তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে সাদিক কায়েম
স্ট্রিম প্রতিবেদক

যে রাজনীতি শহীদ জিয়া এবং খালেদা জিয়া দেখিয়েছেন, সেই রাজনীতি বিনির্মাণ করাই আগামীর বাংলাদেশের রাজনীতি বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গুলশানে অবস্থিত বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এ সময় ডাকসু ভিপি আরও বলেন, ‘আমাদের এই বাংলাদেশের রাজনীতি হচ্ছে বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি। বাংলাদেশকে ধারণ করা, বাংলাদেশের মাটি ও মানুষকে ধারণ করা, দেশের অখণ্ডতাকে ধারণ করা। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সব সময় প্রতিবাদ প্রতিরোধ জারি রাখা। যে রাজনীতি শহীদ জিয়া এবং বেগম জিয়া আমাদেরকে দেখিয়েছেন, সেই রাজনীতি বিনির্মাণ করাই হচ্ছে আমাদের আগামীর বাংলাদেশের রাজনীতি। তো সেই বাংলাদেশের রাজনীতি করার জন্য আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।’
এ সময় সাদিক বলেন, ‘আমরা গত ১৬ বছরে ভোট দিতে পারেনি। বাংলাদেশে যারা তরুণ প্রজন্ম আছে, তারা ভোট দিতে পারেনি। তো একটি ফ্রি ফেয়ার, ক্রেডিবল নির্বাচনের জন্য আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে এবং এই জুলাইয়ের শহীদদের যে স্বপ্ন, সে স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণ করার জন্য আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পতিত ফ্যাসিস্টদের বিচারের প্রশ্নে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
সাদিক কায়েম আরও বলেন, ‘শহীদ উসমান হাদির বিচারের প্রশ্নে আমরা কথা বলেছি। শহীদ উসমান হাদি যে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন এবং শহীদ ওসমান হাদিরকে যারা গুলি করেছে এবং এই হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা পরিকল্পনাকারী যারা পরামর্শ দিয়েছে তারা এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়নি। সকল রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন যেন ওসমান হাদির বিচারের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ হয় এবং যারা ঘাপটি মেরে বসে আছে, এদের যেন আমরা বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে পারি—সে ব্যাপারে কথা হয়েছে।’
এ সময় তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ‘সুস্পষ্ট নির্দেশনা’ উল্লেখ করে সাদিক বলেন, ‘আমরা সবাই যেন ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের রাজনীতি করি এবং তিনি নিজেদের মধ্যে নিজেদের রাজনীতি থাকবে, রাজনীতি নিয়ে বিভাজন থাকবে। কিন্তু বাংলাদেশ প্রশ্নে, জুলাইয়ের প্রশ্নে যেন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকি। এটাই গণতান্ত্রিক সৌন্দর্য।’

যে রাজনীতি শহীদ জিয়া এবং খালেদা জিয়া দেখিয়েছেন, সেই রাজনীতি বিনির্মাণ করাই আগামীর বাংলাদেশের রাজনীতি বলে মন্তব্য করেছেন ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় গুলশানে অবস্থিত বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সাথে সাক্ষাৎ শেষে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
এ সময় ডাকসু ভিপি আরও বলেন, ‘আমাদের এই বাংলাদেশের রাজনীতি হচ্ছে বাংলাদেশপন্থী রাজনীতি। বাংলাদেশকে ধারণ করা, বাংলাদেশের মাটি ও মানুষকে ধারণ করা, দেশের অখণ্ডতাকে ধারণ করা। ভারতীয় আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে সব সময় প্রতিবাদ প্রতিরোধ জারি রাখা। যে রাজনীতি শহীদ জিয়া এবং বেগম জিয়া আমাদেরকে দেখিয়েছেন, সেই রাজনীতি বিনির্মাণ করাই হচ্ছে আমাদের আগামীর বাংলাদেশের রাজনীতি। তো সেই বাংলাদেশের রাজনীতি করার জন্য আমরা লড়াই চালিয়ে যাব।’
এ সময় সাদিক বলেন, ‘আমরা গত ১৬ বছরে ভোট দিতে পারেনি। বাংলাদেশে যারা তরুণ প্রজন্ম আছে, তারা ভোট দিতে পারেনি। তো একটি ফ্রি ফেয়ার, ক্রেডিবল নির্বাচনের জন্য আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ ভূমিকা পালন করতে হবে এবং এই জুলাইয়ের শহীদদের যে স্বপ্ন, সে স্বপ্নের বাংলাদেশ বিনির্মাণ করার জন্য আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। পতিত ফ্যাসিস্টদের বিচারের প্রশ্নে আমাদেরকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।’
সাদিক কায়েম আরও বলেন, ‘শহীদ উসমান হাদির বিচারের প্রশ্নে আমরা কথা বলেছি। শহীদ উসমান হাদি যে আধিপত্যবাদের বিরুদ্ধে আগ্রাসনের বিরুদ্ধে কথা বলতে গিয়ে শহীদ হয়েছেন এবং শহীদ ওসমান হাদিরকে যারা গুলি করেছে এবং এই হত্যাকাণ্ডের সাথে যারা পরিকল্পনাকারী যারা পরামর্শ দিয়েছে তারা এখন পর্যন্ত গ্রেপ্তার হয়নি। সকল রাজনৈতিক দল, ছাত্র সংগঠন যেন ওসমান হাদির বিচারের প্রশ্নে ঐক্যবদ্ধ হয় এবং যারা ঘাপটি মেরে বসে আছে, এদের যেন আমরা বিচারের আওতায় নিয়ে আসতে পারি—সে ব্যাপারে কথা হয়েছে।’
এ সময় তারেক রহমানের পক্ষ থেকে ‘সুস্পষ্ট নির্দেশনা’ উল্লেখ করে সাদিক বলেন, ‘আমরা সবাই যেন ঐক্যবদ্ধভাবে আমাদের রাজনীতি করি এবং তিনি নিজেদের মধ্যে নিজেদের রাজনীতি থাকবে, রাজনীতি নিয়ে বিভাজন থাকবে। কিন্তু বাংলাদেশ প্রশ্নে, জুলাইয়ের প্রশ্নে যেন আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ থাকি। এটাই গণতান্ত্রিক সৌন্দর্য।’

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
১৯ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬