
লেখক ও অনুবাদক

আজ খাজা আহমদ আব্বাসের (১৯১৪–১৯৮৭) মৃত্যুদিন। তিনি ছিলেন ভারতীয় গণনাট্য আন্দোলন ও প্রগতিশীল সাংস্কৃতিক আন্দোলনের অন্যতম প্রতিষ্ঠাতা, উর্দু লেখক, সাংবাদিক, চিত্রনাট্যকার ও চলচ্চিত্র পরিচালক। জন্ম ভারতের পানিপতে। উর্দু সাহিত্যের দিকপাল মাওলানা আলতাফ হোসেন হালি ছিলেন তাঁর মাতামহর বাবা। তাঁর পিতামহর বাবা

ভারতের সংসদীয় রাজনীতির চত্বরে বাগযুদ্ধ নতুন কিছু নয়। তাতে উর্দু কবিদের কবিতাও সেই জওহারলাল নেহরুর আমল থেকেই হয়ে আসছে। ২০১৮ সালে লোকসভায় কংগ্রেস নেতা মল্লিকার্জুন খাড়গে মোদী সরকারকে লক্ষ্য করে বশির বদ্রের শের আওড়ান—

প্রথমে ছুরি মারার দু-একটা বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটছিল। এখন দুই পক্ষের মধ্যে রীতিমতো যুদ্ধ শুরু হওয়ার খবর আসতে লাগল। সেই লড়াইয়ে দেদার ব্যবহার হচ্ছিল চাকু-ছুরির পাশাপাশি কৃপাণ, তলোয়ার আর বন্দুক। মাঝে মাঝে দেশে তৈরি বোমা ফাটার খবরও আসছিল।

মাসিক পত্রিকা ‘আদব-ই-লতিফ’-এর ১৯৪৩ সালের বার্ষিক সংখ্যায় আমার একটা গল্প ছাপা হয়েছিল। নাম ‘কালি সালওয়ার’। কিছু মানুষ একে ভুল বুঝেছেন। তাঁদের সেই ভুল ধারণা দূর করার জন্য আমি এই প্রবন্ধটি লিখছি।

সাদাত হাসান মান্টো উপমহাদেশের অন্যতম প্রভাবশালী উর্দু কথাসাহিত্যিক। জন্ম পাঞ্জাবের লুধিয়ানায়। কর্মজীবনে তিনি সাংবাদিকতা করেন, অনুবাদ ও চিত্রনাট্য লেখেন। বাস করেছেন বোম্বে ও লাহোরে। দেশভাগ তাঁর লেখালেখির বিষয় ও দৃষ্টিভঙ্গিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। ‘টোবা টেক সিং’, ‘ঠান্ডা গোশত’, ‘খোল দো’-এর মতো গল্পে

তারেক রহমান আজ তাঁর বক্তৃতায় যখন মার্টিন লুথার কিং জুনিয়রের একটি ঐতিহাসিক বাক্য ব্যবহার করেছেন। সেই বাক্যটি হলো—আই হ্যাভ আ ড্রিম। আমার একটা স্বপ্ন আছে। তারেক বললেন, আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান। তারেক রহমান তাঁর বক্তৃতার শেষ করে দিয়ে আবার ফিরে এসে তিনি সেই বাক্যটিকে শুধরে দিয়ে বললেন, উই হ্যাভ আ প্ল্যান।

অধ্যাপক আব্দুর রাজ্জাক সারা জীবনে প্রায় কিছুই লিখলেন না। শিক্ষকতা করলেন, দাবা খেললেন আর গল্প করে গেলেন। অথচ লেখার মতো অনেক কিছু তাঁর ছিল। তাঁর শেষ না করা পিএইচডি থিসিস দেখলে তাতে সন্দেহ থাকে না। কিন্তু তিনি আর কিছু লিখলেন না।

রাশিয়াতে যখন ১৯১৭ সালে বিপ্লব ঘটল, তখন বহির্বিশ্ব তাৎক্ষণিকভাবে এর গভীরতা অনুধাবন করতে পারেনি। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের ব্যাপক ডামাডোলের মধ্যে এটিকে অনেকেই আরেকটি সাধারণ ঘটনা হিসেবে গণ্য করেছিল। তবে ঔপনিবেশিক শক্তির বিরুদ্ধে মুক্তির সংগ্রামে লিপ্ত দরিদ্র দেশগুলোর কাছে এই বিপ্লব এক নতুন দৃষ্টিকোণ এনে দেয়।

বহু বছর ধরে সারা বিশ্বের কাছে আমেরিকা মানেই পুঁজিবাদের চূড়ান্ত প্রতীক। এই দুনিয়া চলে ওয়াল স্ট্রিট, সিলিকন ভ্যালির ইশারাতে। ব্যক্তির ইচ্ছাই এখানে শেষ কথা। এখানে ‘সমাজতন্ত্রী’ শব্দটি আজও রাজনৈতিক আক্রমণ বা গালাগাল হিসেবে ব্যবহার করা হয়।

জেন-জি বা ‘জেনারেশন জুমার্স’। অধুনা দুনিয়ায় বহুল আলোচিত একটি প্রজন্ম-পরিভাষা। জন্ম থেকেই ডিজিটাল প্রযুক্তির সংস্পর্শে আসা এরা প্রথম প্রজন্ম। উন্নত দেশ হোক বা উন্নয়নশীল সমাজ, জেন-জিরা নানা উপায়ে নাড়িয়ে দিচ্ছে প্রচলিত শাসন, সংস্কৃতি ও চিন্তার কাঠামো। তাঁদের ভাষা, অভিব্যক্তি আর প্রতিক্রিয়া অনেক ক্ষেত্র

আজকের পেইড অ্যাক্টিভিজম আরও জটিল ও আন্তর্জাতিক। এখন আন্দোলন মানে এক দেশ থেকে আরেক দেশে প্রচার, পেশাদার সমন্বয়, মিডিয়া ক্যাম্পেইন, আইনি সহায়তা। গরিব বা প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর হাতে যখন নিজস্ব সম্পদ নেই, তখন দাতাদের অর্থে তাদের কণ্ঠ তুলে ধরা সম্ভব বলে মনে করেন অনেকে।

সম্প্রতি তামিলনাড়ুর করুরে থালাপতি বিজয়ের রাজনৈতিক কর্মসূচিতে অংশ নিতে গিয়ে পদদলিত হয়ে প্রায় ৪০ জন ভক্তের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই ঘটনায় দক্ষিণ ভারতে তারকাখ্যাতি ও রাজনৈতিক সমাবেশের বিস্ফোরক শক্তি আবারও আলোচনায় এসেছে।

এই বছর জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনের সময় প্রধান উপদেষ্টার সফরসঙ্গী হিসেবে ছয় প্রভাবশালী রাজনীতিক নিউ ইয়র্কে উপস্থিত রয়েছেন। অধিবেশনের ফাঁকে প্রধান উপদেষ্টা বিভিন্ন দেশের সরকার ও রাষ্ট্র প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। প্রবাসী বাংলাদেশিদের সঙ্গে একটি বিশেষ বৈঠকেও অংশ নেবেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস।

কীভাবে সমাজ এক ধাপে ধাপে এমন সংকটে পৌঁছায়, যেখানে আর পুরনো ব্যবস্থাকে টিকিয়ে রাখা সম্ভব হয় না। আমেরিকা কি এখন সেই ধরনের এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে? আমেরিকার কি তার শক্তির শ্রেষ্ঠ মুহূর্ত পেরিয়ে গেছে? সে এখনো বিশ্বের অন্যতম শক্তিশালী দেশ। কিন্তু এর মানে এই নয় যে চিরকাল এই অবস্থায় থাকব। ইতিহাসের প্রতিটি সা

আজ আন্তর্জাতিক গণতন্ত্র দিবস। একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের খোঁজে ১৯৪৭ থেকে বহুবার রক্ত দিয়েছে এই বাংলার মানুষ। আদর্শ ও কাঙ্ক্ষিত গণতন্ত্রের দেখা কখনোই পায়নি। চব্বিশের জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের পর আবারও মানুষ গণতন্ত্রের জন্য পথ চেয়ে আছে। এই লেখায় খোঁজার চেষ্টা করা হয়েছে, বৈশ্বিক গণতন্ত্রের বর্তমান পরিস্তিত

আজ কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুদিন। বিদ্রোহী এই কবিকে পূর্ব বাংলা তথা বাংলাদেশের মানুষেরা কেন আপন করে নিয়েছিল, তার পেছনে রয়েছে সমাজতাত্ত্বিক ও মনস্তত্ত্বিক কারণ। কবির প্রয়াণ দিবসে তার সুলুক-সন্ধান।