সাংবাদিক

উৎসবমুখর পরিবেশের আড়ালে একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও মৌলিক প্রশ্ন বরাবরই চাপা পড়ে যায়— সংসদে সংরক্ষিত নারী আসনের সদস্যরা আসলে কী ভূমিকা রাখতে পারেন?

যেহেতু গণভোটে ৪৮টি সংস্কার প্রস্তাব গৃহীত হয়েছে, জনগণ ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে ভোট দিয়েছে এবং এগুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য জনগণ সম্মতি দিয়েছে; সেহেতু জনগণের সম্মতির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করে এগুলো সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হওয়া প্রয়োজন।

মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন ১৯৭১ সালের ১০ এপ্রিল বাংলাদেশের প্রথম অস্থায়ী সরকার গঠনের সিদ্ধান্ত হয়। এটি ‘মুজিবনগর সরকার’ নামে পরিচিত। ১৯৭০ সালের নির্বাচনে জয়ী আওয়ামী লীগ নেতারা এই সিদ্ধান্ত নেন। শেখ মুজিবুর রহমানকে রাষ্ট্রপতি করে মন্ত্রিসভা গঠন করা হয়। ১৭ এপ্রিল মেহেরপুরের বৈদ্যনাথতলায় (বর্তমান মুজিবনগর) এ

বহুমাত্রিক অসাম্য ও বৈষম্য কমানো একটি বড় চ্যালেঞ্জ। উন্নয়ন প্রক্রিয়াকে নতুন ধাঁচে সাজাতে না পারলে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করা সহজ হবে না। আমরা এখন দেখার অপেক্ষায় আছি নীতিমালা প্রণয়নে আগের মতো গোষ্ঠী তোষণের রীতিই চালু থাকবে না কি সত্যিকারের পরিবর্তন আসবে।

বাংলাদেশের ৫৪ বছরের ইতিহাসে এটি একটি দুঃখজনক বাস্তবতা যে, এক সরকার এসে পূর্ববর্তী সরকারের সব কাজ, এমনকি ভালো কাজগুলোও বাতিল করে দেয়। এই ‘ভাঙা-গড়ার’ প্রবণতার কারণে সময় ও অর্থ—দুটোরই অপচয় হয়। আমরা এই প্রবণতা থেকে বেরিয়ে আসতে চাই।

প্রাথমিক ও মাধ্যমিক, উভয় পর্যায়েই সরকারি ব্যবস্থাপনায় পরিচালিত শিক্ষাব্যবস্থার অবস্থা মোটেই গ্রহণযোগ্য বা সন্তোষজনক নয়। প্রাথমিকে প্রায় পুরোটাই সরকারি দায়িত্বে পরিচালিত হয়। মাধ্যমিকে সরকারি স্কুলের সংখ্যা কম হলেও এমপিওভুক্ত স্কুলগুলো মূলত সরকারি অর্থায়নেই চলে। কিন্তু এই প্রতিষ্ঠানগুলোর...

পশ্চিমা গণমাধ্যমগুলোর দ্বিমুখী নীতি কোনো বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি একটি ধারাবাহিক কৌশলের অংশ, যা তারা ইরাক, আফগানিস্তান এবং লিবিয়ার মতো সংঘাতেও প্রয়োগ করেছে। এর মাধ্যমে তারা যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের অবৈধ যুদ্ধকে বৈধতা দেয় এবং এর ভয়াবহতাকে সাধারণ মানুষের চোখের আড়াল করে।

জাতীয় পার্টির শক্ত ঘাঁটিগুলোতেও আমাদের প্রার্থীদের তৃতীয় স্থানে নামিয়ে আনা হয়েছে। এমনকি দু-এক জায়গায় জামানত বাজেয়াপ্ত করানো হয়েছে। অসংখ্য কেন্দ্রে জাপার জিরো বা সিঙ্গেল ডিজিট ভোট দেখানোটা পুরোপুরি অস্বাভাবিক। আমি মনে করি, এটি জাপাকে শূন্য আসন এবং ১%-এর কম ভোটে নামিয়ে আনার একটি কেন্দ্রীয় ব্লুপ্রিন্ট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জন করে সরকার গঠন করতে চলেছে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)। দুই-তৃতীয়াংশের বেশি আসন নিয়ে এই জয় যেমন বিপুল প্রত্যাশার জন্ম দিয়েছে, তেমনই তৈরি করেছে এক জটিল রাজনৈতিক পরিস্থিতি।

এখন মানুষের প্রত্যাশা বা এক্সপেকটেশন অনেক বেশি। এই সরকারের কাছে মানুষ অনেক কিছু আশা করবে। আর এখানেই বিপদ। সরকারকে প্রমাণ করতে হবে যে তারা এই প্রত্যাশাগুলো শুনতে পাচ্ছে এবং তাদের কাজে তার প্রতিফলন আছে। অতিরিক্ত প্রত্যাশার বিপদ হলো, আপনি যখন ডেলিভার করতে পারবেন না, তখন জনপ্রিয়তা খুব দ্রুত পড়ে যায়।

'জুলাই জাতীয় সনদ' জনগণের ভোটে অনুমোদিত হয়েছে, তাই এটি বাস্তবায়ন করা নতুন সরকারের নৈতিক ও রাজনৈতিক দায়িত্ব। বিএনপির ইশতেহারেও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কথা বলা আছে। দল হিসেবে তাদের কিছু ভিন্নমত থাকা স্বাভাবিক। তবে যেহেতু জনগণের সম্মতি পাওয়া গেছে, আশা করি বিএনপি নিঃসন্দেহে এর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করবে।

নির্বাচন কমিশন অনেক ক্ষেত্রে ব্যর্থতার পরিচয় দিয়েছে। আমরা ‘নির্বাচন ব্যবস্থা সংস্কার কমিশন’-এর পক্ষ থেকে যেসব গুরুত্বপূর্ণ সংস্কার প্রস্তাব দিয়েছিলাম, যা সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য সহায়ক হতে পারত, তার অনেকগুলোই তারা গ্রহণ করেনি।

নির্বাচন সামনে এলেই সবচেয়ে বেশি যে বিষয়টি আলোচিত হয় সেটি হলো রাজনৈতিক দলগুলোর ইশতেহার বা প্রতিশ্রুতি। একইভাবে আগামী জাতীয় নির্বাচনকে ঘিরে রাজনৈতিক দলগুলো ইতিমধ্যে তাদের প্রচার এবং জনগণের জন্য তাদের প্রতিশ্রুতি তুলে ধরতে শুরু করেছে।

বাংলাদেশের ইসলামি দলগুলোর এক ছাতার নিচে আসতে না পারা কোনো আকস্মিক ঘটনা নয়। এটা তাদের ঐতিহাসিক বিভাজন, গভীর আদর্শিক দ্বন্দ্ব এবং নেতৃত্বের লড়াইয়ের পরিণতি। আসন ভাগাভাগির মতো তাৎক্ষণিক কারণগুলো কেবল ওপর স্তরের সমস্যা। মূল সমস্যা আরও গভীরে।

বিটিভি এদেশের মানুষের শৈশব, কৈশোর আর প্রৌঢ়ত্বের চিরসাথী। সাদা-কালো টেলিভিশন সেটের সামনে পুরো পাড়া মিলে বসে নাটক দেখার সেই নির্মল আনন্দ আজও আপ্লুত করে। ৬১ বছরের দীর্ঘ যাত্রায় বিটিভি দেশের প্রতিটি বাঁকবদলের সাক্ষী।

দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবনের অবসান ঘটিয়ে আজ বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) দেশে ফিরেছেন বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তাঁকে বহনকারী উড়োজাহাজটি ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

আমাদের সমাজ ও রাজনীতিতে কথার ফুলঝুরি থাকলেও প্রকৃত ‘কাজের মানুষ’-এর অভাব প্রকট। অথচ সমৃদ্ধ রাষ্ট্র গড়তে হলে বাগাড়ম্বর নয়, প্রয়োজন দক্ষতা, সততা ও কঠোর পরিশ্রম। এই নিবন্ধে কথার বৃত্ত ভেঙে দক্ষতা ও দায়বদ্ধতার সমন্বয়ে রাষ্ট্র ও সমাজ গঠনের অপরিহার্যতা তুলে ধরা হয়েছে।

বাংলাদেশের মোবাইল ফোনের বাজার এক উত্তাল সময় পার করছে। সরকারের একটি প্রযুক্তিগত উদ্যোগকে কেন্দ্র করে একদিকে ডিজিটাল নিরাপত্তা ও রাজস্ব আদায়ের প্রশ্ন, অন্যদিকে হাজার হাজার ব্যবসায়ীর জীবিকা এবং কোটি গ্রাহকের সাশ্রয়ী মূল্যে ফোন কেনার অধিকার নিয়ে তৈরি হয়েছে এক জটিল পরিস্থিতি।

চীনের সঙ্গে বাংলাদেশের ক্রমবর্ধমান সামরিক ঘনিষ্ঠতা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এমনকি বাংলাদেশ-চীন সম্পর্ক ঢাকার জন্য ঝুঁকিপূর্ণ কিনা সেই প্রশ্নও তোলা হয়েছে।