leadT1ad

প্রাথমিকের নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন ফাঁসের প্রমাণ পায়নি অধিদপ্তর

স্ট্রিম প্রতিবেদক
স্ট্রিম প্রতিবেদক

প্রকাশ : ১২ জানুয়ারি ২০২৬, ২০: ২৫
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সংগৃহীত ছবি

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বনের চেষ্টা হলেও প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি বলে দাবি করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। সোমবার (১২ জানুয়ারি) অধিদপ্তরের মহাপরিচালক আবু নূর মো. শামসুজ্জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ দাবি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও জেলা প্রশাসনের সর্বোচ্চ সতর্কতার কারণে সারা দেশে প্রশ্নফাঁস বা অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেনি। তবে কিছু কেন্দ্রে অসদুপায় অবলম্বনের অপচেষ্টাকারীদের চিহ্নিত করে বহিষ্কারসহ আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে বলে অধিদপ্তর নিশ্চিত করেছে।

এর আগে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) তিন পার্বত্য জেলা বাদে দেশের ৬১টি জেলায় একযোগে এ লিখিত পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদের বিপরীতে ১ হাজার ৪০৮টি কেন্দ্রে বিকেল ৩টা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত পরীক্ষা নেওয়া হয়।

পরীক্ষার দিন দুপুরে নাটোরে প্রশ্নফাঁস ও প্রতারণার অভিযোগে এক চক্রের সদস্যকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। এ ঘটনায় গুরুদাসপুর থানায় মামলা হয়েছে। এছাড়া রাজধানীর মোহাম্মদপুরে প্রশ্ন সরবরাহের প্রলোভনে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করে যৌথ বাহিনী। মোহাম্মদপুর থানা শিক্ষা কর্মকর্তার মামলায় তাঁদের তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছেন আদালত।

প্রশ্নফাঁসের অভিযোগে রোববার মিরপুরে অধিদপ্তর ঘেরাও করে বিক্ষোভ করেন পরীক্ষার্থীদের একটি অংশ। তাঁরা পরীক্ষা বাতিল, কেন্দ্রে আধুনিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা ও প্রশ্ন প্রণয়ন প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা আনাসহ ৫ দফা দাবি জানান।

এদিকে আজ এক বিবৃতিতে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) সব অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি করেছে। দলটি বলেছে, তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ করা যাবে না। প্রশ্নফাঁসের ন্যূনতম সত্যতা মিললে পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে এনসিপি।

Ad 300x250

সম্পর্কিত