স্ট্রিম প্রতিবেদক

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমন ঘিরে প্রস্তুত সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। তাঁকে স্বাগত জানাতে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে হাজারো নেতাকর্মী শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকে অপেক্ষা করছেন।
জাতীয় স্মৃতিসৌধের ইনচার্জ ও সাভার গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৗশলী আনোয়ার হোসেন খান আনু জানান, সকাল থেকে তারা স্মৃতিসৌধে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রেখেছেন। বেলা ৩টা থেকে চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ) নিরাপত্তার দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান চলে যাওয়ার পর স্মৃতিসৌধ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী বলেছেন, তারেক রহমান গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে আসা বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ তাঁকে দেখতে জড়ো হচ্ছেন।

তিনি জানান, বিকেলে তারেক রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। স্মৃতিসৌধের সামনে ও আশেপাশের এলাকায় নেতাকর্মী সকাল থেকে জড়ো হয়েছেন। দলের নির্দেশনা অনুযায়ী সড়কের দুই পাশে অবস্থান করে তারেক রহমানকে স্বাগত জানাবেন নেতাকর্মীরা। ঢাকা জেলার অন্তর্ভুক্ত ঢাকা-১, ঢাকা-২, ঢাকা-৩, ঢাকা-১৯ ও ঢাকা-২০ আসনের দলীয় প্রার্থীরা নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে স্বাগত জানাতে উপস্থিত থাকবেন।
সরেজমিন দেখা যায়, জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিআইপি ফটকে এবিপিএন, পুলিশ, বিজিবি এবং সেনা সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। স্মৃতিসৌধ ও আশেপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছেন। সকাল ৯টার পরে স্মৃতিসৌধে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি অনুমতি থাকা সাংবাদিকদেরও যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

স্মৃতিসৌধের মূল ফটকের সামনে নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিচ্ছেন। তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত টি-শার্ট ও রঙিন ক্যাপ পরেছেন অনেকে।
ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অপস ও ট্রাফিক উত্তর) আরাফাতুল ইসলাম জানান, স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদন ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিতে তাদের এক হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের আগমন ঘিরে প্রস্তুত সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধ। তাঁকে স্বাগত জানাতে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে হাজারো নেতাকর্মী শুক্রবার (২৬ ডিসেম্বর) সকাল থেকে অপেক্ষা করছেন।
জাতীয় স্মৃতিসৌধের ইনচার্জ ও সাভার গণপূর্ত বিভাগের উপসহকারী প্রকৗশলী আনোয়ার হোসেন খান আনু জানান, সকাল থেকে তারা স্মৃতিসৌধে দর্শনার্থীদের প্রবেশ বন্ধ রেখেছেন। বেলা ৩টা থেকে চেয়ারপারসন সিকিউরিটি ফোর্স (সিএসএফ) নিরাপত্তার দায়িত্ব বুঝে নিয়েছেন। শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান চলে যাওয়ার পর স্মৃতিসৌধ দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে।
বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য নিপুণ রায় চৌধুরী বলেছেন, তারেক রহমান গণমানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার রাজনীতি করেন। দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে আসা বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানুষ তাঁকে দেখতে জড়ো হচ্ছেন।

তিনি জানান, বিকেলে তারেক রহমান জাতীয় স্মৃতিসৌধে মুক্তিযুদ্ধের শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাবেন। স্মৃতিসৌধের সামনে ও আশেপাশের এলাকায় নেতাকর্মী সকাল থেকে জড়ো হয়েছেন। দলের নির্দেশনা অনুযায়ী সড়কের দুই পাশে অবস্থান করে তারেক রহমানকে স্বাগত জানাবেন নেতাকর্মীরা। ঢাকা জেলার অন্তর্ভুক্ত ঢাকা-১, ঢাকা-২, ঢাকা-৩, ঢাকা-১৯ ও ঢাকা-২০ আসনের দলীয় প্রার্থীরা নেতাকর্মী ও সমর্থকদের নিয়ে স্বাগত জানাতে উপস্থিত থাকবেন।
সরেজমিন দেখা যায়, জাতীয় স্মৃতিসৌধের ভিআইপি ফটকে এবিপিএন, পুলিশ, বিজিবি এবং সেনা সদস্যরা সতর্ক অবস্থান নিয়েছেন। স্মৃতিসৌধ ও আশেপাশের এলাকায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরাও তীক্ষ্ণ দৃষ্টি রাখছেন। সকাল ৯টার পরে স্মৃতিসৌধে কাউকে ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। এমনকি অনুমতি থাকা সাংবাদিকদেরও যেতে দেওয়া হচ্ছে না।

স্মৃতিসৌধের মূল ফটকের সামনে নেতাকর্মীরা অবস্থান নিয়ে স্লোগান দিচ্ছেন। তারেক রহমানের ছবি সম্বলিত টি-শার্ট ও রঙিন ক্যাপ পরেছেন অনেকে।
ঢাকা জেলা পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অপস ও ট্রাফিক উত্তর) আরাফাতুল ইসলাম জানান, স্মৃতিসৌধে তারেক রহমানের শ্রদ্ধা নিবেদন ঘিরে নিরাপত্তা নিশ্চিতে তাদের এক হাজারের বেশি পুলিশ সদস্য মোতায়েন রয়েছে। মহাসড়কে যানচলাচল স্বাভাবিক রাখতে অতিরিক্ত ট্রাফিক পুলিশ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৬ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১২ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা দিনটিতে ২০১৬ সাল থেকে কোনো কর্মসূচির পরিবর্তে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আসছেন। শনিবারও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত খাম্বা ছিল কিন্তু বিদ্যুৎ ছিল না। এখনো একই দশা। মাত্র পাঁচ মাসেই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এই সরকার।
১৪ আগস্ট ২০২৬