স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে আসন সমঝোতায় যেতে পারে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি। এ নিয়ে আলোচনা ‘শেষপর্যায়ে’ বলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন দলগুলোর দুই শীর্ষ নেতা। যদিও নাম প্রকাশ করতে চাননি তাঁরা।
আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনার তথ্য জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও এনসিপির দুই যুগ্ম সদস্য সচিবও। অবশ্য আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করেননি তাঁরা।
আলোচনা কোন পর্যায়ে আছে জানতে চাইলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, এনসিপি ছাড়া আরও কয়েকটি দলের সঙ্গে আসন সমঝোতার আলাপ করছে জামায়াত। এসব আলোচনা শেষের পথে রয়েছে। কারণ, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বেশি সময় বাকি নেই।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির আসন সমঝোতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলাপ ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এনসিপির তীব্র সমালোচনা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদের।
সারা দেশের মানুষের এবং নেতা-কর্মীদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে গুটিকয়েক নেতার স্বার্থ হাসিল করতেই এই জোট করা হচ্ছে– লেখেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এরপর এক ফেসবুক পোস্টে ‘এনসিপি ভুল পথে যাচ্ছে’ জানিয়ে দলটির চট্টগ্রাম মহানগরের প্রধান সমন্বয়কারী ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব মীর আরশাদুল হক পদত্যাগের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসন থেকে এনসিপির হয়ে নির্বাচন না করার ঘোষণাও দেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, এনসিপির নেতারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন।
দেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সংবিধান সংস্কার ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোটের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। ওই ঘোষণার আগে পাঁচ দাবিতে জামায়াত সাতটি দলকে নিয়ে মাঠে ছিল। এনসিপিরও সেই আন্দোলনে থাকার কথা সামনে এসেছিল। যদিও পরে জামায়াতের সঙ্গে আন্দোলন বা জোটে যাওয়ার পরিকল্পনা নেই বলে ঘোষণা দেয় এনসিপি।
এরপর গত ৯ ডিসেম্বর থেকে আন্দোলনে সঙ্গী সাত দলের সঙ্গে আসন সমঝোতার আনুষ্ঠানিক আলাপ শুরু করে জামায়াত। এখন এনসিপির সঙ্গেও আসন ভাগাভাগির তথ্য সামনে আসলো।
যা বলছেন জামায়াত ও এনসিপির নেতারা
জামায়াতের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব (মিডিয়া) জয়নাল আবেদীন শিশির স্ট্রিমকে জানান, অনেকের সঙ্গেই আলোচনা চলছে, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না তা তিনি নিশ্চিত নন। শিশির বলেন, ‘আমাদের সিনিয়র নেতারা বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করছেন। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সবকিছু চূড়ান্ত করবেন।’
দলটির আরেক যুগ্ম সদস্য সচিব মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান বলেন, ‘এনসিপি এখনও জোটের বিষয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা করছে। বিএনপির সঙ্গেও আলোচনা চলছে। তবে এখনও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি, কারণ এনসিপি এখানে রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশসহ অনেক বিষয় বিবেচনা করছে।’
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্ট্রিমকে বলেন, ‘আট দলের বাইরে অনেকগুলো দলের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে। এর মধ্যে এনসিপিও আছে।’
আগামী ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়। এর আগেই এনসিপি ও আট দলের সঙ্গে আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়ে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘এখন শেষের পথে (আলোচনা) রয়েছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার তো আর বেশি সময় বাকি নেই।’
কয়টি আসন নিয়ে সমঝোতা হচ্ছে তা চূড়ান্ত হওয়ার আগে জানাতে অপারগতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে আগে থেকেই আট দল রয়েছে। সবার সঙ্গে বোঝাপড়ার ব্যাপার আছে। চূড়ান্ত হলে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়ে জানাবো।’

ত্রয়োদশ জাতীয় নির্বাচনে জামায়াতের সঙ্গে আসন সমঝোতায় যেতে পারে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপি। এ নিয়ে আলোচনা ‘শেষপর্যায়ে’ বলে স্ট্রিমকে জানিয়েছেন দলগুলোর দুই শীর্ষ নেতা। যদিও নাম প্রকাশ করতে চাননি তাঁরা।
আসন সমঝোতা নিয়ে আলোচনার তথ্য জানিয়েছেন জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের ও এনসিপির দুই যুগ্ম সদস্য সচিবও। অবশ্য আসন ভাগাভাগি চূড়ান্ত হয়েছে কি না তা নিশ্চিত করেননি তাঁরা।
আলোচনা কোন পর্যায়ে আছে জানতে চাইলে জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কেন্দ্রীয় প্রচার বিভাগের প্রধান এহসানুল মাহবুব জুবায়ের জানান, এনসিপি ছাড়া আরও কয়েকটি দলের সঙ্গে আসন সমঝোতার আলাপ করছে জামায়াত। এসব আলোচনা শেষের পথে রয়েছে। কারণ, মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার বেশি সময় বাকি নেই।
আজ বৃহস্পতিবার সকাল থেকে জামায়াতের সঙ্গে এনসিপির আসন সমঝোতা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলাপ ছড়িয়ে পড়ে। এর মধ্যে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে এনসিপির তীব্র সমালোচনা করেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আব্দুল কাদের।
সারা দেশের মানুষের এবং নেতা-কর্মীদের আশা-আকাঙ্ক্ষাকে জলাঞ্জলি দিয়ে গুটিকয়েক নেতার স্বার্থ হাসিল করতেই এই জোট করা হচ্ছে– লেখেন তিনি। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামীকাল এই জোটের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এরপর এক ফেসবুক পোস্টে ‘এনসিপি ভুল পথে যাচ্ছে’ জানিয়ে দলটির চট্টগ্রাম মহানগরের প্রধান সমন্বয়কারী ও কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম সদস্য সচিব মীর আরশাদুল হক পদত্যাগের ঘোষণা দেন। পাশাপাশি চট্টগ্রাম-১৬ (বাঁশখালী) আসন থেকে এনসিপির হয়ে নির্বাচন না করার ঘোষণাও দেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, এনসিপির নেতারা জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রতিশ্রুতি রক্ষায় পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছেন।
দেশে আগামী ১২ ফেব্রুয়ারি জাতীয় নির্বাচনের সঙ্গে সংবিধান সংস্কার ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন প্রশ্নে গণভোটের ঘোষণা দিয়েছে সরকার। ওই ঘোষণার আগে পাঁচ দাবিতে জামায়াত সাতটি দলকে নিয়ে মাঠে ছিল। এনসিপিরও সেই আন্দোলনে থাকার কথা সামনে এসেছিল। যদিও পরে জামায়াতের সঙ্গে আন্দোলন বা জোটে যাওয়ার পরিকল্পনা নেই বলে ঘোষণা দেয় এনসিপি।
এরপর গত ৯ ডিসেম্বর থেকে আন্দোলনে সঙ্গী সাত দলের সঙ্গে আসন সমঝোতার আনুষ্ঠানিক আলাপ শুরু করে জামায়াত। এখন এনসিপির সঙ্গেও আসন ভাগাভাগির তথ্য সামনে আসলো।
যা বলছেন জামায়াত ও এনসিপির নেতারা
জামায়াতের সঙ্গে আলোচনার বিষয়ে এনসিপির যুগ্ম সদস্য সচিব (মিডিয়া) জয়নাল আবেদীন শিশির স্ট্রিমকে জানান, অনেকের সঙ্গেই আলোচনা চলছে, তবে আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো সিদ্ধান্ত হয়েছে কি না তা তিনি নিশ্চিত নন। শিশির বলেন, ‘আমাদের সিনিয়র নেতারা বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা করছেন। এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম সবকিছু চূড়ান্ত করবেন।’
দলটির আরেক যুগ্ম সদস্য সচিব মোল্লা মোহাম্মদ ফারুক এহসান বলেন, ‘এনসিপি এখনও জোটের বিষয়ে জামায়াতের সঙ্গে আলোচনা করছে। বিএনপির সঙ্গেও আলোচনা চলছে। তবে এখনও কিছুই চূড়ান্ত হয়নি, কারণ এনসিপি এখানে রাজনৈতিক হিসাব-নিকাশসহ অনেক বিষয় বিবেচনা করছে।’
জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এহসানুল মাহবুব জুবায়ের স্ট্রিমকে বলেন, ‘আট দলের বাইরে অনেকগুলো দলের সঙ্গে আলোচনা হচ্ছে। এর মধ্যে এনসিপিও আছে।’
আগামী ২৯ ডিসেম্বর জাতীয় নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার শেষ সময়। এর আগেই এনসিপি ও আট দলের সঙ্গে আসন সমঝোতার চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে বলে জানিয়ে এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, ‘এখন শেষের পথে (আলোচনা) রয়েছে। মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার তো আর বেশি সময় বাকি নেই।’
কয়টি আসন নিয়ে সমঝোতা হচ্ছে তা চূড়ান্ত হওয়ার আগে জানাতে অপারগতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে আগে থেকেই আট দল রয়েছে। সবার সঙ্গে বোঝাপড়ার ব্যাপার আছে। চূড়ান্ত হলে আমরা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা দিয়ে জানাবো।’

অন্তর্বর্তী সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে শ্বেতপত্র প্রকাশের প্রয়োজন নেই বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেছেন, ‘তারা অনেক ভালো কাজ করেছেন।’
১৫ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপদেষ্টা হিসেবে ১০ জনকে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।
১ দিন আগে
ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসন থেকে বিজয়ী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামানকে আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বিকেলে মন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার পর দপ্তর বণ্টনে তাঁকে এই দায়িত্ব দেওয়া হয়।
১ দিন আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জয়লাভের পর ৫০ সদস্যের নতুন মন্ত্রিসভা গঠন করেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। বিএনপি নেতৃত্বাধীন এই মন্ত্রিসভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ ৪২ জনই নতুন মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী। নতুনদের মধ্যে ১৭ মন্ত্রী ও ২৪ প্রতিমন্ত্রী রয়েছেন।
১ দিন আগে