স্ট্রিম ডেস্ক

আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের মধ্যে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের একটি মন্তব্য। বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, চলতি বছরের শুরুতে তিনি ভারতের সরকারের একজন দূতের সঙ্গে একটি বৈঠক করেছিলেন, যেটি গোপন রাখতে বলা হয়েছিল।
ডা. শফিকুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বৈঠকটি গোপন রাখার অনুরোধ এসেছিল ভারতীয় দূতের পক্ষ থেকেই। অন্যান্য দেশের কূটনীতিকদের প্রকাশ্য সফরের সঙ্গে বিষয়টি ভিন্ন বলে উল্লেখ করেন তিনি। বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই এবং সব পক্ষের সঙ্গে খোলা মন নিয়ে যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন।
এ বিষয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, নয়াদিল্লি যখন পরবর্তী সরকার গঠনের উপযুক্ত দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে, এমন সময়ে রহমান (জামায়াত আমির শফিকুর রহমান) নিশ্চিত করেছেন, ইতোপূর্বে বাইপাস সার্জারির পর একজন ভারতীয় কূটনীতিক তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। অন্যান্য দেশের কূটনীতিকরা যখন প্রকাশ্যেই দেখা করেন, তখন ভারতীয় কর্মকর্তা সাক্ষাৎ গোপন রাখতে বলেন।
এ বিষয়ে শফিকুর রহমান তখন বলেন, কেন? অনেক কূটনীতিক আমার সঙ্গে দেখা করেছেন এবং তা প্রকাশ করা হয়েছিল। (এখানে) সমস্যা কোথায়?
তিনি বলেন, আমরা সবার প্রতি উন্মুক্ত হব এবং একে অপরের জন্য উন্মুক্ত হব। এছাড়া সম্পর্ক উন্নয়নে আমাদের কোনো বিকল্প নেই।
বৈঠকের বিষয়ে শফিকুর রহমানের বক্তব্য বা বৈঠকের কথা গোপন রাখার অনুরোধ প্রসঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তর তাৎক্ষণিক কোনো মতামত জানায়নি। ভারতীয় সরকারের একটি সূত্র অবশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগের কথা স্বীকার করেছে।
এদিকে বুধবার ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শেষ বিদায় প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে বাংলাদেশে এসেছেন।
দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। ২০২৪ সালের আগস্টে তরুণদের নেতৃত্বে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর দলটি আবার নির্বাচনী রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে ভারতীয় দূতের সঙ্গে বৈঠকের তথ্য সামনে আসায় আঞ্চলিক কূটনৈতিক সমীকরণ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। শেখ হাসিনার শাসনামলে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। বিশেষ করে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে। তাঁর বিদায়ের পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক শীতল হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো ভারতের একটি কৌশলগত উদ্যোগের অংশ হতে পারে।
সম্ভাব্য সরকার গঠন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান জানান, জামায়াত যদি কোনো ঐক্যভিত্তিক সরকারের অংশ হয়, তাহলে সেখানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তাঁর ভাষায়, দেশের অন্তত পাঁচ বছরের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি।
দলটির অতীত রাজনৈতিক অবস্থান ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির বলেন, তাঁরা কোনো একটি দেশের দিকে ঝুঁকে পড়তে চান না। বরং সব দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাকেই দলটির নীতি হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।

আগামী ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনের প্রাক্কালে বাংলাদেশের রাজনৈতিক পুনর্বিন্যাসের মধ্যে নতুন আলোচনার জন্ম দিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমানের একটি মন্তব্য। বুধবার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, চলতি বছরের শুরুতে তিনি ভারতের সরকারের একজন দূতের সঙ্গে একটি বৈঠক করেছিলেন, যেটি গোপন রাখতে বলা হয়েছিল।
ডা. শফিকুর রহমানের ভাষ্য অনুযায়ী, ওই বৈঠকটি গোপন রাখার অনুরোধ এসেছিল ভারতীয় দূতের পক্ষ থেকেই। অন্যান্য দেশের কূটনীতিকদের প্রকাশ্য সফরের সঙ্গে বিষয়টি ভিন্ন বলে উল্লেখ করেন তিনি। বৈঠক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, পারস্পরিক সম্পর্ক উন্নয়নের কোনো বিকল্প নেই এবং সব পক্ষের সঙ্গে খোলা মন নিয়ে যোগাযোগ বাড়ানো প্রয়োজন।
এ বিষয়ে রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়, নয়াদিল্লি যখন পরবর্তী সরকার গঠনের উপযুক্ত দলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছে, এমন সময়ে রহমান (জামায়াত আমির শফিকুর রহমান) নিশ্চিত করেছেন, ইতোপূর্বে বাইপাস সার্জারির পর একজন ভারতীয় কূটনীতিক তাঁর সঙ্গে দেখা করেন। অন্যান্য দেশের কূটনীতিকরা যখন প্রকাশ্যেই দেখা করেন, তখন ভারতীয় কর্মকর্তা সাক্ষাৎ গোপন রাখতে বলেন।
এ বিষয়ে শফিকুর রহমান তখন বলেন, কেন? অনেক কূটনীতিক আমার সঙ্গে দেখা করেছেন এবং তা প্রকাশ করা হয়েছিল। (এখানে) সমস্যা কোথায়?
তিনি বলেন, আমরা সবার প্রতি উন্মুক্ত হব এবং একে অপরের জন্য উন্মুক্ত হব। এছাড়া সম্পর্ক উন্নয়নে আমাদের কোনো বিকল্প নেই।
বৈঠকের বিষয়ে শফিকুর রহমানের বক্তব্য বা বৈঠকের কথা গোপন রাখার অনুরোধ প্রসঙ্গে ভারতের পররাষ্ট্র দপ্তর তাৎক্ষণিক কোনো মতামত জানায়নি। ভারতীয় সরকারের একটি সূত্র অবশ্য বাংলাদেশের বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যোগাযোগের কথা স্বীকার করেছে।
এদিকে বুধবার ভারতীয় পররাষ্ট্রমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শেষ বিদায় প্রক্রিয়ায় অংশ নিতে বাংলাদেশে এসেছেন।
দীর্ঘ প্রায় ১৭ বছর পর প্রথমবারের মতো জাতীয় নির্বাচনে অংশ নিতে যাচ্ছে জামায়াতে ইসলামী। ২০২৪ সালের আগস্টে তরুণদের নেতৃত্বে সংঘটিত গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে দীর্ঘদিনের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ক্ষমতাচ্যুতির পর দলটি আবার নির্বাচনী রাজনীতিতে সক্রিয় হয়েছে।
এই প্রেক্ষাপটে ভারতীয় দূতের সঙ্গে বৈঠকের তথ্য সামনে আসায় আঞ্চলিক কূটনৈতিক সমীকরণ নিয়েও আলোচনা শুরু হয়েছে। শেখ হাসিনার শাসনামলে ঢাকা ও নয়াদিল্লির মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল। বিশেষ করে বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক সহযোগিতার ক্ষেত্রে। তাঁর বিদায়ের পর বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে সম্পর্ক শীতল হয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, বাংলাদেশের নতুন রাজনৈতিক শক্তিগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো ভারতের একটি কৌশলগত উদ্যোগের অংশ হতে পারে।
সম্ভাব্য সরকার গঠন প্রসঙ্গে ডা. শফিকুর রহমান জানান, জামায়াত যদি কোনো ঐক্যভিত্তিক সরকারের অংশ হয়, তাহলে সেখানে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ও দুর্নীতিবিরোধী পদক্ষেপকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। তাঁর ভাষায়, দেশের অন্তত পাঁচ বছরের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করা জরুরি।
দলটির অতীত রাজনৈতিক অবস্থান ও পাকিস্তানের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ওঠা প্রশ্নের জবাবে জামায়াত আমির বলেন, তাঁরা কোনো একটি দেশের দিকে ঝুঁকে পড়তে চান না। বরং সব দেশের সঙ্গে ভারসাম্যপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখাকেই দলটির নীতি হিসেবে তুলে ধরেন তিনি।

সরকারের সুন্দর সুন্দর কথার আড়ালে প্রস্তাবিত ২০২৬–২৭ অর্থবছরের বাজেটটি দেশের ইতিহাসের অন্যতম বড় একটি ঘাটতি ও ঋণনির্ভর বাজেটে পরিণত হতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
৩ ঘণ্টা আগে
আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধির খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (১০ জুন) নিজেদের ওয়েবসাইটে এই খসড়া প্রকাশ করে ইসি। খসড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের জন্য একই ধরনের আচরণবিধি রাখা হয়।
১০ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১ দিন আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১ দিন আগে