স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানের চলমান আন্দোলন সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য জানা খুবই কঠিন। ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় স্থানীয়সহ আন্তর্জাতিক অধিকাংশ সংবাদমাধ্যমে প্রকৃত তথ্য খুব একটা আসছে না। তাই প্রায়শই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম, বিশেষ করে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিও ও ছবির বরাতে খবর প্রকাশ করছে। কিন্তু সেসব খবরে ফুটনোট হিসেবে বলছে, স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারছে না।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার থেকে দেশটিতে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ আছে। প্রথমে সরকারি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে স্বীকার করেছে। তবে প্রথম দিন থেকে অনলাইন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নেটব্লকস ইরানজুড়ে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার কথা জানিয়েছিল।
এছাড়া ওয়েভ সিকিউরিটি ফার্ম ক্লাউডফেয়ারও জানিয়েছে, বৃহস্পতিবারের পর থেকে তাদের সেবা ভয়াবহভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং তা অব্যাহত আছে।
এদিকে, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি অনলাইনের এক খবরে বলা হয়েছে, ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট ইরানের অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে অলাভজনক ইন্টারনেট সিকিউরিটি অ্যান্ড ডিজিটাল রাইটস সংগঠন মিয়ান গ্রুপের পরিচালক আমির রশিদি গত সপ্তাহে বিবিসিকে বলেছিলেন, আগে কখনো তিনি এমন পরিস্থিতি দেখেননি।
অন্যদিকে, অনলাইন গবেষক আলিরেজা মানাফি বলেছেন, শুধু স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বহির্বিশ্বের সঙ্গে কিছুটা যোগাযোগ করা যাচ্ছে। তিনি অবশ্য সতর্ক করেছেন, স্টারলিংক ব্যবহারকারীদেরও সতর্ক থাকতে হবে কারণ সরকার হয়তো এই ধরনের যোগাযোগও শনাক্ত করতে পারে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বিবিসিসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো ইরানের ভেতর থেকে প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারছে না। তাই ঠিক কি পরিমাণ ইরানিদের জড়ো হচ্ছেন এবং সময়ের ব্যবধানে পরিস্থিতি ঠিক কোনদিকে যাচ্ছে তা বলা খুবই কঠিন।
যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি চলমান বিক্ষোভে বিক্ষোভকারী এবং নিরাপত্তারক্ষী নিহতের সংখ্যা জানিয়েছিল। সংগঠনটি জানিয়েছিল, ‘বিভিন্ন সূত্রের’ মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের এই সংখ্যা জানায়। অন্যদিকে বিবিসি পার্সিয়ান বলেছে, তারা বেশ কয়েকজন নিহত ইরানির পরিবারের সঙ্গে কথা বলছে।
ইন্টারনে না থাকার কারণে ইরানের চলমান আন্দোলনে প্রকৃত হতাহত নিয়ে এক ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি এখন কোন দিকে যাচ্ছে খবর পড়ে তা বুঝা মুশকিল। পশ্চিমা এবং মধ্যপ্রাচ্যের ইরানবিরোধী দেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আন্দোলন নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতির কথা বলা হচ্ছে। আবার দেশটির সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলোতে আরেক ধরনের কথা বলা হচ্ছে।

ইরানের চলমান আন্দোলন সম্পর্কে প্রকৃত তথ্য জানা খুবই কঠিন। ইন্টারনেট বন্ধ থাকায় স্থানীয়সহ আন্তর্জাতিক অধিকাংশ সংবাদমাধ্যমে প্রকৃত তথ্য খুব একটা আসছে না। তাই প্রায়শই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম, বিশেষ করে পশ্চিমা সংবাদমাধ্যম সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়ানো ভিডিও ও ছবির বরাতে খবর প্রকাশ করছে। কিন্তু সেসব খবরে ফুটনোট হিসেবে বলছে, স্বতন্ত্রভাবে যাচাই করতে পারছে না।
এর আগে গত বৃহস্পতিবার থেকে দেশটিতে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ আছে। প্রথমে সরকারি কর্তৃপক্ষ বিষয়টি অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে স্বীকার করেছে। তবে প্রথম দিন থেকে অনলাইন পর্যবেক্ষণকারী সংস্থা নেটব্লকস ইরানজুড়ে ইন্টারনেট বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার কথা জানিয়েছিল।
এছাড়া ওয়েভ সিকিউরিটি ফার্ম ক্লাউডফেয়ারও জানিয়েছে, বৃহস্পতিবারের পর থেকে তাদের সেবা ভয়াবহভাবে ব্যাহত হচ্ছে এবং তা অব্যাহত আছে।
এদিকে, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসি অনলাইনের এক খবরে বলা হয়েছে, ইন্টারনেট ব্ল্যাকআউট ইরানের অস্বাভাবিক কিছু নয়। তবে অলাভজনক ইন্টারনেট সিকিউরিটি অ্যান্ড ডিজিটাল রাইটস সংগঠন মিয়ান গ্রুপের পরিচালক আমির রশিদি গত সপ্তাহে বিবিসিকে বলেছিলেন, আগে কখনো তিনি এমন পরিস্থিতি দেখেননি।
অন্যদিকে, অনলাইন গবেষক আলিরেজা মানাফি বলেছেন, শুধু স্টারলিংক স্যাটেলাইটের মাধ্যমে বহির্বিশ্বের সঙ্গে কিছুটা যোগাযোগ করা যাচ্ছে। তিনি অবশ্য সতর্ক করেছেন, স্টারলিংক ব্যবহারকারীদেরও সতর্ক থাকতে হবে কারণ সরকার হয়তো এই ধরনের যোগাযোগও শনাক্ত করতে পারে।
বিবিসির খবরে বলা হয়েছে, বিবিসিসহ অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো ইরানের ভেতর থেকে প্রতিবেদন প্রকাশ করতে পারছে না। তাই ঠিক কি পরিমাণ ইরানিদের জড়ো হচ্ছেন এবং সময়ের ব্যবধানে পরিস্থিতি ঠিক কোনদিকে যাচ্ছে তা বলা খুবই কঠিন।
যুক্তরাষ্ট্র ভিত্তিক মানবাধিকার সংগঠন হিউম্যান রাইটস অ্যাক্টিভিস্ট নিউজ এজেন্সি চলমান বিক্ষোভে বিক্ষোভকারী এবং নিরাপত্তারক্ষী নিহতের সংখ্যা জানিয়েছিল। সংগঠনটি জানিয়েছিল, ‘বিভিন্ন সূত্রের’ মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে নিহতের এই সংখ্যা জানায়। অন্যদিকে বিবিসি পার্সিয়ান বলেছে, তারা বেশ কয়েকজন নিহত ইরানির পরিবারের সঙ্গে কথা বলছে।
ইন্টারনে না থাকার কারণে ইরানের চলমান আন্দোলনে প্রকৃত হতাহত নিয়ে এক ধরনের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পাশাপাশি আন্দোলনের গতিপ্রকৃতি এখন কোন দিকে যাচ্ছে খবর পড়ে তা বুঝা মুশকিল। পশ্চিমা এবং মধ্যপ্রাচ্যের ইরানবিরোধী দেশের সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত প্রতিবেদনে আন্দোলন নিয়ে এক ধরনের পরিস্থিতির কথা বলা হচ্ছে। আবার দেশটির সরকারি সংবাদমাধ্যমগুলোতে আরেক ধরনের কথা বলা হচ্ছে।

ইরানের পাঁচটি শহরে যৌথভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। যৌথ এ হামলায় ইরানের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।
২১ মিনিট আগে
ইরানের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানি শাসনের আসন্ন হুমকি দূর করতে দেশটিতে হামলা করা হয়েছে।
৩৪ মিনিট আগে
ইরানের বিভিন্ন শহরে যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এই হামলার পর ইরান ও ইসরায়েল উভয় দেশই তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
চুক্তি করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনায় বড় সাফল্যের দাবি করেছিলেন মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আল বুসাইদি। তবে এরইমধ্যে ইরানের বিভিন্ন স্থানে যৌথভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। হামলার পর তেহরানের প্রাণকেন্দ্রে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা
১ ঘণ্টা আগে