স্ট্রিম প্রতিবেদক

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সংস্কারসহ কয়েকটি দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে আন্দোলন করছেন মোবাইল ব্যবসায়ীরা।
আজ রোববার সন্ধ্যায় (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স ও আশপাশের এলাকার কয়েকশ মোবাইল ব্যবসায়ী হঠাৎ কারওয়ান বাজার মোড়ের রাস্তা বন্ধ করে দেন।
এতে বিপাকে পড়েন এই রুটে চলাচল করা যাত্রীরা। ব্যবসায়ীদের দাবির মধ্যে রয়েছে— এনইআইআর সংস্কার, সিন্ডিকেট প্রথা বাতিল এবং মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করা।
তাদের অভিযোগ, এনইআইআর পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে লাখো খুচরা ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। নতুন নিয়মে একটি বিশেষ গোষ্ঠী লাভবান হবে এবং অতিরিক্ত করের চাপ গ্রাহকের ওপর পড়বে, ফলে মোবাইল ফোনের দামও বেড়ে যাবে।
বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে শো-রুমে কাজ করে মো. সোহান। তিনি এই আন্দোলনে শুরু থেকেই যোগ দিয়েছেন। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা বেশ কয়েকদিন যাবত দাবি জানিয়ে আসছি কিন্তু কেউ আমলে নিচ্ছে না। আজকে বিকেল তিনটায় আমাদের দাবি মেনে নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলার কথা ছিল। আমরা অপেক্ষায় ছিলাম, কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে আবার রাস্তায় নামতে হয়েছে।’
এর আগে গত ৩০ নভেম্বর সকাল ১০টায় পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দোকান বন্ধ রেখে রাজধানীর কারওয়ান বাজার-পান্থপথ এলাকায় জড়ো হয়ে মানববন্ধন করেছিলেন বিভিন্ন শপিং মলের মোবাইল ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।
উল্লেখ্য, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টেলিযোগাযোগ খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অনিবন্ধিত মোবাইল ফোনের ব্যবহার রোধ করতে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে এনইআইআর ব্যবস্থা চালু হওয়ার কথা রয়েছে। এর ফলে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে নিবন্ধনবিহীন, চুরি হওয়া বা অনুমোদনহীন আমদানি করা মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাবে। এর ঠিক আগেই বড় ধরনের আন্দোলনে নামলেন ব্যবসায়ীরা।

ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেনটিটি রেজিস্টার (এনইআইআর) সংস্কারসহ কয়েকটি দাবিতে গত কয়েকদিন ধরে আন্দোলন করছেন মোবাইল ব্যবসায়ীরা।
আজ রোববার সন্ধ্যায় (১০ ডিসেম্বর) রাজধানীর বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্স ও আশপাশের এলাকার কয়েকশ মোবাইল ব্যবসায়ী হঠাৎ কারওয়ান বাজার মোড়ের রাস্তা বন্ধ করে দেন।
এতে বিপাকে পড়েন এই রুটে চলাচল করা যাত্রীরা। ব্যবসায়ীদের দাবির মধ্যে রয়েছে— এনইআইআর সংস্কার, সিন্ডিকেট প্রথা বাতিল এবং মোবাইল ফোন আমদানির সুযোগ উন্মুক্ত করা।
তাদের অভিযোগ, এনইআইআর পুরোপুরি বাস্তবায়ন হলে লাখো খুচরা ব্যবসায়ী ও তাদের পরিবার ক্ষতিগ্রস্ত হবে। নতুন নিয়মে একটি বিশেষ গোষ্ঠী লাভবান হবে এবং অতিরিক্ত করের চাপ গ্রাহকের ওপর পড়বে, ফলে মোবাইল ফোনের দামও বেড়ে যাবে।
বসুন্ধরা শপিং কমপ্লেক্সে শো-রুমে কাজ করে মো. সোহান। তিনি এই আন্দোলনে শুরু থেকেই যোগ দিয়েছেন। তিনি স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমরা বেশ কয়েকদিন যাবত দাবি জানিয়ে আসছি কিন্তু কেউ আমলে নিচ্ছে না। আজকে বিকেল তিনটায় আমাদের দাবি মেনে নিয়ে আমাদের সাথে কথা বলার কথা ছিল। আমরা অপেক্ষায় ছিলাম, কিন্তু সরকারের পক্ষ থেকে আমাদের কিছুই জানানো হয়নি। তাই বাধ্য হয়ে আবার রাস্তায় নামতে হয়েছে।’
এর আগে গত ৩০ নভেম্বর সকাল ১০টায় পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচির অংশ হিসেবে দোকান বন্ধ রেখে রাজধানীর কারওয়ান বাজার-পান্থপথ এলাকায় জড়ো হয়ে মানববন্ধন করেছিলেন বিভিন্ন শপিং মলের মোবাইল ব্যবসায়ী ও কর্মচারীরা।
উল্লেখ্য, সরকারের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী টেলিযোগাযোগ খাতে নিরাপত্তা নিশ্চিত এবং অনিবন্ধিত মোবাইল ফোনের ব্যবহার রোধ করতে আগামী ১৬ ডিসেম্বর থেকে এনইআইআর ব্যবস্থা চালু হওয়ার কথা রয়েছে। এর ফলে দেশের মোবাইল নেটওয়ার্কে নিবন্ধনবিহীন, চুরি হওয়া বা অনুমোদনহীন আমদানি করা মোবাইল ফোনের ব্যবহার বন্ধ হয়ে যাবে। এর ঠিক আগেই বড় ধরনের আন্দোলনে নামলেন ব্যবসায়ীরা।

ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিস্রি বাংলাদেশের বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) নতুন সরকারের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানের ফাঁকে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) ব্যস্ত দিন কাটাবেন তারেক রহমান। এ দিন তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার কবর জিয়ারত, মন্ত্রিসভার বৈঠক ও সচিবদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।
৫ ঘণ্টা আগে
শপথ গ্রহণের পর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে ভারত, ভুটান, পাকিস্তান ও যুক্তরাজ্যসহ বিভিন্ন দেশের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। তাঁরা নতুন সরকারকে অভিনন্দন জানিয়ে সহযোগিতার আশ্বাস দিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
দেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) তাঁর নেতৃত্বে মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রী হিসেবে ৫০ নেতা শপথ নেন। এরপর মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, পিএস-এপিএস নিয়োগ করা হয়।
৬ ঘণ্টা আগে