
প্রাবন্ধিক ও আইনজীবী

‘চাঁদের গাড়ি চড়ে, সে এসেছে সবার ঘরে।’ এক ফালি চাঁদ ওঠার মধ্য দিয়ে আবারও ফিরে এসেছে পবিত্র মাহে রমজান। রমজান মাস ত্যাগ আর ইবাদতের ডাক নিয়ে আসে। রমজান আসে আত্মসংযম ও আত্মত্যাগের চিরন্তন আহ্বান নিয়ে। ধর্মপ্রাণ মানুষ এই ক্ষণটির জন্য ব্যাকুল হয়ে অপেক্ষা করেন।

আর কেবল ক’দিনের অপেক্ষা। তারপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। নতুন সংসদ। নতুন সাংসদ। নতুন সরকার। নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থা। সেই নবযাত্রাকে বরণের প্রস্তুতির মাঝে হঠাৎই জন্ম নিল এক অনভিপ্রেত সাংবিধানিক ও রাজনৈতিক জটিলতা—নবনির্বাচিত সাংসদদের শপথ পড়াবেন কে? আর স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার অনুপস্থিত থাকলে সংবিধানসম

অবশেষে সাদ্দাম ফিরলেন তার প্রিয়তমা স্ত্রীর কাছে। ফিরলেন ৯ মাস বয়সী পুত্র সেজানের কাছে। কিন্তু ফিরতে হলো তাদের কবরের কাছে। দেশবাসীকে ছুঁয়েছে তাঁর মায়ের আক্ষেপ—‘এখন জামিন হওয়া আর না হওয়া সমান। বাড়ি এসে দেখবে ছেলে–বউয়ের কবর। তাহলে এই জামিন দিয়ে কী হবে?’

গণভোট মানে সংবিধানের সঙ্গে গণমানুষের সংলাপ। রাষ্ট্র একটি স্পষ্ট প্রশ্ন রাখে। নাগরিকরা স্বাধীনভাবে উত্তর দেন। এটিই তত্ত্ব। কিন্তু সাম্প্রতিক বাস্তবতায় বাংলাদেশের গণভোট যেন সেই নীরব সংলাপ নয়; বরং রাষ্ট্রীয় কণ্ঠে একটিমাত্র শব্দের পুনরাবৃত্তি—‘হ্যাঁ’। অথচ গণভোট গণতন্ত্রের নির্মলতম এক প্রকাশ।