জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সংলাপ
বাসস

জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কার সংক্রান্ত যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সুস্পষ্ট ঐকমত্য হয়েছে, সেই বিষয়গুলোর একটি নির্দিষ্ট তালিকা আজ বিকেলের মধ্যেই রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
আজ রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে আয়োজিত দ্বিতীয় পর্যায়ের ২২তম দিনের আলোচনার সূচনা বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য আজ ও আগামীকাল এই আলোচনা শেষ করা। যাতে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি ঐকমত্যের সনদ আমরা আগামীকালের মধ্যেই তুলে দিতে পারি।’
ড. রীয়াজ আরও বলেন, ‘কমিশনের নিজস্ব আলোচনা আজ সকালে হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে আজকের বৈঠক দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে।’ ইতোমধ্যে বেশ কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। তবে নারী প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে আলোচনা শুরু হলেও তা শেষ হয়নি।
রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও দায়িত্বসংক্রান্ত সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৩)–এখনো আলোচনায় তোলা হয়নি বলে জানান তিনি। তবে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ নিয়ে পৃথক প্রস্তাব রাজনৈতিক দলগুলোকে আগেই দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সংবিধানের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভাগে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো নীতিগতভাবে একমত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আলী রীয়াজ বলেন, ‘প্রাথমিক আলোচনাকালে প্রত্যেকটি দলই নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণের জন্য সংবিধানের দ্বিতীয় ও প্রধানত তৃতীয় বিভাগে প্রয়োজনীয় সংযোজন বিয়োজন ও পরিমার্জনের বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছিলেন। তবে সংবিধান সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশের ভিত্তিতে বিএনপি কোন প্রস্তাবগুলোতে একমত হয়েছে, আর কোনগুলোতে নয়, সে বিষয়ে লিখিত মতামত দেওয়ার জন্য আমরা বিএনপিকে ধন্যবাদ জানাই। এটি আমাদের প্রস্তাব চূড়ান্তকরণে সহায়ক হয়েছে।’
এ প্রেক্ষিতে কমিশনের সহ সভাপতি জানান , অনুচ্ছেদ ধরে ধরে বিস্তারিত আলোচনা করার সময় ও সুযোগ নেই। তবে সংশোধনী ও সংযোজনীর খসড়া দলগুলোকে দেওয়া হয়েছে। এসব খসড়া পড়ে যদি কারও কোনো আপত্তি বা পরামর্শ থাকে, তাহলে তা আগামীকাল সকাল নাগাদ কমিশনকে জানাতে অনুরোধ জানান তিনি।
কমিশন সূত্র জানায়, আজকের আলোচ্যসূচিতে রয়েছে সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব, সরকারি কর্ম কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, ন্যায়পাল নিয়োগ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও দায়িত্ব, নির্বাচন পদ্ধতি, ইলেক্টোরাল কলেজ, উচ্চকক্ষ গঠন, নাগরিক অধিকার সম্প্রসারণ এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা প্রথমবারের মতো আজ উঠছে জানিয়ে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
আজকের আলোচনায় অংশ নেয় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি, সিপিবি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, এবি পার্টিসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি।
আলোচনায় কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন ও ড. মো. আইয়ুব মিয়া।

জাতীয় ঐক্যমত্য কমিশনের সহসভাপতি অধ্যাপক ড. আলী রীয়াজ জানিয়েছেন, ‘রাষ্ট্র সংস্কার সংক্রান্ত যেসব বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে সুস্পষ্ট ঐকমত্য হয়েছে, সেই বিষয়গুলোর একটি নির্দিষ্ট তালিকা আজ বিকেলের মধ্যেই রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।’
আজ রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমির দোয়েল হলে আয়োজিত দ্বিতীয় পর্যায়ের ২২তম দিনের আলোচনার সূচনা বক্তব্যে তিনি এ তথ্য জানান।
আলী রীয়াজ বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য আজ ও আগামীকাল এই আলোচনা শেষ করা। যাতে সবার কাছে গ্রহণযোগ্য একটি ঐকমত্যের সনদ আমরা আগামীকালের মধ্যেই তুলে দিতে পারি।’
ড. রীয়াজ আরও বলেন, ‘কমিশনের নিজস্ব আলোচনা আজ সকালে হয়েছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। রাজনৈতিক দলগুলোর মতামতের ভিত্তিতে আজকের বৈঠক দ্রুত এগিয়ে নিতে হবে।’ ইতোমধ্যে বেশ কিছু বিষয়ে সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত হয়েছে। তবে নারী প্রতিনিধিত্বের বিষয়ে আলোচনা শুরু হলেও তা শেষ হয়নি।
রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও দায়িত্বসংক্রান্ত সংবিধানের অনুচ্ছেদ ৪৮(৩)–এখনো আলোচনায় তোলা হয়নি বলে জানান তিনি। তবে নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণ নিয়ে পৃথক প্রস্তাব রাজনৈতিক দলগুলোকে আগেই দেওয়া হয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সংবিধানের দ্বিতীয় ও তৃতীয় ভাগে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনের বিষয়ে রাজনৈতিক দলগুলো নীতিগতভাবে একমত হয়েছে বলেও জানান তিনি।
আলী রীয়াজ বলেন, ‘প্রাথমিক আলোচনাকালে প্রত্যেকটি দলই নাগরিকদের মৌলিক অধিকার সম্প্রসারণের জন্য সংবিধানের দ্বিতীয় ও প্রধানত তৃতীয় বিভাগে প্রয়োজনীয় সংযোজন বিয়োজন ও পরিমার্জনের বিষয়ে নীতিগতভাবে একমত হয়েছিলেন। তবে সংবিধান সংস্কার কমিশনগুলোর সুপারিশের ভিত্তিতে বিএনপি কোন প্রস্তাবগুলোতে একমত হয়েছে, আর কোনগুলোতে নয়, সে বিষয়ে লিখিত মতামত দেওয়ার জন্য আমরা বিএনপিকে ধন্যবাদ জানাই। এটি আমাদের প্রস্তাব চূড়ান্তকরণে সহায়ক হয়েছে।’
এ প্রেক্ষিতে কমিশনের সহ সভাপতি জানান , অনুচ্ছেদ ধরে ধরে বিস্তারিত আলোচনা করার সময় ও সুযোগ নেই। তবে সংশোধনী ও সংযোজনীর খসড়া দলগুলোকে দেওয়া হয়েছে। এসব খসড়া পড়ে যদি কারও কোনো আপত্তি বা পরামর্শ থাকে, তাহলে তা আগামীকাল সকাল নাগাদ কমিশনকে জানাতে অনুরোধ জানান তিনি।
কমিশন সূত্র জানায়, আজকের আলোচ্যসূচিতে রয়েছে সংসদে নারী প্রতিনিধিত্ব, সরকারি কর্ম কমিশন, দুর্নীতি দমন কমিশন, মহা হিসাব নিরীক্ষক ও নিয়ন্ত্রক, ন্যায়পাল নিয়োগ, রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা ও দায়িত্ব, নির্বাচন পদ্ধতি, ইলেক্টোরাল কলেজ, উচ্চকক্ষ গঠন, নাগরিক অধিকার সম্প্রসারণ এবং রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতি।
রাষ্ট্রপতির ক্ষমতা নিয়ে আলোচনা প্রথমবারের মতো আজ উঠছে জানিয়ে অধ্যাপক আলী রীয়াজ বলেন, অন্যান্য বিষয়গুলো নিয়ে সংক্ষিপ্ত আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে হবে।
আজকের আলোচনায় অংশ নেয় বিএনপি, জামায়াতে ইসলামি, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), গণঅধিকার পরিষদ, গণসংহতি, সিপিবি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, এবি পার্টিসহ ৩০টি রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি।
আলোচনায় কমিশনের অন্যান্য সদস্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিচারপতি মো. এমদাদুল হক, ড. ইফতেখারুজ্জামান, ড. বদিউল আলম মজুমদার, সফর রাজ হোসেন ও ড. মো. আইয়ুব মিয়া।

করের বোঝা চাপিয়ে দিলে জনগণ তাৎক্ষণিক বাজেট প্রত্যাখ্যান করবে বলে জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগরী দক্ষিণের নায়েবে আমির আব্দুস সবুর ফকির।
১০ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপনের এক দিন আগেই প্রস্তাবিত ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেটের বিভিন্ন তথ্য ফাঁস হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে বাজেটের সম্ভাব্য আকার, কর ও শুল্কের হারসহ গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো প্রকাশ্যে চলে আসে।
১২ মিনিট আগে
সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো (পে-স্কেল) কার্যকর হবে ১ জুলাই থেকে। এরপর ধাপে ধাপে এটি বাস্তবায়ন করা হবে। বিএনপি সরকারের ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে এসব প্রস্তাব রয়েছে।
২৭ মিনিট আগে
বাজেটের আকার বৃদ্ধির চেয়ে সরকারি অর্থের অপচয় রোধ ও সুশাসন নিশ্চিত করা জরুরি বলে মন্তব্য করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল। তিনি বলেন, খুব বড় বাজেট দিয়ে আবার যদি কোনো কারণে ২০-৩০ শতাংশ লোপাট হয়ে যায়, তাহলে তো কোনো লাভ নেই।
১ ঘণ্টা আগে