এক্সপ্লেইনার

২০২৬-২৭ বাজেটে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন কারা

প্রকাশ : ১০ জুন ২০২৬, ১৮: ৫৫
স্ট্রিম গ্রাফিক

আগামীকাল (১১ জুন) জাতীয় সংসদে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের জাতীয় বাজেট উপস্থাপন করবেন অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রথম বাজেট হিসেবে এটি শুধু একটি আর্থিক দলিল নয়; বরং অর্থনৈতিক সংস্কার, সামাজিক সুরক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক প্রবৃদ্ধির একটি নীতিগত রূপরেখা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। বাজেটের পূর্ণাঙ্গ বিবরণ আগামীকাল প্রকাশ করা হবে। তবে বাজেট-পূর্ব বিভিন্ন বক্তব্য, নীতিগত ইঙ্গিত এবং অর্থনীতিবিদদের বিশ্লেষণ থেকে ধারণা করা হচ্ছে, প্রায় সকলেই আসন্ন বাজেটের সুফল পাবেন।

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনাবিষয়ক উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর বলেন, সরকার ‘অর্থনীতির গণতন্ত্রীকরণ’ এবং ‘সবার জন্য কল্যাণ’—এই দুই নীতিকে সামনে রেখেই বাজেট প্রণয়ন করেছে। উচ্চ মূল্যস্ফীতি, মন্থর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি এবং সীমিত আর্থিক সক্ষমতার প্রেক্ষাপটে ঐতিহাসিকভাবে বঞ্চিত জনগোষ্ঠীগুলোর প্রতি বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বলেও সরকারের পক্ষ থেকে ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছে।

প্রস্তাবিত বাজেটের আকার ধরা হয়েছে প্রায় ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকা, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে সর্ববৃহৎ। মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রায় ১৩ দশমিক ৭ শতাংশ সমপরিমাণ এই ব্যয় কাঠামো সরকারের উচ্চাভিলাষী উন্নয়ন পরিকল্পনার প্রতিফলন।

অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, সীমিত সম্পদ এবং ঋণভারাক্রান্ত অর্থনীতি উত্তরাধিকারসূত্রে পাওয়ার পরও সরকার এমন একটি বাজেট তৈরির চেষ্টা করেছে, যেখানে সমাজের প্রতিটি শ্রেণি ও পেশার মানুষের কথা বিবেচনায় নেওয়া হয়েছে। তাঁর ভাষায়, ‘বাংলাদেশের প্রতিটি নাগরিককে বিবেচনায় নিয়েই বাজেট প্রণয়ন করা হচ্ছে। সমাজের প্রতিটি শ্রেণি ও সম্প্রদায়ের জন্য এতে সহায়তা বা বিশেষ ব্যবস্থা থাকবে।’

তবে নিম্ন আয়ের মানুষদের জন্যও এই বাজেটে বিশেষ সহায়তা রাখা হয়েছে। আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী একাধিকবার বলেছেন, ‘নিম্নআয়ের মানুষ ঐতিহাসিকভাবে সবচেয়ে বেশি বঞ্চিত ছিল। তাই আসন্ন বাজেটে দরিদ্র, নিম্নআয়ের মানুষ এবং গৃহিণীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হয়েছে।’

ব্যবসা পরিচালনা সহজ করার উদ্যোগ

দীর্ঘদিন ধরে ব্যবসায়ীরা অভিযোগ করে আসছেন, জটিল কর ও ভ্যাট ব্যবস্থা তাদের পরিচালন ব্যয় বাড়িয়ে দেয় এবং অপ্রয়োজনীয় প্রশাসনিক জটিলতা তৈরি করে। এবারের বাজেটে সেই অভিযোগের প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে।

বর্তমান ব্যবস্থায় ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানকে প্রতি মাসে ভ্যাট রিটার্ন জমা দিতে হয়। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, ভ্যাট প্রতি মাসে পরিশোধ করতে হলেও রিটার্ন জমা দিতে হবে প্রতি তিন মাসে একবার। ফলে একটি প্রতিষ্ঠানকে বছরে ১২ বার নয়, মাত্র ৪ বার রিটার্ন দাখিল করতে হবে।

এছাড়া ভ্যাট নিবন্ধন পুরোপুরি অনলাইনভিত্তিক ও স্বয়ংক্রিয় করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে। যারা এন্টারপ্রাইজ রিসোর্স প্ল্যানিং (ইআরপি) সফটওয়্যার ব্যবহার করে, তাদের জন্য বিভিন্ন ধরনের নথি জমা দেওয়ার বাধ্যবাধকতাও তুলে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।

শুল্কায়ন প্রক্রিয়া আরও সহজ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পণ্যের পরীক্ষণ এবং বন্দর-সংক্রান্ত দীর্ঘসূত্রতা নিয়ে ব্যবসায়ীদের পুরোনো অভিযোগেরও প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে বাজেটে।

বর্তমানে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই) এবং বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের ওপর পরীক্ষণ কার্যক্রম অনেকাংশে নির্ভরশীল। নতুন প্রস্তাব অনুযায়ী, আইএসও এবং বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন বোর্ড স্বীকৃত অন্যান্য প্রতিষ্ঠানকেও পরীক্ষার অনুমতি দেওয়া হবে।

সরকার ন্যূনতম কর ব্যবস্থায়ও সংস্কারের ইঙ্গিত দিয়েছে। একই সঙ্গে সামগ্রিক কর কাঠামোকে আরও পূর্বানুমানযোগ্য করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সূত্রগুলো বলছে, ব্যক্তি করদাতা ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের জন্য দীর্ঘমেয়াদি কর নীতিমালা প্রণয়নের বিষয়টি বিবেচনায় রয়েছে।

এর ফলে ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিকল্পনায় অনিশ্চয়তা ও সময় কমবে, ব্যয় কমবে এবং ব্যবসার গতি বাড়বে বলে আশা করা হচ্ছে। ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প (এসএমই) এবং বেসরকারি খাতও বাজেটের গুরুত্বপূর্ণ সুবিধাভোগী হতে পারে। রপ্তানিমুখী শিল্প, আমদানিকারক এবং বিভিন্ন উৎপাদনমুখী খাতও এসব নীতিগত পরিবর্তনের সুফল পেতে পারে।

ব্যবসায়ীদের দীর্ঘদিনের আরেকটি দাবি ছিল অথরাইজড ইকোনমিক অপারেটর (এইও) সুবিধা সহজলভ্য করা। বাজেটে এই সুবিধা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করার প্রস্তাব রাখা হয়েছে।

এর ফলে নির্ভরযোগ্য আমদানিকারক ও রপ্তানিকারকেরা দ্রুত পণ্য খালাস করতে পারবেন। ব্যবসায়ী নেতাদের মতে, এসব সংস্কার বিনিয়োগ, শিল্প সম্প্রসারণ এবং আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে সহায়ক হবে।

ডিজিটাল অর্থনীতিতে বড় স্বস্তি

সবচেয়ে আলোচিত সিদ্ধান্তগুলোর একটি হলো ফ্রিল্যান্সার ও কনটেন্ট নির্মাতাদের বৈদেশিক আয়ের ওপর বর্তমানে আরোপিত ৭ দশমিক ৫ শতাংশ উৎসে কর প্রত্যাহারের প্রস্তাব।

বর্তমানে ইউটিউব, ফেসবুক, টিকটক, আপওয়ার্কসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম থেকে অর্জিত আয়ের ওপর উৎসে কর কাটা হয়। প্রস্তাবটি কার্যকর হলে এসব আয়ের ওপর আর উৎসে কর আরোপ হবে না।

বাংলাদেশে বর্তমানে প্রায় ৫ লাখ ফ্রিল্যান্সার কাজ করছেন। খাতসংশ্লিষ্টদের মতে, এই সিদ্ধান্ত তরুণ উদ্যোক্তা, কনটেন্ট নির্মাতা এবং ডিজিটাল পেশাজীবীদের জন্য বড় ধরনের উৎসাহ হিসেবে কাজ করবে। একই সঙ্গে আন্তর্জাতিক ডিজিটাল সেবা বাজারে বাংলাদেশের অবস্থান আরও শক্তিশালী হবে এবং অনলাইনভিত্তিক কর্মসংস্থান বৃদ্ধি পাবে।

স্টার্টআপ তহবিলের আকার দ্বিগুণ করে প্রায় ৪০০ কোটি টাকায় উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই তহবিলের মাধ্যমে তরুণ উদ্যোক্তা এবং নারী উদ্যোক্তাদের সহায়তা দেওয়া হবে। একই সঙ্গে সৃজনশীল অর্থনীতি বা ক্রিয়েটিভ ইকোনমির জন্য প্রায় ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দের পরিকল্পনা রয়েছে।

ফ্যামিলি কার্ড: সামাজিক সুরক্ষায় সবচেয়ে বড় সম্প্রসারণ

এবারের বাজেটের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য সম্ভবত সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির ব্যাপক সম্প্রসারণ। এই খাতে সবচেয়ে বড় নতুন উদ্যোগ হলো ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। এ জন্য প্রায় ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকার বরাদ্দের আলোচনা রয়েছে।

এর আওতায় আগামী অর্থবছরে নারীপ্রধান ৪১ লাখ পরিবারকে প্রতি মাসে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে। সরকার আগামী পাঁচ বছরে ধাপে ধাপে এই কর্মসূচির আওতায় ১ কোটি ৬১ লাখ পরিবারকে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা নিয়েছে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, এটি দেশের ইতিহাসে পরিবারভিত্তিক সবচেয়ে বড় নগদ সহায়তা ও সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচিগুলোর একটি হয়ে উঠতে পারে। ক্রমবর্ধমান জীবনযাত্রার ব্যয়ের মধ্যে এই কর্মসূচি নিম্নআয়ের পরিবারগুলোকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেবে।

কৃষকদের জন্য ‘ফার্মার কার্ড’

এবারের বাজেটে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব পাওয়া আরেকটি গোষ্ঠী হলো কৃষক। নতুন ‘ফার্মার কার্ড’ কর্মসূচির আওতায় প্রায় ৪২ লাখ ৫০ হাজার কৃষককে বছরে ২ হাজার ৫০০ টাকা করে দেওয়া হবে।

সার, বীজ, জ্বালানি এবং অন্যান্য কৃষি উপকরণের ব্যয় বৃদ্ধির কারণে কৃষকেরা যে চাপের মধ্যে রয়েছেন, এই সহায়তা তা কিছুটা লাঘব করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

একই সঙ্গে খাদ্য উৎপাদনের সঙ্গে সরাসরি যুক্ত কৃষকদের সহায়তার মাধ্যমে দেশের খাদ্য নিরাপত্তাও জোরদার হবে। কৃষক কার্ডের জন্য বরাদ্দ রাখা হয়েছে ১ হাজার ৪০০ কোটি টাকা।

বয়স্ক, বিধবা ও প্রতিবন্ধীদের জন্য বাড়তি সহায়তা

নতুন বাজেটে বিভিন্ন সামাজিক ভাতা বৃদ্ধির প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বয়স্ক ভাতা ৬৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ৭০০ টাকা করা হবে। একই সঙ্গে উপকারভোগীর সংখ্যা বাড়িয়ে ৬২ লাখে উন্নীত করা হবে।

বিধবা ও স্বামী পরিত্যক্ত নারীদের ভাতাও ৭০০ টাকায় উন্নীত করার প্রস্তাব রয়েছে। প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মাসিক ভাতা ৯০০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার টাকা করা হবে। প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের জন্য শিক্ষাবৃত্তির পরিমাণও বৃদ্ধি করা হবে।

বেকার শ্রমিকদের জন্য নতুন কর্মসূচি

বাজেটে প্রথমবারের মতো বেকার শ্রমিকদের জন্য বিশেষ সহায়তা কর্মসূচি চালুর প্রস্তাব রাখা হয়েছে। এর আওতায় ১৫ হাজার শ্রমিককে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত প্রতি মাসে ৫ হাজার টাকা করে দেওয়া হবে। বিশেষ করে রপ্তানিমুখী শিল্প এবং শ্রমবাজারের অনিশ্চয়তার কারণে কর্মহীন হয়ে পড়া শ্রমিকদের জন্য এটি অস্থায়ী সুরক্ষা হিসেবে কাজ করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের সেবাদানকারীদের জন্য সম্মানী

ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে দায়িত্ব পালনকারী ব্যক্তিদের জন্যও নতুন সম্মানী কর্মসূচি চালুর প্রস্তাব করা হয়েছে। প্রায় আড়াই লাখ ব্যক্তি এই সুবিধা পাবেন। এর মধ্যে ইমাম, মুয়াজ্জিন, পুরোহিত, সেবাইত, মঠাধ্যক্ষ এবং খাদেমরা অন্তর্ভুক্ত থাকবেন।

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য সহায়তা

জুলাই অভ্যুত্থানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের পরিবারকেও বাজেটের আওতায় আনা হয়েছে। প্রস্তাব অনুযায়ী, শহীদ পরিবারের সদস্য এবং গুরুতর আহত ব্যক্তিদের প্রতি মাসে সর্বোচ্চ ২০ হাজার টাকা পর্যন্ত সম্মানী ভাতা দেওয়া হবে। এটি সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ইতিহাসের সঙ্গে সম্পর্কিত একটি নতুন সামাজিক সহায়তা উদ্যোগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

মেট্রোরেল যাত্রীদের জন্য স্বস্তি

শহুরে যাত্রীদের জন্যও বাজেটে ইতিবাচক বার্তা রয়েছে। মেট্রোরেলের ভাড়ার ওপর বর্তমানে যে ভ্যাট অব্যাহতি রয়েছে, তা আরও এক বছর বহাল রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। বর্তমানে প্রতিদিন প্রায় সাড়ে ৩ লাখ যাত্রী মেট্রোরেল ব্যবহার করেন। ভ্যাট অব্যাহতি বহাল থাকলে ভাড়া বৃদ্ধির চাপ এড়ানো সম্ভব হবে এবং নগরবাসীর পরিবহন ব্যয় নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

গণমুখী বাজেট

সামগ্রিক বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটকে জনগণমুখী বাজেট হিসেবে গড়ে তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। যদি ঘোষিত প্রতিশ্রুতিগুলো বাস্তবায়িত হয়, তাহলে সবচেয়ে বেশি লাভবান হবেন দরিদ্র ও নিম্নআয়ের পরিবার, কৃষক, নারী, তরুণ, শিক্ষার্থী এবং সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির আওতাভুক্ত জনগোষ্ঠী।

সরকার সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি সম্প্রসারণের মাধ্যমে সরাসরি নগদ সহায়তা, ভর্তুকি এবং মূল্যস্ফীতিজনিত চাপ মোকাবিলায় বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ার পরিকল্পনা করছে।

সামাজিক সুরক্ষা কর্মসূচির বরাদ্দ বাড়িয়ে প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার কোটি টাকায় উন্নীত করা হয়েছে, যা সরকারি ব্যয়ের অন্যতম বৃহৎ খাত হয়ে উঠবে। একই সঙ্গে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা, বেসরকারি খাত, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতও উল্লেখযোগ্য সুবিধা পেতে পারে।

সব মিলিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট নতুন কর আরোপের চেয়ে ব্যবসা সহজ করা, ডিজিটাল অর্থনীতিকে উৎসাহ দেওয়া এবং সামাজিক সুরক্ষা সম্প্রসারণের ওপর বেশি জোর দিয়েছে। ফলে ব্যবসায়ী, কৃষক, ফ্রিল্যান্সার, শ্রমিক, প্রবীণ নাগরিক, বিধবা নারী, প্রতিবন্ধী ব্যক্তি এবং সাধারণ জনগণ—প্রায় সব শ্রেণির মানুষই কোনো না কোনোভাবে এই বাজেটের সুফল পেতে যাচ্ছেন।

সম্পর্কিত