স্ট্রিম ডেস্ক

চলমান সংঘাতের মধ্যে মধ্যপ্রাচ্য থেকে নিজেদের নাগরিকদের সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছে যুক্তরাষ্ট্র। এরইমধ্যে তাদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছে কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের দূতাবাস।
দূতাবাস জানিয়েছে, অঞ্চলটি থেকে মার্কিন নাগরিকদের বেরিয়ে যেতে সহায়তার জন্য অতিরিক্ত কিছু বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করা হচ্ছে।
There is no higher priority than the safety and security of American citizens for President Trump, Secretary of State Rubio, and the entire Department of State.
— U.S. Embassy in Qatar (@USEmbassyDoha) March 7, 2026
We are working on additional options to assist Americans to depart the Middle East. Please continue to check your… pic.twitter.com/95HR0RRhbU
একই সঙ্গে নাগরিকদের ই-মেইল নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে বলা হয়েছে, যাতে নতুন তথ্য বা শেষ মুহূর্তের কোনো পরিবর্তনের খবর জানা যায়। পাশাপাশি সবাইকে সতর্ক থাকারও আহ্বান জানানো হয়েছে।
শেয়ার করুন

যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলা শুরুর পর যুদ্ধের অষ্টম দিনে ঘুম ভেঙেছে ইরানিদের। রাজধানী তেহরানসহ দেশের বিভিন্ন স্থাপনা ও এলাকায় এসব হামলা চালানো হচ্ছে। সর্বশেষ খবর অনুযায়ী, মধ্যরাত থেকে কয়েক ঘণ্টা আগ পর্যন্ত এসব হামলা অব্যাহত ছিল।
আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, তেহরানের দুটি প্রধান বিমানবন্দরের একটি মেহরাবাদকে লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আশপাশের এলাকাও এতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানা গেছে।
রাতভর শহরের বিভিন্ন এলাকায় বড় বড় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বিস্ফোরণের অভিঘাত রাজধানীর বিভিন্ন মহল্লায় স্পষ্টভাবে অনুভূত হয়েছে। এর বাইরে দেশের আরও কয়েকটি শহরেও হামলা চলতে থাকার খবর পাওয়া যাচ্ছে।
এদিকে ইসরায়েলি সেনাবাহিনী আনুষ্ঠানিক বিবৃতিতে জানিয়েছে, শুক্রবার হামলায় তাদের ৮০টিরও বেশি যুদ্ধবিমান অংশ নিয়েছে। বিমানগুলো থেকে ইরানের বিভিন্ন ‘সামরিক স্থাপনা’ লক্ষ্য করে ২৩০টি বোমা ফেলা হয়েছে।
তাদের দাবি, লক্ষ্যবস্তুগুলোর মধ্যে ছিল আইআরজিসি একটি সামরিক বিশ্ববিদ্যালয়, উৎক্ষেপণ অবকাঠামোসহ একটি স্টোরেজ সাইট এবং ব্যালিস্টিক মিসাইল তৈরি ও সংরক্ষণের একটি ভূগর্ভস্থ স্থাপনা।
তবে এই স্থাপনাগুলো ইরানের ঠিক কোন কোন এলাকার, সে বিষয়ে ইসরায়েলি বিবৃতিতে নির্দিষ্ট করে কিছু বলা হয়নি।
আল জাজিরার প্রতিবেদন অনুযায়ী, শুধু সামরিক বা রাজনৈতিক স্থাপনা নয়, আবাসিক এলাকা, স্কুল ও হাসপাতালও হামলার লক্ষ্যবস্তু হচ্ছে।
তেহরানের চল্লিশোর্ধ্ব এক নারী বিবিসিকে বলেছেন, ‘বিস্ফোরণের শব্দে রাত ২টার দিকে আমার ঘুম ভেঙে যায়। টানা দ্বিতীয় রাত এভাবে ভয়ের মধ্যে কাটালাম।’
খবরে বলা হয়েছে, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্ন থাকায় ইরানের ভেতরে থাকা মানুষের সঙ্গে যোগাযোগ করা এখনো খুবই কঠিন। তবে কেউ কেউ অল্প সময়ের জন্য সংযোগ স্থাপন করতে পারছেন।
স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে তেহরানের বিশোর্ধ্ব এক তরুণ বলেন, ‘আমি এখনো ঘুমাতে পারিনি। আজ রাতে তেহরানকে প্রচণ্ডভাবে আঘাত করা হয়েছে।’
শেয়ার করুন
যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত দীর্ঘায়িত হওয়ার আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। খবর আল জাজিরার।
ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৯২ শমিক ৬৯ ডলারে উঠেছে, যা দিনে ৮ দশমিক ৫ শতাংশ এবং সপ্তাহে প্রায় ৩০ শতাংশ বৃদ্ধি।
বিশেষ করে হরমুজ প্রণালীর নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে। বিশ্বে মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ এই পথ দিয়ে পরিবাহিত হয়।
শেয়ার করুন
জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে ঘনবসতিপূর্ণ বেসামরিক এলাকায় বোমা হামলা চালাচ্ছে।
তাঁর মতে, এসব হামলা যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের শামিল।
শেয়ার করুন
যুদ্ধ শুরুর পর দোহা থেকে কাতার এয়ারওয়েজের প্রথম একটি ফ্লাইট লন্ডনের উদ্দেশে যাত্রা করেছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং ওয়েবসাইটগুলোর বরাতে বিবিসি এ তথ্য দিয়েছে।
এয়ারলাইনটি জানিয়েছে যে, তারা শনিবার প্যারিস, মাদ্রিদ, রোম এবং ফ্রাঙ্কফুর্ট অভিমুখে ‘উদ্ধারকারী ফ্লাইট’ পরিচালনা করবে। এক্ষেত্রে বয়স্ক ব্যক্তি, পরিবারসহ যাত্রী এবং যাদের জরুরি চিকিৎসা বা মানবিক কারণে ভ্রমণ প্রয়োজন, তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।
Qatar Airways is beginning a series of limited relief flights from Doha today. This A380 is the first aircraft to depart Doha since last Saturday. https://t.co/Rez4cojpd5 pic.twitter.com/ijENeHOYMt
— Flightradar24 (@flightradar24) March 7, 2026
ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইটগুলো দেখাচ্ছে যে, ছয়টির মতো বিমান দুবাই বিমানবন্দরে অবতরণের অপেক্ষায় আকাশে চক্কর দিচ্ছে।
অন্যদিকে দুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে যে তাদের আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা একটি মিসাইল হামলা মোকাবিলা করছে।
দুবাই মিডিয়া অফিস জানিয়েছে, প্রতিরক্ষা ব্যবস্থার মাধ্যমে কোনো বস্তু ভূপাতিত করার পর তার ধ্বংসাবশেষ পড়ে একটি ‘ছোট ঘটনা’ ঘটেছে। এতে কোনো হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
শেয়ার করুন
কাতারের বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, নির্দিষ্ট নিরাপদ করিডরের মাধ্যমে সীমিত আকারে বিমান চলাচল শুরু করা হচ্ছে।
এই ফ্লাইটগুলো মূলত আটকে পড়া যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়া এবং পণ্য পরিবহনের জন্য পরিচালিত হবে। নিয়মিত বাণিজ্যিক ফ্লাইট আপাতত চালু করা হচ্ছে না।
শেয়ার করুন
সৌদি প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, শাইবা তেলক্ষেত্রের দিকে আসা ছয়টি ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে। এ ছাড়া রাজধানী রিয়াদের দিকে আসা আরেকটি ড্রোনও ধ্বংস করা হয়েছে।
অন্যদিকে কাতার জানিয়েছে, তাদের আকাশসীমার দিকে ইরান থেকে ছোড়া ১০টি ড্রোনের মধ্যে ৯টি ভূপাতিত করা হয়েছে। একটি ড্রোন জনবসতিহীন এলাকায় পড়েছে।
শেয়ার করুন
মধ্যরাতের পর থেকে ইরান থেকে ছোড়া অন্তত পাঁচটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র শনাক্ত করার কথা জানিয়েছে ইসরায়েল। এসব হামলার কারণে রাতভর ইসরায়েলের লাখো মানুষকে আশ্রয়কেন্দ্রে যেতে হয়েছে। খবর আল জাজিরা
ইসরায়েলি কর্তৃপক্ষের হিসাব অনুযায়ী, প্রথম সপ্তাহে ইরান থেকে প্রায় ১ হাজার ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হতে পারে বলে ধারণা করা হয়েছিল। তবে এখন পর্যন্ত প্রায় ২০০টি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়া হয়েছে।
এদিকে বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, ইসরায়েল সরকার দেশটির নাগরিকদের মোবাইল ফোনে সতর্কবার্তা পাঠিয়েছে। এতে বলা হয়েছে, যাঁরা এই বার্তা পাচ্ছেন, তাঁদের নিকটবর্তী নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।
শেয়ার করুন
ইরানের রাজধানী তেহরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিমান হামলার অষ্টম দিনে নতুন করে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। মধ্যরাতের পর থেকে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় একাধিক বিস্ফোরণ হয়েছে বলে স্থানীয় প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।
আল জাজিরার খবর অনুযায়ী, তেহরানের দুটি প্রধান বিমানবন্দরের একটি মেহরাবাদ বিমানবন্দর লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছে। আশপাশের এলাকাও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। শহরের বিভিন্ন এলাকায় বিস্ফোরণের তীব্র অভিঘাত অনুভূত হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, শুধু সামরিক বা রাজনৈতিক স্থাপনা নয়, আবাসিক এলাকা, স্কুল ও হাসপাতালেও হামলার অভিযোগ উঠেছে।
শেয়ার করুন
যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের ইরানবিরোধী সামরিক অভিযান এক সপ্তাহ পার করে অষ্টম দিনে গড়িয়েছে। শনিবার (৭ মার্চ) ভোরে তেহরানে নতুন করে তীব্র বোমা হামলার খবর পাওয়া গেছে। যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে ইরানে যুক্তরাষ্ট্র–ইসরায়েলের হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ১ হাজার ৩৩২ জন নিহত হয়েছেন বলে প্রতিবেদনে বলা হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর সেন্ট্রাল কমান্ড জানিয়েছে, ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে ৩ হাজারের বেশি লক্ষ্যবস্তুতে হামলা চালানো হয়েছে এবং ইরানের ৪৩টি যুদ্ধজাহাজ ধ্বংস করা হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইরানের কাছে ‘নিঃশর্ত আত্মসমর্পণ’ দাবি করেছেন এবং বলেছেন, আত্মসমর্পণ ছাড়া যুদ্ধ শেষ করতে কোনো সমঝোতা হবে না। ইরানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হরমুজ প্রণালী খোলা থাকলেও সেখানে দিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করলে যুক্তরাষ্ট্র বা ইসরায়েলের জাহাজকে লক্ষ্যবস্তু করা হবে। একই সঙ্গে ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী সতর্ক করেছেন, ইউরোপের কোনো দেশ যদি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের সঙ্গে যুদ্ধে যোগ দেয়, তবে তারা ইরানের পাল্টা হামলার লক্ষ্যবস্তু হয়ে উঠবে।
এদিকে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ানের সঙ্গে কথা বলেছেন এবং ইরানে নিহতদের জন্য সমবেদনা জানিয়েছেন। যুক্তরাষ্ট্রের কর্মকর্তাদের বরাতে বলা হয়েছে, রাশিয়া ইরানকে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থানসংক্রান্ত গোয়েন্দা তথ্যও দিচ্ছে। যুদ্ধের কারণে রাশিয়ার জ্বালানি পণ্যের চাহিদাও বেড়েছে বলে জানিয়েছে ক্রেমলিন।
সংঘাতের প্রভাব উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়েও ছড়িয়ে পড়েছে। কাতার, কুয়েত ও সংযুক্ত আরব আমিরাত তাদের আকাশসীমায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র ঢোকার কথা জানিয়েছে। কাতার জানিয়েছে, ইরান থেকে ছোড়া ১০টি ড্রোনের মধ্যে নয়টি প্রতিহত করা হয়েছে। সৌদি আরবও রাজধানী রিয়াদের কাছে কয়েকটি ড্রোন ভূপাতিত করার কথা জানিয়েছে। কুয়েত কিছু তেলক্ষেত্রে উৎপাদন কমিয়েছে বলে সংবাদমাধ্যমে বলা হয়েছে।
ইসরায়েলের বিভিন্ন এলাকায় ইরান নিয়মিত ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। এতে তেল আবিব, উত্তর ইসরায়েল এবং নেগেভ মরুভূমির কাছাকাছি এলাকায় বিস্ফোরণ ও বিমান হামলার সাইরেন শোনা গেছে। বিশ্লেষকদের মতে, ধারাবাহিক এসব হামলার মাধ্যমে ইসরায়েলের আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকে চাপে ফেলার চেষ্টা করছে ইরান। জাতিসংঘে ইরানের রাষ্ট্রদূত আমির সাঈদ ইরাভানি অভিযোগ করেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল ইরানে হামলার ক্ষেত্রে কোনো ‘লাল রেখা’ মানছে না এবং এসব হামলা যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধ।
লেবাননের পূর্বাঞ্চলীয় বেকা উপত্যকায় ইসরায়েলি সেনাদের সঙ্গে হিজবুল্লাহ যোদ্ধাদের সংঘর্ষ হয়েছে। লেবাননের দক্ষিণ ও পূর্বাঞ্চলের বিভিন্ন শহরেও ইসরায়েলি বিমান হামলা হয়েছে। দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, হামলা শুরুর পর থেকে অন্তত ২১৭ জন নিহত হয়েছেন। টাইর ও বৈরুতের দক্ষিণ উপশহর দাহিয়েসহ বিভিন্ন এলাকা থেকে অনেক বাসিন্দা অন্যত্র আশ্রয় নিয়েছেন এবং বৈরুতের কিছু স্কুল আশ্রয়কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। ইরাকের কুর্দিস্তান অঞ্চলের এরবিল শহরের একটি হোটেলেও ড্রোন হামলার ঘটনা ঘটেছে।
জাতিসংঘের হিসাব অনুযায়ী, চলমান সহিংসতায় মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে অন্তত ৩ লাখ ৩০ হাজার মানুষ বাস্তুচ্যুত হয়েছেন। যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও স্পেনসহ কয়েকটি ইউরোপীয় দেশ মিত্রদের স্বার্থ রক্ষায় সামরিক সহায়তা দেওয়ার বিষয়ে সম্মত হয়েছে। হরমুজ প্রণালী দিয়ে বিশ্বের প্রায় ২০ শতাংশ তেল পরিবাহিত হওয়ায় এই পথে জাহাজ চলাচলে বিঘ্নের আশঙ্কায় বিশ্ববাজারে তেলের দাম বেড়েছে। এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সিনেট ও প্রতিনিধি পরিষদ যুদ্ধ বন্ধের প্রস্তাব নাকচ করায় ইরানের বিরুদ্ধে ট্রাম্প প্রশাসনের সামরিক অভিযান অব্যাহত থাকার পথ আরও শক্ত হয়েছে।
শেয়ার করুন