তথ্যসূত্র:

ইরানের অব্যাহত হামলার মুখে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) অন্যতম প্রধান শিল্পপ্রতিষ্ঠান ‘এমিরেটস গ্লোবাল অ্যালুমিনিয়াম’ (ইজিএ)-র আল তাউইলাহ কারখানা বন্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, হামলায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে পুনরায় পূর্ণ উৎপাদনে ফিরতে অন্তত এক বছর সময় লাগতে পারে।
এর আগে ইজিএ জানিয়েছিল, গত মাসে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এই স্থাপনা ‘মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হয়েছিল।
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বৃহত্তম এই অ্যালুমিনিয়াম শোধনাগারে উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক বাজারে এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আল তাউইলাহ কারখানা বিশ্বজুড়ে অ্যালুমিনিয়াম সরবরাহের একটি বড় উৎস। এর কার্যক্রম দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থা, বিশেষ করে নির্মাণ ও অটোমোবাইল শিল্পের কাঁচামাল সংকটে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে বিমান হামলা চালানোর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর জবাবে ইসরায়েল ছাড়াও জর্ডান, ইরাক এবং ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তারা ইরান থেকে ছোড়া ১৯টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৬টি ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করেছে। মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাত মোট ৪৫৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ১৯টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ৩৮টি ড্রোন সফলভাবে ভূপাতিত করেছে।

ইরানের অব্যাহত হামলার মুখে সংযুক্ত আরব আমিরাতের (ইউএই) অন্যতম প্রধান শিল্পপ্রতিষ্ঠান ‘এমিরেটস গ্লোবাল অ্যালুমিনিয়াম’ (ইজিএ)-র আল তাউইলাহ কারখানা বন্ধ করেছে কর্তৃপক্ষ। শুক্রবার (৩ এপ্রিল) কোম্পানির পক্ষ থেকে জানানো হয়, হামলায় হওয়া ক্ষয়ক্ষতি কাটিয়ে পুনরায় পূর্ণ উৎপাদনে ফিরতে অন্তত এক বছর সময় লাগতে পারে।
এর আগে ইজিএ জানিয়েছিল, গত মাসে ইরানি ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলায় এই স্থাপনা ‘মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত’ হয়েছিল।
মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম বৃহত্তম এই অ্যালুমিনিয়াম শোধনাগারে উৎপাদন কার্যক্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় বৈশ্বিক বাজারে এর বড় ধরনের নেতিবাচক প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে।
আল তাউইলাহ কারখানা বিশ্বজুড়ে অ্যালুমিনিয়াম সরবরাহের একটি বড় উৎস। এর কার্যক্রম দীর্ঘ সময় বন্ধ থাকলে আন্তর্জাতিক সরবরাহ ব্যবস্থা, বিশেষ করে নির্মাণ ও অটোমোবাইল শিল্পের কাঁচামাল সংকটে পড়ার ঝুঁকি তৈরি হয়েছে।
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েল যৌথভাবে ইরানে বিমান হামলা চালানোর পর থেকে মধ্যপ্রাচ্যজুড়ে উত্তেজনা বিরাজ করছে। এর জবাবে ইসরায়েল ছাড়াও জর্ডান, ইরাক এবং ওই অঞ্চলে মার্কিন সামরিক ঘাঁটি থাকা সৌদি আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত ও বাহরাইনে দফায় দফায় ড্রোন ও ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে ইরান।
গতকাল বৃহস্পতিবার (২ এপ্রিল) আমিরাতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানায়, তারা ইরান থেকে ছোড়া ১৯টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২৬টি ড্রোন সফলভাবে প্রতিহত করেছে। মন্ত্রণালয়ের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, বর্তমান যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত সংযুক্ত আরব আমিরাত মোট ৪৫৭টি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র, ১৯টি ক্রুজ ক্ষেপণাস্ত্র এবং ২ হাজার ৩৮টি ড্রোন সফলভাবে ভূপাতিত করেছে।
.png)

যুদ্ধ পরিস্থিতি ও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার বিষয় কীভাবে তুলে ধরা হবে, তা নিয়ে ইরান সরকার ও রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবির সঙ্গে বিরোধ দেখা দিয়েছে। শুক্রবার (২৫ জুলাই) সরকারি তথ্য পরিষদ আইআরআইবির বিরুদ্ধে ‘সেন্সরশিপের’ অভিযোগ তোলে।
১ ঘণ্টা আগে
ইরানে টানা ১৫ রাতে হামলা চালানোর পর থেমেছে যুক্তরাষ্ট্র। যদিও মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভাষ্য ছিল, ‘সন্তুষ্ট’ না হওয়া পর্যন্ত হামলা চালিয়ে যাওয়ার। এখন হঠাৎ হামলা বন্ধের পর কারণ নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা।
২ ঘণ্টা আগে
কাস্পিয়ান সাগরে একটি ইরানি বাণিজ্যিক জাহাজে হামলা চালিয়েছে ইউক্রেন। হামলায় জাহাজটির একজন নাবিক নিহত ও আরেকজন আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে তেহরান। এ ঘটনাকে ‘শত্রুতাপূর্ণ ও অপরাধমূলক হামলা’ হিসেবে উল্লেখ করে তেহরানে নিযুক্ত ইউক্রেনের ভারপ্রাপ্ত কূটনৈতিক প্রতিনিধিকে (চার্জ দ্য অ্যাফেয়ার্স) তলব করেছে ইরান
৩ ঘণ্টা আগে
দ্বিতীয় দফায় পাল্টাপাল্টি হামলা শুরুর পর গত ১৫ দিনে যুক্তরাষ্ট্রের ২০০’র বেশি সেনাকে হত্যার দাবি করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এ ছাড়া যুক্তরাষ্ট্রের অন্তত ১৫টি যুদ্ধবিমান ও হেলিকপ্টার ধ্বংসের দাবিও করেছে বাহিনীটি।
৩ ঘণ্টা আগে