স্ট্রিম ডেস্ক

উত্তেজনা প্রশমন ও সংকট নিরসনে আফগানিস্তানের দেওয়া সংলাপের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তান। এর আগে আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরুর পর আফগান তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ আলোচনার প্রস্তাব দেন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ সম্মেলন করে এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন জাবিহুল্লাহ। তাঁর ওই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বিদেশি গণমাধ্যম-বিষয়ক মুখপাত্র মোশাররফ জায়দি।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) আফগানিস্তান-পাকিস্তান সংঘাত নিয়ে দেওয়া লাইভ আপডেটে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
পাকিস্তানি টেলিভিশনে মোশাররফ জায়দি বলেন, কোনো আলোচনা হবে না। কোনো সংলাপ হবে না। আলোচনার কোনো সুযোগ নেই। আফগানিস্তান থেকে সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করতে হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, পাকিস্তানের দায়িত্ব কেবল নিজের নাগরিক ও ভূখণ্ড রক্ষা করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। আমরা যদি জানি যে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে সন্ত্রাসী এবং সন্ত্রাসীদের মদদদাতা রয়েছে, তাহলে সেই স্থানে আঘাত হেনে হুমকি নির্মূল করার অস্ত্র আমরা খুঁজে নেব।
জায়দি আরও বলেন, অস্থিতিশীলতা কমানোর দায়িত্ব শুধু আফগানিস্তানের নয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও। আফগান ভূখণ্ড যাতে সীমান্তের এপাড়ে হামলার জন্য ব্যবহার না হয়, তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মহলকেও এগিয়ে আসতে হবে।
এদিকে, আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক পরিচালক (দ্বিতীয়) জাকির জালালি বলেছেন, ‘বৈধ ও দায়িত্বশীল’ সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি ‘কূটনৈতিক তৎপরতাও’ চলছে। তুরস্ক, কাতার ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ‘বিস্তারিত’ আলোচনা হয়েছে। ওই আলোচনায় আফগান কর্মকর্তারা তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে তুলে ধরেছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় হামলা চালায় তালেবান। এতে পাকিস্তানি দুই সেনা নিহত হন। এর প্রতিক্রিয়ায় প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা দিয়ে গজব লিল-হক নামে অভিযান শুরু করে পাকিস্তান। এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়ায় বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান।

উত্তেজনা প্রশমন ও সংকট নিরসনে আফগানিস্তানের দেওয়া সংলাপের প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করেছে পাকিস্তান। এর আগে আফগানিস্তানে সামরিক অভিযান শুরুর পর আফগান তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ আলোচনার প্রস্তাব দেন।
শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) সংবাদ সম্মেলন করে এই প্রস্তাব দিয়েছিলেন জাবিহুল্লাহ। তাঁর ওই প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রীর বিদেশি গণমাধ্যম-বিষয়ক মুখপাত্র মোশাররফ জায়দি।
আজ শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) আফগানিস্তান-পাকিস্তান সংঘাত নিয়ে দেওয়া লাইভ আপডেটে এই তথ্য জানিয়েছে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরা।
পাকিস্তানি টেলিভিশনে মোশাররফ জায়দি বলেন, কোনো আলোচনা হবে না। কোনো সংলাপ হবে না। আলোচনার কোনো সুযোগ নেই। আফগানিস্তান থেকে সন্ত্রাসবাদ বন্ধ করতে হবে।
তিনি জোর দিয়ে বলেন, পাকিস্তানের দায়িত্ব কেবল নিজের নাগরিক ও ভূখণ্ড রক্ষা করার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। আমরা যদি জানি যে কোনো নির্দিষ্ট স্থানে সন্ত্রাসী এবং সন্ত্রাসীদের মদদদাতা রয়েছে, তাহলে সেই স্থানে আঘাত হেনে হুমকি নির্মূল করার অস্ত্র আমরা খুঁজে নেব।
জায়দি আরও বলেন, অস্থিতিশীলতা কমানোর দায়িত্ব শুধু আফগানিস্তানের নয়, আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়েরও। আফগান ভূখণ্ড যাতে সীমান্তের এপাড়ে হামলার জন্য ব্যবহার না হয়, তা নিশ্চিত করতে আন্তর্জাতিক মহলকেও এগিয়ে আসতে হবে।
এদিকে, আফগানিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক পরিচালক (দ্বিতীয়) জাকির জালালি বলেছেন, ‘বৈধ ও দায়িত্বশীল’ সামরিক পদক্ষেপের পাশাপাশি ‘কূটনৈতিক তৎপরতাও’ চলছে। তুরস্ক, কাতার ও সৌদি আরবের পররাষ্ট্রমন্ত্রীদের সঙ্গে ‘বিস্তারিত’ আলোচনা হয়েছে। ওই আলোচনায় আফগান কর্মকর্তারা তাদের অবস্থান স্পষ্ট করে তুলে ধরেছেন।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী এলাকায় হামলা চালায় তালেবান। এতে পাকিস্তানি দুই সেনা নিহত হন। এর প্রতিক্রিয়ায় প্রকাশ্য যুদ্ধ ঘোষণা দিয়ে গজব লিল-হক নামে অভিযান শুরু করে পাকিস্তান। এর অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার দিবাগত রাতে আফগানিস্তানের রাজধানী কাবুল, কান্দাহার ও পাকতিয়ায় বিমান হামলা চালায় পাকিস্তান।

ইরানের পাঁচটি শহরে যৌথভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। যৌথ এ হামলায় ইরানের বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সরকারি স্থাপনা লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল।
১৬ মিনিট আগে
ইরানের হামলার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছেন, ইরানি শাসনের আসন্ন হুমকি দূর করতে দেশটিতে হামলা করা হয়েছে।
২৯ মিনিট আগে
ইরানের বিভিন্ন শহরে যৌথ ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। এই হামলার পর ইরান ও ইসরায়েল উভয় দেশই তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
চুক্তি করতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের আলোচনায় বড় সাফল্যের দাবি করেছিলেন মধ্যস্থতাকারী দেশ ওমানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বদর বিন হামাদ আল বুসাইদি। তবে এরইমধ্যে ইরানের বিভিন্ন স্থানে যৌথভাবে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র। হামলার পর তেহরানের প্রাণকেন্দ্রে তিনটি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা
১ ঘণ্টা আগে