জাতীয় সংসদ নির্বাচন ২০২৬

ও গণভোট

ক্লিক করুন

পাবনায় বাড়ির উঠানে দাদির এবং পাশের শস্যক্ষেত থেকে নাতনির মরদেহ উদ্ধার

স্ট্রিম সংবাদদাতা
স্ট্রিম সংবাদদাতা
পাবনা

প্রকাশ : ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ১১: ৪৯
নিহতদের বাড়িতে স্বজনদের আহাজারি

পাবনার ঈশ্বরদীতে বাড়ির উঠান থেকে দাদির রক্তাক্ত মরদেহ এবং পাশের শস্যক্ষেত থেকে তাঁর নাতনির মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, দাদিকে কুপিয়ে হত্যার পর নাতনিকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে ওই কিশোরীকে।

শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) দিবাগদ রাতের কোনো এক সময় উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

নিহতরা হলেন— ভবানিপুর উত্তরপাড়া গ্রামের নজিমুদ্দিনের স্ত্রী সুফিয়া খাতুন (৬৫) ও তাঁর নাতনি জামিলা আক্তার (১৫)।

স্থানীয়রা জানিয়েছেন, শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে হঠাৎ কান্নাকাটির আওয়াজ শুনে প্রতিবেশীরা ঘর থেকে বের হন। তবে কিছুক্ষণ পর শব্দ থেমে যাওয়ায় তারা আবারও নিজ নিজ ঘরে ফিরে যান। সকালে ওই বাড়ির উঠানে সুফিয়া খাতুনের রক্তাক্ত মরদেহ পড়ে থাকতে দেখে পুলিশে খবর দেওয়া হয়।

পরিবার সূত্রে জানা গেছে, ওই কিশোরীর বাবা-মায়ের বিবাহবিচ্ছেদ হয়েছে। বাড়িতে তাঁর বাবা, দাদি ও সে থাকতো। সম্প্রতি বাবা তার বোনের বাসায় ঢাকায় গিয়েছিল। সেকারণে বাড়িতে শুধু দাদি ও নাতনিই ছিল। সকালে দাদির মরদেহ উদ্ধারের সময় নাতনিকে না পেয়ে খোঁজাখুঁজি শুরু করে স্থানীরা। এক পর্যায়ে পাশের একটি সরিষা ক্ষেত থেকে তার বিবস্ত্র মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

নিহতদের স্বজন ও এলাকাবাসীর ধারণা, ভুক্তভোগী কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণ করে হত্যা করা হয়েছে।

ঈশ্বরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মমিনুজ্জামান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, সকালে দুজনের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। কী কারণে এই জোড়া হত্যাকাণ্ড ঘটেছে, তা গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করা হচ্ছে।

মরদেহ দুটি ময়নাতদন্তের জন্য পাবনা জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে এবং আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলেও জানান ওসি মমিনুজ্জামান।

সম্পর্কিত