স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঢাকার সকালটা আজ শুরু হয়েছে কুয়াশাচ্ছন্নভাবে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে তীব্র শীত উপেক্ষা করেই রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় বিএনপির সদ্যপ্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবরের পাশে দোয়া করতে এসেছেন অনেক মানুষ। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে কাউকেই কবরের কাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পুরো এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন।
গতকাল বুধবার স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। এতে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। আজ দাফনের পরদিন ফজরের নামাজের পরপরই বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষ কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হতে থাকেন।
সকালে শেরেবাংলানগর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিজয় সরণি থেকে মিরপুর রোডে যেতে জাতীয় সংসদ ও জিয়া উদ্যানের মাঝামাঝি সংযোগ সড়কটি বেরিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে সাধারণ মানুষ কবরস্থান থেকে কিছুটা দূরে, বিজয় সরণিসংলগ্ন প্রধান সড়কে দাঁড়িয়ে দোয়া ও মোনাজাত করছেন।

দোয়া করতে আসা কয়েকজন বলেন, কাছ থেকে কবর জিয়ারত করতে পারলে ভালো লাগতো, তবে দূর থেকেও দোয়া করা যায়। সিলেট থেকে থেকে আসা এক ব্যক্তি জানান, তিনি মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রওনা দিয়ে ঢাকায় এসে জানাজায় অংশ নেন এবং আজ সকালে আবার দোয়ার জন্য এসেছেন। তাঁর ভাষায়, ‘দূর থেকে হলেও দোয়া করতে পেরে মনে শান্তি পেয়েছি।’
শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষজন বেরিকেডের বাইরে দাঁড়িয়ে তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করছেন। তাঁরা বলছেন, খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও আবেগ গতকালের জানাজায়ই স্পষ্ট হয়েছে। জানাজায় অংশ নিতে না পারা অনেক মানুষ আজ সকালেও দোয়ার জন্য সেখানে এসেছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র জানা গেছে, অন্তত আগামী তিন দিন এই এলাকায় সাধারণ মানুষের প্রবেশ সীমিত থাকবে। কবে থেকে খালেদা জিয়া ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। আজ জিয়া পরিবারের সদস্যরা কেউ কবর জিয়ারতে আসবেন কি না, সে বিষয়েও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ঢাকার সকালটা আজ শুরু হয়েছে কুয়াশাচ্ছন্নভাবে। বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) সকালে তীব্র শীত উপেক্ষা করেই রাজধানীর শেরেবাংলা নগর এলাকায় বিএনপির সদ্যপ্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার কবরের পাশে দোয়া করতে এসেছেন অনেক মানুষ। তবে নিরাপত্তাজনিত কারণে কাউকেই কবরের কাছে যেতে দেওয়া হচ্ছে না। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পুরো এলাকায় দায়িত্ব পালন করছেন।
গতকাল বুধবার স্বামী সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরের পাশে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফন করা হয় সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে। এতে লাখ লাখ মানুষ অংশ নেন। আজ দাফনের পরদিন ফজরের নামাজের পরপরই বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা মানুষ কবর জিয়ারতের উদ্দেশ্যে সেখানে জড়ো হতে থাকেন।
সকালে শেরেবাংলানগর এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বিজয় সরণি থেকে মিরপুর রোডে যেতে জাতীয় সংসদ ও জিয়া উদ্যানের মাঝামাঝি সংযোগ সড়কটি বেরিকেড দিয়ে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। ভেতরে প্রবেশ করতে না পেরে সাধারণ মানুষ কবরস্থান থেকে কিছুটা দূরে, বিজয় সরণিসংলগ্ন প্রধান সড়কে দাঁড়িয়ে দোয়া ও মোনাজাত করছেন।

দোয়া করতে আসা কয়েকজন বলেন, কাছ থেকে কবর জিয়ারত করতে পারলে ভালো লাগতো, তবে দূর থেকেও দোয়া করা যায়। সিলেট থেকে থেকে আসা এক ব্যক্তি জানান, তিনি মঙ্গলবার দিবাগত রাতে রওনা দিয়ে ঢাকায় এসে জানাজায় অংশ নেন এবং আজ সকালে আবার দোয়ার জন্য এসেছেন। তাঁর ভাষায়, ‘দূর থেকে হলেও দোয়া করতে পেরে মনে শান্তি পেয়েছি।’
শ্রদ্ধা জানাতে আসা মানুষজন বেরিকেডের বাইরে দাঁড়িয়ে তাঁদের অনুভূতি প্রকাশ করছেন। তাঁরা বলছেন, খালেদা জিয়ার প্রতি মানুষের ভালোবাসা ও আবেগ গতকালের জানাজায়ই স্পষ্ট হয়েছে। জানাজায় অংশ নিতে না পারা অনেক মানুষ আজ সকালেও দোয়ার জন্য সেখানে এসেছেন।
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সূত্র জানা গেছে, অন্তত আগামী তিন দিন এই এলাকায় সাধারণ মানুষের প্রবেশ সীমিত থাকবে। কবে থেকে খালেদা জিয়া ও সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সমাধিস্থল সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত করা হবে, সে বিষয়ে এখনো কোনো নির্দিষ্ট সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি। আজ জিয়া পরিবারের সদস্যরা কেউ কবর জিয়ারতে আসবেন কি না, সে বিষয়েও কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে