স্ট্রিম প্রতিবেদক

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
আসাদুজ্জামানের হাত ধরে স্বাধীনতার পর এই প্রথম পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পেল ঝিনাইদহবাসী। আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় জেলায় আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
এর আগে ঝিনাইদহ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আব্দুল হাই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রয়াত এই নেতাও ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং মৎস্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এর বাইরে ঝিনাইদহের সন্তান অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান সিদ্দিকী এরশাদ সরকারের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
বিএনপির মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামানকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি দেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেলের ওই পদ থেকে ইস্তফা দেন। পরে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে নির্বাচন করেন।
১৯৭১ সালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বারইপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আসাদুজ্জামান। তাঁর বাবা শেখ মো. ইসরাইল হোসেন এবং মা বেগম রোকেয়া। নিজ জেলায় শিক্ষাজীবন শুরু করে তিনি ১৯৮৭ সালে যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি এবং ১৯৮৯ সালে এইচএসসি পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়ে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত আসাদুজ্জামান জাসদের রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৯৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ১৯৯৪ সালে জাসদ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরে জাসদের রাজনীতি থেকে সরে আসেন আসাদুজ্জামান।
১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন আসাদুজ্জামান। ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতি পান এবং ১৯৯৭ সালে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হন। ২০০৫ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি।
পেশাজীবনের শুরুতে আসাদুজ্জামান তৎকালীন আইনজীবী ও পরে বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমের সঙ্গে কাজ করেন। ১৯৯৮ সালে ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদের জুনিয়র হিসেবে যোগ দিয়ে দীর্ঘদিন তাঁর ল’ চেম্বারে কাজ করেন।
আসাদুজ্জামান মানবাধিকারবিষয়ক ছাড়াও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি নৌকার আব্দুল হাইয়ের কাছে হেরে যান।
স্বাধীনতার পর ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ আসনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগের অধ্যক্ষ মো. কামরুজ্জামান। এরপর ১৯৯১ সাল থেকে বিএনপির আব্দুল ওহাব তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন পর ২০০১ সাল আসনটি আওয়ামী লীগ আব্দুল হাইয়ের মাধ্যমে পুনরুদ্ধার করে। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচন পর্যন্ত দলটির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
আসাদুজ্জামানের হাত ধরে স্বাধীনতার পর এই প্রথম পূর্ণাঙ্গ মন্ত্রী পেল ঝিনাইদহবাসী। আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব পাওয়ায় জেলায় আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। বিভিন্ন রাজনৈতিক, সামাজিক ও পেশাজীবী সংগঠন তাঁকে অভিনন্দন জানিয়েছে।
এর আগে ঝিনাইদহ থেকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের আব্দুল হাই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেছেন। প্রয়াত এই নেতাও ঝিনাইদহ-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন এবং মৎস্য প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পান। এর বাইরে ঝিনাইদহের সন্তান অবসরপ্রাপ্ত সেনা কর্মকর্তা আব্দুল মান্নান সিদ্দিকী এরশাদ সরকারের প্রতিমন্ত্রী ছিলেন।
বিএনপির মানবাধিকারবিষয়ক সম্পাদক আসাদুজ্জামানকে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর রাষ্ট্রের সর্বোচ্চ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল নিয়োগ দেওয়া হয়। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে তিনি দেশের ১৭তম অ্যাটর্নি জেনারেলের ওই পদ থেকে ইস্তফা দেন। পরে ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ‘ধানের শীষ’ প্রতীকে নির্বাচন করেন।
১৯৭১ সালে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলার বারইপাড়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন আসাদুজ্জামান। তাঁর বাবা শেখ মো. ইসরাইল হোসেন এবং মা বেগম রোকেয়া। নিজ জেলায় শিক্ষাজীবন শুরু করে তিনি ১৯৮৭ সালে যশোর শিক্ষা বোর্ড থেকে এসএসসি এবং ১৯৮৯ সালে এইচএসসি পাস করেন। পরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগে ভর্তি হয়ে এলএলবি (সম্মান) ও এলএলএম ডিগ্রি অর্জন করেন।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ার সময় ১৯৮৯ থেকে ১৯৯৪ সাল পর্যন্ত আসাদুজ্জামান জাসদের রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন। ১৯৯৩ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক এবং ১৯৯৪ সালে জাসদ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটির প্রচার সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন। পরে জাসদের রাজনীতি থেকে সরে আসেন আসাদুজ্জামান।
১৯৯৫ সালে বাংলাদেশ বার কাউন্সিলে আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন আসাদুজ্জামান। ১৯৯৬ সালে সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগে প্র্যাকটিসের অনুমতি পান এবং ১৯৯৭ সালে সুপ্রিম কোর্ট বার অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য হন। ২০০৫ সালে আপিল বিভাগের আইনজীবী হিসেবে তালিকাভুক্ত হন তিনি।
পেশাজীবনের শুরুতে আসাদুজ্জামান তৎকালীন আইনজীবী ও পরে বিচারপতি নিজামুল হক নাসিমের সঙ্গে কাজ করেন। ১৯৯৮ সালে ব্যারিস্টার সৈয়দ ইশতিয়াক আহমেদের জুনিয়র হিসেবে যোগ দিয়ে দীর্ঘদিন তাঁর ল’ চেম্বারে কাজ করেন।
আসাদুজ্জামান মানবাধিকারবিষয়ক ছাড়াও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে একই আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে তিনি নৌকার আব্দুল হাইয়ের কাছে হেরে যান।
স্বাধীনতার পর ১৯৮৬ সালের সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-১ আসনে বিজয়ী হন আওয়ামী লীগের অধ্যক্ষ মো. কামরুজ্জামান। এরপর ১৯৯১ সাল থেকে বিএনপির আব্দুল ওহাব তিনবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। দীর্ঘদিন পর ২০০১ সাল আসনটি আওয়ামী লীগ আব্দুল হাইয়ের মাধ্যমে পুনরুদ্ধার করে। ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারির নির্বাচন পর্যন্ত দলটির প্রার্থীরা বিজয়ী হয়েছেন।

বিএনপি সরকার দেশকে সংসদীয় স্বৈরতন্ত্রের পথে নিয়ে যাচ্ছে বলে দাবি করেছে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির নেতাদের অভিযোগ, রাষ্ট্র সংস্কারের জরুরি অধ্যাদেশগুলো বাতিল এবং গণভোটের রায় উপেক্ষা করে সরকার দেশকে অন্ধকারে ঠেলে দিচ্ছে।
২০ ঘণ্টা আগে
পূর্ণাঙ্গ সংস্কার আদায় পর্যন্ত রাজপথ না ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন ১১-দলীয় ঐক্যের নেতারা। গণভোটের রায়ের বিরুদ্ধে সরকারি দলের অবস্থানের প্রতিবাদ ও গণরায় বাস্তবায়নের দাবিতে বিক্ষোভ সমাবেশে তারা অতীত থেকে বিএনপিকে সবক নেওয়ার পরামর্শও দিয়েছেন।
২ দিন আগে
গণভোটের রায় অমান্য করে ক্ষমতাসীন বিএনপি স্বৈরাচারের পথে চলছে বলে অভিযোগ করেছেন বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মামুনুল হক।
২ দিন আগে
উপদেষ্টারা ইঞ্জিনিয়ারিং করে বিএনপিকে ক্ষমতায় এনেছেন উল্লেখ করে অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে রাজপথে আন্দোলনে নামার আহ্বান জানিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক ও বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ নাহিদ ইসলাম।
২ দিন আগে