স্ট্রিম প্রতিবেদক

বেগম খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শোক প্রকাশ করেছেন এবং টেলিফোন করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘ইতিমধ্যেই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে সকাল ১০টায় উপদেষ্টারা একটি বিশেষ ক্যাবিনেট মিটিং করবেন। সেই মিটিংয়ে খালেদা জিয়ার শেষকৃত্য, কীভাবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হবে এবং জানাজা ও দাফন সংক্রান্ত বিষয়গুলোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমরা পুরো বিষয়টি সমন্বয় করে আপনাদের জানাবো।’
আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। এরপর কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই সংবাদটি নিয়ে আপনাদের সামনে দাঁড়াতে হবে, তা কিন্তু আমরা কখনো ভাবিনি। আমরা এবারও আশা করছিলাম ঠিক আগের মতই আবারও তিনি সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন। আমরা ভারাক্রান্ত। ইতিমধ্যে আপনারা শুনেছেন, আজ ৬টায় আমাদের গণতন্ত্রের মা, আমাদের অভিভাবক আমাদের জাতির অভিভাবক আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়ালিল্লাহি রাজিউন।’
তিনি বলেন, ‘এই শোক, এই ক্ষতি অপূরণীয়। এই জাতি কোনোদিন এটা পূরণ করতে পারবে না। যে নেত্রী তার সারাজীবন জনগণের অধিকারের জন্য কল্যাণের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। সেই নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে নেই। এটা আমরা তাঁর সহকর্মী এবং রাজনৈতিক কর্মীরা ভাবতে পারি না। বাংলাদেশের রাজনীতি একটা বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হল। তাই নয়, গণতান্ত্রিক পৃথিবীর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে একটা বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হল।
এদিকে আজ দুপুর ১২টা নাগাদ গুলশানে অবস্থিত দলটির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জাতীয় স্থায়ী কমিটির এক জরুরি সভা হওয়ার কথা রয়েছে। এই সভায় দলীয় সিদ্ধান্ত ও দলের চূড়ান্ত কর্মসূচি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বেগম খালেদা জিয়াকে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় দাফনের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিতে যাচ্ছে সরকার। ইতোমধ্যে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শোক প্রকাশ করেছেন এবং টেলিফোন করেছেন বলে নিশ্চিত করেছেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
তিনি সাংবাদিকদের জানিয়েছেন, ‘ইতিমধ্যেই সরকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন যে সকাল ১০টায় উপদেষ্টারা একটি বিশেষ ক্যাবিনেট মিটিং করবেন। সেই মিটিংয়ে খালেদা জিয়ার শেষকৃত্য, কীভাবে রাষ্ট্রীয় মর্যাদা দেওয়া হবে এবং জানাজা ও দাফন সংক্রান্ত বিষয়গুলোর ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেবেন। আমরা পুরো বিষয়টি সমন্বয় করে আপনাদের জানাবো।’
আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) সকাল ৯টার দিকে রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে তিনি সাংবাদিকদের ব্রিফিং করেন। এরপর কর্মসূচি ঘোষণা করেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী আহমেদ।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এই সংবাদটি নিয়ে আপনাদের সামনে দাঁড়াতে হবে, তা কিন্তু আমরা কখনো ভাবিনি। আমরা এবারও আশা করছিলাম ঠিক আগের মতই আবারও তিনি সুস্থ হয়ে ফিরে আসবেন। আমরা ভারাক্রান্ত। ইতিমধ্যে আপনারা শুনেছেন, আজ ৬টায় আমাদের গণতন্ত্রের মা, আমাদের অভিভাবক আমাদের জাতির অভিভাবক আমাদের ছেড়ে চলে গেছেন। ইন্নালিল্লাহি ওয়ালিল্লাহি রাজিউন।’
তিনি বলেন, ‘এই শোক, এই ক্ষতি অপূরণীয়। এই জাতি কোনোদিন এটা পূরণ করতে পারবে না। যে নেত্রী তার সারাজীবন জনগণের অধিকারের জন্য কল্যাণের জন্য উৎসর্গ করেছিলেন। সেই নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আমাদের মাঝে নেই। এটা আমরা তাঁর সহকর্মী এবং রাজনৈতিক কর্মীরা ভাবতে পারি না। বাংলাদেশের রাজনীতি একটা বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হল। তাই নয়, গণতান্ত্রিক পৃথিবীর গণতান্ত্রিক আন্দোলনে একটা বিশাল শূন্যতা সৃষ্টি হল।
এদিকে আজ দুপুর ১২টা নাগাদ গুলশানে অবস্থিত দলটির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে জাতীয় স্থায়ী কমিটির এক জরুরি সভা হওয়ার কথা রয়েছে। এই সভায় দলীয় সিদ্ধান্ত ও দলের চূড়ান্ত কর্মসূচি সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটিতে জায়গা পেয়েছেন চার নেতা। শনিবার (১৫ আগস্ট) দলের সহদপ্তর সম্পাদক মুহাম্মদ মুনির হোসেনের সই করা সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।
৫ ঘণ্টা আগে
শোকাবহ ১৫ আগস্ট আজ। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৫১তম শাহাদাতবার্ষিকী। গত দুই বছরের মতো এবারো দিনটিতে বঙ্গবন্ধুর প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেই কোনো আনুষ্ঠানিকতা। কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগও কোনো কর্মসূচি দেয়নি।
১১ ঘণ্টা আগে
সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত খালেদা জিয়ার ৮২তম জন্মদিন আজ। বিএনপি নেতাকর্মীরা দিনটিতে ২০১৬ সাল থেকে কোনো কর্মসূচির পরিবর্তে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল করে আসছেন। শনিবারও কেক কেটে জন্মদিন পালন না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।
১১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, বিএনপি সরকারে ২০০১ থেকে ২০০৬ পর্যন্ত খাম্বা ছিল কিন্তু বিদ্যুৎ ছিল না। এখনো একই দশা। মাত্র পাঁচ মাসেই লোডশেডিংয়ের রেকর্ড ভেঙেছে এই সরকার।
১৪ আগস্ট ২০২৬