স্ট্রিম প্রতিবেদক

রাজধানীতে বড় শোডাউনের পরিকল্পনা করছে জামায়াতে ইসলামী। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও নির্বাচনী মাঠের সমতা সৃষ্টির দাবিতে নতুন বছরে মহাসমাবেশ করবে দলটি।
সূত্রের দাবি, আগামী ৩ জানুয়ারি সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ অথবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ করবে জামায়াতে ইসলামী।
আগামী ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরছেন। তার আগমন উপলক্ষে দলটির নেতাকর্মীরা রাজধানীর ৩০০ ফিট সড়কে ‘স্মরণকালের’ সবচেয়ে বেশি লোকসমাগমের প্রস্তুতি নিয়েছে। সেখানে তারেক রহমানকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। এই অনুষ্ঠানে মানুষ আনার জন্য ইতোমধ্যে বাড়তি কোচসহ ১০টি বিশেষ ট্রেন দেওয়ার কথা জানিয়েছে বিএনপি।
ওই সূত্রের দাবি, জনমনে ইতিবাচক প্রভাব তৈরির জন্যই বিএনপির জমায়েতের বিপরীতে বড় শোডাউনের পরিকল্পনা করেছে জামায়াত। বিএনপির বিপরীতে শোডাউন সরাসরি স্বীকার না করলেও মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মা’ছুম স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, ওসমান হাদি হত্যার বিচার, দ্রুত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবিতে তারা রাজধানীতে সমাবেশের পরিকল্পনা করছেন। এটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, গোটা বিশ্ব দেখেছে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে কীভাবে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে মাঠের সমতাও তৈরি হয়নি। এসব বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনেও একাধিকবার কথা বলেছি। সব সময় শুধু কথা বলে কাজ হয় না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামায়াতের একাধিক নেতা স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, আগামী ৩ জানুয়ারি (শনিবার) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অথবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ করতে আগ্রহী জামায়াত। এ ব্যাপারে ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। গতকাল (২২ ডিসেম্বর) সোমবার রাজধানীর গুলশানে এ নিয়ে বৈঠকও হয়েছে।

রাজধানীতে বড় শোডাউনের পরিকল্পনা করছে জামায়াতে ইসলামী। ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি ও নির্বাচনী মাঠের সমতা সৃষ্টির দাবিতে নতুন বছরে মহাসমাবেশ করবে দলটি।
সূত্রের দাবি, আগামী ৩ জানুয়ারি সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ অথবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ করবে জামায়াতে ইসলামী।
আগামী ২৫ ডিসেম্বর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান দীর্ঘ ১৭ বছর পর দেশে ফিরছেন। তার আগমন উপলক্ষে দলটির নেতাকর্মীরা রাজধানীর ৩০০ ফিট সড়কে ‘স্মরণকালের’ সবচেয়ে বেশি লোকসমাগমের প্রস্তুতি নিয়েছে। সেখানে তারেক রহমানকে সংবর্ধনা দেওয়া হবে। এই অনুষ্ঠানে মানুষ আনার জন্য ইতোমধ্যে বাড়তি কোচসহ ১০টি বিশেষ ট্রেন দেওয়ার কথা জানিয়েছে বিএনপি।
ওই সূত্রের দাবি, জনমনে ইতিবাচক প্রভাব তৈরির জন্যই বিএনপির জমায়েতের বিপরীতে বড় শোডাউনের পরিকল্পনা করেছে জামায়াত। বিএনপির বিপরীতে শোডাউন সরাসরি স্বীকার না করলেও মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এটিএম মা’ছুম স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, ওসমান হাদি হত্যার বিচার, দ্রুত আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি এবং নির্বাচনে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করার দাবিতে তারা রাজধানীতে সমাবেশের পরিকল্পনা করছেন। এটি এখনো প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে।
তিনি বলেন, গোটা বিশ্ব দেখেছে ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরিফ ওসমান হাদিকে কীভাবে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। নির্বাচনের আগে মাঠের সমতাও তৈরি হয়নি। এসব বিষয়ে আমরা নির্বাচন কমিশনেও একাধিকবার কথা বলেছি। সব সময় শুধু কথা বলে কাজ হয় না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জামায়াতের একাধিক নেতা স্ট্রিমকে জানিয়েছেন, আগামী ৩ জানুয়ারি (শনিবার) রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে অথবা সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে মহাসমাবেশ করতে আগ্রহী জামায়াত। এ ব্যাপারে ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে আলোচনা হয়েছে। গতকাল (২২ ডিসেম্বর) সোমবার রাজধানীর গুলশানে এ নিয়ে বৈঠকও হয়েছে।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১১ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা দিনটিতে ২০১৬ সাল থেকে কোনো কর্মসূচির পরিবর্তে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আসছেন। শনিবারও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত খাম্বা ছিল কিন্তু বিদ্যুৎ ছিল না। এখনো একই দশা। মাত্র পাঁচ মাসেই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এই সরকার।
১৪ আগস্ট ২০২৬