স্ট্রিম প্রতিবেদক

ফ্ল্যাট কেনা বা বাড়ি তৈরির জন্য ব্যাংকগুলো এখন ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে। আগে এর সর্বোচ্চ সীমা ছিল ২ কোটি টাকা। এর ফলে আবাসন খাতে ঋণের প্রবাহ বাড়বে। সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপনে আবাসন ঋণের সর্বোচ্চ সীমা পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংক একজন গ্রাহককে সর্বোচ্চ কত টাকা আবাসন ঋণ দিতে পারবে, তা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের খেলাপি ঋণের ওপর নির্ভর করবে।
মূলত ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হারের ওপর ভিত্তি করেই এই ঋণের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতদিন সব ব্যাংকের জন্য এই সীমা অভিন্ন ছিল। এখন থেকে খেলাপি ঋণ যত কম হবে, ওই ব্যাংক তত বেশি ঋণ দিতে পারবে। খেলাপি ঋণ ৫ শতাংশের নিচে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক গৃহনির্মাণ খাতে ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে।
খেলাপি ঋণ ৫ শতাংশের বেশি কিন্তু ১০ শতাংশের নিচে থাকলে ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া যাবে। তবে ১০ শতাংশের বেশি খেলাপি ঋণ থাকা ব্যাংকগুলো আগের মতোই সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা দিতে পারবে।
যেসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ কম, তাদের ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। তবে ঋণ ও নিজস্ব পুঁজির অনুপাত ৭০: ৩০-ই রাখা হয়েছে। অর্থাৎ আবাসনের মোট ক্রয়মূল্যের সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ ব্যাংক অর্থায়ন করবে। বাকি ৩০ শতাংশ অর্থ গ্রাহকের নিজস্ব থাকতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গত সেপ্টেম্বর মাসের তথ্য অনুযায়ী, ১৭টি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের নিচে রয়েছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশের নিচে খেলাপি ঋণ থাকা ব্যাংকগুলো হলো— সিটিজেনস ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, বেঙ্গল কমার্শিয়াল, ব্র্যাক ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক। এই ব্যাংকগুলো ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে। ৫ থেকে ১০ শতাংশ খেলাপি ঋণ থাকা ব্যাংকের তালিকায় রয়েছে—মিডল্যান্ড ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী, এনসিসি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক ও যমুনা ব্যাংক। এই ব্যাংকগুলো ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কোনো ফ্ল্যাটের দাম ৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা হলে ৫ শতাংশের কম খেলাপি ঋণ থাকা ব্যাংক থেকে গ্রাহক সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকা ঋণ নিতে পারবেন। এই অনুপাত অনুযায়ী অন্য সব ক্ষেত্রেও ৭০ শতাংশ ঋণ নেওয়া যাবে।

ফ্ল্যাট কেনা বা বাড়ি তৈরির জন্য ব্যাংকগুলো এখন ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে। আগে এর সর্বোচ্চ সীমা ছিল ২ কোটি টাকা। এর ফলে আবাসন খাতে ঋণের প্রবাহ বাড়বে। সম্প্রতি এক প্রজ্ঞাপনে আবাসন ঋণের সর্বোচ্চ সীমা পুনর্নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, ব্যাংক একজন গ্রাহককে সর্বোচ্চ কত টাকা আবাসন ঋণ দিতে পারবে, তা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের খেলাপি ঋণের ওপর নির্ভর করবে।
মূলত ব্যাংকের খেলাপি ঋণের হারের ওপর ভিত্তি করেই এই ঋণের সর্বোচ্চ সীমা নির্ধারণ করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এতদিন সব ব্যাংকের জন্য এই সীমা অভিন্ন ছিল। এখন থেকে খেলাপি ঋণ যত কম হবে, ওই ব্যাংক তত বেশি ঋণ দিতে পারবে। খেলাপি ঋণ ৫ শতাংশের নিচে থাকলে সংশ্লিষ্ট ব্যাংক গৃহনির্মাণ খাতে ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে।
খেলাপি ঋণ ৫ শতাংশের বেশি কিন্তু ১০ শতাংশের নিচে থাকলে ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দেওয়া যাবে। তবে ১০ শতাংশের বেশি খেলাপি ঋণ থাকা ব্যাংকগুলো আগের মতোই সর্বোচ্চ ২ কোটি টাকা দিতে পারবে।
যেসব ব্যাংকের খেলাপি ঋণ কম, তাদের ঋণ দেওয়ার ক্ষমতা বাড়ানো হয়েছে। তবে ঋণ ও নিজস্ব পুঁজির অনুপাত ৭০: ৩০-ই রাখা হয়েছে। অর্থাৎ আবাসনের মোট ক্রয়মূল্যের সর্বোচ্চ ৭০ শতাংশ ব্যাংক অর্থায়ন করবে। বাকি ৩০ শতাংশ অর্থ গ্রাহকের নিজস্ব থাকতে হবে।
বাংলাদেশ ব্যাংকের গত সেপ্টেম্বর মাসের তথ্য অনুযায়ী, ১৭টি ব্যাংকের খেলাপি ঋণ ১০ শতাংশের নিচে রয়েছে। এর মধ্যে ৫ শতাংশের নিচে খেলাপি ঋণ থাকা ব্যাংকগুলো হলো— সিটিজেনস ব্যাংক, ইস্টার্ন ব্যাংক, বেঙ্গল কমার্শিয়াল, ব্র্যাক ব্যাংক, প্রাইম ব্যাংক ও সিটি ব্যাংক। এই ব্যাংকগুলো ৪ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে। ৫ থেকে ১০ শতাংশ খেলাপি ঋণ থাকা ব্যাংকের তালিকায় রয়েছে—মিডল্যান্ড ব্যাংক, পূবালী ব্যাংক, মেঘনা ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, কমিউনিটি ব্যাংক, শাহজালাল ইসলামী, এনসিসি ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, উত্তরা ব্যাংক, ট্রাস্ট ব্যাংক ও যমুনা ব্যাংক। এই ব্যাংকগুলো ৩ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিতে পারবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, কোনো ফ্ল্যাটের দাম ৫ কোটি ৭১ লাখ টাকা হলে ৫ শতাংশের কম খেলাপি ঋণ থাকা ব্যাংক থেকে গ্রাহক সর্বোচ্চ ৪ কোটি টাকা ঋণ নিতে পারবেন। এই অনুপাত অনুযায়ী অন্য সব ক্ষেত্রেও ৭০ শতাংশ ঋণ নেওয়া যাবে।

রাজধানীর কয়েকটি এলাকায় খোলা বাজারের মতো বিক্রি হচ্ছে মাদক। এর মধ্যে মোহাম্মদপুরের জেনেভা ক্যাম্প, কারওয়ান বাজার ও মিরপুরের বিহারি ক্যাম্পে রাতে হাঁকডাক ছেড়েই বিক্রি করছেন কারবারিরা।
১০ ঘণ্টা আগে
ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে তাবাচ্ছুম (৪) হত্যার ঘটনায় আবু তাহের নামে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) গভীর রাতে কুষ্টিয়া শহরের ভাইয়ের বাসা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
১১ ঘণ্টা আগে
দলীয়করণের কারণে জনপ্রশাসন নিরপেক্ষতা ও দক্ষতা হারিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়বিষয়ক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।
১১ ঘণ্টা আগে
রোজা রাখা, না রাখা নিয়ে শিশুদের নানা জিজ্ঞাসা থাকে। তাদের এই কৌতূহল থেকে বাদ পড়েননি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানও। শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) নৌবাহিনীর সদর দপ্তর জামে মসজিদে জুমার নামাজে গিয়ে তিনি পড়েন শিশুদের পাল্লায়।
১১ ঘণ্টা আগে