স্ট্রিম প্রতিবেদক

নতুন বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা বই হাতে পেয়েছে। মাধ্যমিকের সব বই শিক্ষার্থীদের না দিলেও অনলাইন ভার্সন প্রকাশ করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
এতে দেখা যায়, ষষ্ঠ শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ নামের পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করা হয়েছে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান। অন্যদিকে অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ বই থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাদ দেওয়া হয়েছে।
এনসিটিবি সূত্র জানায়, অষ্টম শ্রেণি ছাড়াও একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির ইংরেজি প্রথমপত্র বই থেকে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ তুলে দেওয়া হয়েছে। আবার বিভিন্ন শ্রেণির বইয়ের বিভিন্ন জায়গায় শেখ মুজিবুর রহমানের নামের আগে ‘বঙ্গবন্ধু’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ে দেখা যায়, বেশ কয়েক জায়গায় শেখ মুজিবুর রহমানের নামের আগের বঙ্গবন্ধু শব্দ বাদ দেওয়া হয়েছে, যা গত বছরের পাঠ্যবইয়ে ছিল।
২০২৫ সালের ষষ্ঠ শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ১৬ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সৈন্যবাহিনী আক্রমণ চালিয়ে গণহত্যা শুরু করে। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ। ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর তিনি ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আবার স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
২০২৬ সালে একই বইয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের নামের আগের বঙ্গবন্ধু বাদ দেওয়া হয়েছে। একই অধ্যায়ের ওই অংশে বলা হয়েছে, ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর তিনি ২৭ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আবার স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
এ বছর ষষ্ঠ শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ের ‘বাংলাদেশের ইতিহাস’ শীর্ষক দ্বিতীয় অধ্যায়ে ‘স্বাধীন বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক পাঠ যুক্ত করা হয়েছে, যেখানে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান তুলে ধরা হয়েছে।
২০২৬ সালের সপ্তম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়েও জায়গা করে নিয়েছে জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনাবলী। বইটির প্রথম অধ্যায়ের নাম ‘বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও গণআন্দোলন’। এ অধ্যায়ে সাতবার শেখ মুজিবুর রহমান, দুবার বঙ্গবন্ধুসহ নামের উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া একটি ছবি দিয়ে ক্যাপশনে বঙ্গবন্ধু লেখা হয়েছে।
২০২৫ সালের সপ্তম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ের প্রথম অধ্যায়ের নাম ছিল ‘বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম’। এ অধ্যায়ে আটবার শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়। এ বইয়ে উল্লেখ ছিল– ১৯৫৮ তে সামরিক শাসন জারি করে গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করা হয়। এমনকি ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বঙ্গবন্ধুসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা (রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য) করে সরকার। তবে চলতি বছরের বইয়ে একই পাঠ থেকে বঙ্গবন্ধু শব্দটি তুলে দেওয়া হয়েছে। বইটিতে বঙ্গবন্ধু শব্দের উল্লেখ আছে ১৩ ও ১৪ নম্বর পাতায়।
২০২৫ সালের অষ্টম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ের তৃতীয় অধ্যায়ের নাম ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ’। এতে ৭ মার্চের ভাষণের বর্ণনাসহ অন্তত ১৫ বার বঙ্গবন্ধু উল্লেখ আছে। ২০২৬ সালে এ অধ্যায়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম’। এতে ১৩ বার শেখ মুজিবুর রহমান থাকলেও নেই বঙ্গবন্ধু। তবে শ্রেণি কাজ-৩ এ বলা হয়েছে, ‘শ্রেণিতে সবাই মিলে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ শুনে, এ সম্পর্কে তোমার মতামত লেখ।’ এ অধ্যায়ে নব্বই ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের বর্ণনাও তুলে ধরা হয়েছে।
জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনসিটিবির এক কর্মকর্তা বলেন, বই পরিমার্জনের সময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) বিভিন্ন জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধু শব্দ তুলে নিতে নির্দেশনা দেয়। অর্থাৎ, যেখানে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ছাড়া শুধু উপাধি হিসেবে বঙ্গবন্ধু উল্লেখ ছিল, সেখান থেকে শব্দটি ফেলতে বলে। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী আরও কিছু বিষয়সহ বই পরিমার্জন করা হয়েছে।

নতুন বছরের প্রথম দিনে প্রাথমিকের শিক্ষার্থীরা বই হাতে পেয়েছে। মাধ্যমিকের সব বই শিক্ষার্থীদের না দিলেও অনলাইন ভার্সন প্রকাশ করেছে জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি)।
এতে দেখা যায়, ষষ্ঠ শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ নামের পাঠ্যবইয়ে যুক্ত করা হয়েছে ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থান। অন্যদিকে অষ্টম শ্রেণির ‘সাহিত্য কণিকা’ বই থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণ বাদ দেওয়া হয়েছে।
এনসিটিবি সূত্র জানায়, অষ্টম শ্রেণি ছাড়াও একাদশ এবং দ্বাদশ শ্রেণির ইংরেজি প্রথমপত্র বই থেকে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ তুলে দেওয়া হয়েছে। আবার বিভিন্ন শ্রেণির বইয়ের বিভিন্ন জায়গায় শেখ মুজিবুর রহমানের নামের আগে ‘বঙ্গবন্ধু’ শব্দটি বাদ দেওয়া হয়েছে।
মাধ্যমিক স্তরের ষষ্ঠ, সপ্তম ও অষ্টম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ে দেখা যায়, বেশ কয়েক জায়গায় শেখ মুজিবুর রহমানের নামের আগের বঙ্গবন্ধু শব্দ বাদ দেওয়া হয়েছে, যা গত বছরের পাঠ্যবইয়ে ছিল।
২০২৫ সালের ষষ্ঠ শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ের দ্বিতীয় অধ্যায়ের ১৬ পৃষ্ঠায় বলা হয়েছে, ১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ পাকিস্তানি সৈন্যবাহিনী আক্রমণ চালিয়ে গণহত্যা শুরু করে। তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলে পূর্ব পাকিস্তানের মানুষ। ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর তিনি ২৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আবার স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
২০২৬ সালে একই বইয়ে শেখ মুজিবুর রহমানের নামের আগের বঙ্গবন্ধু বাদ দেওয়া হয়েছে। একই অধ্যায়ের ওই অংশে বলা হয়েছে, ২৬ মার্চ মেজর জিয়াউর রহমান চট্টগ্রামের কালুরঘাট বেতারকেন্দ্র থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন। এরপর তিনি ২৭ মার্চ শেখ মুজিবুর রহমানের পক্ষে আবার স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।
এ বছর ষষ্ঠ শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ের ‘বাংলাদেশের ইতিহাস’ শীর্ষক দ্বিতীয় অধ্যায়ে ‘স্বাধীন বাংলাদেশে গণঅভ্যুত্থান’ শীর্ষক পাঠ যুক্ত করা হয়েছে, যেখানে ২০২৪ সালের জুলাই গণঅভ্যুত্থান তুলে ধরা হয়েছে।
২০২৬ সালের সপ্তম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়েও জায়গা করে নিয়েছে জুলাই অভ্যুত্থানের ঘটনাবলী। বইটির প্রথম অধ্যায়ের নাম ‘বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম ও গণআন্দোলন’। এ অধ্যায়ে সাতবার শেখ মুজিবুর রহমান, দুবার বঙ্গবন্ধুসহ নামের উল্লেখ করা হয়েছে। এছাড়া একটি ছবি দিয়ে ক্যাপশনে বঙ্গবন্ধু লেখা হয়েছে।
২০২৫ সালের সপ্তম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ের প্রথম অধ্যায়ের নাম ছিল ‘বাংলাদেশের মুক্তিসংগ্রাম’। এ অধ্যায়ে আটবার শেখ মুজিবুর রহমানের নাম উল্লেখ করা হয়। এ বইয়ে উল্লেখ ছিল– ১৯৫৮ তে সামরিক শাসন জারি করে গণতন্ত্রের পথ রুদ্ধ করা হয়। এমনকি ষড়যন্ত্রমূলকভাবে বঙ্গবন্ধুসহ ৩৫ জনের বিরুদ্ধে ঐতিহাসিক আগরতলা মামলা (রাষ্ট্র বনাম শেখ মুজিবুর রহমান এবং অন্যান্য) করে সরকার। তবে চলতি বছরের বইয়ে একই পাঠ থেকে বঙ্গবন্ধু শব্দটি তুলে দেওয়া হয়েছে। বইটিতে বঙ্গবন্ধু শব্দের উল্লেখ আছে ১৩ ও ১৪ নম্বর পাতায়।
২০২৫ সালের অষ্টম শ্রেণির ‘বাংলাদেশ ও বিশ্বপরিচয়’ বইয়ের তৃতীয় অধ্যায়ের নাম ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ’। এতে ৭ মার্চের ভাষণের বর্ণনাসহ অন্তত ১৫ বার বঙ্গবন্ধু উল্লেখ আছে। ২০২৬ সালে এ অধ্যায়ের নাম দেওয়া হয়েছে ‘বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও গণতান্ত্রিক সংগ্রাম’। এতে ১৩ বার শেখ মুজিবুর রহমান থাকলেও নেই বঙ্গবন্ধু। তবে শ্রেণি কাজ-৩ এ বলা হয়েছে, ‘শ্রেণিতে সবাই মিলে বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণ শুনে, এ সম্পর্কে তোমার মতামত লেখ।’ এ অধ্যায়ে নব্বই ও চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের বর্ণনাও তুলে ধরা হয়েছে।
জানতে চাইলে নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনসিটিবির এক কর্মকর্তা বলেন, বই পরিমার্জনের সময় মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) বিভিন্ন জায়গা থেকে বঙ্গবন্ধু শব্দ তুলে নিতে নির্দেশনা দেয়। অর্থাৎ, যেখানে শেখ মুজিবুর রহমানের নাম ছাড়া শুধু উপাধি হিসেবে বঙ্গবন্ধু উল্লেখ ছিল, সেখান থেকে শব্দটি ফেলতে বলে। ওই নির্দেশনা অনুযায়ী আরও কিছু বিষয়সহ বই পরিমার্জন করা হয়েছে।

নতুন বছরের শুরুতেই বাংলাদেশের প্রতিটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে শতভাগ পাঠ্যবই বিতরণ করা সম্ভব হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক বিধান রঞ্জন রায় পোদ্দার। তিনি বলেন, এ বইগুলোর মান আগের তুলনায় নিশ্চিতভাবেই ভালো।
১ দিন আগে
আগামীকাল বুধবার (৩১ ডিসেম্বর) অনুষ্ঠেয় অষ্টম শ্রেণির জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে।
৩ দিন আগে
বদলে যাচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)। এ-সংক্রান্ত অধ্যাদেশের খসড়া প্রকাশের পর, সংশ্লিষ্টদের মতামত চাওয়া হয়েছে। ‘বাংলাদেশ উচ্চশিক্ষা কমিশন অধ্যাদেশ-২০২৫’ চূড়ান্ত হলে ১৯৭৩ সালের ‘দ্য ইউনিভার্সিটি গ্রান্টস কমিশন অব বাংলাদেশ অর্ডার’ রহিত হবে।
৬ দিন আগে
২০২৬ শিক্ষাবর্ষের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের সব পাঠ্যবই আগামী রোববার থেকে অনলাইনে পাওয়া যাবে। জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) তাদের ওয়েবসাইটে ৬৪৭টি বইয়ের পিডিএফ সংস্করণ প্রকাশ করবে।
৭ দিন আগে