স্ট্রিম সংবাদদাতা

খুলনায় দীর্ঘ ১৮ মাস পর বিকেলে কয়েকজন নেতাকর্মী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মহানগর কার্যালয় খুলে শেখ মুজিবুর রহমান ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি টানিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এর কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যায় সেখানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) লোয়ার যশোর রোডের শঙ্খ মার্কেট এলাকায় অবস্থিত কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি টানিয়ে মাল্যদান করেন। তারা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানও দেন।
নেতাকর্মীদের এ কার্যক্রমের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ‘ছাত্র-জনতা’ পরিচয়ে কয়েকজন ব্যক্তি তালা ভেঙে কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। তারা ভেতরে ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করেন। পরে তারা চলে গেলে টুটপাড়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় শঙ্খ মার্কেট এলাকার দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়।

ওসি কবির হোসেন বলেন, বিকেলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তালা লাগানো থাকায় ভেতরে প্রবেশ করা সম্ভব হয়নি। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, সন্ধ্যার দিকে ‘ছাত্র-জনতা’ পরিচয়ে কয়েকজন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। তারা টানানো ছবি নষ্ট করেন। ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরে ওই বছরের ১৫ আগস্ট দলীয় নেতাকর্মীরা সেখানে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন। এরপর থেকে কার্যালয়টি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল।
এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিনের মাথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের খুলনা জেলা ও মহানগর কার্যালয়ের সামনে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি টানানো এবং মাল্যদানের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে খুলনা মহানগর বিএনপি।
রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড উসকানিমূলক ও সুপরিকল্পিত চক্রান্তের ইঙ্গিত দেয়। এটি আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের শামিল এবং নগরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিবৃতিতে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। অন্যথায় নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।

খুলনায় দীর্ঘ ১৮ মাস পর বিকেলে কয়েকজন নেতাকর্মী কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের মহানগর কার্যালয় খুলে শেখ মুজিবুর রহমান ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি টানিয়ে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। এর কয়েক ঘণ্টা পর সন্ধ্যায় সেখানে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটে।
রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) লোয়ার যশোর রোডের শঙ্খ মার্কেট এলাকায় অবস্থিত কার্যালয়ে এই ঘটনা ঘটে। খুলনা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কবির হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের কয়েকজন নেতাকর্মী দলীয় কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। এ সময় তারা জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানে পতিত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছবি টানিয়ে মাল্যদান করেন। তারা ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ স্লোগানও দেন।
নেতাকর্মীদের এ কার্যক্রমের ভিডিও ও ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। সন্ধ্যা সাড়ে সাতটার দিকে ‘ছাত্র-জনতা’ পরিচয়ে কয়েকজন ব্যক্তি তালা ভেঙে কার্যালয়ে প্রবেশ করেন। তারা ভেতরে ভাঙচুর চালিয়ে অগ্নিসংযোগ করেন। পরে তারা চলে গেলে টুটপাড়া ফায়ার সার্ভিসের একটি ইউনিট গিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এ সময় শঙ্খ মার্কেট এলাকার দোকানপাট বন্ধ হয়ে যায়।

ওসি কবির হোসেন বলেন, বিকেলে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে যায়। তালা লাগানো থাকায় ভেতরে প্রবেশ করা সম্ভব হয়নি। আশপাশের সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করে জড়িত ব্যক্তিদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
তিনি আরও বলেন, সন্ধ্যার দিকে ‘ছাত্র-জনতা’ পরিচয়ে কয়েকজন ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করেন। তারা টানানো ছবি নষ্ট করেন। ফায়ার সার্ভিস পৌঁছানোর আগেই আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে।
এ ঘটনায় আওয়ামী লীগের কোনো নেতাকর্মীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট খুলনা মহানগর ও জেলা আওয়ামী লীগ এবং এর অঙ্গসংগঠনের কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগ করা হয়। পরে ওই বছরের ১৫ আগস্ট দলীয় নেতাকর্মীরা সেখানে শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করেন। এরপর থেকে কার্যালয়টি পরিত্যক্ত অবস্থায় ছিল।
এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের দুই দিনের মাথায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের খুলনা জেলা ও মহানগর কার্যালয়ের সামনে শেখ মুজিবুর রহমান ও শেখ হাসিনার ছবি টানানো এবং মাল্যদানের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছে খুলনা মহানগর বিএনপি।
রোববার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে মহানগর বিএনপির সভাপতি অ্যাডভোকেট শফিকুল আলম মনা ও সাধারণ সম্পাদক শফিকুল আলম তুহিন বলেন, নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এ ধরনের কর্মকাণ্ড উসকানিমূলক ও সুপরিকল্পিত চক্রান্তের ইঙ্গিত দেয়। এটি আইনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শনের শামিল এবং নগরবাসীর মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে। বিবৃতিতে জড়িতদের দ্রুত শনাক্ত ও গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়। অন্যথায় নগরবাসীকে সঙ্গে নিয়ে গণতান্ত্রিক কর্মসূচি দেওয়ার হুঁশিয়ারিও দেওয়া হয়।

দেশ থেকে ফ্যাসিবাদ, চাঁদাবাজি, দুর্নীতি ও দুঃশাসন দূর না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন তীব্র থেকে তীব্রতর হবে বলে মন্তব্য করেছেন বিরোধীদলীয় নেতা ও জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, মুক্তির মঞ্জিলের আন্দোলন গন্তব্যে না পৌঁছানো পর্যন্ত আমরা থামব না।
১৭ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশনের সভাপতি নির্বাচিত হয়েছেন সৈকত আরিফ। আর সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন ফারহানা মানিক মুনা। শুক্রবার (২৪ জুলাই) দুই দিনব্যাপী সম্মেলন শেষে সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নতুন কমিটির তথ্য জানানো হয়েছে।
২০ ঘণ্টা আগে
জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় ঐক্য ছেড়েছে খেলাফত মজলিস। শনিবার (২৫ জুলাই) দুপুরে দলের কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরার তৃতীয় সাধারণ বৈঠক শেষে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়।
২৫ জুলাই ২০২৬
বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়নের কেন্দ্রীয় কমিটির সহসভাপতি মাঈন আহমেদ এবং শিক্ষা ও গবেষণাবিষয়ক সম্পাদক মেঘমল্লার বসু সংগঠন থেকে পদত্যাগ করেছেন। একসঙ্গে কেন্দ্রীয় সংসদের সহসভাপতি নাজিফা জান্নাতকে সংগঠনের দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।
২৫ জুলাই ২০২৬