স্ট্রিম ডেস্ক

হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রমজানের শুরু থেকে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধের আদেশ দেন। এটি আজ সোমবার স্থগিত করেছেন চেম্বার জজ। ফলে আগের ছুটির সিদ্ধান্ত বহাল থাকল।
চেম্বার জজের আদেশের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে– প্রাথমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে কী হবে? তাদের ছুটি কবে শুরু হবে এবং কতদিন পাবে?
২০২৬ সালের মাদ্রাসার ছুটির খসড়া তালিকায় পবিত্র রমজান, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (২১ ফেব্রুয়ারি), মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস (২৬ মার্চ), লাইলাতুল কদর (১৭ মার্চ), জুমাতুলবিদা (২০ মার্চ) ও ঈদুল ফিতর (২১ মার্চ) উপলক্ষে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটির কথা বলা আছে। অন্যদিকে এসব উপলক্ষ ধরে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছুটি ৮ মার্চ ২৬ মার্চ।
মূলত এই বৈষম্য সামনে এনে রমজানের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের ছুটি নিশ্চিত করতে গত ২০ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইলিয়াছ আলী মণ্ডল।
রিটকারীর যুক্তি ছিল, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। সংবিধানের ২ক অনুযায়ী ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ এবং ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না। আইন অর্থ আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। এটিই প্রথা এবং এভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার ওই সিদ্ধান্ত সংবিধান সমর্থন করে না।
রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত রোববার বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি আসিফ হাসানের বেঞ্চ শুনানি নিয়ে রমজানে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার আদেশ দেন। আদেশের ফলে পুরো রমজান মাসে সব মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮ মার্চের পরিবর্তে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ থাকার কথা ছিল। তবে এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করলে, আদেশটি আজ সোমবার স্থগিত করেন চেম্বার জজ। ফলে ছুটি নিয়ে আগের সিদ্ধান্তই বহাল থাকল।
অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ এবং অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন।
পরে অনীক আর হক বলেছেন, রাষ্ট্রপক্ষ নিয়মিত আপিল দায়ের না করা পর্যন্ত রমজানে বিদ্যালয় বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশটি স্থগিত থাকবে বলে চেম্বার জজ আদেশ দিয়েছেন। ফলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে বিদ্যালয় ৮ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। পুরো রমজান মাস বন্ধ থাকছে না।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের ২০২৬ সালের শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জিতে রমজান মাসের প্রথম ১৮ দিন বিদ্যালয় খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে। অথচ মাদ্রাসাগুলোতে পুরো রমজান মাসে ছুটি রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
আইনজীবী অনীক আর হক বলেন, একই সরকারের একই মন্ত্রণালয়ে দুই ধরনের সিদ্ধান্ত। এটা বৈষম্য। আইন সবার জন্য সমান। তাই জনস্বার্থে এটিকে চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেছি।
তিনি বলেন, রমজানে রোজা রেখে ক্লাসে অংশ নেওয়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি ও কিশোরদের জন্য কষ্টকর হয়ে যাবে। এতে রোজা রাখার অভ্যাস থেকে শিশুরা দূরে যাবে, যা ধর্মীয় আচার চর্চার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।
এছাড়া রোজায় বিদ্যালয় চালু রাখলে শহরে তীব্র যানযটের সৃষ্টি হয় এবং নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয় বলে মনে করেন এই আইনজীবী।

হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রোববার (১৫ ফেব্রুয়ারি) রমজানের শুরু থেকে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধের আদেশ দেন। এটি আজ সোমবার স্থগিত করেছেন চেম্বার জজ। ফলে আগের ছুটির সিদ্ধান্ত বহাল থাকল।
চেম্বার জজের আদেশের পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছুটি নিয়ে আলোচনা হচ্ছে। প্রশ্ন উঠেছে– প্রাথমিক বিদ্যালয়, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রে কী হবে? তাদের ছুটি কবে শুরু হবে এবং কতদিন পাবে?
২০২৬ সালের মাদ্রাসার ছুটির খসড়া তালিকায় পবিত্র রমজান, শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস (২১ ফেব্রুয়ারি), মহান স্বাধীনতা দিবস ও জাতীয় দিবস (২৬ মার্চ), লাইলাতুল কদর (১৭ মার্চ), জুমাতুলবিদা (২০ মার্চ) ও ঈদুল ফিতর (২১ মার্চ) উপলক্ষে ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত ছুটির কথা বলা আছে। অন্যদিকে এসব উপলক্ষ ধরে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ছুটি ৮ মার্চ ২৬ মার্চ।
মূলত এই বৈষম্য সামনে এনে রমজানের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের ছুটি নিশ্চিত করতে গত ২০ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইলিয়াছ আলী মণ্ডল।
রিটকারীর যুক্তি ছিল, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। সংবিধানের ২ক অনুযায়ী ‘প্রজাতন্ত্রের রাষ্ট্রধর্ম ইসলাম’ এবং ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না। আইন অর্থ আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে। এটিই প্রথা এবং এভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার ওই সিদ্ধান্ত সংবিধান সমর্থন করে না।
রিটের পরিপ্রেক্ষিতে গত রোববার বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি আসিফ হাসানের বেঞ্চ শুনানি নিয়ে রমজানে সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার আদেশ দেন। আদেশের ফলে পুরো রমজান মাসে সব মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় ৮ মার্চের পরিবর্তে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ থাকার কথা ছিল। তবে এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করলে, আদেশটি আজ সোমবার স্থগিত করেন চেম্বার জজ। ফলে ছুটি নিয়ে আগের সিদ্ধান্তই বহাল থাকল।
অ্যাটর্নি জেনারেলের দায়িত্বে থাকা অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মোহাম্মদ আরশাদুর রউফ এবং অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল অনীক আর হক আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন।
পরে অনীক আর হক বলেছেন, রাষ্ট্রপক্ষ নিয়মিত আপিল দায়ের না করা পর্যন্ত রমজানে বিদ্যালয় বন্ধ রাখতে হাইকোর্টের দেওয়া আদেশটি স্থগিত থাকবে বলে চেম্বার জজ আদেশ দিয়েছেন। ফলে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা অনুসারে বিদ্যালয় ৮ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত বন্ধ থাকবে। পুরো রমজান মাস বন্ধ থাকছে না।
রিট আবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয়সমূহের ২০২৬ সালের শিক্ষাবর্ষের ছুটির তালিকা ও শিক্ষাপঞ্জিতে রমজান মাসের প্রথম ১৮ দিন বিদ্যালয় খোলা রাখার কথা বলা হয়েছে। অথচ মাদ্রাসাগুলোতে পুরো রমজান মাসে ছুটি রাখার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।
আইনজীবী অনীক আর হক বলেন, একই সরকারের একই মন্ত্রণালয়ে দুই ধরনের সিদ্ধান্ত। এটা বৈষম্য। আইন সবার জন্য সমান। তাই জনস্বার্থে এটিকে চ্যালেঞ্জ করে রিট আবেদন করেছি।
তিনি বলেন, রমজানে রোজা রেখে ক্লাসে অংশ নেওয়া প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের কোমলমতি ও কিশোরদের জন্য কষ্টকর হয়ে যাবে। এতে রোজা রাখার অভ্যাস থেকে শিশুরা দূরে যাবে, যা ধর্মীয় আচার চর্চার ক্ষেত্রে বাধা হয়ে দাঁড়াবে।
এছাড়া রোজায় বিদ্যালয় চালু রাখলে শহরে তীব্র যানযটের সৃষ্টি হয় এবং নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয় বলে মনে করেন এই আইনজীবী।
.png)

অবসরপ্রাপ্ত বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের পেনশন ও কল্যাণ সুবিধা পেতে আগের মতো আর ভোগান্তি ও হয়রানির শিকার হতে হবে না বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি বলেছেন, বর্তমান সরকারের সময়ে অবসরকালীন সুবিধার টাকা পেতে শিক্ষকদের অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না।
৪ ঘণ্টা আগে
রংপুরের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে (বেরোবি) একটি বাস মেরামতে প্রায় ২৮ লাখ টাকা খরচ করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। একটি বাস মেরামতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় নিয়ে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ক্ষোভ ও আলোচনা তৈরি হয়েছে।
১৪ আগস্ট ২০২৬
পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (পবিপ্রবি) সিনিয়রদের র্যাগিংয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাবিব নামের এক শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) রাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজয়-২৪ হলে এ ঘটনা ঘটে।
১৩ আগস্ট ২০২৬
রংপুরের পীরগঞ্জ উপজেলার কুমারপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৯ জন শিক্ষক ও ৬ জন কর্মচারী থাকার পরও এসএসসি পরীক্ষায় ১৮ জন পরীক্ষার্থীর কেউই পাস করতে পারেনি। একই ইউনিয়নের আরেকটি বিদ্যালয়ের ১৫ পরীক্ষার্থীর ফলও শূন্য।
১০ আগস্ট ২০২৬