স্ট্রিম সংবাদদাতা

স্বীকৃত ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করায় জামায়াত প্রার্থী ফখরুদ্দিন আহম্মদ মানিককে শোকজ করেছেন ফেনী-৩ আসনের অনুসন্ধানকারী ও বিচারিক কর্মকর্তা যুগ্ম জেলা জজ সাজ্জাতুন নেছা। গত বৃহস্পতির শোকজ করা হলেও শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়।
শোকজপত্রে উল্লেখ করা হয় যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী ফখরুদ্দিন আহম্মদ মানিকের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আইন সহায়তা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক লিগ্যাল কমিটি কর্তৃক এই মর্মে অভিযোগ করেন যে, ফখরুদ্দিন মানিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে তাঁর নামের পূর্বে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করছেন। কিন্তু তিনি তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় ‘ডাক্তার’ পদবি উল্লেখ করেননি। যাহা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন।
প্রসঙ্গত, হলফনামায় ফখরুদ্দিন আহম্মদ মানিক নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এমবিএ ও বিএইচএমএস (ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিনি অ্যান্ড সার্জারি) যুক্ত করেছেন। তবে এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে শোকজপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিচারিক কর্মকর্তা সাজ্জাতুন নেছা আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে অপরাধ বিচারের জন্যে কেন আমলে নেওয়া হবে না অথবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানান্তে লিখিত সুপারিশসহ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না— এই মর্মে জামায়াত প্রার্থীকে রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় নিজে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জামায়াত প্রার্থী ফখরুদ্দিন আহম্মদ মানিককে কল করা হলে তাঁর মিডিয়া প্রতিনিধি হিসেবে আনোয়ার হোসেন নামে একজন ফোন রিসিভ করেন। তবে শোকজের বিষয়টি তাঁদের জানা নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তবে রাতেই এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁর পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে পাল্টা ‘ডা.’ পদবি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার এবং সম্মানহানি অপচেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি লিখেছেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন, শোকজ ও শাস্তি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ। অভিযোগ এবং শোকজ করলে তা অভিযোগ প্রমাণিত হয় না। অনেক সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা বুঝতে অথবা জানতে না পারলে তা সুস্পষ্টভাবে বোঝার জন্য শোকজ করেন। শুনানিতে তা সমাধান হয়।
তিনি লিখেছেন, ‘আমার বিএইচএমএস (ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি) ৫ বছরের কোর্স এবং একবছর ইন্টার্নশিপ। হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন কোর্স সমপন্ন করার পরে নামের আগে ডাক্তার (ডা.) পদবি লেখা আইন দ্বারা স্বীকৃত। হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি প্রদান করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টি, যার অধীভুক্ত (এমবিবিএস এবং বিডিএস কোর্স ) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ভর্তি সার্কুলারের মাধ্যমে বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ (ঢাকার মিরপুর ১৪-তে অবস্থিত) যেখানে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। সুতরাং ডা. পদবি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা ও চিকিৎসা কাউন্সিল ২০২৩ দ্বারা স্বীকৃত। যা বিগত সংসদে পাস হয়েছিল ও গেজেট আকারে প্রকাশিত।
এ বিষয়ে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে’ যারা মামলা করেছিল, সেই মামলার কার্যক্রম ও স্থগিত করা হয়েছে দাবি করে জামায়াতের এই প্রার্থী লিখেছেন, ‘হলফনামায় আমার সার্টিফিকেট এবং রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার ও সাবমিট করা হয়েছে। যেখানে পেশা হিসেবে চিকিৎসক পদবি উল্লেখ করা আছে।
এ সংক্রান্ত কিছু ডকুমেন্টস সমুহ নিম্নে সংযুক্ত করা হল বাকি বিষয়ে এবং অযথা হয়রানি ও সম্মানহানিসহ আরও যেসব তথ্য আছে, সে বিষয়ে উচ্চ আদালতের মাধ্যমে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে, ইনশাল্লাহ।’

স্বীকৃত ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করায় জামায়াত প্রার্থী ফখরুদ্দিন আহম্মদ মানিককে শোকজ করেছেন ফেনী-৩ আসনের অনুসন্ধানকারী ও বিচারিক কর্মকর্তা যুগ্ম জেলা জজ সাজ্জাতুন নেছা। গত বৃহস্পতির শোকজ করা হলেও শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে বিষয়টি জানাজানি হয়।
শোকজপত্রে উল্লেখ করা হয় যে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য প্রার্থী ফখরুদ্দিন আহম্মদ মানিকের বিরুদ্ধে নির্বাচনী আইন সহায়তা ও নির্বাচন পর্যবেক্ষক লিগ্যাল কমিটি কর্তৃক এই মর্মে অভিযোগ করেন যে, ফখরুদ্দিন মানিক ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নির্বাচনী পোস্টার, লিফলেট, ব্যানার ও ফেস্টুনে তাঁর নামের পূর্বে ডাক্তার পদবি ব্যবহার করছেন। কিন্তু তিনি তাঁর নির্বাচনী হলফনামায় ‘ডাক্তার’ পদবি উল্লেখ করেননি। যাহা সুস্পষ্টভাবে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন।
প্রসঙ্গত, হলফনামায় ফখরুদ্দিন আহম্মদ মানিক নিজের শিক্ষাগত যোগ্যতা হিসেবে এমবিএ ও বিএইচএমএস (ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিনি অ্যান্ড সার্জারি) যুক্ত করেছেন। তবে এমবিবিএস ও বিডিএস ডিগ্রিধারী না হয়েও ডাক্তার পদবি ব্যবহার করা গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২ এর অনুচ্ছেদ ৭৭ (৩) (খ) মোতাবেক শাস্তিযোগ্য অপরাধ বলে শোকজপত্রে উল্লেখ করা হয়েছে।
বিচারিক কর্মকর্তা সাজ্জাতুন নেছা আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে অপরাধ বিচারের জন্যে কেন আমলে নেওয়া হবে না অথবা আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের নিমিত্তে পূর্ণাঙ্গ অনুসন্ধানান্তে লিখিত সুপারিশসহ বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশনে প্রতিবেদন পাঠানো হবে না— এই মর্মে জামায়াত প্রার্থীকে রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় নিজে উপস্থিত হয়ে লিখিতভাবে কারণ দর্শানোর নির্দেশ দিয়েছেন।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে জামায়াত প্রার্থী ফখরুদ্দিন আহম্মদ মানিককে কল করা হলে তাঁর মিডিয়া প্রতিনিধি হিসেবে আনোয়ার হোসেন নামে একজন ফোন রিসিভ করেন। তবে শোকজের বিষয়টি তাঁদের জানা নেই বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তবে রাতেই এ বিষয়ে ব্যাখ্যা দিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে তাঁর পেজ থেকে দেওয়া এক পোস্টে পাল্টা ‘ডা.’ পদবি নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার এবং সম্মানহানি অপচেষ্টা হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন। তিনি লিখেছেন, আচরণবিধি লঙ্ঘন, শোকজ ও শাস্তি নির্বাচনী প্রক্রিয়ার অংশ। অভিযোগ এবং শোকজ করলে তা অভিযোগ প্রমাণিত হয় না। অনেক সময় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তা বুঝতে অথবা জানতে না পারলে তা সুস্পষ্টভাবে বোঝার জন্য শোকজ করেন। শুনানিতে তা সমাধান হয়।
তিনি লিখেছেন, ‘আমার বিএইচএমএস (ব্যাচেলর অব হোমিওপ্যাথিক মেডিসিন অ্যান্ড সার্জারি) ৫ বছরের কোর্স এবং একবছর ইন্টার্নশিপ। হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন কোর্স সমপন্ন করার পরে নামের আগে ডাক্তার (ডা.) পদবি লেখা আইন দ্বারা স্বীকৃত। হোমিওপ্যাথিক গ্রাজুয়েশন ডিগ্রি প্রদান করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মেডিসিন ফ্যাকাল্টি, যার অধীভুক্ত (এমবিবিএস এবং বিডিএস কোর্স ) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের স্বাস্থ্য শিক্ষা অধিদপ্তরের ভর্তি সার্কুলারের মাধ্যমে বাংলাদেশের একমাত্র সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ (ঢাকার মিরপুর ১৪-তে অবস্থিত) যেখানে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। সুতরাং ডা. পদবি বাংলাদেশ হোমিওপ্যাথিক শিক্ষা ও চিকিৎসা কাউন্সিল ২০২৩ দ্বারা স্বীকৃত। যা বিগত সংসদে পাস হয়েছিল ও গেজেট আকারে প্রকাশিত।
এ বিষয়ে ‘উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে’ যারা মামলা করেছিল, সেই মামলার কার্যক্রম ও স্থগিত করা হয়েছে দাবি করে জামায়াতের এই প্রার্থী লিখেছেন, ‘হলফনামায় আমার সার্টিফিকেট এবং রেজিষ্ট্রেশন নাম্বার ও সাবমিট করা হয়েছে। যেখানে পেশা হিসেবে চিকিৎসক পদবি উল্লেখ করা আছে।
এ সংক্রান্ত কিছু ডকুমেন্টস সমুহ নিম্নে সংযুক্ত করা হল বাকি বিষয়ে এবং অযথা হয়রানি ও সম্মানহানিসহ আরও যেসব তথ্য আছে, সে বিষয়ে উচ্চ আদালতের মাধ্যমে আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে, ইনশাল্লাহ।’

ত্রয়োদশ সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির মনোনীতিদের মধ্যে ১৭ নেতা কোটিপতি। বিপরীতে জামায়াতে ইসলামীতে এমন নেতা আছেন একজন। নির্বাচন কমিশনে (ইসি) জমা দেওয়া প্রার্থীদের হলফনামা বিশ্লেষণে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
গুজব ও অপতথ্যভিত্তিক উসকানির সঙ্গে জড়িত ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থার দাবি জানিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদল।
৩ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে মনোনয়নপত্র বাতিল হওয়ার সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনে (ইসি) আপিল করেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) যুগ্ম আহ্বায়ক মনিরা শারমিন।
৫ ঘণ্টা আগে
বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের জামায়াতকে ‘রাজনৈতিকভাবে নির্মূল’ করার বক্তব্যের নিন্দা জানিয়েছে দলটি। শনিবার (২৫ এপ্রিল) রাতে এক বিবৃতিতে এই নিন্দা জানান জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার।
১ দিন আগে