স্ট্রিম প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এগারো দলীয় নির্বাচনি ঐক্য জয়ী হলে কওমি মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
পাশাপাশি কওমি শিক্ষার্থীদের কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আর বঞ্চিত হতে দেওয়া হবে না।’
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের আবদুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্তমঞ্চে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের পদযাত্রার সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে বিভিন্ন আন্দোলনের শক্তিশালী দুর্গ হিসেবে উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘এই জেলা থেকে দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে মানুষ অংশ নিয়েছে। ২০১৭ সালের মোদিবিরোধী আন্দোলনে এখানকার ১১ জন বীর শহীদ হয়েছেন। অথচ শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণের অপরাধে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে দীর্ঘকাল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে।’
হেফাজত ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমরা শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও ইমামদের বেতন কাঠামোর দাবি জানিয়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সফল হয়েছি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইমামদের জন্য যে বেতন কাঠামো ঘোষণা করেছে, ১১ দলীয় ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে আমরা তাকে সমর্থন জানাই এবং দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি।’
সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী আতাউল্লাহ বলেন, ‘আপনারা আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে গড়ে তুলে রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে বলেছিলেন। আমরা তা মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু যখন দেখলাম আমাদের বন্ধু, কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে গুম-খুন করা হচ্ছে, তখন আমরা রাজনীতিতে আসতে বাধ্য হয়েছি।’
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘তিতাস গ্যাস দিয়ে ঢাকাসহ সারাদেশ চললেও ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী গ্যাস পাচ্ছে না। পূর্বাঞ্চলে ভালো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। চলাচলের প্রধান মাধ্যম ট্রেন হলেও আমাদের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ নেই। আমি নির্বাচিত হলে একটি আন্তঃনগর ও লোকাল ট্রেন চালু করব এবং আমার বন্ধু উসমান হাদীর খুনিদের বিচার নিশ্চিত করব ইনশাআল্লাহ।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আগামীতে যেন আর কোনো ফ্যাসিবাদের জন্ম না হয়, সেজন্য শাপলা কলি মার্কায় ভোট দিয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী আতাউল্লাহ আমিনকে বিজয়ী করুন। নতুন বাংলাদেশ গড়তে এবং সংস্কার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এই জোটের বিকল্প নেই।’
এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে এবং সদস্য মহিউদ্দিনের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা এনসিপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার আমিনুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুহাসিন হাসান প্রমুখ।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে এগারো দলীয় নির্বাচনি ঐক্য জয়ী হলে কওমি মাদরাসা শিক্ষাব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করে গড়ে তোলা হবে বলে ঘোষণা দিয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) নির্বাচন পরিচালনা কমিটির প্রধান আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া।
পাশাপাশি কওমি শিক্ষার্থীদের কারিগরি প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘মাদরাসা শিক্ষার্থীদের আর বঞ্চিত হতে দেওয়া হবে না।’
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরের আবদুল কুদ্দুস মাখন পৌর মুক্তমঞ্চে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের পদযাত্রার সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে বিভিন্ন আন্দোলনের শক্তিশালী দুর্গ হিসেবে উল্লেখ করে আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘এই জেলা থেকে দেশের সব গণতান্ত্রিক আন্দোলনে মানুষ অংশ নিয়েছে। ২০১৭ সালের মোদিবিরোধী আন্দোলনে এখানকার ১১ জন বীর শহীদ হয়েছেন। অথচ শুধুমাত্র গণতান্ত্রিক আন্দোলনে অংশগ্রহণের অপরাধে ব্রাহ্মণবাড়িয়াকে দীর্ঘকাল উন্নয়ন কর্মকাণ্ড থেকে বঞ্চিত রাখা হয়েছে।’
হেফাজত ও জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতির প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, ‘আমরা শহীদদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি ও ইমামদের বেতন কাঠামোর দাবি জানিয়েছিলাম। আলহামদুলিল্লাহ, আমরা সফল হয়েছি। অন্তর্বর্তীকালীন সরকার ইমামদের জন্য যে বেতন কাঠামো ঘোষণা করেছে, ১১ দলীয় ঐক্যজোটের পক্ষ থেকে আমরা তাকে সমর্থন জানাই এবং দ্রুত বাস্তবায়নের আহ্বান জানাচ্ছি।’
সমাবেশে ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩ আসনে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী আতাউল্লাহ বলেন, ‘আপনারা আমাদের মেধাবী শিক্ষার্থী হিসেবে গড়ে তুলে রাজনীতি থেকে দূরে থাকতে বলেছিলেন। আমরা তা মেনে নিয়েছিলাম। কিন্তু যখন দেখলাম আমাদের বন্ধু, কৃষক, শ্রমিক ও সাধারণ মানুষকে নির্বিচারে গুম-খুন করা হচ্ছে, তখন আমরা রাজনীতিতে আসতে বাধ্য হয়েছি।’
তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘তিতাস গ্যাস দিয়ে ঢাকাসহ সারাদেশ চললেও ব্রাহ্মণবাড়িয়াবাসী গ্যাস পাচ্ছে না। পূর্বাঞ্চলে ভালো কোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান নেই। চলাচলের প্রধান মাধ্যম ট্রেন হলেও আমাদের জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ নেই। আমি নির্বাচিত হলে একটি আন্তঃনগর ও লোকাল ট্রেন চালু করব এবং আমার বন্ধু উসমান হাদীর খুনিদের বিচার নিশ্চিত করব ইনশাআল্লাহ।’
ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা জামায়াতের সেক্রেটারি মাওলানা আমিনুল ইসলাম বলেন, ‘আগামীতে যেন আর কোনো ফ্যাসিবাদের জন্ম না হয়, সেজন্য শাপলা কলি মার্কায় ভোট দিয়ে ১১ দলীয় নির্বাচনি ঐক্যের প্রার্থী আতাউল্লাহ আমিনকে বিজয়ী করুন। নতুন বাংলাদেশ গড়তে এবং সংস্কার ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে এই জোটের বিকল্প নেই।’
এনসিপির ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা সভাপতি জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে এবং সদস্য মহিউদ্দিনের সঞ্চালনায় সমাবেশে আরও বক্তব্য দেন জেলা এনসিপির সদস্য সচিব ইঞ্জিনিয়ার আমিনুল হক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মুহাসিন হাসান প্রমুখ।

দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে দলীয় ব্যক্তিদের প্রশাসক নিয়োগের প্রতিবাদ জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামী। রোববার (১৫ মার্চ) এক বিবৃতিতে দলটির সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার এই নিয়োগকে ষড়যন্ত্র বলে আখ্যা দেন।
২ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগে নিজের দল বিলুপ্ত করে বিএনপিতে যোগ দেন অন্তত সাত নেতা। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের (আরপিও) গ্যাঁড়াকলে পড়ে তাঁরা ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেন। এখন এসব নেতার বেশির ভাগ বিএনপি ছাড়তে চান না।
২০ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদের নতুন সাউন্ড সিস্টেম ও হেডফোন ঘিরে লুটপাটের অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য শাহজাহান চৌধুরী। তিনি বলেন, লুটপাট বাহিনী একটা বিল করে খাওয়ার জন্য এ ব্যবস্থাটা করেছে।
১ দিন আগে
ক্ষমতাসীন বিএনপির সদস্যরা এই পরিষদের আইনি অস্তিত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন। অন্যদিকে, বিরোধী দলের সদস্যরা বিষয়টি নিয়ে সরকারের নীরবতার সমালোচনা করেছেন।
১ দিন আগে