স্ট্রিম প্রতিবেদক

দুই তরুণীকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযোগের পর তা তদন্তে কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রক্টর অফিস।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সাহরির পর ঢাবির ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) সামনে রাজু ভাস্কর্য চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী নারী ও হেনস্তাকারী শিক্ষার্থীদের পরিচয় জানা যায়নি।
ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, টিএসসিতে দুই তরুণী বলছেন, ‘আমরা পুরান ঢাকায় সাহরি খেয়ে টিএসসিতে এসে দাঁড়িয়েছি। হঠাৎ একজন এসে আমাদের সঙ্গে থাকা বাইক রাইডারকে চড়থপ্পর মারা শুরু করে৷ এ সময় সামনে এগিয়ে জানতে চাইলে ঢাবি ছাত্র বাজেভাবে অশ্লীল মন্তব্য করেন।’
হেনস্তার শিকার নারীকে ভিডিওতে আরও বলতে শোনা যায়, ‘রাতে কি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে যাতায়াত করা নিষেধ? আমাদের কোনো প্রশ্নই করে নাই। আমরা নাকি প্রস্টিটিউট।’
ওই নারী আরও বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আমরা মেয়েরা সেফ না। ৫ আগস্টের পরে আমরা সেফ না। আমরা আনসেফ। ভার্সিটির ছেলেরা আমাদের ধরে মারে। আমাদের ড্রেসে কি লেখা আছে আমরা প্রস্টিটিউট?’
হেনস্তার শিকার অপর নারীকে বলতে শোনা যায়, ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছেলে হয়ে আমার গালে কেন থাপ্পড় মারবে? আমি কি বাংলাদেশের বাইরে থেকে আসছি? আমি এখানে আসতে পারি না?’
এ বিষয়ে ঢাবির সহকারী প্রক্টর ড. মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘শেষ রাতে ঘটনাটা শোনার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্তলে প্রক্টোরিয়াল টিমের সদস্যদের পাঠিয়েছি। তাঁরা প্রাথমিক ব্যবস্থা নিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরে আজ দুপুরে প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ করেছেন দুই নারী৷ আমরা উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলেছি৷ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির দেওয়া পর্যালোচনা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

দুই তরুণীকে মারধর ও হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালের (ঢাবি) এক শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে। অভিযোগের পর তা তদন্তে কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রক্টর অফিস।
বুধবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) ভোরে সাহরির পর ঢাবির ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্রের (টিএসসি) সামনে রাজু ভাস্কর্য চত্বরে এই ঘটনা ঘটে। ঘটনার কিছু ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতিমধ্যে ভাইরাল হয়েছে। তবে ভুক্তভোগী নারী ও হেনস্তাকারী শিক্ষার্থীদের পরিচয় জানা যায়নি।
ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, টিএসসিতে দুই তরুণী বলছেন, ‘আমরা পুরান ঢাকায় সাহরি খেয়ে টিএসসিতে এসে দাঁড়িয়েছি। হঠাৎ একজন এসে আমাদের সঙ্গে থাকা বাইক রাইডারকে চড়থপ্পর মারা শুরু করে৷ এ সময় সামনে এগিয়ে জানতে চাইলে ঢাবি ছাত্র বাজেভাবে অশ্লীল মন্তব্য করেন।’
হেনস্তার শিকার নারীকে ভিডিওতে আরও বলতে শোনা যায়, ‘রাতে কি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় দিয়ে যাতায়াত করা নিষেধ? আমাদের কোনো প্রশ্নই করে নাই। আমরা নাকি প্রস্টিটিউট।’
ওই নারী আরও বলেন, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আমরা মেয়েরা সেফ না। ৫ আগস্টের পরে আমরা সেফ না। আমরা আনসেফ। ভার্সিটির ছেলেরা আমাদের ধরে মারে। আমাদের ড্রেসে কি লেখা আছে আমরা প্রস্টিটিউট?’
হেনস্তার শিকার অপর নারীকে বলতে শোনা যায়, ‘ঢাকা ইউনিভার্সিটির ছেলে হয়ে আমার গালে কেন থাপ্পড় মারবে? আমি কি বাংলাদেশের বাইরে থেকে আসছি? আমি এখানে আসতে পারি না?’
এ বিষয়ে ঢাবির সহকারী প্রক্টর ড. মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘শেষ রাতে ঘটনাটা শোনার সঙ্গে সঙ্গে আমরা ঘটনাস্তলে প্রক্টোরিয়াল টিমের সদস্যদের পাঠিয়েছি। তাঁরা প্রাথমিক ব্যবস্থা নিয়েছেন।’
তিনি আরও বলেন, ‘পরে আজ দুপুরে প্রক্টর অফিসে লিখিত অভিযোগ করেছেন দুই নারী৷ আমরা উভয় পক্ষকে ডেকে কথা বলেছি৷ এই ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচারের আওতায় আনতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটির দেওয়া পর্যালোচনা অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’
.png)
পদত্যাগের দুই দিন পর রাষ্ট্রীয় বাসভবন ছেড়েছেন সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। রোববার (২৬ জুলাই) দুপুর আড়াইটার দিকে তিনি বঙ্গভবন থেকে রাজধানীর গুলশানে নিজের বাসার উদ্দেশে রওনা দেন।
১০ মিনিট আগে
ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করে সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)। রোববার (২৬ জুলাই) বেলা সাড়ে ১১টার শহীদ বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে একাত্তরের বীর সেনানিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান তিনি।
৩৭ মিনিট আগে
কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া সীমান্ত দিয়ে ভারত থেকে চারজন বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের চেষ্টা করেছে। তবে বিষয়টি টের পেয়ে তাদের প্রতিহত করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (৬০ বিজিবি) ব্রাহ্মণবাড়িয়ার ব্যাটালিয়ন। তাদের মধ্যে এক নারী ও তিন শিশু রয়েছেন। রোববার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘পদোন্নতির ক্ষেত্রে কোনো কর্মকর্তার রাজনৈতিক পরিচয় বা ব্যক্তিগত পছন্দ-অপছন্দ যেন মূল্যায়নে প্রভাব না ফেলে। পেশাগত দক্ষতা, নেতৃত্বের সক্ষমতা, সততা, বিশ্বস্ততা, শৃঙ্খলা, আনুগত্য এবং দায়িত্ব পালনের যোগ্যতাকেই পদোন্নতির প্রধান মানদণ্ড হিসেবে বিবেচনা করতে হবে।’
২ ঘণ্টা আগে