বিবিসি কালচার প্রকাশ করেছে ২০২৫ সালের সেরা ২৫ সিনেমার তালিকা। সেই তালিকা থেকেই বাছাই করা হয়েছে এই ১০ সিনেমা।
স্ট্রিম ডেস্ক

২০২৫ সাল বিশ্ব চলচ্চিত্রের জন্য এক ঘটনাবহুল ও বর্ণাঢ্য বছর। কয়েক বছর ধরেই ওটিটি প্ল্যাটফর্ম দর্শকের অভ্যাস বদলে দিয়েছে, ঘরের পর্দাই হয়ে উঠেছে সিনেমা দেখার প্রধান জায়গা। তবু এই বছর আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, বড় পর্দার আবেদন এখনও ফুরিয়ে যায়নি।
বছর শেষে বিবিসি কালচার প্রকাশ করেছে ২০২৫ সালের সেরা ২৫ সিনেমার তালিকা। বিবিসির চলচ্চিত্র সমালোচক ক্যারিন জেমস ও নিকোলাস বার্বার এ বছরের সেরা সিনেমাগুলোর বাছাই করেছেন। সেই তালিকা থেকেই বাছাই করা হয়েছে এই ১০ সিনেমা।
পল থমাস অ্যান্ডারসন পরিচালিত এই সিনেমাটি ২০২৫ সালের অন্যতম আলোচিত চলচ্চিত্র। লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও অভিনীত এই ছবিতে সমসাময়িক আমেরিকার রাজনীতি এবং পারিবারিক সংকটকে খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

সমালোচকদের মতে, এটি এ বছরের অন্যতম শক্তিশালী চিত্রনাট্য। নির্মাতা অ্যান্ডারসন সবকিছু এমন সাবলীলভাবে মেলাতে পেরেছেন যে, পুরো সিনেমাজুড়ে এক মুহূর্তের জন্যও গতি কমে আসে না।
ক্লোয়ি ঝাও পরিচালিত এই ঐতিহাসিক সিনেমাটি ম্যাগি ও'ফারেলের জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত। এতে শেক্সপিয়ারের ছেলে হ্যামনেটের অকাল মৃত্যু এবং সেই শোক থেকে কালজয়ী নাটক ‘হ্যামলেট’ রচনার পটভূমি দেখানো হয়েছে। পল মেসকাল এবং জেসি বাকলি তাদের অনবদ্য অভিনয়ের জন্য বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
জশ সাফদি পরিচালিত এই স্পোর্টস জনরার সিনেমাটি আমেরিকান পিং পং খেলোয়াড় মার্টি রাইসম্যানের জীবনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। টিমোথি শ্যালামে সিনেমার নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। সিনেমাটিতে ১৯৫০-এর দশকের নিউ ইয়র্কের পিং পং দৃশ্য এবং একজন খেলোয়াড়ের উত্থান-পতনের গল্প দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।
নরওয়েজিয়ান পরিচালক জোয়াকিম ট্রিয়ার পরিচালিত এই সিনেমা কান চলচ্চিত্র উৎসবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। এটি দুই বোনের গল্প, যেখানে দেখানো হয়েছে তারা কীভাবে তাদের বাবার মৃত্যুর পর শোক কাটিয়ে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেয়। মানবিক আবেগ আর পারিবারিক গল্পের মিশেল ছবিটিকে বিশেষ করে তুলেছে। কারণ পুরো ছবি জুড়েই দর্শকের মনে হয় যেন তাঁরা বাবা-মেয়ে ও ভাইবোনের সম্পর্কের ভেতরের সতর্কতা, দূরত্ব আর ভালোবাসা খুব কাছ থেকে প্রত্যক্ষ করছে।
ইরানি পরিচালক জাফর পানাহির এই সিনেমাটি এবারের কান ফেস্টিভ্যালে পাম ডি’অর জিতেছে।

এটি একটি রিভেঞ্জ থ্রিলার, যেখানে একজন প্রাক্তন রাজনৈতিক বন্দী তার নির্যাতনকারীকে খুঁজে বের করে প্রতিশোধ নিতে চায়, কিন্তু ঘটনা পরিক্রমায় পরিস্থিতি ভিন্নদিকে মোড় নেয়। টানটান উত্তেজনার পাশাপাশি এতে নৈতিকতার প্রশ্নটিও দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক।
দক্ষিণ কোরিয়ার মাস্টারমেকার পার্ক চ্যান-উকের এই ব্ল্যাক কমেডিটি পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থার প্রতি এক ধরনের উপহাস । চাকরি হারানো এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি কীভাবে নিজের অবস্থান ফিরে পেতে চরম হাস্যকর পথ বেছে নেয়, সেটা এই সিনেমার মূল উপজীব্য। এটি একইসঙ্গে আপনাকে যেমন থ্রিল দেবে, ঠিক ততটাই বিনোদন দেবে।
হরর সিনেমার জগতে এটি এ বছরের অন্যতম সেরা সংযোজন। জ্যাক ক্রেগার পরিচালিত এই সিনেমার গল্প এক রাতে একটি শহরতলির ১৭ জন শিশুর রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া নিয়ে। সিনেমাটির গল্প বলার ভঙ্গি এবং ভয়ের আবহ দর্শককে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে বাধ্য।

রিচার্ড লিংকলেটার পরিচালিত এই বায়োপিকে ইথান হুক অভিনয় করেছেন বিখ্যাত গীতিকার লরেঞ্জ হার্টের চরিত্রে। ১৯৪০-এর দশকের পটভূমিতে হার্টের শেষ দিনগুলো এবং তাঁর সঙ্গী রিচার্ড রজার্সের সাথে জটিল সম্পর্কের সমীকরণ এতে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
রায়ান কুগলার পরিচালিত এবং মাইকেল জর্ডান অভিনীত এই সুপারন্যাচারাল থ্রিলারটি বক্স অফিসে ব্যাপক ঝড় তুলেছে। আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলের পটভূমিতে নির্মিত এই ভ্যাম্পায়ারভিত্তিক মুভিটি গতানুগতিক হরর সিনেমার বাইরে এক নতুন স্বাদ দিয়েছে।
জাপানি পরিচালক নিও সোরার এই সিনেমাটি নিকট-ভবিষ্যতের এক ডিস্টোপিয়ান জাপানের গল্প বলে। এখানে কিশোর-কিশোরীদের জীবনে প্রযুক্তির অত্যধিক নজরদারির প্রভাব অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

২০২৫ সাল বিশ্ব চলচ্চিত্রের জন্য এক ঘটনাবহুল ও বর্ণাঢ্য বছর। কয়েক বছর ধরেই ওটিটি প্ল্যাটফর্ম দর্শকের অভ্যাস বদলে দিয়েছে, ঘরের পর্দাই হয়ে উঠেছে সিনেমা দেখার প্রধান জায়গা। তবু এই বছর আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে, বড় পর্দার আবেদন এখনও ফুরিয়ে যায়নি।
বছর শেষে বিবিসি কালচার প্রকাশ করেছে ২০২৫ সালের সেরা ২৫ সিনেমার তালিকা। বিবিসির চলচ্চিত্র সমালোচক ক্যারিন জেমস ও নিকোলাস বার্বার এ বছরের সেরা সিনেমাগুলোর বাছাই করেছেন। সেই তালিকা থেকেই বাছাই করা হয়েছে এই ১০ সিনেমা।
পল থমাস অ্যান্ডারসন পরিচালিত এই সিনেমাটি ২০২৫ সালের অন্যতম আলোচিত চলচ্চিত্র। লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিও অভিনীত এই ছবিতে সমসাময়িক আমেরিকার রাজনীতি এবং পারিবারিক সংকটকে খুব সুন্দরভাবে তুলে ধরা হয়েছে।

সমালোচকদের মতে, এটি এ বছরের অন্যতম শক্তিশালী চিত্রনাট্য। নির্মাতা অ্যান্ডারসন সবকিছু এমন সাবলীলভাবে মেলাতে পেরেছেন যে, পুরো সিনেমাজুড়ে এক মুহূর্তের জন্যও গতি কমে আসে না।
ক্লোয়ি ঝাও পরিচালিত এই ঐতিহাসিক সিনেমাটি ম্যাগি ও'ফারেলের জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত। এতে শেক্সপিয়ারের ছেলে হ্যামনেটের অকাল মৃত্যু এবং সেই শোক থেকে কালজয়ী নাটক ‘হ্যামলেট’ রচনার পটভূমি দেখানো হয়েছে। পল মেসকাল এবং জেসি বাকলি তাদের অনবদ্য অভিনয়ের জন্য বেশ প্রশংসা কুড়িয়েছেন।
জশ সাফদি পরিচালিত এই স্পোর্টস জনরার সিনেমাটি আমেরিকান পিং পং খেলোয়াড় মার্টি রাইসম্যানের জীবনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি হয়েছে। টিমোথি শ্যালামে সিনেমার নাম ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। সিনেমাটিতে ১৯৫০-এর দশকের নিউ ইয়র্কের পিং পং দৃশ্য এবং একজন খেলোয়াড়ের উত্থান-পতনের গল্প দারুণভাবে ফুটে উঠেছে।
নরওয়েজিয়ান পরিচালক জোয়াকিম ট্রিয়ার পরিচালিত এই সিনেমা কান চলচ্চিত্র উৎসবে ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। এটি দুই বোনের গল্প, যেখানে দেখানো হয়েছে তারা কীভাবে তাদের বাবার মৃত্যুর পর শোক কাটিয়ে পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেয়। মানবিক আবেগ আর পারিবারিক গল্পের মিশেল ছবিটিকে বিশেষ করে তুলেছে। কারণ পুরো ছবি জুড়েই দর্শকের মনে হয় যেন তাঁরা বাবা-মেয়ে ও ভাইবোনের সম্পর্কের ভেতরের সতর্কতা, দূরত্ব আর ভালোবাসা খুব কাছ থেকে প্রত্যক্ষ করছে।
ইরানি পরিচালক জাফর পানাহির এই সিনেমাটি এবারের কান ফেস্টিভ্যালে পাম ডি’অর জিতেছে।

এটি একটি রিভেঞ্জ থ্রিলার, যেখানে একজন প্রাক্তন রাজনৈতিক বন্দী তার নির্যাতনকারীকে খুঁজে বের করে প্রতিশোধ নিতে চায়, কিন্তু ঘটনা পরিক্রমায় পরিস্থিতি ভিন্নদিকে মোড় নেয়। টানটান উত্তেজনার পাশাপাশি এতে নৈতিকতার প্রশ্নটিও দারুণভাবে ফুটিয়ে তুলেছেন পরিচালক।
দক্ষিণ কোরিয়ার মাস্টারমেকার পার্ক চ্যান-উকের এই ব্ল্যাক কমেডিটি পুঁজিবাদী সমাজব্যবস্থার প্রতি এক ধরনের উপহাস । চাকরি হারানো এক মধ্যবয়সী ব্যক্তি কীভাবে নিজের অবস্থান ফিরে পেতে চরম হাস্যকর পথ বেছে নেয়, সেটা এই সিনেমার মূল উপজীব্য। এটি একইসঙ্গে আপনাকে যেমন থ্রিল দেবে, ঠিক ততটাই বিনোদন দেবে।
হরর সিনেমার জগতে এটি এ বছরের অন্যতম সেরা সংযোজন। জ্যাক ক্রেগার পরিচালিত এই সিনেমার গল্প এক রাতে একটি শহরতলির ১৭ জন শিশুর রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হয়ে যাওয়া নিয়ে। সিনেমাটির গল্প বলার ভঙ্গি এবং ভয়ের আবহ দর্শককে শেষ পর্যন্ত ধরে রাখতে বাধ্য।

রিচার্ড লিংকলেটার পরিচালিত এই বায়োপিকে ইথান হুক অভিনয় করেছেন বিখ্যাত গীতিকার লরেঞ্জ হার্টের চরিত্রে। ১৯৪০-এর দশকের পটভূমিতে হার্টের শেষ দিনগুলো এবং তাঁর সঙ্গী রিচার্ড রজার্সের সাথে জটিল সম্পর্কের সমীকরণ এতে চমৎকারভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
রায়ান কুগলার পরিচালিত এবং মাইকেল জর্ডান অভিনীত এই সুপারন্যাচারাল থ্রিলারটি বক্স অফিসে ব্যাপক ঝড় তুলেছে। আমেরিকার দক্ষিণাঞ্চলের পটভূমিতে নির্মিত এই ভ্যাম্পায়ারভিত্তিক মুভিটি গতানুগতিক হরর সিনেমার বাইরে এক নতুন স্বাদ দিয়েছে।
জাপানি পরিচালক নিও সোরার এই সিনেমাটি নিকট-ভবিষ্যতের এক ডিস্টোপিয়ান জাপানের গল্প বলে। এখানে কিশোর-কিশোরীদের জীবনে প্রযুক্তির অত্যধিক নজরদারির প্রভাব অত্যন্ত সূক্ষ্মভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।
.png)

কিংবদন্তি অভিনেতা নায়করাজ রাজ্জাকের মৃত্যুর নয় বছর পূর্ণ হলো আজ ২১ আগস্ট। এই বিশেষ দিনে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আবেগঘন এক স্ট্যাটাস দিয়েছেন ঢালিউডের শীর্ষ নায়ক শাকিব খান। পোস্টে শাকিব খান লেখেন, নায়করাজকে হারানোর শূন্যতা আজও তিনি সমানভাবে অনুভব করেন। তাঁর ভাষায়, রাজ্জাক শুধু একজন কিংবদন্তি
২১ আগস্ট ২০২৬
আজকের দিনে একটি ভাইরাল ভিডিও, একটি রিয়েলিটি শো কিংবা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কয়েকটি পোস্টই যথেষ্ট হতে পারে লাখো মানুষের কাছে পৌঁছানোর জন্য। কিন্তু নায়ক রাজ্জাকের সময়ে এই শর্টকাটের কোনো সুযোগ ছিল না। দর্শক প্রথমে তাঁকে একটি চরিত্রে দেখতেন, তারপর আরেকটিতে, তারপর আরও একটিতে—আর এই পুনরাবৃত্তির ভেতর
২১ আগস্ট ২০২৬
১৯৬৪ সালে কলকাতা থেকে ঢাকায় এসে যে তরুণটি চলচ্চিত্রে জায়গা খুঁজছিলেন, মাত্র দুই বছরের মধ্যে তিনিই হয়ে উঠলেন ‘বেহুলা’র নায়ক। এরপর পূর্ব পাকিস্তানের রাজনৈতিক অস্থিরতা, মুক্তিযুদ্ধ, স্বাধীন বাংলাদেশ, নতুন চলচ্চিত্রের ভাষা, বাণিজ্যিক সিনেমার উত্থান—সবকিছুর মধ্য দিয়েই রাজ্জাকের ক্যারিয়ার এগিয়েছে। প্রায়
২১ আগস্ট ২০২৬
‘আশা ছিল ভালোবাসা ছিল’, ‘সেই রাতে রাত ছিল পূর্ণিমা’, ‘মেরে সপ্নো কি রানি’, ‘রূপ তেরা মস্তানা’ কিংবা ‘জিন্দেগি এক সফর হ্যায় সুহানা’—এমন অসংখ্য জনপ্রিয় গানের কণ্ঠশিল্পী বলিউডের কিংবদন্তি কিশোর কুমার। সময় বদলেছে, প্রজন্ম বদলেছে, কিন্তু তাঁর গান আজও মানুষের মনে একই রকম জনপ্রিয়। রোমান্টিক গানে যেমন শ্রোত
০৪ আগস্ট ২০২৬