ্ছে ৫১টি। বাকি দলগুলোর মধ্যে আওয়ামী লীগের নিবন্ধন স্থগিত হয়েছে। আর যেই দলগুলো থেকে কেউ মনোনয়নপত্র জমা দেয়নি সেগুলো হলো– বাংলাদেশের সাম্যবাদী দল (এম.এল), কৃষক শ্রমিক জনতা লীগ, বাংলাদেশ ন্যাশনাল আওয়ামী পার্টি, বিকল্পধারা বাংলাদেশ, বাংলাদেশ তরিকত ফেডারেশন, তৃণমূল বিএনপি এবং বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী আন্দোলন-বিএনএম।
ইসির দেওয়া তথ্যমতে, সারাদেশে সবচেয়ে বেশি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে স্বতন্ত্র প্রার্থীর, যার সংখ্যা ৪৭৮। আর রাজনৈতিক দলের মধ্যে সর্বাধিক মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) থেকে। দলটি থেকে ৩৩১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এ ছাড়া জামায়াতে ইসলামী থেকে ২৭৬ জন, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ থেকে ২৬৮, জাতীয় পার্টি থেকে ২২৪ এবং গণঅধিকার পরিষদ থেকে ১০৪ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছে। এর বাইরে এনসিপি থেকে ৪৪, আমার বাংলাদেশ পার্টি থেকে ৫৩, খেলাফত মজলিশ থেকে ৬৮, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টি থেকে ৬৩, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জেএসডি থেকে ৩১, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দল-বাসদ থেকে ৪১, গণসংহতি আন্দোলন থেকে ১৮ এবং বাংলাদেশ সমাজতান্ত্রিক দল থেকে ৩০ জন প্রার্থী হতে আবেদন করেছেন।
এর আগে দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ২৮টি রাজনৈতিক দল থেকে ২ হাজার ৭৪১ জন মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছিলেন। আর একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিয়েছিল ৩৮টি রাজনৈতিক দল।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফশিল অনুযায়ী, জমা পড়া এসব মনোনয়নপত্র বাছাই হবে আজ ৩০ ডিসেম্বর থেকে ২০২৬ সালের ৪ জানুয়ারি পর্যন্ত। রিটার্নিং কর্মকর্তার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ৫ থেকে ৯ জানুয়ারি পর্যন্ত আপিল করতে পারবেন অবৈধ ঘোষিত প্রার্থী। আপিল নিষ্পত্তি হবে ১০ থেকে ১৮ জানুয়ারির মধ্যে। প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ তারিখ ২০ জানুয়ারি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করে প্রতীক বরাদ্দ করবেন ২১ জানুয়ারি। নির্বাচনী প্রচার শুরু হবে ২২ জানুয়ারি। প্রচার চালানো যাবে ১০ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটা পর্যন্ত। আর ভোট গ্রহণ হবে ১২ ফেব্রুয়ারি।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার সাভারে অবস্থিত জাতীয় স্মৃতিসৌধের বাগানে পারিজাত ফুলগাছ রোপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
২৩ মিনিট আগে
শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, শিক্ষা কারিকুলামে কোনো পরিবর্তন আনা হবে না। তবে রিভিউ করা হবে।
২৫ মিনিট আগে
আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, “বিচারপতি মানেই সৎ। বিচারক শব্দটির সঙ্গেই সততার বৈশিষ্ট্য জড়িত।” তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, কেউ দুর্নীতি করলে তাঁর বিরুদ্ধে শুধু প্রশাসনিক ব্যবস্থাই নয়, দুর্নীতির মামলাও দেওয়া হবে। দুর্নীতি করে কেউ পার পাবে না।
২৬ মিনিট আগে
যত দ্রুত সম্ভব স্থানীয় সরকার নির্বাচন দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে নিজ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।
১ ঘণ্টা আগে