স্ট্রিম প্রতিবেদক

শপথ নেওয়ার পরপরই বিচার প্রশাসনের গতিশীলতা আনয়নে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ে বৈঠক করার উদ্যোগ নিয়েছেন নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) তিনি দেশের সব জেলা ও দায়রা জজ এবং প্রধান বিচারিক হাকিমদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক অভিভাষণ দেবেন।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি স্মারক জারি করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের স্মারকে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শক্রমে আগামী ৩০ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় সুপ্রিম কোর্ট অডিটরিয়ামে প্রধান বিচারপতির অভিভাষণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য দেশের সব জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের (সিএমএম) মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ বিচারিক আদালতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওই দিন ঢাকায় উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে গত ২৩ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।
সেই ধারাবাহিকতায় রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তিনি। দায়িত্বভার গ্রহণ করেই অধস্তন আদালতের বিচারকদের উদ্দেশে এই অভিভাষণের কর্মসূচি নির্ধারণ করলেন দেশের বিচার বিভাগের এই শীর্ষ অভিভাবক।

শপথ নেওয়ার পরপরই বিচার প্রশাসনের গতিশীলতা আনয়নে অধস্তন আদালতের বিচারকদের নিয়ে বৈঠক করার উদ্যোগ নিয়েছেন নবনিযুক্ত প্রধান বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরী। আগামীকাল মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) তিনি দেশের সব জেলা ও দায়রা জজ এবং প্রধান বিচারিক হাকিমদের উদ্দেশে দিকনির্দেশনামূলক অভিভাষণ দেবেন।
রোববার (২৮ ডিসেম্বর) আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আইন ও বিচার বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি স্মারক জারি করা হয়েছে।
মন্ত্রণালয়ের স্মারকে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্টের পরামর্শক্রমে আগামী ৩০ ডিসেম্বর সকাল ১০টায় সুপ্রিম কোর্ট অডিটরিয়ামে প্রধান বিচারপতির অভিভাষণ অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে। উক্ত অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণের জন্য দেশের সব জেলার জেলা ও দায়রা জজ, মহানগর দায়রা জজ, চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (সিজেএম) এবং চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেটদের (সিএমএম) মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে। অর্থাৎ বিচারিক আদালতের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ওই দিন ঢাকায় উপস্থিত থাকার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।
এর আগে আপিল বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিচারপতি জুবায়ের রহমান চৌধুরীকে দেশের ২৬তম প্রধান বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ দিয়ে গত ২৩ ডিসেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে আইন মন্ত্রণালয়। প্রজ্ঞাপনে শপথ গ্রহণের তারিখ থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়।
সেই ধারাবাহিকতায় রোববার (২৮ ডিসেম্বর) সকালে বঙ্গভবনের দরবার হলে রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের কাছে প্রধান বিচারপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন তিনি। দায়িত্বভার গ্রহণ করেই অধস্তন আদালতের বিচারকদের উদ্দেশে এই অভিভাষণের কর্মসূচি নির্ধারণ করলেন দেশের বিচার বিভাগের এই শীর্ষ অভিভাবক।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৩ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৪ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৫ ঘণ্টা আগে