স্ট্রিম ডেস্ক

ইরানি রিয়ালের ব্যাপক দরপতনসহ গভীর অর্থনৈতিক সংকটে নিমজ্জিত ইরান বিক্ষোভে উত্তাল। এ বিক্ষোভের জেরে ক্রমশ চাপ বাড়ছে সরকারের ওপর। এরই মধ্যে বিক্ষোভের ১২তম দিন বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাত থেকে ইন্টারনেট বিচ্ছন্ন রয়েছে দেশটিতে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্নের কারণ এখনো পরিষ্কার নয়। অনলাইন পর্যবেক্ষক সংস্থা নেটব্লকস ইরানজুড়ের ইন্টারনেট বন্ধের খবর জানিয়েছে। তবে অতীতে আন্দোলনের মুখে ইরান কর্তৃপক্ষের ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার নজির রয়েছে।
গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের ওপর ইরান কর্তৃপক্ষ দমন-পীড়ন তীব্র করেছে। এরই মধ্যে গতকাল দিনের শুরুতে নেটব্লকস জানায়, ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় কেরমানশাহ শহরে ইন্টারনেটে বিভ্রাট দেখা দেয়।
বৃহস্পতিবার নরওয়ে ভিত্তিক এনজিও ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর) বলেছে, ডিসেম্বরের শেষ দিকে শুরু এই বিক্ষোভ চলাকালে ইরান কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৫ বিক্ষোভকারীকের হত্যা করেছে। এর মধ্যে আট শিশুও রয়েছে।
আইএইচআর জানিয়েছে, বুধবার রাতে এক নারী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন। পরে তাঁর চোখে গুলি করা হয়।
সংস্থাটির মতে, বিক্ষোভের ১১তম দিন বুধবার ছিল সবচেয়ে রক্তাক্ত দিন। এদিন ১৩ বিক্ষোভকারী নিহত হয়। প্রমাণ অনুযায়ী দিন যত গড়াচ্ছে কর্তৃপক্ষের দমন-পীড়ন তত তীব্র হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কয়েকশত আহত হয়েছেন এবং দুই হাজারের বেশি আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার সাতটি কুর্দি রাজনৈতিক দলের সাধারণ ধর্মঘটের ডাকে সাড়া দিয়ে দোকানদাররা কুর্দি অঞ্চল এবং আশপাশের কয়েক ডজন শহরে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়।
অন্যদিকে, মানবাধিকার সংস্থা হেনগাউয়ের পোস্ট করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ ইলাম, কেরমানশাহ এবং লোরেস্তানের দোকানগুলি বন্ধ রয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ কেরমানশাত ও পার্শ্ববর্তী কামায়ারান শহরে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
গার্ডিয়ানের খবরে আরও বলা হয়, বিক্ষোভ থামার কোনো লক্ষণ নেই। বরং বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ দেশটির ৩১টি প্রদেশেই ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে, দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে বিক্ষোভকারীরা বিপ্লবী গার্ড আল-কুদস বাহিনীর সাবেক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার কাসেম সোলাইমানির মূর্তি ভেঙে ফেলেছে। সরকার সমর্থকরা কাসেম সোলাইমানিকে নায়ক বিবেচনা করে। যাছাইকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, মূর্তিটি যখন টেনে নামানো হয় তখন বিক্ষোভকারী উল্লাসে ফেটে পড়েন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আন্দোলনের বেশকিছু ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ছবি বার্তাসংস্থা এএফির যাছাই করেছে। এতে দেখা যায়, ইরানের বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত বিক্ষোভ চলছে। তেহরানের উত্তর-পশ্চিমে আয়াতুল্লাহ কাশানি বুলেভার্ডে বিশাল জনতা জড়ো হন। আর তাঁদেরকে সমর্থন জানিয়ে যানবাহনের হর্ন বাজানো হচ্ছে। অন্য ছবিতে দেখা যায়, পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আবাদানে বিক্ষোভকারীরা বিক্ষোভ করছেন।
এদিকে, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক খবরে বলা হয়েছে, বিপুল সংখ্যক বিক্ষোভকারী রাজধানী তেহরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। কয়েক বছরের মধ্যে দেশটির ইসলামী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিরোধীদের সবচেয়ে বড় আন্দোলন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানী তেহরান এবং মাশহাদ শহরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলে। তবে এই আন্দোনকারীদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করেনি।
অন্যদিকে, ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পতনের দাবি করছেন। পাশাপাশি তাঁরা শাহ শাসনের প্রয়াত সাবে রেজা শাহ’র নির্বাসিত রেজা শাহ পাহলভির প্রত্যাবর্তনের পক্ষে স্লোগান দেন। অন্যদিকে, রেজা শাহ পাহলভিও তার সমর্থকদের রাস্তায় নেমে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তার আহ্বানে সাড়া দিয়েই বৃহস্পতিবার কয়েকটি কুর্দি সংগঠন রাস্তায় নেমে আসে।

ইরানি রিয়ালের ব্যাপক দরপতনসহ গভীর অর্থনৈতিক সংকটে নিমজ্জিত ইরান বিক্ষোভে উত্তাল। এ বিক্ষোভের জেরে ক্রমশ চাপ বাড়ছে সরকারের ওপর। এরই মধ্যে বিক্ষোভের ১২তম দিন বৃহস্পতিবার (৮ জানুয়ারি) রাত থেকে ইন্টারনেট বিচ্ছন্ন রয়েছে দেশটিতে।
ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইন্টারনেট সংযোগ বিচ্ছিন্নের কারণ এখনো পরিষ্কার নয়। অনলাইন পর্যবেক্ষক সংস্থা নেটব্লকস ইরানজুড়ের ইন্টারনেট বন্ধের খবর জানিয়েছে। তবে অতীতে আন্দোলনের মুখে ইরান কর্তৃপক্ষের ইন্টারনেট বন্ধ করে দেওয়ার নজির রয়েছে।
গার্ডিয়ানের খবরে বলা হয়েছে, বিক্ষোভকারীদের ওপর ইরান কর্তৃপক্ষ দমন-পীড়ন তীব্র করেছে। এরই মধ্যে গতকাল দিনের শুরুতে নেটব্লকস জানায়, ইরানের পশ্চিমাঞ্চলীয় কেরমানশাহ শহরে ইন্টারনেটে বিভ্রাট দেখা দেয়।
বৃহস্পতিবার নরওয়ে ভিত্তিক এনজিও ইরান হিউম্যান রাইটস (আইএইচআর) বলেছে, ডিসেম্বরের শেষ দিকে শুরু এই বিক্ষোভ চলাকালে ইরান কর্তৃপক্ষ এখন পর্যন্ত অন্তত ৪৫ বিক্ষোভকারীকের হত্যা করেছে। এর মধ্যে আট শিশুও রয়েছে।
আইএইচআর জানিয়েছে, বুধবার রাতে এক নারী বিক্ষোভে অংশ নিয়েছিলেন। পরে তাঁর চোখে গুলি করা হয়।
সংস্থাটির মতে, বিক্ষোভের ১১তম দিন বুধবার ছিল সবচেয়ে রক্তাক্ত দিন। এদিন ১৩ বিক্ষোভকারী নিহত হয়। প্রমাণ অনুযায়ী দিন যত গড়াচ্ছে কর্তৃপক্ষের দমন-পীড়ন তত তীব্র হচ্ছে। এখন পর্যন্ত কয়েকশত আহত হয়েছেন এবং দুই হাজারের বেশি আন্দোলনকারীকে আটক করা হয়েছে।

এদিকে, বৃহস্পতিবার সাতটি কুর্দি রাজনৈতিক দলের সাধারণ ধর্মঘটের ডাকে সাড়া দিয়ে দোকানদাররা কুর্দি অঞ্চল এবং আশপাশের কয়েক ডজন শহরে তাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বন্ধ করে দেয়।
অন্যদিকে, মানবাধিকার সংস্থা হেনগাউয়ের পোস্ট করা এক ভিডিওতে দেখা যায়, দেশটির পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ ইলাম, কেরমানশাহ এবং লোরেস্তানের দোকানগুলি বন্ধ রয়েছে। বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, কর্তৃপক্ষ কেরমানশাত ও পার্শ্ববর্তী কামায়ারান শহরে বিক্ষোভকারীদের ওপর গুলি চালিয়েছে। এতে বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন।
গার্ডিয়ানের খবরে আরও বলা হয়, বিক্ষোভ থামার কোনো লক্ষণ নেই। বরং বৃহস্পতিবার বিক্ষোভ দেশটির ৩১টি প্রদেশেই ছড়িয়ে পড়েছে।
এদিকে, দক্ষিণাঞ্চলীয় ফার্স প্রদেশে বিক্ষোভকারীরা বিপ্লবী গার্ড আল-কুদস বাহিনীর সাবেক জ্যেষ্ঠ কমান্ডার কাসেম সোলাইমানির মূর্তি ভেঙে ফেলেছে। সরকার সমর্থকরা কাসেম সোলাইমানিকে নায়ক বিবেচনা করে। যাছাইকৃত ভিডিওতে দেখা যায়, মূর্তিটি যখন টেনে নামানো হয় তখন বিক্ষোভকারী উল্লাসে ফেটে পড়েন।
সোশ্যাল মিডিয়ায় আন্দোলনের বেশকিছু ছড়িয়ে পড়েছে। এসব ছবি বার্তাসংস্থা এএফির যাছাই করেছে। এতে দেখা যায়, ইরানের বৃহস্পতিবার রাত পর্যন্ত বিক্ষোভ চলছে। তেহরানের উত্তর-পশ্চিমে আয়াতুল্লাহ কাশানি বুলেভার্ডে বিশাল জনতা জড়ো হন। আর তাঁদেরকে সমর্থন জানিয়ে যানবাহনের হর্ন বাজানো হচ্ছে। অন্য ছবিতে দেখা যায়, পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর আবাদানে বিক্ষোভকারীরা বিক্ষোভ করছেন।
এদিকে, ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম বিবিসির এক খবরে বলা হয়েছে, বিপুল সংখ্যক বিক্ষোভকারী রাজধানী তেহরানের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন। কয়েক বছরের মধ্যে দেশটির ইসলামী শাসন ব্যবস্থার বিরুদ্ধে বিরোধীদের সবচেয়ে বড় আন্দোলন।
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রাজধানী তেহরান এবং মাশহাদ শহরে শান্তিপূর্ণ আন্দোলন চলে। তবে এই আন্দোনকারীদের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করেনি।
অন্যদিকে, ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, বিক্ষোভকারীরা ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির পতনের দাবি করছেন। পাশাপাশি তাঁরা শাহ শাসনের প্রয়াত সাবে রেজা শাহ’র নির্বাসিত রেজা শাহ পাহলভির প্রত্যাবর্তনের পক্ষে স্লোগান দেন। অন্যদিকে, রেজা শাহ পাহলভিও তার সমর্থকদের রাস্তায় নেমে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। তার আহ্বানে সাড়া দিয়েই বৃহস্পতিবার কয়েকটি কুর্দি সংগঠন রাস্তায় নেমে আসে।

ইরানজুড়ে ছড়িয়ে পড়া সরকারবিরোধী বিক্ষোভের মুখে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি দেশ ছেড়ে পালানোর পরিকল্পনা করছেন বলে দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
৪ ঘণ্টা আগে
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে নিজের দেশের সমস্যার দিকে মনোযোগ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি। ইরানে চলমান বিক্ষোভ নিয়ে ট্রাম্পের সতর্কবার্তার জবাবে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) তিনি এ মন্তব্য করেন।
৮ ঘণ্টা আগে
ইরানের রাজধানী তেহরানে শপিংমলে দোকানের শাটার নামানোর মধ্য দিয়ে যে বিক্ষোভের সূচনা হয়েছিল, তা আর নিছক অর্থনৈতিক দাবিতে সীমাবদ্ধ নেই। মাত্র ১০ দিনের ব্যবধানে সেই আন্দোলনের ভাষা ও স্লোগান নাটকীয়ভাবে পাল্টে গেছে।
৯ ঘণ্টা আগে
ইরানের ১৩তম দিনের মতো চলছে সরকার বিরোধী আন্দোলন। ইরানি রিয়ালের বিনিময় মান কমা ও গভীর অর্থনৈতিক সংকটের জেরে প্রথমে ব্যবসায়ীরা আন্দোলনে নেমেছিল। সেই আন্দোলনে পরে যোগ দেয় সাধারণ মানুষসহ নানা পেশার মানুষ।
১১ ঘণ্টা আগে