স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের চলমান বিক্ষোভ পরিস্থিতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পথ খোলা আছে। পাশাপাশি সুইজারল্যান্ডের মধ্যস্থায়ও যোগাযোগ হতে পারে।
আজ সোমবার (১২ ডিসেম্বর) ইরানের আন্দোলন নিয়ে দেওয়া লাইভ আপডেটে এই তথ্য জানিয়েছে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান সহিংস বিক্ষোভের মুখে তেহরান, এই অবস্থায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেছেন ইসমাইল বাঘাই।
এর আগে গতকাল (১১ ডিসেম্বর) ট্রাম্প বলেছেন, ইরান তার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। বাঘাই অবশ্যই ট্রাম্পের ওই বক্তব্যের পর বলেছেন, ‘পরস্পরবিরোধী বার্তা’ পাঠানো হয়েছে যার ফলে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে। কূটনীতির প্রতি ইরান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, গ্রহণযোগ্যতা ও পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট উদ্বেগ নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন, কিন্তু একপাক্ষিক, একতরফা এবং কোনো নির্দেশনার ভিত্তিতে আলোচনার দরকার নেই।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, ইরান সংলাপে বিশ্বাসী দেশ, কিন্তু কোনো হুমুক মেনে নেবে না এবং কোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ ইরান বরদাস্ত করবে না।
ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিকে বাঘাই ‘ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসীদের একটি যুদ্ধ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন এবং একে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনের ধারাবাহিকতা বলে উল্লেখ করেছেন।
তিনি এও দাবি করেন, বেসামরিক ইরানিদের লক্ষ্য করা সশস্ত্র বিদেশিদের উপস্থিতির শক্ত প্রমাণ আছে। ইরান আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ‘পারস্পারিক শ্রদ্ধা ও মর্যাদার’ ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলাচনায় প্রস্তুত ইরান।
উল্লেখ্য, ইরানি রিয়ালের মান পতন ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটের জেরে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্রান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামেন। এরপর এদের সঙ্গে যোগ দেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন দমাতে শুরুতেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে সরকার। জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু দিন যত গেছে আন্দোলনের তীব্রতা তত বেড়েছে।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে দেয় কর্তৃপক্ষ। আর শান্তিপূর্ণ আন্দোলনও ধীরে ধীরে হয়ে উঠে সহিংস। বিক্ষোভকারীরা সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম ভবনে আক্রমণ চালায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও এখন আগের চেয়ে বেশি মারমুখি অবস্থানে আছে।

ইরানের চলমান বিক্ষোভ পরিস্থিতিতে দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র ইসমাইল বাঘাই বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সরাসরি যোগাযোগের পথ খোলা আছে। পাশাপাশি সুইজারল্যান্ডের মধ্যস্থায়ও যোগাযোগ হতে পারে।
আজ সোমবার (১২ ডিসেম্বর) ইরানের আন্দোলন নিয়ে দেওয়া লাইভ আপডেটে এই তথ্য জানিয়েছে কাতার ভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, চলমান সহিংস বিক্ষোভের মুখে তেহরান, এই অবস্থায় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে যোগাযোগ সংক্রান্ত এক প্রশ্নের জবাবে এই মন্তব্য করেছেন ইসমাইল বাঘাই।
এর আগে গতকাল (১১ ডিসেম্বর) ট্রাম্প বলেছেন, ইরান তার পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে আলোচনার জন্য আহ্বান জানিয়েছে। বাঘাই অবশ্যই ট্রাম্পের ওই বক্তব্যের পর বলেছেন, ‘পরস্পরবিরোধী বার্তা’ পাঠানো হয়েছে যার ফলে অস্পষ্টতা তৈরি হয়েছে। কূটনীতির প্রতি ইরান প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।
তিনি আরও বলেন, গ্রহণযোগ্যতা ও পারস্পারিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট উদ্বেগ নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন, কিন্তু একপাক্ষিক, একতরফা এবং কোনো নির্দেশনার ভিত্তিতে আলোচনার দরকার নেই।
ইসমাইল বাঘাই বলেন, ইরান সংলাপে বিশ্বাসী দেশ, কিন্তু কোনো হুমুক মেনে নেবে না এবং কোনো ধরনের বিদেশি হস্তক্ষেপ ইরান বরদাস্ত করবে না।
ইরানের বর্তমান পরিস্থিতিকে বাঘাই ‘ইরানি জনগণের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসীদের একটি যুদ্ধ’ বলে আখ্যায়িত করেছেন এবং একে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েলের আগ্রাসনের ধারাবাহিকতা বলে উল্লেখ করেছেন।
তিনি এও দাবি করেন, বেসামরিক ইরানিদের লক্ষ্য করা সশস্ত্র বিদেশিদের উপস্থিতির শক্ত প্রমাণ আছে। ইরান আন্তর্জাতিক সংস্থার মাধ্যমে বিষয়টি তুলে ধরবে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
এর আগে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেন, ‘পারস্পারিক শ্রদ্ধা ও মর্যাদার’ ভিত্তিতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলাচনায় প্রস্তুত ইরান।
উল্লেখ্য, ইরানি রিয়ালের মান পতন ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটের জেরে গত ২৮ ডিসেম্বর তেহরানের গ্রান্ড বাজারের ব্যবসায়ীরা রাস্তায় নামেন। এরপর এদের সঙ্গে যোগ দেন সাধারণ মানুষ ও বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। আন্দোলন দমাতে শুরুতেই বিশ্ববিদ্যালয়গুলো বন্ধ করে সরকার। জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ করা হয়েছে বলে জানানো হয়। কিন্তু দিন যত গেছে আন্দোলনের তীব্রতা তত বেড়েছে।
সর্বশেষ গত বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে ইন্টারনেট ও মোবাইল নেটওয়ার্ক বিচ্ছিন্ন করে দেয় কর্তৃপক্ষ। আর শান্তিপূর্ণ আন্দোলনও ধীরে ধীরে হয়ে উঠে সহিংস। বিক্ষোভকারীরা সরকারি সম্প্রচার মাধ্যম ভবনে আক্রমণ চালায়। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীও এখন আগের চেয়ে বেশি মারমুখি অবস্থানে আছে।

ইরানজুড়ে চলমান বিক্ষোভ পরিস্থিতি এখন ‘সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে’ এসেছে বলে দাবি করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি। তিনি অভিযোগ করেছেন, সামরিক হস্তক্ষেপের অজুহাত খুঁজতে পশ্চিমা শক্তি শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে সহিংস ও রক্তাক্ত করে তুলেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে চলমান বিক্ষোভের মধ্যে দেশবাসীকে সরকারের পক্ষে সমর্থন জানানোর আহ্বান জানিয়েছিল সরকার। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে হাজার হাজার ইরানি রাস্তায় নেমে এসেছেন। তারা সরকারের পক্ষে এবং যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে নানান স্লোগান দেন।
২ ঘণ্টা আগে
ইসরায়েলের সঙ্গে বাহরাইন ও আরব বিশ্বের সম্পর্কের সমালোচনা করায় বিরোধীদলীয় নেতা ইব্রাহিম শরিফকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) বাহরাইনের নিম্ন আদালত এই রায় দেন। একই সঙ্গে তাঁকে ২০০ বাহরাইনি দিনার (প্রায় ৫৩০ ডলার) জরিমানা করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
ইরানের চলমান আন্দোলন সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য জানা খুবই কঠিন। ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় স্থানীয়সহ আন্তর্জাতিক অধিকাংশ সংবাদমাধ্যমে প্রকৃত তথ্য খুব একটা আসছে না। আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম, বিশেষ করে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিও ও ছবির বরাতে খবর প্রকাশ করছে।
৪ ঘণ্টা আগে