স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে সদ্য পদত্যাগ করা নেত্রী ডা. তাসনিম জারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। এই আসনে এনসিপি তাঁদের নতুন প্রার্থী হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জাবেদ মিয়াকে (রাসিন) মনোনয়ন দিয়েছে। ফলে এই আসনে এনসিপির সাবেক ও বর্তমান দুই প্রার্থীর মধ্যে মুখোমুখি লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
দলীয় প্রার্থীর নাম আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাবেদ রাসিনকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এর মধ্যেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তিনি। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। সেখানে তিনি লেখেন, “প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই আমাকে ঘিরে নানা আলোচনা–সমালোচনা চলছে। এসব নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। কারণ আমি সারাজীবনই স্রোতের বিপরীতে চলা একজন মানুষ। সমালোচনা আমাকে থামাতে পারেনি, পারবেও না ইনশাআল্লাহ।”
জাবেদ রাসিনের পরিচয়
মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করেন জাবেদ রাসিন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে কর্মরত। তবে তিনি নিজেকে আইনজীবীর চেয়ে পেশাদার লেখক হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। 'তমিস্রা' সিরিজসহ পনেরোর বেশি বইয়ের লেখক তিনি। রাসিন তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, লেখালেখির মাধ্যমেই তিনি মানুষ, সমাজ ও রাষ্ট্রকে বুঝতে শিখেছেন। পাশাপাশি তিনি পরিবেশ বিষয়ক প্রতিষ্ঠান 'এসইডি ফাউন্ডেশন'-এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।
এনসিপিতে অবদান ও পরিকল্পনা
দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে জাবেদ রাসিনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি এনসিপির 'গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কমিটির' প্রধান ছিলেন। বর্তমানে তিনি দলের শিল্প ও বাণিজ্য সেলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মুগদা, সবুজবাগ ও খিলগাঁও এলাকায় এনসিপির সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ার পেছনে নিজের অবদানের কথা তিনি স্মরণ করেন। রাসিন লেখেন, “আজ এই তিনটি অঞ্চলে যে এনসিপি সংগঠন দাঁড়িয়ে আছে, তার বীজ বপন হয়েছিল আমার হাত ধরেই।”
তাসনিম জারা বনাম জাবেদ রাসিন
ঢাকা-৯ আসনে জাবেদ রাসিনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. তাসনিম জারা। তিনি এনসিপির প্রভাবশালী নেত্রী ছিলেন। সম্প্রতি দল থেকে পদত্যাগ করে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। ফলে একই দলের সাবেক ও বর্তমান দুই নেতার লড়াই এখন সময়ের ব্যাপার। ভোটারদের উদ্দেশে জাবেদ রাসিন লেখেন, “আমি বড় কিছু হই বা না হই আপনাদের সাথে আড্ডা দিতে চাই, গল্প করতে চাই। মানুষের কাছেই থাকতে চাই। সেখান থেকেই রাজনীতি, সেখান থেকেই পরিবর্তন।”
গত ২৭ ডিসেম্বর ডা. তাসনিম জারা দলের অভ্যন্তরীণ অনলাইন গ্রুপে নিজের পদত্যাগের কথা জানান। ওইদিনই ফেসবুক পেজে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের ঘোষণা দেন তিনি। তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, “আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে। খিলগাঁওয়েই আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। আমি আপনাদের এবং দেশের মানুষকে ওয়াদা করেছিলাম যে, আপনাদের জন্য ও নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ার জন্য আমি লড়বো। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, আমি আমার সেই ওয়াদা রক্ষা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই এই নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ থেকে অংশগ্রহণ করবো।”
নির্বাচনী লড়াইয়ে অন্য প্রার্থীরা
আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াত ও এনসিপিসহ ১১টি দলের একটি নির্বাচনী জোট হয়েছে। জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ৩ জানুয়ারি প্রকাশিত হবে। এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে জোটের তালিকা প্রকাশের আগেই ঢাকা-৯ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী কবির আহমেদ। তিনি বাংলাদেশ পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ শ্রমিক-কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন হাবিবুর রশিদ। তিনি ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-৯ (খিলগাঁও, সবুজবাগ ও মুগদা) আসনে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে সদ্য পদত্যাগ করা নেত্রী ডা. তাসনিম জারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের ঘোষণা দিয়েছেন। এই আসনে এনসিপি তাঁদের নতুন প্রার্থী হিসেবে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী জাবেদ মিয়াকে (রাসিন) মনোনয়ন দিয়েছে। ফলে এই আসনে এনসিপির সাবেক ও বর্তমান দুই প্রার্থীর মধ্যে মুখোমুখি লড়াইয়ের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
দলীয় প্রার্থীর নাম আসার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জাবেদ রাসিনকে নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে। এর মধ্যেই নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন তিনি। শুক্রবার (২ জানুয়ারি) সকালে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন তিনি। সেখানে তিনি লেখেন, “প্রার্থী ঘোষণার পর থেকেই আমাকে ঘিরে নানা আলোচনা–সমালোচনা চলছে। এসব নিয়ে আমার কোনো মাথাব্যথা নেই। কারণ আমি সারাজীবনই স্রোতের বিপরীতে চলা একজন মানুষ। সমালোচনা আমাকে থামাতে পারেনি, পারবেও না ইনশাআল্লাহ।”
জাবেদ রাসিনের পরিচয়
মতিঝিল সরকারি বালক উচ্চ বিদ্যালয় ও সরকারি বিজ্ঞান কলেজ থেকে পড়াশোনা শেষ করেন জাবেদ রাসিন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইনে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। বর্তমানে তিনি বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবী হিসেবে কর্মরত। তবে তিনি নিজেকে আইনজীবীর চেয়ে পেশাদার লেখক হিসেবে পরিচয় দিতে স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করেন। 'তমিস্রা' সিরিজসহ পনেরোর বেশি বইয়ের লেখক তিনি। রাসিন তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, লেখালেখির মাধ্যমেই তিনি মানুষ, সমাজ ও রাষ্ট্রকে বুঝতে শিখেছেন। পাশাপাশি তিনি পরিবেশ বিষয়ক প্রতিষ্ঠান 'এসইডি ফাউন্ডেশন'-এর প্রতিষ্ঠাতা হিসেবে দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছেন।
এনসিপিতে অবদান ও পরিকল্পনা
দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে জাবেদ রাসিনের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। তিনি এনসিপির 'গঠনতন্ত্র প্রণয়ন কমিটির' প্রধান ছিলেন। বর্তমানে তিনি দলের শিল্প ও বাণিজ্য সেলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। মুগদা, সবুজবাগ ও খিলগাঁও এলাকায় এনসিপির সাংগঠনিক ভিত্তি গড়ার পেছনে নিজের অবদানের কথা তিনি স্মরণ করেন। রাসিন লেখেন, “আজ এই তিনটি অঞ্চলে যে এনসিপি সংগঠন দাঁড়িয়ে আছে, তার বীজ বপন হয়েছিল আমার হাত ধরেই।”
তাসনিম জারা বনাম জাবেদ রাসিন
ঢাকা-৯ আসনে জাবেদ রাসিনের প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ডা. তাসনিম জারা। তিনি এনসিপির প্রভাবশালী নেত্রী ছিলেন। সম্প্রতি দল থেকে পদত্যাগ করে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হওয়ার ঘোষণা দেন। ফলে একই দলের সাবেক ও বর্তমান দুই নেতার লড়াই এখন সময়ের ব্যাপার। ভোটারদের উদ্দেশে জাবেদ রাসিন লেখেন, “আমি বড় কিছু হই বা না হই আপনাদের সাথে আড্ডা দিতে চাই, গল্প করতে চাই। মানুষের কাছেই থাকতে চাই। সেখান থেকেই রাজনীতি, সেখান থেকেই পরিবর্তন।”
গত ২৭ ডিসেম্বর ডা. তাসনিম জারা দলের অভ্যন্তরীণ অনলাইন গ্রুপে নিজের পদত্যাগের কথা জানান। ওইদিনই ফেসবুক পেজে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে নির্বাচনের ঘোষণা দেন তিনি। তাঁর পোস্টে উল্লেখ করেন, “আমি আপনাদের ঘরের মেয়ে। খিলগাঁওয়েই আমার জন্ম ও বেড়ে ওঠা। আমি আপনাদের এবং দেশের মানুষকে ওয়াদা করেছিলাম যে, আপনাদের জন্য ও নতুন রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ার জন্য আমি লড়বো। পরিস্থিতি যাই হোক না কেন, আমি আমার সেই ওয়াদা রক্ষা করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। তাই এই নির্বাচনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ঢাকা-৯ থেকে অংশগ্রহণ করবো।”
নির্বাচনী লড়াইয়ে অন্য প্রার্থীরা
আসন্ন নির্বাচন উপলক্ষে জামায়াত ও এনসিপিসহ ১১টি দলের একটি নির্বাচনী জোট হয়েছে। জোটের চূড়ান্ত প্রার্থী তালিকা ৩ জানুয়ারি প্রকাশিত হবে। এনসিপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আরিফুল ইসলাম আদিব এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এদিকে জোটের তালিকা প্রকাশের আগেই ঢাকা-৯ আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী কবির আহমেদ। তিনি বাংলাদেশ পরিবহণ শ্রমিক ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সভাপতি। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ শ্রমিক-কল্যাণ ফেডারেশনের কেন্দ্রীয় সহসভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। অন্যদিকে এই আসনে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন পেয়েছেন হাবিবুর রশিদ। তিনি ছাত্রদলের সাবেক কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক।

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ৪১ সদস্যবিশিষ্ট নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করেছে বিএনপি। কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য নজরুল ইসলাম খানকে। সদস্যসচিবের দায়িত্ব পেয়েছেন দলের জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী।
১৫ ঘণ্টা আগে
গণঅধিকার পরিষদ থেকে সদ্য পদত্যাগ করে বিএনপিতে যোগ দেওয়া ঝিনাইদহ-৪ আসনের ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী রাশেদ খানের নিজের কোনো বাড়ি, গাড়ি, প্লট বা জমি নেই। স্থাবর সম্পত্তি না থাকলেও উপহার হিসেবে পাওয়া ৩০ ভরি স্বর্ণ রয়েছে তাঁর।
১৫ ঘণ্টা আগে
বরিশালের ফকির বাড়ি রোডে বাংলাদেশের ওয়ার্কার্স পার্টির জেলা কার্যালয়ে ভাঙচুর ও মালামাল লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ দেওয়া হয়েছে।
১৫ ঘণ্টা আগে
সিলেটের জনপ্রিয় পর্যটনকেন্দ্র ‘সাদাপাথর’ এলাকা থেকে পাথর লুটের ঘটনায় বহিষ্কৃত বিএনপি নেতা সাহাব উদ্দিনকে দলে ফিরিয়ে নেওয়া হয়েছে। তাঁর ওপর আরোপিত স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করে প্রাথমিক সদস্য পদ ফিরিয়ে দিয়েছে দলটি। সাহাব উদ্দিন সিলেট জেলা বিএনপির সহসভাপতি ও কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি।
১৬ ঘণ্টা আগে