অবশেষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোন ব্যাংকের কোন শাখায় দলের হিসাব পরিচালনা করে সে তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি)।
স্ট্রিম প্রতিবেদক

অবশেষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোন ব্যাংকের কোন শাখায় দলের হিসাব পরিচালনা করে সে তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি)।
বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি ইসির অতিরিক্ত সচিবের অফিসে পাঠানো হয়। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়েরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল এটি হস্তান্তর করে।
ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের শর্ত অনুযায়ী, দলের নামে রক্ষিত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও ব্যাংকের নাম এবং ওই অ্যাকাউন্টের সর্বশেষ হিসাব, দলের তহবিলের উৎসের বিবরণ ইসিতে জমা দিতে হয়।
তাই এ বছরে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়ায় থাকা জামায়াতকে কমিশনের পক্ষ থেকে দলের গঠনতন্ত্র, কার্যনির্বাহী পরিষদের তালিকা, ব্যাংক হিসাব এবং অর্থনৈতিক প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছিল।
দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সই করা ২০২৪ সালের অডিট রিপোর্টটি গত ২৯ জুলাই ইসিতে জমা দেওয়া হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, আয় ও ব্যয়ের হিসাব পরিচালনার জন্য কোনো ব্যাংক হিসাব নেই। জামায়াত জানিয়েছে, বিগত সরকারের জুলুম-নির্যাতনের কারণে তারা ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করতে পারেনি।
প্রতিবেদনে দেখানো হয়, ২০২৪ পঞ্জিকা বছরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আয় ২৮ কোটি ৯৭ লাখ ২৯৯ টাকা। আর ব্যয় ২৩ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ১৭৭ টাকা।
বুধবার দুপুরে জামায়াতের প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে দলের সংশোধিত গঠনতন্ত্র ও ব্যাংক হিসাব নম্বর জমা দিয়েছে।
ইসি সূত্র মতে, জামায়াতে ইসলামী বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের মৌচাক শাখায় দলীয় হিসাব পরিচালনা করে থাকে। চিঠিতে হিসাব নম্বর, শাখার বিস্তারিত ঠিকানা, হিসাব খোলার তারিখসহ প্রয়োজনীয় তথ্য ইসিকে সরবরাহ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বলেন, “জামায়াত ইসলামী তাদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দিয়েছে। এখন তা পর্যালোচনা করে নথিভুক্ত করা হবে।”
২০১৩ সালে নিবন্ধন বাতিল হওয়ার আগে সর্বশেষ আয়-ব্যয়ের হিসাব দিয়েছিল দলটি। এরপর চলতি বছর নিবন্ধন ফিরে পাওয়ায় এক যুগ পর ফের হিসাব দিল জামায়াত।

অবশেষে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কোন ব্যাংকের কোন শাখায় দলের হিসাব পরিচালনা করে সে তথ্য জানিয়েছে নির্বাচন কমিশনকে (ইসি)।
বুধবার (৮ অক্টোবর) দুপুরে জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার স্বাক্ষরিত এ সংক্রান্ত চিঠি ইসির অতিরিক্ত সচিবের অফিসে পাঠানো হয়। দলটির সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জোবায়েরের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধি দল এটি হস্তান্তর করে।
ইসি কর্মকর্তারা বলছেন, রাজনৈতিক দল নিবন্ধনের শর্ত অনুযায়ী, দলের নামে রক্ষিত ব্যাংক অ্যাকাউন্ট নম্বর ও ব্যাংকের নাম এবং ওই অ্যাকাউন্টের সর্বশেষ হিসাব, দলের তহবিলের উৎসের বিবরণ ইসিতে জমা দিতে হয়।
তাই এ বছরে রাজনৈতিক দল হিসেবে নিবন্ধন পুনরুদ্ধারের প্রক্রিয়ায় থাকা জামায়াতকে কমিশনের পক্ষ থেকে দলের গঠনতন্ত্র, কার্যনির্বাহী পরিষদের তালিকা, ব্যাংক হিসাব এবং অর্থনৈতিক প্রতিবেদনসহ বিভিন্ন তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছিল।
দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ারের সই করা ২০২৪ সালের অডিট রিপোর্টটি গত ২৯ জুলাই ইসিতে জমা দেওয়া হয়। এতে উল্লেখ করা হয়েছে, আয় ও ব্যয়ের হিসাব পরিচালনার জন্য কোনো ব্যাংক হিসাব নেই। জামায়াত জানিয়েছে, বিগত সরকারের জুলুম-নির্যাতনের কারণে তারা ব্যাংক হিসাব পরিচালনা করতে পারেনি।
প্রতিবেদনে দেখানো হয়, ২০২৪ পঞ্জিকা বছরে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আয় ২৮ কোটি ৯৭ লাখ ২৯৯ টাকা। আর ব্যয় ২৩ কোটি ৭৩ লাখ ৩৮ হাজার ১৭৭ টাকা।
বুধবার দুপুরে জামায়াতের প্রতিনিধিদল নির্বাচন কমিশনের (ইসি) কাছে দলের সংশোধিত গঠনতন্ত্র ও ব্যাংক হিসাব নম্বর জমা দিয়েছে।
ইসি সূত্র মতে, জামায়াতে ইসলামী বর্তমানে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেডের মৌচাক শাখায় দলীয় হিসাব পরিচালনা করে থাকে। চিঠিতে হিসাব নম্বর, শাখার বিস্তারিত ঠিকানা, হিসাব খোলার তারিখসহ প্রয়োজনীয় তথ্য ইসিকে সরবরাহ করা হয়েছে।
এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব কে এম আলী নেওয়াজ বলেন, “জামায়াত ইসলামী তাদের ব্যাংক হিসাবের তথ্য আনুষ্ঠানিকভাবে জমা দিয়েছে। এখন তা পর্যালোচনা করে নথিভুক্ত করা হবে।”
২০১৩ সালে নিবন্ধন বাতিল হওয়ার আগে সর্বশেষ আয়-ব্যয়ের হিসাব দিয়েছিল দলটি। এরপর চলতি বছর নিবন্ধন ফিরে পাওয়ায় এক যুগ পর ফের হিসাব দিল জামায়াত।

অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘তারা অনেক ভালো কাজ করেছেন।’
১ দিন আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
২ দিন আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
২ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
২ দিন আগে