স্ট্রিম প্রতিবেদক
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সব আসামিকে খালাস দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণা করবেন আপিল বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চ এই দিন ধার্য করেন।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং অন্তত ৩০০ জন আহত হন। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান। হামলার পর হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৮ সালে নিম্ন আদালত রায় ঘোষণা করে। রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ আরও ১৯ জনকে যাবজ্জীবন এবং ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
পরে গত বছরের ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এই মামলার রায় ঘোষণা করে। সেখানে নিম্ন আদালতের দেওয়া সব সাজা বাতিল করে আসামিদের খালাস দেন বিচারপতিরা। হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, এ ঘটনা দেশের ইতিহাসে এক ভয়াবহ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড হলেও সুষ্ঠু ও স্বাধীন তদন্তের অভাব ছিল স্পষ্ট। এজন্য মামলাটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে বিশেষায়িত সংস্থার মাধ্যমে নতুন করে তদন্ত শুরুর সুপারিশ করেন আদালত।
গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ পৃথকভাবে লিভ টু আপিল করে। চলতি বছরের ১ জুন বিস্ফোরক মামলার আপিল মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ।
পরে পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) থেকে উপস্থাপনের মাধ্যমে গত ১৭ জুলাই থেকে আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়। টানা কয়েক দফা শুনানির পর বৃহস্পতিবার পঞ্চম দিনের শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য ৪ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেন।
২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা মামলায় সব আসামিকে খালাস দিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষের করা আপিলের শুনানি শেষ হয়েছে। এ বিষয়ে আগামী ৪ সেপ্টেম্বর রায় ঘোষণা করবেন আপিল বিভাগ।
বৃহস্পতিবার (২১ আগস্ট) প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগের ছয় বিচারপতির বেঞ্চ এই দিন ধার্য করেন।
২০০৪ সালের ২১ আগস্ট রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে আওয়ামী লীগের সমাবেশে ভয়াবহ গ্রেনেড হামলার ঘটনা ঘটে। ওই হামলায় আওয়ামী লীগের মহিলা বিষয়ক সম্পাদক আইভি রহমানসহ ২৪ জন নিহত এবং অন্তত ৩০০ জন আহত হন। তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনা অল্পের জন্য প্রাণে বেঁচে যান। হামলার পর হত্যা ও বিস্ফোরক দ্রব্য আইনে দুটি পৃথক মামলা দায়ের করা হয়।
দীর্ঘ বিচারিক প্রক্রিয়া শেষে ২০১৮ সালে নিম্ন আদালত রায় ঘোষণা করে। রায়ে সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী লুৎফুজ্জামান বাবর ও সাবেক উপমন্ত্রী আবদুস সালাম পিন্টুসহ ১৯ জনকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানসহ আরও ১৯ জনকে যাবজ্জীবন এবং ১১ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।
পরে গত বছরের ১ ডিসেম্বর হাইকোর্ট এই মামলার রায় ঘোষণা করে। সেখানে নিম্ন আদালতের দেওয়া সব সাজা বাতিল করে আসামিদের খালাস দেন বিচারপতিরা। হাইকোর্টের রায়ে বলা হয়, এ ঘটনা দেশের ইতিহাসে এক ভয়াবহ মর্মান্তিক হত্যাকাণ্ড হলেও সুষ্ঠু ও স্বাধীন তদন্তের অভাব ছিল স্পষ্ট। এজন্য মামলাটি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়ে বিশেষায়িত সংস্থার মাধ্যমে নতুন করে তদন্ত শুরুর সুপারিশ করেন আদালত।
গত বছরের ১৯ ডিসেম্বর সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়। এরপর রাষ্ট্রপক্ষ পৃথকভাবে লিভ টু আপিল করে। চলতি বছরের ১ জুন বিস্ফোরক মামলার আপিল মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ।
পরে পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) থেকে উপস্থাপনের মাধ্যমে গত ১৭ জুলাই থেকে আপিলের ওপর শুনানি শুরু হয়। টানা কয়েক দফা শুনানির পর বৃহস্পতিবার পঞ্চম দিনের শুনানি শেষে আদালত রায়ের জন্য ৪ সেপ্টেম্বর তারিখ নির্ধারণ করেন।

দেশের রাস্তায় চলাচল করা পুরোনো বাসগুলো পর্যায়ক্রমে সরিয়ে নেওয়া হবে। এসব বাসের বদলে নামানো হবে আধুনিক ইলেকট্রিক বাস।
৪ মিনিট আগে
আগামী ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেটে সামাজিক অবকাঠামো খাতে প্রায় ২ লাখ ৮০ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব করেছে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।
২৯ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত বাজেটে সামগ্রিক ঘাটতির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৪৩ হাজার কোটি টাকা। আজ বৃহস্পতিবার (১১ জুন) জাতীয় সংসদে উপস্থাপিত বাজেট প্রস্তাবের আয় ও ব্যয়ের হিসাব বিশ্লেষণ করে এই তথ্য পাওয়া গেছে।
২৯ মিনিট আগে
প্রস্তাবিত বাজেটে বেসরকারি খাতের কর্মীদের জন্য সর্বজনীন পেনশন ফান্ডের আওতায় অবসরের সময়ে মোট অর্থের ৩০ শতাংশ গ্র্যাচুইটি বা আনুতোষিক দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সরকারের সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
৩৯ মিনিট আগে