স্ট্রিম প্রতিবেদক

সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা এবং গণভোটের রায়—এই দুইটার প্রতি সম্মান দেখানো রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা পবিত্র দায়িত্ব মনে করেছি। কিন্তু সরকারি দল (বিএনপি) এই শপথ না নিয়ে জুলাইকে উপেক্ষা এবং অবজ্ঞা করেছে।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘আজকে যিনি প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেবেন, তিনি নিজেও নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে গিয়ে বলেছেন যে আপনারা গণভোটে “হ্যাঁ” বলুন। যদি এর প্রতি তারা শ্রদ্ধাশীল হতেন, তবে তারা ওই (সংবিধান সংস্কার) শপথটাও নিতেন। আমরা আশা করেছিলাম, তারা শপথ নেবেন। কিন্তু তারা তা না করায় আমাদের একটা আফসোসের জায়গা থেকে গেল। আমরা স্বাচ্ছন্দ্যে মন্ত্রিসভার শপথে যেতে পারতাম, যদি আমাদের মতো তারাও (বিএনপি) এই দুটি বিষয়ে শপথ নিতেন।’
রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা বর্জনের বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সময় বলেছিলাম, আমাদের কেউ এমপি বা মন্ত্রী হলে সরকারি প্লটের সুবিধা নেব না ও ট্যাক্সবিহীন গাড়িতে চড়ব না। আমাদের এই সিদ্ধান্তে আমরা অবিচল।’
নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘পরপর তিনটা নির্বাচন ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পরে জাতি বড় আশা করেছিল। কিন্তু ফলাফল প্রকাশের পর অনেক কিছু ঘটেছে, যার কারণে জাতির উৎসব ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিলিয়ে গেছে। সেটা অন্য একসময় আমরা বলব।’
সরকারের প্রতি নিজেদের অবস্থানের কথা জানিয়ে শফিকুর বলেন, ‘আমরা দেশকে ভালোবাসি। দেশ ও জনগণের ভালোর জন্য সরকার যদি কোনো উদ্যোগ নেয়, আমাদের সমর্থন তারা পাবেন। কিন্তু জনস্বার্থ বিঘ্নকারী কিছু হলে আমরাই সবার আগে প্রতিবাদ এবং ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।’

সরকারি দল জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা ও গণভোটের রায়কে অবজ্ঞা করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ ভবনে সংসদ সদস্য হিসেবে শপথ গ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপে তিনি এই মন্তব্য করেন।
জামায়াত আমির বলেন, ‘জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষা এবং গণভোটের রায়—এই দুইটার প্রতি সম্মান দেখানো রাজনৈতিক দল হিসেবে আমরা পবিত্র দায়িত্ব মনে করেছি। কিন্তু সরকারি দল (বিএনপি) এই শপথ না নিয়ে জুলাইকে উপেক্ষা এবং অবজ্ঞা করেছে।’
শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘আজকে যিনি প্রধানমন্ত্রীর শপথ নেবেন, তিনি নিজেও নির্বাচনী ক্যাম্পেইনে গিয়ে বলেছেন যে আপনারা গণভোটে “হ্যাঁ” বলুন। যদি এর প্রতি তারা শ্রদ্ধাশীল হতেন, তবে তারা ওই (সংবিধান সংস্কার) শপথটাও নিতেন। আমরা আশা করেছিলাম, তারা শপথ নেবেন। কিন্তু তারা তা না করায় আমাদের একটা আফসোসের জায়গা থেকে গেল। আমরা স্বাচ্ছন্দ্যে মন্ত্রিসভার শপথে যেতে পারতাম, যদি আমাদের মতো তারাও (বিএনপি) এই দুটি বিষয়ে শপথ নিতেন।’
রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা বর্জনের বিষয়ে জামায়াত আমির বলেন, ‘আমরা নির্বাচনী প্রক্রিয়ার সময় বলেছিলাম, আমাদের কেউ এমপি বা মন্ত্রী হলে সরকারি প্লটের সুবিধা নেব না ও ট্যাক্সবিহীন গাড়িতে চড়ব না। আমাদের এই সিদ্ধান্তে আমরা অবিচল।’
নির্বাচনী ফলাফল নিয়ে হতাশা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘পরপর তিনটা নির্বাচন ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পরে জাতি বড় আশা করেছিল। কিন্তু ফলাফল প্রকাশের পর অনেক কিছু ঘটেছে, যার কারণে জাতির উৎসব ফল প্রকাশের সঙ্গে সঙ্গে মিলিয়ে গেছে। সেটা অন্য একসময় আমরা বলব।’
সরকারের প্রতি নিজেদের অবস্থানের কথা জানিয়ে শফিকুর বলেন, ‘আমরা দেশকে ভালোবাসি। দেশ ও জনগণের ভালোর জন্য সরকার যদি কোনো উদ্যোগ নেয়, আমাদের সমর্থন তারা পাবেন। কিন্তু জনস্বার্থ বিঘ্নকারী কিছু হলে আমরাই সবার আগে প্রতিবাদ এবং ক্ষেত্রবিশেষে প্রতিরোধ গড়ে তুলব।’

জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
১৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১৯ ঘণ্টা আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে
জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জন্য ৮ লাখ ৩৯ হাজার ৫০৫ কোটি টাকার বাজেট প্রস্তাব দিয়েছে। জিডিপি ১২ দশমিক ১৪ শতাংশের সমান এই বাজেটকে তারা জনমুখী ও বাস্তবসম্মত বলে দাবি করেছে।
২ দিন আগে