স্ট্রিম ডেস্ক

চুক্তি করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনায় বড় সাফল্যের দাবি করেছেন মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আল বুসাইদি।
তিনি জানিয়েছেন, শান্তি ‘নাগালের মধ্যে’। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান পরোক্ষ আলোচনায় আর কখনোই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদ না রাখার বিষয়ে একমত হয়েছে। এটিকে একটি বড় অগ্রগতি বলে মনে করছেন তিনি।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানানো হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠকের পর এই মন্তব্য করেন আল বুসাইদি।
যদিও একই দিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামরিক হুমকিও দেন, আবার তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে তার অবস্থানের কথাও জানান।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, জেনেভার আলোচনায় তিনি সন্তুষ্ট নন। তিনি বলেন, তারা যেভাবে আলোচনা করছে তাতে আমরা ঠিক খুশি নই।
এসময় তিনি ইরানকে চুক্তি করার আহ্বান জানান। ট্রাম্প বলেন, সামরিক শক্তি প্রয়োগ না করাই তার পছন্দ। তবে ‘কখনো কখনো তা করতে হয়’।
এদিকে, আল বুসাইদি বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তির সব বিষয় কয়েক মাসের মধ্যে ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সামগ্রিকভাবে’ সমাধান করা সম্ভব।
গত বৃহস্পতিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তৃতীয় দফা পরোক্ষ আলোচনার মধ্যস্থতা করেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে ওয়াশিংটনে সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যদি আমরা কূটনীতিকে তার প্রয়োজনীয় সুযোগটুকু দিই, তবে শান্তি চুক্তি আমাদের নাগালের মধ্যেই আছে।
আল বুসাইদি আরও বলেন, যদি চূড়ান্ত লক্ষ্য হয় ইরান যাতে কখনো পারমাণবিক বোমা না বানাতে পারে, তাহলে আমি মনে করি এই আলোচনার মাধ্যমে আমরা সেই সমস্যার সমাধান করতে পেরেছি। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি যা আগে কখনো অর্জিত হয়নি।
তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলো এই সম্মতি যে ইরান কখনো বোমা তৈরির উপযোগী পারমাণবিক উপাদান মজুদ রাখবে না। আমরা এখন শূন্য মজুদের কথা বলছি—এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সমৃদ্ধ উপাদান মজুদ না করতে পারলে বোমা তৈরির কোনো পথ থাকে না। ইরান তার বর্তমান পারমাণবিক উপাদানের মজুদ ‘সর্বনিম্ন সম্ভব মাত্রায়’ নামিয়ে আনবে এবং সেগুলো জ্বালানিতে রূপান্তরিত করা হবে। আর তা ‘অপরিবর্তনীয়’ থাকবে।
এছাড়া জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইএইএর মাধ্যমে ‘পূর্ণ ও বিস্তৃত যাচাই’ করা হবে বলেও জানান তিনি।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক দাবির বিষয়ে আল বুসাইদি বলেন, আমি মনে করি ইরান সবকিছু নিয়ে আলোচনায় প্রস্তুত।
জেনেভার সর্বশেষ আলোচনায় যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে কি না এবং এতে ইরানে মার্কিন হামলা ঠেকানো যাবে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আশা করি তাই হবে।
এদিকে, আগামী সোমবার (২ মার্চ) অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবারও পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

চুক্তি করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনায় বড় সাফল্যের দাবি করেছেন মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আল বুসাইদি।
তিনি জানিয়েছেন, শান্তি ‘নাগালের মধ্যে’। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরান পরোক্ষ আলোচনায় আর কখনোই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম মজুদ না রাখার বিষয়ে একমত হয়েছে। এটিকে একটি বড় অগ্রগতি বলে মনে করছেন তিনি।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানানো হয়েছে। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্সের সঙ্গে বৈঠকের পর এই মন্তব্য করেন আল বুসাইদি।
যদিও একই দিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সামরিক হুমকিও দেন, আবার তেহরানের সঙ্গে কূটনৈতিক সমাধানের পক্ষে তার অবস্থানের কথাও জানান।
ট্রাম্প সাংবাদিকদের জানান, জেনেভার আলোচনায় তিনি সন্তুষ্ট নন। তিনি বলেন, তারা যেভাবে আলোচনা করছে তাতে আমরা ঠিক খুশি নই।
এসময় তিনি ইরানকে চুক্তি করার আহ্বান জানান। ট্রাম্প বলেন, সামরিক শক্তি প্রয়োগ না করাই তার পছন্দ। তবে ‘কখনো কখনো তা করতে হয়’।
এদিকে, আল বুসাইদি বলেন, ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে একটি চুক্তির সব বিষয় কয়েক মাসের মধ্যে ‘সৌহার্দ্যপূর্ণ ও সামগ্রিকভাবে’ সমাধান করা সম্ভব।
গত বৃহস্পতিবার জেনেভায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে তৃতীয় দফা পরোক্ষ আলোচনার মধ্যস্থতা করেন ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী। পরে ওয়াশিংটনে সিবিএস নিউজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, যদি আমরা কূটনীতিকে তার প্রয়োজনীয় সুযোগটুকু দিই, তবে শান্তি চুক্তি আমাদের নাগালের মধ্যেই আছে।
আল বুসাইদি আরও বলেন, যদি চূড়ান্ত লক্ষ্য হয় ইরান যাতে কখনো পারমাণবিক বোমা না বানাতে পারে, তাহলে আমি মনে করি এই আলোচনার মাধ্যমে আমরা সেই সমস্যার সমাধান করতে পেরেছি। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি যা আগে কখনো অর্জিত হয়নি।
তিনি বলেন, সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলো এই সম্মতি যে ইরান কখনো বোমা তৈরির উপযোগী পারমাণবিক উপাদান মজুদ রাখবে না। আমরা এখন শূন্য মজুদের কথা বলছি—এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সমৃদ্ধ উপাদান মজুদ না করতে পারলে বোমা তৈরির কোনো পথ থাকে না। ইরান তার বর্তমান পারমাণবিক উপাদানের মজুদ ‘সর্বনিম্ন সম্ভব মাত্রায়’ নামিয়ে আনবে এবং সেগুলো জ্বালানিতে রূপান্তরিত করা হবে। আর তা ‘অপরিবর্তনীয়’ থাকবে।
এছাড়া জাতিসংঘের পারমাণবিক পর্যবেক্ষণ সংস্থা আইএইএর মাধ্যমে ‘পূর্ণ ও বিস্তৃত যাচাই’ করা হবে বলেও জানান তিনি।
ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক দাবির বিষয়ে আল বুসাইদি বলেন, আমি মনে করি ইরান সবকিছু নিয়ে আলোচনায় প্রস্তুত।
জেনেভার সর্বশেষ আলোচনায় যথেষ্ট অগ্রগতি হয়েছে কি না এবং এতে ইরানে মার্কিন হামলা ঠেকানো যাবে কি না—এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, আশা করি তাই হবে।
এদিকে, আগামী সোমবার (২ মার্চ) অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আবারও পরোক্ষ আলোচনা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

ইরানের পাঁচটি শহরে যৌথভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। যৌথ এ হামলায় ইরানের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।
৩২ মিনিট আগে
ইরানের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানি শাসনের আসন্ন হুমকি দূর করতে দেশটিতে হামলা করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানের বিভিন্ন শহরে যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এই হামলার পর ইরান ও ইসরায়েল উভয় দেশই তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। তেহরানের প্রাণকেন্দ্রে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।
২ ঘণ্টা আগে