বেইলি রোডে অগ্নিকাণ্ডের দুই বছর
স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের দুই বছর হয়ে গেল। ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ঘটা এই অগ্নিকাণ্ডের মামলার কোনো সুরাহা এখনো হয়নি। ফলে পরিত্যক্তই পড়ে আছে আটতলা ভবনটি। ভয়াল স্মৃতির নীরব ও কঙ্কালসার সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ভবনটির দিকে মাঝেমধ্যে চোখ ফেরাচ্ছেন পথচারীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভুতুড়ে রূপ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে গ্রিন কোজি কটেজ। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে ভবনটি পুরোপুরি বন্ধ। সামনের অংশে টিনের প্রাচীর দিয়ে প্রবেশপথ আটকানো। দুই বছর পার হলেও দেয়াল থেকে মোছেনি কালো কালি।
পুরো ভবনে ছড়িয়ে আছে সেদিনের ভয়াবহতার পোড়া চিহ্ন। ভবনের গায়ে এখনো ঝুলছে পুড়ে যাওয়া ও ধোঁয়ায় বিবর্ণ হওয়া কয়েকটি রেস্তোরাঁর ব্যানার। ভেতরে থাকা ধ্বংসস্তূপের ওপর জমেছে ধুলোর আস্তর।
গ্রিন কোজি কটেজে বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্ট ছিল। দুর্ঘটনার সময় ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, আটতলা ভবনটির নিচতলার ‘চুমুক’ নামের চা-কফির দোকানের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। অন্য রেস্টুরেন্টে গ্যাসের সিলিন্ডার থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
এছাড়া ভবনে একটি মাত্র সিঁড়ি ছিল। বেজমেন্টে পর্যাপ্ত পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা ছিল না। ভবনে অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিতে ন্যূনতম ব্যবস্থাও না থাকার কথা বিভিন্ন সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ভবনে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসেরও ব্যবস্থা না থাকায় আটকা পড়া অনেকে শ্বাসকষ্টে মারা যান। সবমিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৬ জনে। এ ঘটনায় অবহেলার অভিযোগ এনে মামলা করে পুলিশ। তবে ওই মামলার এখন পর্যন্ত কোন সুরাহা হয়নি।

ভবনটির সামনের রাস্তায় যাত্রীর অপেক্ষায় ছিলেন রিকশাচালক মুহিবুল্লাহ। এই এলাকাতেই নিয়মিত রিকশা চালান মুহিবুল্লাহ। তিনি বলেন, আগে এই বিল্ডিংয়ে কত মানুষের আনাগোনা ছিল, কত আলো জ্বলত। চোখের সামনে এতগুলা মানুষ মারা গেল, ভবনটা এখন এভাবেই পড়ে আছে।
এদিকে, অরক্ষিত ও পরিত্যক্ত থাকায় অগ্নিকাণ্ডের পর ভবনের ভেতরের বৈদ্যুতিক তার, লোহার রডসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরি হয়ে যায় বলে জানান বর্তমানে ভবনটি দেখভালে দায়িত্বরত মোশাররফ।
মোশাররফ জানান, তার সঙ্গে আরও দুজনসহ মোট তিনজন ভবনটি দেখাশোনার কাজ করছেন। ভবনের নিচতলায় একটি কক্ষ কোনোমতে পরিষ্কার করে তারা সেখানে থাকছেন।
মোশাররফ বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের পর দায়ের করা মামলার এখনো কোনো সুরাহা হয়নি। আইনি জটিলতা ও বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় ভবনের সংস্কার বা পুনঃনির্মাণের বিষয়ে মালিকপক্ষ নতুন করে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। আমরা শুধু পাহারা দিচ্ছি, কিন্তু কবে এর একটা সুরাহা হবে, তা কেউ জানে না।’

রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের দুই বছর হয়ে গেল। ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে ঘটা এই অগ্নিকাণ্ডের মামলার কোনো সুরাহা এখনো হয়নি। ফলে পরিত্যক্তই পড়ে আছে আটতলা ভবনটি। ভয়াল স্মৃতির নীরব ও কঙ্কালসার সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে থাকা ভবনটির দিকে মাঝেমধ্যে চোখ ফেরাচ্ছেন পথচারীরা।
সরেজমিনে দেখা যায়, ভুতুড়ে রূপ নিয়ে দাঁড়িয়ে আছে গ্রিন কোজি কটেজ। অগ্নিকাণ্ডের পর থেকে ভবনটি পুরোপুরি বন্ধ। সামনের অংশে টিনের প্রাচীর দিয়ে প্রবেশপথ আটকানো। দুই বছর পার হলেও দেয়াল থেকে মোছেনি কালো কালি।
পুরো ভবনে ছড়িয়ে আছে সেদিনের ভয়াবহতার পোড়া চিহ্ন। ভবনের গায়ে এখনো ঝুলছে পুড়ে যাওয়া ও ধোঁয়ায় বিবর্ণ হওয়া কয়েকটি রেস্তোরাঁর ব্যানার। ভেতরে থাকা ধ্বংসস্তূপের ওপর জমেছে ধুলোর আস্তর।
গ্রিন কোজি কটেজে বেশ কয়েকটি রেস্টুরেন্ট ছিল। দুর্ঘটনার সময় ফায়ার সার্ভিসের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, আটতলা ভবনটির নিচতলার ‘চুমুক’ নামের চা-কফির দোকানের চুলা থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। অন্য রেস্টুরেন্টে গ্যাসের সিলিন্ডার থাকায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
এছাড়া ভবনে একটি মাত্র সিঁড়ি ছিল। বেজমেন্টে পর্যাপ্ত পানি সংরক্ষণের ব্যবস্থা ছিল না। ভবনে অগ্নিনিরাপত্তা নিশ্চিতে ন্যূনতম ব্যবস্থাও না থাকার কথা বিভিন্ন সংস্থার তদন্ত প্রতিবেদনে উঠে এসেছে। ভবনে পর্যাপ্ত আলো-বাতাসেরও ব্যবস্থা না থাকায় আটকা পড়া অনেকে শ্বাসকষ্টে মারা যান। সবমিলিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়ায় ৪৬ জনে। এ ঘটনায় অবহেলার অভিযোগ এনে মামলা করে পুলিশ। তবে ওই মামলার এখন পর্যন্ত কোন সুরাহা হয়নি।

ভবনটির সামনের রাস্তায় যাত্রীর অপেক্ষায় ছিলেন রিকশাচালক মুহিবুল্লাহ। এই এলাকাতেই নিয়মিত রিকশা চালান মুহিবুল্লাহ। তিনি বলেন, আগে এই বিল্ডিংয়ে কত মানুষের আনাগোনা ছিল, কত আলো জ্বলত। চোখের সামনে এতগুলা মানুষ মারা গেল, ভবনটা এখন এভাবেই পড়ে আছে।
এদিকে, অরক্ষিত ও পরিত্যক্ত থাকায় অগ্নিকাণ্ডের পর ভবনের ভেতরের বৈদ্যুতিক তার, লোহার রডসহ বিভিন্ন সরঞ্জাম চুরি হয়ে যায় বলে জানান বর্তমানে ভবনটি দেখভালে দায়িত্বরত মোশাররফ।
মোশাররফ জানান, তার সঙ্গে আরও দুজনসহ মোট তিনজন ভবনটি দেখাশোনার কাজ করছেন। ভবনের নিচতলায় একটি কক্ষ কোনোমতে পরিষ্কার করে তারা সেখানে থাকছেন।
মোশাররফ বলেন, ‘অগ্নিকাণ্ডের পর দায়ের করা মামলার এখনো কোনো সুরাহা হয়নি। আইনি জটিলতা ও বিচার প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় ভবনের সংস্কার বা পুনঃনির্মাণের বিষয়ে মালিকপক্ষ নতুন করে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে পারেনি। আমরা শুধু পাহারা দিচ্ছি, কিন্তু কবে এর একটা সুরাহা হবে, তা কেউ জানে না।’

দায়িত্বপালন শেষে বাসায় ফিরে নিজের নামে ইস্যু করা পিস্তল রেখেছিলেন বিছানায়। শিশুপুত্র সেই পিস্তল নিয়ে খেলার সময় গুলি বেরিয়ে আহত হয়েছেন পুলিশের এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে নাটোর পুলিশ-লাইন্সে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২০ মিনিট আগে
হাসি, আড্ডা, গল্প আর সঙ্গে মজার খাবার। ভবনের প্রায় প্রতিটি তলায়ই ছিল এই দৃশ্য। হঠাৎ এক মুহূর্তেই থেমে যায় সব। আগুন কেড়ে নেয় ৪৬টি প্রাণ, পুড়ে কঙ্কালসার হয়ে যায় পুরো ভবন।
৩৩ মিনিট আগে
গত পাঁচ বছরে দেশে রেস্তোরাঁ ও হোটেলে হাজারের বেশি অগ্নিকাণ্ড ঘটেছে। এরমধ্যে সবচেয়ে বড় ঘটনাটি ২০২৪ সালের ২৯ ফেব্রুয়ারির। রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজে ঘটা ওই অগ্নিকাণ্ডে ৪৬ জন প্রাণ হারান।
১ ঘণ্টা আগে
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ আগামী জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের প্রথম দিনেই বিল আকারে পেশ করা হবে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
১ ঘণ্টা আগে