স্ট্রিম ডেস্ক

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন পশ্চিম রাজাবাজার এলাকায় এক জামায়াত নেতাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে হাত পা বাঁধা অবস্থায় নিজ বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তার নাম মোহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহ (৬৫)। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও হোমিও চিকিৎসক ছিলেন। এছাড়া তিনি শেরেবাংলা নগর দক্ষিণ থানার জামায়াতে ইসলামীর একজন রোকন এবং পশ্চিম রাজাবাজার ওয়ার্ড জামায়াতের সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করছিলেন।
এই ব্যাপারে শেরেবাংলা নগর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘সোমবার দিবাগত রাত ২টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে পশ্চিম রাজাবাজারে এলাকায় তাঁর বাসার জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে ঢোকে দুর্বৃত্তরা। এরপর তাঁর মুখে কাপড় গুঁজে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ পাওয়া যায়। সকালে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।’
এ সময় তার বাসায় থাকা নগদ পাঁচ লাখ টাকাসহ ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগও পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
পরিবারের বরাতে ওসি মনিরুল আরও বলেন, ‘নিহত আনোয়ার উল্লাহ ও তার স্ত্রী রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে ঘরের জানালার গ্রিল কেটে একদল দুর্বৃত্ত সেখানে প্রবেশ করে। এ সময় তাদের দুজনের হাত-পা ও মুখ বেঁধে দুর্বৃত্তরা ঘর থেকে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আনোয়ার উল্লাহ মারা যান।’
তদন্ত সংশ্লিষ্ট শেরে বাংলা নগর থানার এক কর্মকর্তা স্ট্রিমকে বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে মনে হয়েছে ডাকাতির উদ্দেশ্যে খুন করা হয়েছে। একাধিক দুর্বৃত্ত বারান্দার গ্রিল কেটে বাসায় প্রবেশ করে। তারা আনোয়ার উল্লাহ ও তাঁর স্ত্রীকে বেঁধে ফেলে মুখ চেপে ধরে লুটপাট চালায়। পরবর্তীতে শ্বাসরোধে আনোয়ার উল্লাহর মৃত্যু হয়। থানায় এ সংক্রান্ত মামলা হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
এদিকে, নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, আজ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পশ্চিম রাজাবাজার মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার লাকসামে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
আনোয়ার উল্লাহ খুনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। আজ দলটি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের শেরেবাংলা নগর দক্ষিণ থানার পশ্চিম রাজাবাজার ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি ও রুকন আনোয়ার উল্লাহকে হাত পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। হত্যার পর সন্ত্রাসীরা তাঁর বাসার স্বর্ণালঙ্কার ও টাকাসহ বহু মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
আনোয়ার উল্লাহ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।
এক যৌথ শোকবাণীতে তারা বলেন, ‘মোহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহ ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের সম্মুখ সারির যোদ্ধা। তিনি ন্যায়-ইনসাফের ভিত্তিতে দেশকে ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্ন দেখতেন এবং জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সে লক্ষ্যে অবিচল ও আপসহীন ছিলেন। তিনি একজন সমাজসেবক ও স্বজ্জন ব্যক্তি হিসেবে সমাজে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিলেন। তার নির্মম হত্যাকাণ্ডে আমরা একজন নিবেদিতপ্রাণ সহযোদ্ধাকে হারালাম।’
নেতৃদ্বয় এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দুর্বৃত্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে তাঁরা বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে দুইটি রাজনৈতিক নেতার হত্যার ঘটনা দুঃখজনক। দ্রুততম সময়ে হত্যার কারণ উদঘাটন করা, দায়ীদের আটক এবং শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। না হয় মানুষ অন্তবর্তীকালীন সরকারের ওপর আস্থা হারাবে।’

রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানাধীন পশ্চিম রাজাবাজার এলাকায় এক জামায়াত নেতাকে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) সকালে হাত পা বাঁধা অবস্থায় নিজ বাসা থেকে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
তার নাম মোহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহ (৬৫)। তিনি একজন অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক ও হোমিও চিকিৎসক ছিলেন। এছাড়া তিনি শেরেবাংলা নগর দক্ষিণ থানার জামায়াতে ইসলামীর একজন রোকন এবং পশ্চিম রাজাবাজার ওয়ার্ড জামায়াতের সহ-সভাপতির দায়িত্বও পালন করছিলেন।
এই ব্যাপারে শেরেবাংলা নগর থানার ওসি মো. মনিরুল ইসলাম স্ট্রিমকে বলেন, ‘সোমবার দিবাগত রাত ২টা থেকে ভোর ৫টার মধ্যে পশ্চিম রাজাবাজারে এলাকায় তাঁর বাসার জানালার গ্রিল কেটে ভেতরে ঢোকে দুর্বৃত্তরা। এরপর তাঁর মুখে কাপড় গুঁজে শ্বাসরোধে হত্যার অভিযোগ পাওয়া যায়। সকালে তাঁর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে তার মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়।’
এ সময় তার বাসায় থাকা নগদ পাঁচ লাখ টাকাসহ ৮ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুটের অভিযোগও পাওয়া গেছে বলে জানান তিনি।
পরিবারের বরাতে ওসি মনিরুল আরও বলেন, ‘নিহত আনোয়ার উল্লাহ ও তার স্ত্রী রাতে ঘুমিয়ে ছিলেন। গভীর রাতে ঘরের জানালার গ্রিল কেটে একদল দুর্বৃত্ত সেখানে প্রবেশ করে। এ সময় তাদের দুজনের হাত-পা ও মুখ বেঁধে দুর্বৃত্তরা ঘর থেকে স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকা লুট করে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আনোয়ার উল্লাহ মারা যান।’
তদন্ত সংশ্লিষ্ট শেরে বাংলা নগর থানার এক কর্মকর্তা স্ট্রিমকে বলেন, ‘প্রাথমিক তদন্তে মনে হয়েছে ডাকাতির উদ্দেশ্যে খুন করা হয়েছে। একাধিক দুর্বৃত্ত বারান্দার গ্রিল কেটে বাসায় প্রবেশ করে। তারা আনোয়ার উল্লাহ ও তাঁর স্ত্রীকে বেঁধে ফেলে মুখ চেপে ধরে লুটপাট চালায়। পরবর্তীতে শ্বাসরোধে আনোয়ার উল্লাহর মৃত্যু হয়। থানায় এ সংক্রান্ত মামলা হয়েছে। আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।’
এদিকে, নিহতের পারিবারিক সূত্র জানায়, আজ বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে পশ্চিম রাজাবাজার মসজিদ প্রাঙ্গণে তাঁর প্রথম জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। জানাজা শেষে মরদেহ তাঁর গ্রামের বাড়ি কুমিল্লার লাকসামে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখানে দ্বিতীয় জানাজা শেষে তাঁকে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।
আনোয়ার উল্লাহ খুনের ঘটনায় তীব্র নিন্দা জানিয়েছে জামায়াতে ইসলামীর নেতারা। আজ দলটি এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বলেছে, জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগরী উত্তরের শেরেবাংলা নগর দক্ষিণ থানার পশ্চিম রাজাবাজার ওয়ার্ডের সহ-সভাপতি ও রুকন আনোয়ার উল্লাহকে হাত পা বেঁধে শ্বাসরোধ করে হত্যা করেছে সন্ত্রাসীরা। হত্যার পর সন্ত্রাসীরা তাঁর বাসার স্বর্ণালঙ্কার ও টাকাসহ বহু মূল্যবান সামগ্রী লুট করে নিয়ে যায়। তিনি স্ত্রী, দুই মেয়ে ও এক ছেলে সহ অসংখ্য আত্মীয়-স্বজন ও গুণগ্রাহী রেখে গেছেন।
আনোয়ার উল্লাহ হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে গভীর শোক প্রকাশ করেছেন জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের আমির মোহাম্মদ সেলিম উদ্দিন এবং কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম।
এক যৌথ শোকবাণীতে তারা বলেন, ‘মোহাম্মদ আনোয়ার উল্লাহ ছিলেন ইসলামী আন্দোলনের সম্মুখ সারির যোদ্ধা। তিনি ন্যায়-ইনসাফের ভিত্তিতে দেশকে ইসলামী কল্যাণ রাষ্ট্রে পরিণত করার স্বপ্ন দেখতেন এবং জীবনের শেষদিন পর্যন্ত সে লক্ষ্যে অবিচল ও আপসহীন ছিলেন। তিনি একজন সমাজসেবক ও স্বজ্জন ব্যক্তি হিসেবে সমাজে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিলেন। তার নির্মম হত্যাকাণ্ডে আমরা একজন নিবেদিতপ্রাণ সহযোদ্ধাকে হারালাম।’
নেতৃদ্বয় এই হত্যাকাণ্ডের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানান এবং দুর্বৃত্তদের অবিলম্বে গ্রেপ্তার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেন। আইনশৃঙ্খলার অবনতিতে উদ্বেগ প্রকাশ করে তাঁরা বলেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে দুইটি রাজনৈতিক নেতার হত্যার ঘটনা দুঃখজনক। দ্রুততম সময়ে হত্যার কারণ উদঘাটন করা, দায়ীদের আটক এবং শাস্তির ব্যবস্থা করতে হবে। না হয় মানুষ অন্তবর্তীকালীন সরকারের ওপর আস্থা হারাবে।’

দেশের ৯৩ শতাংশ পত্রিকার মালিকই ওই পত্রিকার সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। গণমাধ্যম এখন পুরোপুরি করপোরেশনের হাতে চলে গেছে বলে মন্তব্য করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. খোরশেদ আলম।
২ ঘণ্টা আগে
চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে ‘যৌথবাহিনীর’ অভিযানে হেফাজতে থাকা অবস্থায় পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শামসুজ্জামান ডাবলুর (৫২) ময়নাতদন্ত শেষে চিকিৎসক জানিয়েছেন, তাঁর শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।
২ ঘণ্টা আগে
গত বছরের জানুয়ারি থেকে চলতি বছরের ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত যশোরে হত্যাকাণ্ড হয়েছে ৬২টি। অধিকাংশ হত্যায় ব্যবহার করা হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সম্প্রতি ভারত থেকে এসব অস্ত্র ঢুকছে বলে জানিয়েছেন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।
২ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় নির্বাচনকে কেন্দ্র করে ভুয়া তথ্য ও অপপ্রচার মোকাবিলায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কার্যালয়ের সহায়তা চেয়েছেন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস। মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনার ভলকার তুর্কের সঙ্গে টেলিফোনে আলাপকালে তিনি এ অনুরোধ জানান।
৩ ঘণ্টা আগে