স্ট্রিম প্রতিবেদক

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন মুশফিক উস সালেহীন। তিনি দলটির যুগ্ম সদস্যসচিব ও মিডিয়া সেল সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
পদত্যাগপত্রে মুশফিক উস সালেহীন উল্লেখ করেন, তিনি দলের যুগ্ম সদস্যসচিব, কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য, মিডিয়া সেল সম্পাদক এবং পলিসি অ্যান্ড রিসার্চ উইংয়ের কো-লিড হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তবে সম্প্রতি দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে যাওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা তিনি নীতিগতভাবে মেনে নিতে পারছেন না।
পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, এনসিপির ১১ দলীয় জোটে যোগদান জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নাগরিক রাষ্ট্র নির্মাণের রাজনৈতিক লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মুশফিক আশঙ্কা প্রকাশ করেন, ভোটের রাজনীতিতে এই সিদ্ধান্ত স্বল্পমেয়াদে লাভজনক মনে হলেও দীর্ঘমেয়াদে একটি মধ্যপন্থী ও আত্মনির্ভরশীল দল হিসেবে এনসিপির গড়ে ওঠার সম্ভাবনাকে প্রশ্নের মুখে ফেলবে। তিনি জানান, এই জোট প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে তিনি ইতিপূর্বে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছিলেন এবং স্মারকলিপিও দিয়েছিলেন। তিনি বরাবরই এককভাবে অথবা সংস্কারপন্থী দলগুলোর সঙ্গে মিলে তৃতীয় জোট গঠনের পক্ষে ছিলেন।
চিঠিতে দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মুশফিক উস সালেহীন। তিনি অভিযোগ করেন, দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা রয়েছে। বর্তমান বাস্তবতায় পদে থাকা তাঁর নৈতিক বিশ্বাস ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সহযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁর এই সিদ্ধান্ত একান্তই রাজনৈতিক এবং তিনি দলের শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবেই থাকতে চান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুশফিক স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমি আহ্বায়ক বরাবর পদত্যাগপত্র দিয়েছি।’
ধারাবাহিক পদত্যাগ
এদিকে আজ বিকেলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পদত্যাগ করেছেন মিডিয়া সেলের আরেক সদস্য খান মুহাম্মদ মুরসালীন। এ ছাড়া গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহও পদত্যাগ করেন।
এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসিফ মোস্তফা জামাল (নেহাল), কৃষক উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী আজাদ খান ভাসানী এবং যুগ্ম সদস্যসচিব আরিফ সোহেল। তাঁরা ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
তারও আগে গত ২৮ ডিসেম্বর দলটির আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন এবং ২৭ ডিসেম্বর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা পদত্যাগ করেন।

আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) থেকে পদত্যাগ করেছেন মুশফিক উস সালেহীন। তিনি দলটির যুগ্ম সদস্যসচিব ও মিডিয়া সেল সম্পাদকের দায়িত্বে ছিলেন।
আজ বৃহস্পতিবার (১ জানুয়ারি) দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বরাবর পাঠানো এক চিঠিতে তিনি পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
পদত্যাগপত্রে মুশফিক উস সালেহীন উল্লেখ করেন, তিনি দলের যুগ্ম সদস্যসচিব, কার্যনির্বাহী পরিষদ সদস্য, মিডিয়া সেল সম্পাদক এবং পলিসি অ্যান্ড রিসার্চ উইংয়ের কো-লিড হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছিলেন। তবে সম্প্রতি দলের নীতিনির্ধারণী পর্যায় থেকে জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটে যাওয়ার যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, তা তিনি নীতিগতভাবে মেনে নিতে পারছেন না।
পদত্যাগের কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, এনসিপির ১১ দলীয় জোটে যোগদান জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক নাগরিক রাষ্ট্র নির্মাণের রাজনৈতিক লক্ষ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।
মুশফিক আশঙ্কা প্রকাশ করেন, ভোটের রাজনীতিতে এই সিদ্ধান্ত স্বল্পমেয়াদে লাভজনক মনে হলেও দীর্ঘমেয়াদে একটি মধ্যপন্থী ও আত্মনির্ভরশীল দল হিসেবে এনসিপির গড়ে ওঠার সম্ভাবনাকে প্রশ্নের মুখে ফেলবে। তিনি জানান, এই জোট প্রক্রিয়ার বিরোধিতা করে তিনি ইতিপূর্বে ‘নোট অব ডিসেন্ট’ দিয়েছিলেন এবং স্মারকলিপিও দিয়েছিলেন। তিনি বরাবরই এককভাবে অথবা সংস্কারপন্থী দলগুলোর সঙ্গে মিলে তৃতীয় জোট গঠনের পক্ষে ছিলেন।
চিঠিতে দলের অভ্যন্তরীণ গণতন্ত্র চর্চা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন মুশফিক উস সালেহীন। তিনি অভিযোগ করেন, দলের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়ায় অস্বচ্ছতা রয়েছে। বর্তমান বাস্তবতায় পদে থাকা তাঁর নৈতিক বিশ্বাস ও রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সহযোদ্ধাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, তাঁর এই সিদ্ধান্ত একান্তই রাজনৈতিক এবং তিনি দলের শুভাকাঙ্ক্ষী হিসেবেই থাকতে চান।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মুশফিক স্ট্রিমকে বলেন, ‘আমি আহ্বায়ক বরাবর পদত্যাগপত্র দিয়েছি।’
ধারাবাহিক পদত্যাগ
এদিকে আজ বিকেলে ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পদত্যাগ করেছেন মিডিয়া সেলের আরেক সদস্য খান মুহাম্মদ মুরসালীন। এ ছাড়া গতকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) রাতে এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক খালেদ সাইফুল্লাহও পদত্যাগ করেন।
এর আগে গত ৩০ ডিসেম্বর পদত্যাগ করেন এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য আসিফ মোস্তফা জামাল (নেহাল), কৃষক উইংয়ের প্রধান সমন্বয়কারী আজাদ খান ভাসানী এবং যুগ্ম সদস্যসচিব আরিফ সোহেল। তাঁরা ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে পদত্যাগের ঘোষণা দেন।
তারও আগে গত ২৮ ডিসেম্বর দলটির আরেক যুগ্ম আহ্বায়ক তাজনূভা জাবীন এবং ২৭ ডিসেম্বর জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্যসচিব ডা. তাসনিম জারা পদত্যাগ করেন।

আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনের আচরণবিধির খসড়া প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। বুধবার (১০ জুন) নিজেদের ওয়েবসাইটে এই খসড়া প্রকাশ করে ইসি। খসড়ায় ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা, জেলা পরিষদ, উপজেলা পরিষদ ও সিটি করপোরেশনের জন্য একই ধরনের আচরণবিধি রাখা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল নিপীড়ন, বৈষম্য ও স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে দেশের মানুষের ঐক্যবদ্ধ অবস্থানের বহিঃপ্রকাশ বলে মন্তব্য করেছেন আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির চেয়ারম্যান মজিবুর রহমান মঞ্জু। তিনি জানান, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটদাতাদের ঐক্যবদ্ধ করে জুলাই সনদ বাস্তবায়নে কাজ করা হবে।
২১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) পুশইন এবং সীমান্ত হত্যার প্রতিবাদে শুক্রবার (১২ জুন) দেশের সীমান্তবর্তী সব জেলা ও পয়েন্টে প্রতিবাদ সমাবেশ করবে জামায়াত-এনসিপিসহ ১১ দলীয় ঐক্য।
১ দিন আগে
ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের প্রশাসকের বিরুদ্ধে সরকারি টাকায় নির্বাচনী প্রচার চালানোর অভিযোগ তুলেছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নেতারা। রাজধানীর নাখালপাড়ার মঙ্গলবার (৯ জুন) বিকেলে এনসিপির বৃক্ষ বিতরণ কর্মসূচিতে এমন মন্তব্য করেন তারা।
১ দিন আগে